ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ভোর ৬টা থেকে শুরু লোডশেডিং, দিনে পাঁচ দফায় বিদ্যুৎহীন থাকবে বুয়েট
শিবির নিয়ন্ত্রিত রাকসু তহবিলে বিপুল আর্থিক ঘাপলা: হদিস মিলছে না ব্যয়ের
ঢাবিতে জঙ্গি সংশ্লিষ্ট বক্তা আনার নেপথ্যে শিবির, অন্ধকারে হল কর্তৃপক্ষ
শিক্ষকদের জন্য স্বতন্ত্র পে স্কেলের কথা জানালেন শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষকদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার মনিটরিংয়ে কমিটি, স্ক্রিনশট পাঠাতে হবে মাউশিতে
ঢাবির ফজলুল হক হলে ছাত্রদল-শিবিরের হাতাহাতি
একাদশের ভর্তি নীতিমালা চূড়ান্ত করতে কমিটি
জুলাইবিরোধিতায় অভিযুক্ত ২৩১ শিক্ষকের একাডেমিক ফ্রিডম নিয়ে গোলটেবিল আলোচনা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদে গতকাল ‘একাডেমিক ফ্রিডম ইন বাংলাদেশ: স্ট্যাটাস, নেচার অ্যান্ড চ্যালেঞ্জেস’ শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনার আয়োজন করা হয়েছে। দুপুর ৩টা থেকে ৬টা পর্যন্ত অনুষদের ৭০৩ নম্বর কক্ষে অনুষ্ঠিত এই আলোচনায় পাঁচটি গবেষণাপত্র উপস্থাপনের কথা রয়েছে।
সভাপতিত্ব করছেন গীতিয়ারা নাসরীন। আয়োজক হিসেবে রয়েছে আইআইই (দ্য পাওয়ার অব ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন) এবং সোশ্যাল সায়েন্টিস্টস অ্যাসোসিয়েশন (এসএসএ)।
উপস্থাপিত গবেষনাপত্র গুলোর মধ্যে রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনায় আইন-রাজনীতি ও একাডেমিক স্বাধীনতা, ২০১৪-২০২৫ সময়ে কর্তৃত্ববাদী শাসনে শিক্ষকদের নীরব করা ও সংগঠিত করা, অভিযোগ নিষ্পত্তির কার্যকর ব্যবস্থা, উচ্চশিক্ষায় নয়া-উদারনীতির প্রভাব এবং দক্ষিণ এশিয়ার প্রেক্ষাপটে ছাত্ররাজনীতি ও একাডেমিক স্বাধীনতা।
তবে এই আলোচনা নিয়েই উঠছে তীব্র প্রশ্ন। সমালোচকরা বলছেন, যারা ২৪’এর
জুলাই ছাত্র আন্দোলনের বিরোধিতা করেছিলেন এবং আওয়ামী লীগ সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা থাকার অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৩১ জন শিক্ষকের তালিকা তৈরি করে বিতাড়ন ও তদন্তের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন, তারাই এখন ‘একাডেমিক ফ্রিডম’ নিয়ে কথা বলছেন। বিবিসি বাংলার এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের পর নতুন প্রশাসনের অধীনে অনেক শিক্ষককে ‘আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ’ বা আন্দোলনবিরোধী অবস্থানের কারণে তালিকাভুক্ত করা হয় এবং অনেককে চাকরি হারাতে হয় বা তদন্তের মুখে পড়তে হয়। সমালোচকদের যুক্তি—যখন শিক্ষকদের মতপ্রকাশের কারণে চাকরি চলে যায় এবং তালিকা করে তদন্ত শুরু হয়, তখন সেই প্রক্রিয়াকে যারা সমর্থন বা স্বীকৃতি দিয়েছেন, তারা কী ধরনের একাডেমিক স্বাধীনতার কথা বলছেন? একজন বিশ্ববিদ্যালয়
শিক্ষক (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) বলেন, “একাডেমিক ফ্রিডম মানে শুধু নিজের মত প্রকাশের অধিকার নয়। যখন অন্যের মতপ্রকাশের দাম চাকরি হারানো হয়, তখন সেই স্বাধীনতার দাবি নিজেদের জন্য কতটা সৎ, তা প্রশ্নসাপেক্ষ।” আরেকজন শিক্ষার্থী নেতা বলেন, “যারা আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের পাশে না দাঁড়িয়ে বিপরীত অবস্থান নেয়ার কারনে মব ও লাঞ্চনার শিকার হয়েছেন, চাকরী হারিয়েছেন, সেখানে এখন একাডেমিক স্বাধীনতার আলোচনা হচ্ছে—এটা দেখতে হাস্যকর লাগছে।” অন্যদিকে আয়োজক পক্ষের কেউ কেউ বলছেন, একাডেমিক স্বাধীনতার আলোচনা যেকোনো সময় প্রয়োজনীয় এবং অতীতের রাজনৈতিক অবস্থান দিয়ে আজকের আলোচনাকে বাতিল করা যায় না। তবে এখন পর্যন্ত আয়োজকদের পক্ষ থেকে এই সমালোচনার সরাসরি কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। পর্যবেক্ষকরা মনে করেন, একাডেমিক স্বাধীনতার
আলোচনা সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু সেই আলোচনা তখনই অর্থবহ হয় যখন তা নিরপেক্ষ ও সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়—অর্থাৎ যখন নিজের মতপ্রকাশের অধিকার যেমন দাবি করা হয়, তেমনি বিরোধী মতপ্রকাশকারীদেরও একই মানদণ্ডে বিচার করা হয়। অন্যথায় এটি কেবল নিজেদের অবস্থানকে বৈধতা দেওয়ার একতরফা প্রয়াস হয়ে ওঠে।
জুলাই ছাত্র আন্দোলনের বিরোধিতা করেছিলেন এবং আওয়ামী লীগ সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা থাকার অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৩১ জন শিক্ষকের তালিকা তৈরি করে বিতাড়ন ও তদন্তের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন, তারাই এখন ‘একাডেমিক ফ্রিডম’ নিয়ে কথা বলছেন। বিবিসি বাংলার এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের পর নতুন প্রশাসনের অধীনে অনেক শিক্ষককে ‘আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ’ বা আন্দোলনবিরোধী অবস্থানের কারণে তালিকাভুক্ত করা হয় এবং অনেককে চাকরি হারাতে হয় বা তদন্তের মুখে পড়তে হয়। সমালোচকদের যুক্তি—যখন শিক্ষকদের মতপ্রকাশের কারণে চাকরি চলে যায় এবং তালিকা করে তদন্ত শুরু হয়, তখন সেই প্রক্রিয়াকে যারা সমর্থন বা স্বীকৃতি দিয়েছেন, তারা কী ধরনের একাডেমিক স্বাধীনতার কথা বলছেন? একজন বিশ্ববিদ্যালয়
শিক্ষক (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) বলেন, “একাডেমিক ফ্রিডম মানে শুধু নিজের মত প্রকাশের অধিকার নয়। যখন অন্যের মতপ্রকাশের দাম চাকরি হারানো হয়, তখন সেই স্বাধীনতার দাবি নিজেদের জন্য কতটা সৎ, তা প্রশ্নসাপেক্ষ।” আরেকজন শিক্ষার্থী নেতা বলেন, “যারা আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের পাশে না দাঁড়িয়ে বিপরীত অবস্থান নেয়ার কারনে মব ও লাঞ্চনার শিকার হয়েছেন, চাকরী হারিয়েছেন, সেখানে এখন একাডেমিক স্বাধীনতার আলোচনা হচ্ছে—এটা দেখতে হাস্যকর লাগছে।” অন্যদিকে আয়োজক পক্ষের কেউ কেউ বলছেন, একাডেমিক স্বাধীনতার আলোচনা যেকোনো সময় প্রয়োজনীয় এবং অতীতের রাজনৈতিক অবস্থান দিয়ে আজকের আলোচনাকে বাতিল করা যায় না। তবে এখন পর্যন্ত আয়োজকদের পক্ষ থেকে এই সমালোচনার সরাসরি কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। পর্যবেক্ষকরা মনে করেন, একাডেমিক স্বাধীনতার
আলোচনা সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু সেই আলোচনা তখনই অর্থবহ হয় যখন তা নিরপেক্ষ ও সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়—অর্থাৎ যখন নিজের মতপ্রকাশের অধিকার যেমন দাবি করা হয়, তেমনি বিরোধী মতপ্রকাশকারীদেরও একই মানদণ্ডে বিচার করা হয়। অন্যথায় এটি কেবল নিজেদের অবস্থানকে বৈধতা দেওয়ার একতরফা প্রয়াস হয়ে ওঠে।



