জুলাইবিরোধিতায় অভিযুক্ত ২৩১ শিক্ষকের একাডেমিক ফ্রিডম নিয়ে গোলটেবিল আলোচনা – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৯ August, ২০২৬

জুলাইবিরোধিতায় অভিযুক্ত ২৩১ শিক্ষকের একাডেমিক ফ্রিডম নিয়ে গোলটেবিল আলোচনা

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৯ August, ২০২৬ |
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদে গতকাল ‘একাডেমিক ফ্রিডম ইন বাংলাদেশ: স্ট্যাটাস, নেচার অ্যান্ড চ্যালেঞ্জেস’ শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনার আয়োজন করা হয়েছে। দুপুর ৩টা থেকে ৬টা পর্যন্ত অনুষদের ৭০৩ নম্বর কক্ষে অনুষ্ঠিত এই আলোচনায় পাঁচটি গবেষণাপত্র উপস্থাপনের কথা রয়েছে। সভাপতিত্ব করছেন গীতিয়ারা নাসরীন। আয়োজক হিসেবে রয়েছে আইআইই (দ্য পাওয়ার অব ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন) এবং সোশ্যাল সায়েন্টিস্টস অ্যাসোসিয়েশন (এসএসএ)। উপস্থাপিত গবেষনাপত্র গুলোর মধ্যে রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনায় আইন-রাজনীতি ও একাডেমিক স্বাধীনতা, ২০১৪-২০২৫ সময়ে কর্তৃত্ববাদী শাসনে শিক্ষকদের নীরব করা ও সংগঠিত করা, অভিযোগ নিষ্পত্তির কার্যকর ব্যবস্থা, উচ্চশিক্ষায় নয়া-উদারনীতির প্রভাব এবং দক্ষিণ এশিয়ার প্রেক্ষাপটে ছাত্ররাজনীতি ও একাডেমিক স্বাধীনতা। তবে এই আলোচনা নিয়েই উঠছে তীব্র প্রশ্ন। সমালোচকরা বলছেন, যারা ২৪’এর

জুলাই ছাত্র আন্দোলনের বিরোধিতা করেছিলেন এবং আওয়ামী লীগ সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা থাকার অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৩১ জন শিক্ষকের তালিকা তৈরি করে বিতাড়ন ও তদন্তের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন, তারাই এখন ‘একাডেমিক ফ্রিডম’ নিয়ে কথা বলছেন। বিবিসি বাংলার এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের পর নতুন প্রশাসনের অধীনে অনেক শিক্ষককে ‘আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ’ বা আন্দোলনবিরোধী অবস্থানের কারণে তালিকাভুক্ত করা হয় এবং অনেককে চাকরি হারাতে হয় বা তদন্তের মুখে পড়তে হয়। সমালোচকদের যুক্তি—যখন শিক্ষকদের মতপ্রকাশের কারণে চাকরি চলে যায় এবং তালিকা করে তদন্ত শুরু হয়, তখন সেই প্রক্রিয়াকে যারা সমর্থন বা স্বীকৃতি দিয়েছেন, তারা কী ধরনের একাডেমিক স্বাধীনতার কথা বলছেন? একজন বিশ্ববিদ্যালয়

শিক্ষক (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) বলেন, “একাডেমিক ফ্রিডম মানে শুধু নিজের মত প্রকাশের অধিকার নয়। যখন অন্যের মতপ্রকাশের দাম চাকরি হারানো হয়, তখন সেই স্বাধীনতার দাবি নিজেদের জন্য কতটা সৎ, তা প্রশ্নসাপেক্ষ।” আরেকজন শিক্ষার্থী নেতা বলেন, “যারা আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের পাশে না দাঁড়িয়ে বিপরীত অবস্থান নেয়ার কারনে মব ও লাঞ্চনার শিকার হয়েছেন, চাকরী হারিয়েছেন, সেখানে এখন একাডেমিক স্বাধীনতার আলোচনা হচ্ছে—এটা দেখতে হাস্যকর লাগছে।” অন্যদিকে আয়োজক পক্ষের কেউ কেউ বলছেন, একাডেমিক স্বাধীনতার আলোচনা যেকোনো সময় প্রয়োজনীয় এবং অতীতের রাজনৈতিক অবস্থান দিয়ে আজকের আলোচনাকে বাতিল করা যায় না। তবে এখন পর্যন্ত আয়োজকদের পক্ষ থেকে এই সমালোচনার সরাসরি কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। পর্যবেক্ষকরা মনে করেন, একাডেমিক স্বাধীনতার

আলোচনা সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু সেই আলোচনা তখনই অর্থবহ হয় যখন তা নিরপেক্ষ ও সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়—অর্থাৎ যখন নিজের মতপ্রকাশের অধিকার যেমন দাবি করা হয়, তেমনি বিরোধী মতপ্রকাশকারীদেরও একই মানদণ্ডে বিচার করা হয়। অন্যথায় এটি কেবল নিজেদের অবস্থানকে বৈধতা দেওয়ার একতরফা প্রয়াস হয়ে ওঠে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ব্যাংক হিসাব জব্দের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ব্যক্তিরা ব্যাংক দেউলিয়া হওয়ার বিতর্কে পদত্যাগ করলেন প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্ট ম্যাককেনা অতিরিক্ত যৌন আবেদনময় দৃশ্যে অভিনয় করতে চান না গ্রিন ডেল্টাসহ দুই কোম্পানির মেরিন কার্গো বিমা বিক্রিতে ৩ মাসের নিষেধাজ্ঞা নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার, মামলায় ৪২ জনের নাম উল্লেখসহ ৩৪২ জন আসামি মিরপুরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা গ্রেপ্তার, ২০টি ককটেল উদ্ধার পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে কারখানা বন্ধের ইঙ্গিত মালিকদের ইসলামী বক্তা ও জামায়াতের সাংসদ আমির হামজার নারীঘটিত অডিও-ভিডিও পাওয়ার দাবি রাশেদ খাঁনের পোশাক শ্রমিক নির্যাতন আড়াল করতে পারেনি সরকার, পুলিশি নির্যাতন ও রাজনীতিকরণে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর উদ্বেগ হামলা বন্ধে সৌদি’র ১ বিলিয়ন ডলার প্রস্তাব; জবাবে হুথিদের ৫১ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ ও ইয়েমেনের শাসনভার দাবি জাঙ্গুর সেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দিন জাঙ্গুর সেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দিন সাফে ভারতের অনূর্ধ্ব-২৩ দলের কাছেই পাত্তা পেল না পাকিস্তান শ্রমিক অসন্তোষে স্থবির দেশের প্রধান রপ্তানি খাত: বড় সংকটের মুখে তৈরি পোশাকশিল্প বীর মুক্তিযোদ্ধার জানাজা ও দাফনে জামায়াত-শিবিরের বাধার ঘটনার প্রতিবাদে শৈলকুপায় মানববন্ধন ইউনূস আমলে হামের টিকার অনিয়ম তদন্তে কমিশন গঠন মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের চলমান আন্দোলনের জের ধরে সাভার ও আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে আবারও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আজ ৫ই নভেম্বর, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই এই অঞ্চলের একাধিক পোশাক কারখানায় শ্রমিকেরা কাজ বন্ধ রেখে কর্মবিরতি পালন করছেন। একপর্যায়ে পুলিশের রক্তচক্ষু ও বাধা উপেক্ষা করে হাজারো শ্রমিক রাজপথে নেমে এলে পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি তৈরি হয়। সকালে সাভার ও আশুলিয়ার গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চলের কারখানাগুলোতে শ্রমিকেরা যথারীতি উপস্থিত হলেও তারা উৎপাদন প্রক্রিয়ায় অংশ না নিয়ে কর্মবিরতির ডাক দেন। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সার্বিক নিরাপত্তাশঙ্কা দেখা দিলে বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের জামগড়া, নিশ্চিন্তপুর ও নরসিংহপুর এলাকার একাধিক পোশাক কারখানা কর্তৃপক্ষ কারখানাগুলোতে ছুটি ঘোষণা করতে বাধ্য হয়। কাঠগড়া এলাকার একটি বিশিষ্ট শিল্পগ্রুপের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং সার্বিক নিরাপত্তা বিবেচনায় এই অঞ্চলের অধিকাংশ কারখানাতেই ইতিমধ্যে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিছু কারখানায় শ্রমিকেরা ভেতরে থাকলেও তারা উৎপাদন কাজ বন্ধ রেখেছেন। সকাল ১০টার পর আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুর এলাকায় পরিস্থিতি মোড় নেয় নতুন দিকে। সেখানকার কয়েকটি কারখানার শ্রমিকেরা এক জোট হয়ে সড়কে অবস্থান নেন এবং মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে বাধা দিলে তৈরি হয় মুখোমুখি অবস্থান, যা এলাকায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি করে। পরে শ্রমিকেরা পুলিশের সে বাধা তোয়াক্কা না করেই একযোগে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন এবং জামগড়ার দিকে অগ্রসর হতে থাকেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাভারের হেমায়েতপুর, উলাইল, পদ্মার মোড় এবং আশুলিয়ার বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের বিভিন্ন কৌশলগত ও সংবেদনশীল পয়েন্টে পুলিশ ছাড়াও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। বিক্ষোভরত শ্রমিকদের গতিবিধির ওপর নজর রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাদের কাছাকাছি অবস্থানে থেকে সতর্ক টহল দিচ্ছেন। নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে, সে জন্য পুরো শিল্পাঞ্চলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ট্রাম্প ত্রিপুরায় বিএসএফের ওপর স্থানীয় বাসিন্দাদের হামলা, ৩ আহত, ৯ গ্রেপ্তার তাহসিফ হত্যায় দীপকে তৃতীয় দফায় রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন পুলিশের