নেপালে বন্যায় প্রাণহানি-নিখোঁজের তথ্য প্রকাশ পেলেও চীনের চিত্র এখনও অস্পষ্ট – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৩১ August, ২০২৬

নেপালে বন্যায় প্রাণহানি-নিখোঁজের তথ্য প্রকাশ পেলেও চীনের চিত্র এখনও অস্পষ্ট

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৩১ August, ২০২৬ |
হিমালয়ের কোলঘেঁষা তিব্বতে ভয়াবহ বন্যা ও কাদাধসে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলেও দুর্যোগের প্রকৃত চিত্র এখনও স্পষ্ট নয়। চীনের পক্ষ থেকে হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির যে তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিশ্লেষকরা। একই সীমান্তের নেপাল অংশে বিপর্যয়ের ব্যাপকতা দ্রুত প্রকাশ পেলেও তিব্বতের পরিস্থিতি সম্পর্কে তথ্য আসছে তুলনামূলকভাবে ধীরে। সীমান্তবর্তী গিরং বন্দরের আশপাশে বন্যার ভয়াবহ স্রোতের বেশ কিছু ভিডিও আন্তর্জাতিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে এসব দৃশ্য ও ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত চিত্র খুব সীমিতভাবে প্রকাশিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিব্বতে তথ্যপ্রবাহের ওপর চীনা সরকারের কঠোর নিয়ন্ত্রণের কারণে দুর্গত এলাকার প্রকৃত পরিস্থিতি স্বাধীনভাবে যাচাই করা কঠিন হয়ে পড়েছে। হিমালয়ের সীমান্তবর্তী অঞ্চলজুড়ে বন্যায়

নেপাল ও চীনের তিব্বতের বহু গ্রাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নেপালে সরকারি হিসাবে মৃতের সংখ্যা ৯ শতাধিক এবং নিখোঁজ রয়েছেন সাড়ে চার হাজারের বেশি মানুষ। অন্যদিকে, চীনের পক্ষ থেকে তিব্বতে মৃত ১৬ জন এবং নিখোঁজ ৫৪৬ জনের তথ্য জানানো হয়েছে। তবে গিরং সীমান্ত ক্রসিংয়ের আশপাশের এলাকায় কয়েক হাজার মানুষের বসবাস হওয়ায় প্রকাশিত এই সংখ্যা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। নেপালে সরেজমিনে বিপর্যয়ের চিত্র নেপালে দুর্যোগের পরপরই সাংবাদিকেরা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার কাছাকাছি পৌঁছে স্থানীয় বাসিন্দা, বেঁচে যাওয়া মানুষ ও উদ্ধারকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেছেন। তাদের বর্ণনায় ঘরবাড়ি ও জনপদ ভেসে যাওয়ার ভয়াবহ চিত্র সামনে এসেছে। বিজ্ঞানীরা আকস্মিক এই বন্যার সঠিক কারণ নিয়ে এখনও গবেষণা করছেন। তবে প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য ও সরেজমিন প্রতিবেদনের

মাধ্যমে নেপালে দুর্যোগের ব্যাপকতার একটি ধারণা দ্রুত পাওয়া গেছে। তিব্বতের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি ভিন্ন। চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম বন্যা নিয়ে প্রতিবেদন ও সরাসরি সম্প্রচার করলেও সেখানে মূলত উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বা স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিজ্ঞতা তুলনামূলকভাবে কম উঠে এসেছে। তিব্বতের একটি ত্রাণকেন্দ্র থেকে সম্প্রচারিত এক প্রতিবেদনে সাংবাদিকের পেছনে বেশ কয়েকজন মানুষকে বসে থাকতে দেখা যায়। তবে তাদের কারও সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায়নি। তিব্বতে তথ্যপ্রবাহে কঠোর নিয়ন্ত্রণ ১৯৫০-এর দশকে চীনের নিয়ন্ত্রণে আসার পর থেকেই তিব্বত দেশটির অন্যতম স্পর্শকাতর ও কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত অঞ্চল হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। তিব্বতে অধিকতর স্বায়ত্তশাসন ও ধর্মীয় স্বাধীনতার দাবিতে অতীতে বিভিন্ন সময়ে বিক্ষোভ হয়েছে। এসব আন্দোলন চীনা কর্তৃপক্ষ

কঠোরভাবে দমন করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। আন্তর্জাতিক সাংবাদিকদেরও তিব্বতে স্বাধীনভাবে যাওয়ার সুযোগ সীমিত। সাধারণত সরকারি ব্যবস্থাপনায় নির্দিষ্ট ও নিয়ন্ত্রিত সফরের মাধ্যমে বিদেশি সাংবাদিকদের সেখানে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর অভিযোগ, তিব্বতিদের বাইরের বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগও নানা বিধিনিষেধের মধ্যে রয়েছে। সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার কারণেও স্থানীয়দের শাস্তির মুখে পড়ার আশঙ্কা থাকে বলে দাবি করেছেন মানবাধিকারকর্মীরা। এমন পরিস্থিতিতে দুর্গম সীমান্তবর্তী এলাকায় আকস্মিক বন্যার প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতি স্বাধীনভাবে যাচাই করা আরও কঠিন হয়ে পড়েছে। ‘তিব্বত নিয়ে সবকিছু জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়’ লন্ডনের সোয়াস ইউনিভার্সিটির চায়না ইনস্টিটিউটের পরিচালক স্টিভ স্যাংয়ের মতে, তিব্বতকে ঘিরে যেকোনো তথ্য চীনে জাতীয় নিরাপত্তার দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করা হয়। তার মতে, তিব্বত নিয়ে শীর্ষ পর্যায় থেকে অনুমোদন

ছাড়া কোনো তথ্য প্রকাশ বা প্রতিবেদন করার সুযোগ নেই। স্টিভ স্যাংয়ের বক্তব্য অনুযায়ী, ঘটনাস্থলে কেউ সরকারি হিসাবে প্রকাশিত সংখ্যার চেয়ে বেশি মরদেহ দেখলেও সরকারি সংখ্যা পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত সেই অতিরিক্ত প্রাণহানির তথ্য প্রকাশ করা কঠিন। এর ফলে তিব্বতে প্রকৃত হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির একটি পূর্ণাঙ্গ চিত্র আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামনে আসছে না বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। উদ্ধার তৎপরতার তথ্যও সীমিত তথ্যপ্রবাহের সীমাবদ্ধতার কারণে তিব্বতে চীনের উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতার বিস্তারিত চিত্রও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খুব বেশি পাওয়া যাচ্ছে না। চীন ইতোমধ্যে শত শত জরুরি সেবাকর্মীকে দুর্গত এলাকায় পাঠিয়েছে। দেশটির জরুরি সেবা ব্যবস্থাপনায় বিপুল সম্পদ ও সক্ষমতা রয়েছে। তবে উদ্ধারকাজ কীভাবে পরিচালিত হচ্ছে এবং কত মানুষকে উদ্ধার করা

হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশিত হয়নি। স্টিভ স্যাংয়ের মতে, নিজেদের উদ্ধার সক্ষমতা ও তৎপরতার ইতিবাচক দিক তুলে ধরার একটি সুযোগ চীন হারাচ্ছে। তার ভাষায়, সমস্যাটি সক্ষমতার অভাব নয়; বরং তথ্য নিয়ন্ত্রণের প্রবল প্রবণতা। বেইজিংয়ের তৎপরতা তবে বন্যা মোকাবিলায় চীন যে বিষয়টিকে গুরুত্ব দিচ্ছে, তা সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপে স্পষ্ট। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং একটি বৈঠকে সভাপতিত্ব করে উদ্ধারকাজ জোরদারের নির্দেশ দেন। চীন ও বিদেশি নাগরিকদের মধ্যে যারা নিখোঁজ রয়েছেন, তাদের সন্ধানে ‘সর্বাত্মক প্রচেষ্টা’ চালানোর আহ্বান জানান তিনি। দুর্গত এলাকা পরিদর্শনের জন্য দেশটির প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংকেও সেখানে পাঠানো হয়েছে। চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লি কিয়াং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের

সঙ্গে বৈঠকে দুর্যোগকবলিত মানুষের পরিস্থিতি নিয়ে শি জিনপিংয়ের উদ্বেগের কথা তুলে ধরেন। তথ্যের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন চীনের পক্ষ থেকে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমের ওপর জোর দেওয়া হলেও হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ না করায় প্রশ্ন উঠছে। একই সীমান্তের নেপাল অংশে সাংবাদিক, স্থানীয় বাসিন্দা ও উদ্ধারকর্মীদের বর্ণনায় যখন বিপর্যয়ের ব্যাপকতা দ্রুত সামনে আসছে, তখন তিব্বতের পরিস্থিতি তুলনামূলকভাবে অস্পষ্ট। প্রকৃতপক্ষে তিব্বতে কত মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, কতজন নিখোঁজ এবং অবকাঠামোর কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে-এসব প্রশ্নের পূর্ণাঙ্গ উত্তর এখনও পাওয়া যায়নি। বিশ্লেষকদের মতে, দুর্গম ভূপ্রকৃতি ও প্রতিকূল আবহাওয়া উদ্ধারকাজকে কঠিন করে তুললেও তথ্যপ্রবাহের ওপর নিয়ন্ত্রণ পরিস্থিতির স্বাধীন মূল্যায়নকে আরও জটিল করে তুলেছে। ফলে তিব্বতের বন্যায় প্রকৃত মানবিক ক্ষয়ক্ষতির চিত্র জানতে আরও তথ্যের অপেক্ষা করতে হচ্ছে। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান, বিবিসি

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
নূর আলম ও আদম, দুই ভিন্ন পথের মানুষ বন্ধ এলএনজি টার্মিনাল পুনরায় চালু, গ্যাস সরবরাহ বাড়ছে পাঠ্যবইয়ের কাগজে টনপ্রতি ২২ হাজার টাকার কারসাজি: সিন্ডিকেট হাতিয়ে নিল ৫৫ কোটি টাকা শতাধিক খাম্বা রেখেই সড়কের ৯৫% সম্পন্ন, উদ্বোধনের আগে আবার কাটতে হবে রাস্তা? শহিদ ধীরেন্দ্রনাথের বাড়ির সাইনবোর্ড ভাঙচুর এনসিপির: মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে হঠাৎ তাদের এই দরদের নেপথ্যে কী? সিলেট হৃদয়ের মহাকাব্যিক ২৪২*, অবিশ্বাস্যভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের লিড আরেক দফা বাড়ল সবধরনের চালের দাম দেশে এলপিজির মোট চাহিদার ৮৫ শতাংশই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একক দখলে জিয়ার ছবিহীন ব্যানার, বঙ্গবন্ধুকে ‘জাতির পিতা’ আখ্যা: পরে স্কচটেপ দিয়ে জিয়ার ছবি লাগিয়ে অনুষ্ঠান সুনামগঞ্জে ৭ নভেম্বরের অনুষ্ঠান উপলক্ষে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ গার্ড অব অনার ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন, ক্ষুব্ধ স্বজনরা ২০৩০ সালের মধ্যে ঢাকায় দুটি মনোরেল রুট নির্মাণের পরিকল্পনা ঢাকার মিরপুরে নিজ বাসায় এক যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ফেসবুক ও এক্সে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হয়েছে। একজন নারীর পিঠে আঘাতের চিহ্ন থাকা ছবি ব্যবহার করে এই দাবিটি ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। অর্ধশতাধিক অ্যাকাউন্ট থেকে একই ধরনের তথ্য প্রচারের বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। বিজ্ঞাপন শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দিনভর ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়, ওই নারী থানায় অভিযোগ জানাতে গিয়ে ওসির সঙ্গে কথোপকথনে লিপ্ত হন। তবে পোস্টগুলোতে ঘটনার কোনো নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করা হয়নি। যাচাইয়ে ছবিটিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে এবং পুলিশ জানিয়েছে, এমন কোনো অভিযোগ তাদের কাছে আসেনি। এছাড়া ওই নারীর পরিচয় বা অস্তিত্বও এখন পর্যন্ত কোথাও পাওয়া যায়নি। ছবিটি পোস্ট করা তিন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা কেউই নির্যাতনের শিকার ওই নারীর ঠিকানা বা থানায় দেওয়া অভিযোগের অনুলিপি দিতে পারেননি। তারা স্বীকার করেছেন যে, তারা অন্যের পোস্ট কপি করে নিজেদের অ্যাকাউন্টে দিয়েছেন এবং ঘটনার বিস্তারিত কিছুই জানেন না। পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়েছে, মিরপুর থানা যুব মহিলা লীগের ‘সংগঠক’ শ্রীময়ী রীতা রানীকে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় ও ধর্মের কারণে বাসায় ঢুকে পাশবিক নির্যাতন করা হয়েছে। মারধরে তাঁর শরীর রক্তাক্ত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়। কিছু পোস্টে ফিরোজ নামের এক ব্যক্তিকে এই নির্যাতনের জন্য দায়ী করা হয়েছে, তবে তাঁর পরিচয় নিয়ে পোস্টগুলোতে অসংগতি রয়েছে। কোথাও বলা হয়েছে তিনি মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়কের নির্দেশে এই কাজ করেছেন, আবার কোথাও তাঁকে থানা কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পোস্টদাতাদের দাবি অনুযায়ী, ওই নারী থানায় অভিযোগ করতে গেলে ওসি তাঁকে সৌন্দর্যই তাঁর ‘কাল’ বলে মন্তব্য করেন এবং বোরকা পরার পরামর্শ দেন। এ ধরনের অভিযোগ তুলে পোস্টগুলোতে সংখ্যালঘু সুরক্ষা ও নারী নিরাপত্তাসহ নারীবাদীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোর মধ্যে প্রথম তথ্য পাওয়া যায় শুক্রবার বেলা ১১টা ৫৯ মিনিটে ‘এফ কে জয় জয়’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে। পরবর্তীতে ‘মুকুল আহমেদ’ ও ‘সুমন মল্লিক’ নামের আরও দুটি প্রোফাইল থেকে একই পোস্ট দেওয়া হয়, যেগুলোর আগের পোস্ট পর্যালোচনা করে দেখা যায় সেগুলো নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে নিয়মিত প্রচার চালায়। বিকেল ৪টা ৪৮ মিনিটে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন নিজের ফেসবুক পেজে ছবিটি পোস্ট করলে তাতে রাত আটটা পর্যন্ত প্রায় চার হাজার প্রতিক্রিয়া পড়ে। এক্সেও ‘Dr Baidyanath Ghosh’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে ছবিটি ছড়ানো হয়, যা রাত নয়টা পর্যন্ত ১ লাখ ৪৮ হাজার বার দেখা হয়েছে। ছবিটি ছড়িয়ে পড়লে জনমনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয় এবং অনেকে সত্যতা জানতে চেয়ে যোগাযোগ করেন। ছবিটি যাচাইয়ের জন্য সিন্থআইডি, ওপেনএআইয়ের এআই-জেনারেটেড কনটেন্ট যাচাইয়ের টুল ও হাইভ মডারেশন ব্যবহার করা হয়েছে। সব টুলই নিশ্চিত করেছে যে ছবিটি তৈরিতে এআই প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছে। এর সূত্র খুঁজতে গিয়ে প্রায় এক মাস আগের ভারতের কেরালায় এক নববধূকে নির্যাতনের ঘটনার ছবির সঙ্গে মিল পাওয়া গেছে, যা সম্পাদনা করে এই নতুন ছবিটি তৈরি করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া যুব মহিলা লীগের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, তাদের সংগঠনে ‘সংগঠক’ নামে কোনো পদ নেই। মিরপুর থানার ওসি মো. হাফিজুর রহমান সন্ধ্যায় জানান, তাঁর থানা এলাকায় এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি এবং কোনো নারী অভিযোগ নিয়ে থানায় আসেননি। এছাড়া মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) হাসান মোহাম্মদ নাসের রিকাবদার জানিয়েছেন, তাঁর বিভাগের অধীন কোনো থানায় এমন কোনো মামলা বা অভিযোগ জমা পড়েনি। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযুক্ত হিসেবে নাম আসা মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি ফিরোজ আহমেদ বলেন, ‘এমন কোনো বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। তাঁকে চিনিও না। এলাকায় এমন নামে কেউ আছেন, আবার তিনি যুব মহিলা লীগ করেন—এমন শুনিওনি। কেউ বলতেও পারছেন না। অনেক পুলিশ কর্মকর্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার লোকেরাও আমাকে ফোন দিয়েছেন।’ যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের দাবি: এআই ব্যবহারের প্রমাণ ও নারীর খোঁজ মেলেনি হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ হিসেবে স্টিফেন মিলারকে বেছে নিলেন ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তার প্রিন্স হ্যারির শ্বশুর টমাস মার্কেল চীনের অতি গোপনীয় স্পেসপ্লেনের ছবি প্রকাশ করল যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মক্তব শিক্ষক গ্রেপ্তার সব অন্যায় ও গুম-খুনের বিচার করতে আমরা বদ্ধপরিকর: আইনমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের