ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
জামিনেও মেলেনি মুক্তি, কারাবন্দি অবস্থায় আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু: পরিকল্পিত হত্যা- অভিযোগ পরিবারের
হামের টিকাদানের ৩ সপ্তাহে অ্যান্টিবডি তৈরির কথা, ৫ মাসেও কমেনি সংক্রমণ: শিশু মৃত্যু ৯৮৬, টিকার মান প্রশ্নবিদ্ধ
আসিফের দুর্নীতিকাণ্ডে সচিবসহ ফেঁসে যাচ্ছেন যেসব ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা
অর্ধকোটি টাকা গায়েব
আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞা তুলে দিয়ে দেখুন জনরায় কার পক্ষে: বিএনপিকে শেখ হাসিনার ওপেন চ্যালেঞ্জ
সামনে ছয় দিন সরকারি ছুটি, তবে…
স্থায়ী কমিটির প্রতিবেদন নিয়েও সংসদে বিতর্ক
৩৮ লাখ টাকা ঘুষ গ্রহণ: বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার করে এনবিআর কমিশনার মিতু স্বপদে বহাল!
আইনজীবীর হাতে ৩৮ লাখ টাকা ঘুষের বিনিময়ে আয়কর নথির গোপনীয় কাগজপত্র তুলে দেওয়ার দায়ে সাময়িকভাবে বরখাস্ত হওয়া সহকারী কর কমিশনার জান্নাতুল ফেরদৌস মিতুকে স্বপদে পুনর্বহাল করা হয়েছে, তবে তার সাজা লঘু করে শুধুমাত্র পদোন্নতি ৮ বছরের জন্য স্থগিত রাখা হয়েছে।
২রা সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) থেকে জানানো হয় যে, গত ৩১শে আগস্ট প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে তার সাময়িক বরখাস্তের আদেশ তুলে নেওয়া হয়েছে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আহসান হাবিবের স্বাক্ষর করা প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, ঢাকা কর অঞ্চল-৫-এর সার্কেল-৯৩-এ সহকারী কর কমিশনার হিসেবে দায়িত্বে থাকাকালে সালাহ উদ্দিন আহমেদ নামে এক করদাতার থেকে ৩৮ লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ ওঠে মিতুর
বিরুদ্ধে। সেই অভিযোগের তথ্য অনুযায়ী, মোটা অঙ্কের এই অর্থের বিনিময়ে তিনি উক্ত করদাতার মূল আয়কর নথির বেশিরভাগ তথ্য বদলে দিয়ে সেখানে নতুন সব রেকর্ড যুক্ত করেন। পরবর্তীতে ওই করদাতার অনুমোদিত প্রতিনিধি (আইনজীবী) ওবায়দুল হক সরকার ও তার সহকারী সোহেলের কাছে পূর্বের সব আয়কর রিটার্ন, অর্ডারের কপি, কর নির্ধারণী কাগজপত্র, আপিল-ট্রিবিউনালের নির্দেশনাবলীসহ প্রয়োজনীয় নথিপত্র সোপর্দ করেন তিনি। এহেন অপরাধমূলক আচরণের কারণে ‘সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮’-এর ৩(খ) বিধি অনুযায়ী ‘অসদাচরণ’ এবং ৩(ঘ) বিধি অনুযায়ী ‘দুর্নীতি পরায়ণতা’—এই দুই অভিযোগে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের করে কৈফিয়ত চাওয়া হয়। অতঃপর অভিযুক্ত কর্মকর্তা আত্মপক্ষ সমর্থনে জবাব পেশ করে ব্যক্তিগত শুনানির আরজি জানালে চলতি বছরের ১৬ই মার্চ
শুনানি সম্পন্ন হয়। তদন্তের প্রাথমিক ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সত্যতা মেলার মতো তথ্য প্রমাণ থাকায় বিষয়টি নিবিড় অনুসন্ধানের লক্ষ্যে তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়। অনুসন্ধান শেষে জমা পড়া তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, জান্নাতুল ফেরদৌস মিতুর বিরুদ্ধে ‘অসদাচরণ’-এর বিষয়টি নিঃশঙ্কভাবে সত্য প্রমাণিত হলেও ‘দুর্নীতি পরায়ণতা’-র অভিযোগটি শতভাগ প্রমাণ করা সম্ভব হয়নি। প্রজ্ঞাপনে বিশদভাবে জানানো হয়, তদন্তের নথিপত্র ও বিভাগীয় মামলার যাবতীয় উপাদান খতিয়ে দেখে অপরাধের ধরণ অনুযায়ী অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপীল) বিধিমালা, ২০১৮-এর ৩(খ) বিধির অধীনে ‘অসদাচরণ’-এর দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। পরবর্তীতে একই বিধিমালার ৪(২)(খ) ধারা প্রয়োগ করে লঘুদণ্ড হিসেবে আগামী ৮ বছরের জন্য তার পদোন্নতি আটকে দেওয়ার
চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এর সাথেই তার ওপর আরোপিত সাময়িক বরখাস্তের আদেশ বাতিল করা হয়। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১লা সেপ্টেম্বর তাকে দায়িত্ব থেকে বরখাস্ত করা হয়েছিল। এর আগে সোমবার এক নির্দেশের মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি) ৩৮ লাখ টাকা ঘুষ নিয়ে আয়করের নথিপত্র হস্তান্তরের অপরাধে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল।
বিরুদ্ধে। সেই অভিযোগের তথ্য অনুযায়ী, মোটা অঙ্কের এই অর্থের বিনিময়ে তিনি উক্ত করদাতার মূল আয়কর নথির বেশিরভাগ তথ্য বদলে দিয়ে সেখানে নতুন সব রেকর্ড যুক্ত করেন। পরবর্তীতে ওই করদাতার অনুমোদিত প্রতিনিধি (আইনজীবী) ওবায়দুল হক সরকার ও তার সহকারী সোহেলের কাছে পূর্বের সব আয়কর রিটার্ন, অর্ডারের কপি, কর নির্ধারণী কাগজপত্র, আপিল-ট্রিবিউনালের নির্দেশনাবলীসহ প্রয়োজনীয় নথিপত্র সোপর্দ করেন তিনি। এহেন অপরাধমূলক আচরণের কারণে ‘সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮’-এর ৩(খ) বিধি অনুযায়ী ‘অসদাচরণ’ এবং ৩(ঘ) বিধি অনুযায়ী ‘দুর্নীতি পরায়ণতা’—এই দুই অভিযোগে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের করে কৈফিয়ত চাওয়া হয়। অতঃপর অভিযুক্ত কর্মকর্তা আত্মপক্ষ সমর্থনে জবাব পেশ করে ব্যক্তিগত শুনানির আরজি জানালে চলতি বছরের ১৬ই মার্চ
শুনানি সম্পন্ন হয়। তদন্তের প্রাথমিক ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সত্যতা মেলার মতো তথ্য প্রমাণ থাকায় বিষয়টি নিবিড় অনুসন্ধানের লক্ষ্যে তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়। অনুসন্ধান শেষে জমা পড়া তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, জান্নাতুল ফেরদৌস মিতুর বিরুদ্ধে ‘অসদাচরণ’-এর বিষয়টি নিঃশঙ্কভাবে সত্য প্রমাণিত হলেও ‘দুর্নীতি পরায়ণতা’-র অভিযোগটি শতভাগ প্রমাণ করা সম্ভব হয়নি। প্রজ্ঞাপনে বিশদভাবে জানানো হয়, তদন্তের নথিপত্র ও বিভাগীয় মামলার যাবতীয় উপাদান খতিয়ে দেখে অপরাধের ধরণ অনুযায়ী অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপীল) বিধিমালা, ২০১৮-এর ৩(খ) বিধির অধীনে ‘অসদাচরণ’-এর দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। পরবর্তীতে একই বিধিমালার ৪(২)(খ) ধারা প্রয়োগ করে লঘুদণ্ড হিসেবে আগামী ৮ বছরের জন্য তার পদোন্নতি আটকে দেওয়ার
চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এর সাথেই তার ওপর আরোপিত সাময়িক বরখাস্তের আদেশ বাতিল করা হয়। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১লা সেপ্টেম্বর তাকে দায়িত্ব থেকে বরখাস্ত করা হয়েছিল। এর আগে সোমবার এক নির্দেশের মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি) ৩৮ লাখ টাকা ঘুষ নিয়ে আয়করের নথিপত্র হস্তান্তরের অপরাধে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল।



