ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
রাব্বানীর ছাত্রত্ব বাতিল, ২০১৯ সালের ডাকসুর জিএস রাশেদ খাঁন
যে কারণে এসএসসি পরীক্ষা পেছানো হলো
জুলাইবিরোধিতায় অভিযুক্ত ২৩১ শিক্ষকের একাডেমিক ফ্রিডম নিয়ে গোলটেবিল আলোচনা
ভোর ৬টা থেকে শুরু লোডশেডিং, দিনে পাঁচ দফায় বিদ্যুৎহীন থাকবে বুয়েট
শিবির নিয়ন্ত্রিত রাকসু তহবিলে বিপুল আর্থিক ঘাপলা: হদিস মিলছে না ব্যয়ের
ঢাবিতে জঙ্গি সংশ্লিষ্ট বক্তা আনার নেপথ্যে শিবির, অন্ধকারে হল কর্তৃপক্ষ
শিক্ষকদের জন্য স্বতন্ত্র পে স্কেলের কথা জানালেন শিক্ষামন্ত্রী
কমিটিতে বিএনপি নেতার পছন্দের লোক বসাতে না পেরে প্রধান শিক্ষক বিকাশ দাশ লাঞ্ছিত
চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলায় বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি পদে নিজেদের পছন্দের লোক বসাতে না পেরে বাজালিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিল্টন বিকাশ দাশকে দিনদুপুরে প্রকাশ্যে টমটম থেকে টেনেহিঁচড়ে নামিয়ে, মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় বিএনপি নেতা তসলিম উদ্দিন ও তার ভাই মহিউদ্দিনের নেতৃত্বে এই তাণ্ডব চালানো হয়েছে বলে ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
অভিযোগের বিবরণে জানা যায়, সম্প্রতি বাজালিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা পরিষদের এডহক কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়। প্রস্তাবিত পদের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে নিজেদের বলয়ের লোক বসানোর জন্য প্রধান শিক্ষকের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছিল।
এর জের ধরে গত ২৭শে আগস্ট রাত আনুমানিক ৯টার দিকে
‘মাছ লিটন’ নামের এক ব্যক্তির নেতৃত্বে একদল সশস্ত্র লোক প্রধান শিক্ষক মিল্টন বিকাশ দাশের বাড়িতে চড়াও হয়। প্রায় ঘণ্টাখানেক সেখানে অবস্থান নিয়ে তাকে ‘মৃত্যুর হুলিয়া’ জারি করে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে বাড়ি ছাড়তে বাধ্য করা হয়। এর পরদিন ২৮শে আগস্ট সকাল সাড়ে ৯টার দিকে প্রধান শিক্ষক যখন কর্মস্থলে যাচ্ছিলেন, তখন মাঝপথে তার চলন্ত টমটম গাড়িটি আটকে দেন বিএনপি নেতা তসলিম ও তার ছোট ভাই মহিউদ্দিন। গাড়ির চালক আহমেদ শফি জানান, “আমি বাজালিয়া স্কুলের প্রধান শিক্ষককে নিয়ে যাচ্ছিলাম। মাঝপথে তসলিম ও তার ভাই মহিউদ্দিন গাড়ি থেকে তাকে নামান এবং ফোন কেড়ে নেন।” রাস্তায় চরম হেনস্তার পর অভিযুক্তরা দলবল নিয়ে খোদ বিদ্যালয়ে গিয়েও প্রধান শিক্ষকের কক্ষে
চড়াও হওয়ার চেষ্টা করে। তবে স্থানীয় অধিবাসী ও অভিভাবকদের তীব্র প্রতিরোধের মুখে তারা পিছু হটতে বাধ্য হয়। প্রধান শিক্ষক মিল্টন বিকাশ দাশ অভিযোগ করেন, প্রস্তাবিত এডহক কমিটির সভাপতির দৌড়ে থাকা আব্দুল ওয়াহাবের ইন্ধনেই তসলিম ও তার ভাই এই হামলা চালিয়েছেন। এই ওয়াহাবের পক্ষে সুপারিশ করেছিলেন চট্টগ্রাম-১৪ আসনের সংসদ সদস্য জসিম উদ্দিন আহমেদ। এছাড়াও সংসদ সদস্যের এপিএস আসলাম দফায় দফায় প্রধান শিক্ষককে হুমকি দিয়ে আসছিলেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে আড়াই মাসের জন্য এডহক কমিটির দায়িত্বে থাকা আব্দুল ওয়াহাবকে শিক্ষক ও অভিভাবকদের চরম অসন্তোষের মুখে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এবারও সভাপতি পদে বসতে মরিয়া হয়েই তিনি এই পথ বেছে নিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার পর শিক্ষক সমাজের
নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থতিতে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ইদ্রিস মিয়া জানান, “সুশিক্ষিত জাতি গঠনে শিক্ষকদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। প্রধান শিক্ষককে প্রকাশ্যে হেনস্তার বিষয়টি যদি সত্য হয়ে থাকে, তবে ওই শিক্ষকের দ্রুত আইনের আশ্রয় নেওয়া উচিত।” ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
‘মাছ লিটন’ নামের এক ব্যক্তির নেতৃত্বে একদল সশস্ত্র লোক প্রধান শিক্ষক মিল্টন বিকাশ দাশের বাড়িতে চড়াও হয়। প্রায় ঘণ্টাখানেক সেখানে অবস্থান নিয়ে তাকে ‘মৃত্যুর হুলিয়া’ জারি করে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে বাড়ি ছাড়তে বাধ্য করা হয়। এর পরদিন ২৮শে আগস্ট সকাল সাড়ে ৯টার দিকে প্রধান শিক্ষক যখন কর্মস্থলে যাচ্ছিলেন, তখন মাঝপথে তার চলন্ত টমটম গাড়িটি আটকে দেন বিএনপি নেতা তসলিম ও তার ছোট ভাই মহিউদ্দিন। গাড়ির চালক আহমেদ শফি জানান, “আমি বাজালিয়া স্কুলের প্রধান শিক্ষককে নিয়ে যাচ্ছিলাম। মাঝপথে তসলিম ও তার ভাই মহিউদ্দিন গাড়ি থেকে তাকে নামান এবং ফোন কেড়ে নেন।” রাস্তায় চরম হেনস্তার পর অভিযুক্তরা দলবল নিয়ে খোদ বিদ্যালয়ে গিয়েও প্রধান শিক্ষকের কক্ষে
চড়াও হওয়ার চেষ্টা করে। তবে স্থানীয় অধিবাসী ও অভিভাবকদের তীব্র প্রতিরোধের মুখে তারা পিছু হটতে বাধ্য হয়। প্রধান শিক্ষক মিল্টন বিকাশ দাশ অভিযোগ করেন, প্রস্তাবিত এডহক কমিটির সভাপতির দৌড়ে থাকা আব্দুল ওয়াহাবের ইন্ধনেই তসলিম ও তার ভাই এই হামলা চালিয়েছেন। এই ওয়াহাবের পক্ষে সুপারিশ করেছিলেন চট্টগ্রাম-১৪ আসনের সংসদ সদস্য জসিম উদ্দিন আহমেদ। এছাড়াও সংসদ সদস্যের এপিএস আসলাম দফায় দফায় প্রধান শিক্ষককে হুমকি দিয়ে আসছিলেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে আড়াই মাসের জন্য এডহক কমিটির দায়িত্বে থাকা আব্দুল ওয়াহাবকে শিক্ষক ও অভিভাবকদের চরম অসন্তোষের মুখে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এবারও সভাপতি পদে বসতে মরিয়া হয়েই তিনি এই পথ বেছে নিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার পর শিক্ষক সমাজের
নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থতিতে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ইদ্রিস মিয়া জানান, “সুশিক্ষিত জাতি গঠনে শিক্ষকদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। প্রধান শিক্ষককে প্রকাশ্যে হেনস্তার বিষয়টি যদি সত্য হয়ে থাকে, তবে ওই শিক্ষকের দ্রুত আইনের আশ্রয় নেওয়া উচিত।” ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।



