ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কমিটিতে বিএনপি নেতার পছন্দের লোক বসাতে না পেরে প্রধান শিক্ষক বিকাশ দাশ লাঞ্ছিত
রাব্বানীর ছাত্রত্ব বাতিল, ২০১৯ সালের ডাকসুর জিএস রাশেদ খাঁন
যে কারণে এসএসসি পরীক্ষা পেছানো হলো
জুলাইবিরোধিতায় অভিযুক্ত ২৩১ শিক্ষকের একাডেমিক ফ্রিডম নিয়ে গোলটেবিল আলোচনা
ভোর ৬টা থেকে শুরু লোডশেডিং, দিনে পাঁচ দফায় বিদ্যুৎহীন থাকবে বুয়েট
শিবির নিয়ন্ত্রিত রাকসু তহবিলে বিপুল আর্থিক ঘাপলা: হদিস মিলছে না ব্যয়ের
ঢাবিতে জঙ্গি সংশ্লিষ্ট বক্তা আনার নেপথ্যে শিবির, অন্ধকারে হল কর্তৃপক্ষ
সাধারণ ছাত্ররূপী শিবির-ছাত্রদল সংঘর্ষের মাঝেই চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে ইবি’তে ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণা
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) শিবির ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে দিনব্যাপী উত্তেজনা ও সংঘর্ষের মধ্যেই একই দিনে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রসংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ তাদের ইবি শাখার নতুন কমিটি ঘোষণা করেছে।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ক্যাম্পাসের কাজী জুহায়ের হলের করিডোরে শিবিরের এক নেতাকে ছাত্রদলের এক কর্মী চড় মারলে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা যায়, চড় মারার সুনির্দিষ্ট কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। এরপর শিবিরের নেতাকর্মীরা অভিযুক্ত ছাত্রদল কর্মীকে তার কক্ষ থেকে বের করে আনতে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি হয়।
পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর, ছাত্র-উপদেষ্টা ও হল প্রভোস্টের উপস্থিতিতে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও আলোচনার একপর্যায়ে আবার উত্তেজনা তৈরি হয় এবং ছাত্রদল নেতারা
বৈঠক থেকে বেরিয়ে যান। অভিযোগ ওঠে, অভিযুক্তকে উদ্ধারের চেষ্টার সময় শিবির নেতাকর্মীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের গাড়িতে ভাঙচুর চালান। এরপর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা হল থেকে বেরিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে দেশীয় অস্ত্রসহ অবস্থান নেন। খবর পেয়ে স্থানীয় জামায়াতের নেতাকর্মীরা সেখানে উপস্থিত হলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এতে স্থানীয় জামায়াতের দুই কর্মী শহীদুল ও বাবলু আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ ও র্যাব মোতায়েন করা হয়। একই দিনে ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণা এই উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মধ্যেই শনিবার রাতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ইবি শাখা ছাত্রলীগের ২৮ সদস্যবিশিষ্ট নতুন আহ্বায়ক
কমিটি ঘোষণা করা হয়। রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের সাবেক শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান হাফিজকে এই কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কমিটির মেয়াদ শেষে সাংগঠনিক কার্যক্রম ও রাজনৈতিক সক্রিয়তা বিবেচনায় পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা এই কমিটি ঘোষণাকে ‘পাওয়ার ব্যালেন্স” হিসাবে দেখছেন। যেখানে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামী ছাত্র শিবির ও জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ক্ষমতার দ্বন্দ্ব প্রায়শই পত্রিকার শিরোনাম হচ্ছে, সেখানে বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরানো ও শক্তিশালী ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ এর নিষ্ক্রিয়তা ভেঙ্গে ক্যাম্পাসগুলোতে ছাত্র রাজনীতিতে অংশগ্রহণ দ্বন্দ্বের অবসান ঘটাবে এবং ইসলামিক ছাত্র শিবির ও ছাত্রদলকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিবে বলে মনে করছেন ছাত্র-ছাত্রীরা। প্রশাসনের বক্তব্য সংঘর্ষের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। উপাচার্য
অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান জানান, ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। তিনি বলেন, প্রতিবেদনের ভিত্তিতে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি ক্যাম্পাসে বহিরাগত প্রবেশ ঠেকাতে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। কুষ্টিয়া জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) ফয়সাল মাহমুদ জানান, একটি ইস্যুকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পুলিশ উভয় পক্ষের সঙ্গে কথা বলে ও অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে আনে বলে তিনি জানান। পরিস্থিতি যাতে পুনরায় উত্তপ্ত না হয়, সে জন্য পুলিশি অবস্থান অব্যাহত রাখা হয়েছে বলেও তিনি
উল্লেখ করেন।
বৈঠক থেকে বেরিয়ে যান। অভিযোগ ওঠে, অভিযুক্তকে উদ্ধারের চেষ্টার সময় শিবির নেতাকর্মীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের গাড়িতে ভাঙচুর চালান। এরপর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা হল থেকে বেরিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে দেশীয় অস্ত্রসহ অবস্থান নেন। খবর পেয়ে স্থানীয় জামায়াতের নেতাকর্মীরা সেখানে উপস্থিত হলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এতে স্থানীয় জামায়াতের দুই কর্মী শহীদুল ও বাবলু আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ ও র্যাব মোতায়েন করা হয়। একই দিনে ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণা এই উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মধ্যেই শনিবার রাতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ইবি শাখা ছাত্রলীগের ২৮ সদস্যবিশিষ্ট নতুন আহ্বায়ক
কমিটি ঘোষণা করা হয়। রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের সাবেক শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান হাফিজকে এই কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কমিটির মেয়াদ শেষে সাংগঠনিক কার্যক্রম ও রাজনৈতিক সক্রিয়তা বিবেচনায় পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা এই কমিটি ঘোষণাকে ‘পাওয়ার ব্যালেন্স” হিসাবে দেখছেন। যেখানে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামী ছাত্র শিবির ও জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ক্ষমতার দ্বন্দ্ব প্রায়শই পত্রিকার শিরোনাম হচ্ছে, সেখানে বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরানো ও শক্তিশালী ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ এর নিষ্ক্রিয়তা ভেঙ্গে ক্যাম্পাসগুলোতে ছাত্র রাজনীতিতে অংশগ্রহণ দ্বন্দ্বের অবসান ঘটাবে এবং ইসলামিক ছাত্র শিবির ও ছাত্রদলকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিবে বলে মনে করছেন ছাত্র-ছাত্রীরা। প্রশাসনের বক্তব্য সংঘর্ষের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। উপাচার্য
অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান জানান, ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। তিনি বলেন, প্রতিবেদনের ভিত্তিতে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি ক্যাম্পাসে বহিরাগত প্রবেশ ঠেকাতে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। কুষ্টিয়া জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) ফয়সাল মাহমুদ জানান, একটি ইস্যুকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পুলিশ উভয় পক্ষের সঙ্গে কথা বলে ও অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে আনে বলে তিনি জানান। পরিস্থিতি যাতে পুনরায় উত্তপ্ত না হয়, সে জন্য পুলিশি অবস্থান অব্যাহত রাখা হয়েছে বলেও তিনি
উল্লেখ করেন।



