ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
৪০০ বিলিয়ন রপ্তানির কানাডা বলছে ‘না’, অথচ ৮ বিলিয়ন রপ্তানির বাংলাদেশ মানছে সব মার্কিন শর্ত
রাশিয়ার মিগ-২৯ থেকে চীনা জে-১০: গল্পটি সক্ষমতার, মিথ্যা এবং ধোঁকাবাজিরও
বাণিজ্যে ভারত-নির্ভরতা বাড়ছেই, দুই বছরে বাণিজ্য ঘাটতি আরও প্রকট
পায়রা ও আদানিকে রেকর্ড ক্যাপাসিটি চার্জ প্রদান: গত অর্থবছরে কেন এত বেশি দিতে হলো?
একটির খরচে ৫টি মেট্রো নির্মাণ সম্ভব হচ্ছে না: লাইন-২ রুটে খরচ ৬০ হাজার কোটি টাকার বেশি
যুক্তরাজ্যে আশ্রয়ের নামে এলজিবিটি কোটায় আবেদনের শীর্ষে পাকিস্তান, দ্বিতীয় বাংলাদেশ
জাতীয় চার নেতার ম্যুরালকে ‘অপ্রয়োজনীয়’ উল্লেখ করে অপসারণ, ইউএনওর ওপর ক্ষুব্ধ বীর মুক্তিযোদ্ধারা
৬ মাসে কর্মহীন ৬২ হাজার মানুষ, তারেক রহমানের বছরে ১ কোটি কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি প্রশ্নবিদ্ধ
বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ছয় মাসের মধ্যেই প্রায় ৬২ হাজার মানুষ চাকরি হারিয়েছেন বলে জাতীয় সংসদে দাবি করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে জরুরি জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণ (বিধি-৭১) প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এই তথ্য তুলে ধরেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
রুমিন ফারহানা বলেন, নির্বাচনের আগে সরকার এক কোটি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, কিন্তু বাস্তবে সরকার গঠনের ছয় মাসের মধ্যেই ৬২ হাজার মানুষ চাকরি হারিয়েছেন এবং ৯০০-এর বেশি কলকারখানা বন্ধ হয়ে গেছে বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি প্রশ্ন তোলেন, যেখানে বিদ্যমান কর্মসংস্থানই ধরে রাখা যাচ্ছে না, সেখানে নতুন এক কোটি
কর্মসংস্থান কীভাবে সৃষ্টি হবে। বর্তমানে কর্মরতদের চাকরি কতদিন নিরাপদ থাকবে, তা নিয়েও তিনি সংশয় প্রকাশ করেন। উল্লেখ্য, গত ফেব্রুয়ারিতে শেখ হাসিনার পতনের পর অনুষ্ঠিত প্রথম জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি ভূমিধস বিজয় পায় এবং দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন। নির্বাচনী প্রচারণায় দলটি এক বছরের মধ্যে এক কোটি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, যা ছিল তাদের ইশতেহারের অন্যতম আলোচিত অঙ্গীকার। সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় রুমিন ফারহানা সরকারের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও জ্বালানি সংকট নিয়েও তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি অভিযোগ করেন, সরকারের ঘোষিত ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও জ্বালানি খাতে নিশ্চয়তা দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে মানুষের মধ্যে স্বস্তি নেই। জ্বালানি সংকট প্রসঙ্গে
তিনি বলেন, গ্যাস-বিদ্যুতের সরবরাহ নিয়ে কোনো নিশ্চয়তা নেই, একদিকে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ছে, অন্যদিকে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের ঘাটতিতে সাধারণ মানুষ ভুগছেন। বাজার পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন এই সংসদ সদস্য। তিনি বলেন, বাজারে ৮০ টাকার নিচে সবজি পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে, ডিমের দাম কয়েক দফা বেড়েছে এবং মিনিকেট চালসহ চালের দামও ঊর্ধ্বমুখী। এর পাশাপাশি টিসিবির পণ্যের জন্য মানুষকে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সমালোচনা করে রুমিন ফারহানা বলেন, আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুললেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হয় বিদ্রূপ করেন, নয়তো বাকচাতুর্য দিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে যান। এ প্রসঙ্গে তিনি ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য করেন, দেশের ৬৪ জেলায় ৬৪ জন করে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থাকলেও হয়তো পরিস্থিতি
সামলানো সহজ হতো।
কর্মসংস্থান কীভাবে সৃষ্টি হবে। বর্তমানে কর্মরতদের চাকরি কতদিন নিরাপদ থাকবে, তা নিয়েও তিনি সংশয় প্রকাশ করেন। উল্লেখ্য, গত ফেব্রুয়ারিতে শেখ হাসিনার পতনের পর অনুষ্ঠিত প্রথম জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি ভূমিধস বিজয় পায় এবং দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন। নির্বাচনী প্রচারণায় দলটি এক বছরের মধ্যে এক কোটি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, যা ছিল তাদের ইশতেহারের অন্যতম আলোচিত অঙ্গীকার। সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় রুমিন ফারহানা সরকারের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও জ্বালানি সংকট নিয়েও তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি অভিযোগ করেন, সরকারের ঘোষিত ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও জ্বালানি খাতে নিশ্চয়তা দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে মানুষের মধ্যে স্বস্তি নেই। জ্বালানি সংকট প্রসঙ্গে
তিনি বলেন, গ্যাস-বিদ্যুতের সরবরাহ নিয়ে কোনো নিশ্চয়তা নেই, একদিকে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ছে, অন্যদিকে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের ঘাটতিতে সাধারণ মানুষ ভুগছেন। বাজার পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন এই সংসদ সদস্য। তিনি বলেন, বাজারে ৮০ টাকার নিচে সবজি পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে, ডিমের দাম কয়েক দফা বেড়েছে এবং মিনিকেট চালসহ চালের দামও ঊর্ধ্বমুখী। এর পাশাপাশি টিসিবির পণ্যের জন্য মানুষকে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সমালোচনা করে রুমিন ফারহানা বলেন, আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুললেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হয় বিদ্রূপ করেন, নয়তো বাকচাতুর্য দিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে যান। এ প্রসঙ্গে তিনি ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য করেন, দেশের ৬৪ জেলায় ৬৪ জন করে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থাকলেও হয়তো পরিস্থিতি
সামলানো সহজ হতো।



