ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যুক্তরাষ্ট্রে জি২০ সম্মেলনে রাশিয়ার প্রত্যাবর্তন, দক্ষিণ আফ্রিকা বাদ: কানাডার ওয়াকআউট, ইউরোপের ক্ষোভে বিতর্কিত আয়োজন
নবীর শহর মদিনায় খেজুরের বিশাল সাম্রাজ্য
বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানি বন্ধ করল নেপাল
ইরানে গত কয়েক দিনের মার্কিন হামলায় হতাহতের সংখ্যা প্রকাশ
হরমুজ প্রণালির নাম নিজের নামে রাখতে চান ট্রাম্প
পাকিস্তানে আটক সেই পাইলট ছাড়লেন ভারতীয় বিমানবাহিনী
হরমুজ ঘিরে উত্তেজনা: যুক্তরাষ্ট্র-ইরান পাল্টাপাল্টি হামলা, ক্রুজ মিসাইল তৈরিতে রাশিয়ার সহায়তা নিয়ে উদ্বেগ
লাইপজিগ বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা: রাশিয়াকে দায়ী করে কড়া পদক্ষেপ জার্মানির
গত আগস্টে জার্মানির লাইপজিগ বিমানবন্দরে চালানো ড্রোন হামলার জন্য রাশিয়াকে সরাসরি দায়ী করেছে জার্মান সরকার। এর জবাবে বার্লিনে অবস্থিত একটি রুশ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র এবং বনে রুশ কনস্যুলেট বন্ধের মতো প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে জার্মানি।
ন্যাটো ইতিমধ্যে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেছে, তারা মিত্রদের যেকোনো হুমকি থেকে প্রতিরোধ ও প্রতিরক্ষার সক্ষমতা আরও জোরদার করে যাবে।
ইউরোপীয় ইউনিয়ন জানিয়েছে, বুধবার এ বিষয়ে ন্যাটোর সঙ্গে আলোচনা করবে তারা এবং সদস্য দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা যৌথ প্রতিক্রিয়া প্রস্তুত করছেন।
আগস্টের শুরুতে লাইপজিগ বিমানবন্দরে এই ঘটনা ব্যাপক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে এবং পুরো ইউরোপজুড়ে নিরাপত্তা উদ্বেগ বাড়িয়ে দেয়। বিস্ফোরকবাহী ড্রোনটি একটি ইউক্রেনীয় কার্গো বিমানের কাছে পাওয়া যায় এবং বোমা নিষ্ক্রিয়করণ রোবটের মাধ্যমে
এটি নিষ্ক্রিয় করা হয়। একই দিনে আরেকটি উড়ন্ত বস্তু বিমানবন্দরের কাছাকাছি একটি কার্গো বিমানে আঘাত হানে, যাতে সামান্য ক্ষতি হয়। জার্মান কর্মকর্তারা বলছেন, হুমকি এখনো শেষ হয়নি— তাদের আশঙ্কা, রাশিয়া আরও হাইব্রিড হামলা চালাতে পারে এবং এমনকি বড় ধরনের ক্ষতি সাধনের সক্ষমতাও তাদের রয়েছে। জার্মান কর্মকর্তারা জানান, উদ্ধার হওয়া ড্রোনটির নির্মাণশৈলী ও তাতে ব্যবহৃত বিস্ফোরক অত্যন্ত উচ্চ মানের কারিগরি দক্ষতার ইঙ্গিত দেয়, যা ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার কার্যপদ্ধতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তদন্তকারীদের ধারণা, পরিকল্পনাটি জটিল হলেও মাঠপর্যায়ে ড্রোন পরিচালনার কাজ করেছে নিম্নপর্যায়ের এজেন্ট বা অপারেটিভরা। জার্মানির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, জার্মানি যুদ্ধে নেই, তবে প্রতিদিনই হাইব্রিড যুদ্ধের লক্ষ্যবস্তু হয়ে আছে তারা এবং এই হামলার জবাবে তারা যথাযথ
ও পরিমিত অথচ দৃঢ় পদক্ষেপ নিচ্ছে। অন্যদিকে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা জার্মানির অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলেন, রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের অজুহাত খুঁজছে বার্লিন। তিনি ইউক্রেন যুদ্ধে সম্পৃক্ততা এবং ইউক্রেনীয় সামরিক বাহিনীকে সহায়তার জন্য উল্টো জার্মানিকেই দায়ী করেন এবং হুঁশিয়ারি দেন, রাশিয়ার বিরুদ্ধে যেকোনো পদক্ষেপের জবাব দেবে মস্কো। বিশ্লেষকদের মতে, এই হামলাকে সাধারণ সাইবার হামলার মতো ছোট করে দেখার সুযোগ নেই— এটি একটি পূর্ণাঙ্গ সন্ত্রাসী হামলার প্রচেষ্টা ছিল, যেখানে জ্বালানি ভর্তি বিমানকে বিস্ফোরকের মাধ্যমে ধ্বংস করার পরিকল্পনা ছিল। তাই কূটনীতিক বহিষ্কার বা কনস্যুলেট বন্ধের মতো পদক্ষেপ যথেষ্ট প্রতিরোধমূলক বার্তা দিতে পারছে না বলে মত দিয়েছেন তারা। তাদের আশঙ্কা, ন্যাটো যদি আরও কঠোর প্রতিক্রিয়া না
দেখায়, তবে ক্রেমলিন এটিকে দুর্বলতা হিসেবেই বিবেচনা করবে।
এটি নিষ্ক্রিয় করা হয়। একই দিনে আরেকটি উড়ন্ত বস্তু বিমানবন্দরের কাছাকাছি একটি কার্গো বিমানে আঘাত হানে, যাতে সামান্য ক্ষতি হয়। জার্মান কর্মকর্তারা বলছেন, হুমকি এখনো শেষ হয়নি— তাদের আশঙ্কা, রাশিয়া আরও হাইব্রিড হামলা চালাতে পারে এবং এমনকি বড় ধরনের ক্ষতি সাধনের সক্ষমতাও তাদের রয়েছে। জার্মান কর্মকর্তারা জানান, উদ্ধার হওয়া ড্রোনটির নির্মাণশৈলী ও তাতে ব্যবহৃত বিস্ফোরক অত্যন্ত উচ্চ মানের কারিগরি দক্ষতার ইঙ্গিত দেয়, যা ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার কার্যপদ্ধতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তদন্তকারীদের ধারণা, পরিকল্পনাটি জটিল হলেও মাঠপর্যায়ে ড্রোন পরিচালনার কাজ করেছে নিম্নপর্যায়ের এজেন্ট বা অপারেটিভরা। জার্মানির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, জার্মানি যুদ্ধে নেই, তবে প্রতিদিনই হাইব্রিড যুদ্ধের লক্ষ্যবস্তু হয়ে আছে তারা এবং এই হামলার জবাবে তারা যথাযথ
ও পরিমিত অথচ দৃঢ় পদক্ষেপ নিচ্ছে। অন্যদিকে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা জার্মানির অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলেন, রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের অজুহাত খুঁজছে বার্লিন। তিনি ইউক্রেন যুদ্ধে সম্পৃক্ততা এবং ইউক্রেনীয় সামরিক বাহিনীকে সহায়তার জন্য উল্টো জার্মানিকেই দায়ী করেন এবং হুঁশিয়ারি দেন, রাশিয়ার বিরুদ্ধে যেকোনো পদক্ষেপের জবাব দেবে মস্কো। বিশ্লেষকদের মতে, এই হামলাকে সাধারণ সাইবার হামলার মতো ছোট করে দেখার সুযোগ নেই— এটি একটি পূর্ণাঙ্গ সন্ত্রাসী হামলার প্রচেষ্টা ছিল, যেখানে জ্বালানি ভর্তি বিমানকে বিস্ফোরকের মাধ্যমে ধ্বংস করার পরিকল্পনা ছিল। তাই কূটনীতিক বহিষ্কার বা কনস্যুলেট বন্ধের মতো পদক্ষেপ যথেষ্ট প্রতিরোধমূলক বার্তা দিতে পারছে না বলে মত দিয়েছেন তারা। তাদের আশঙ্কা, ন্যাটো যদি আরও কঠোর প্রতিক্রিয়া না
দেখায়, তবে ক্রেমলিন এটিকে দুর্বলতা হিসেবেই বিবেচনা করবে।



