ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
লাইপজিগ বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা: রাশিয়াকে দায়ী করে কড়া পদক্ষেপ জার্মানির
নবীর শহর মদিনায় খেজুরের বিশাল সাম্রাজ্য
বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানি বন্ধ করল নেপাল
ইরানে গত কয়েক দিনের মার্কিন হামলায় হতাহতের সংখ্যা প্রকাশ
হরমুজ প্রণালির নাম নিজের নামে রাখতে চান ট্রাম্প
পাকিস্তানে আটক সেই পাইলট ছাড়লেন ভারতীয় বিমানবাহিনী
হরমুজ ঘিরে উত্তেজনা: যুক্তরাষ্ট্র-ইরান পাল্টাপাল্টি হামলা, ক্রুজ মিসাইল তৈরিতে রাশিয়ার সহায়তা নিয়ে উদ্বেগ
যুক্তরাষ্ট্রে জি২০ সম্মেলনে রাশিয়ার প্রত্যাবর্তন, দক্ষিণ আফ্রিকা বাদ: কানাডার ওয়াকআউট, ইউরোপের ক্ষোভে বিতর্কিত আয়োজন
এবারের জি২০ সম্মেলনের সভাপতিত্ব ও আয়োজক দেশ যুক্তরাষ্ট্র। বিশ্বের শীর্ষ অর্থনীতির দেশগুলোর অর্থমন্ত্রীরা উত্তর ক্যারোলাইনায় জড়ো হয়ে গত ৩১ আগস্ট প্রথম বৈঠকে বসেন। তবে অর্থনৈতিক আলোচনার এই মঞ্চ শুরু থেকেই কূটনৈতিক টানাপোড়েনে জর্জরিত হয়ে পড়ে।
সবচেয়ে বড় চমক ছিল রাশিয়ার উপস্থিতি। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ব্যক্তিগতভাবে রাশিয়াকে আমন্ত্রণ জানান, যদিও যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ সচিব স্পষ্ট করে দেন যে ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ না হওয়া পর্যন্ত মস্কোকে কোনো অর্থনৈতিক সহায়তা দেওয়া হবে না।
জার্মানি, পোল্যান্ডসহ ইউরোপীয় দেশগুলো রাশিয়ার অংশগ্রহণকে “উদ্বেগজনক” আখ্যা দিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানায় এবং পারিবারিক ছবি বয়কটের হুমকি দেয়। শেষ পর্যন্ত ছবি তোলা হলেও তাতে রাশিয়াকে বাদ রাখা হয়।
অন্যদিকে গত বছর জি২০ সভাপতিত্বকারী দেশ
দক্ষিণ আফ্রিকাকে এবারের সম্মেলনে আমন্ত্রণই জানানো হয়নি। এর পেছনে তিনটি কারণ উঠে এসেছে— গত বছরের সম্মেলন ট্রাম্প বয়কট করার পর দক্ষিণ আফ্রিকা যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সভাপতিত্ব হস্তান্তরে অস্বীকৃতি জানানো, প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসার দেশীয় নীতি নিয়ে ট্রাম্পের অভিযোগ (যা প্রিটোরিয়া বারবার অস্বীকার করেছে), এবং গাজা, ইউক্রেন ও ইরান ইস্যুতে দুই দেশের পররাষ্ট্রনীতিগত মতভেদ। এদিকে কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কেও চিড় স্পষ্ট। শুল্ক নিয়ে দুই দেশের বাণিজ্য আলোচনা আগে থেকেই ভেঙে পড়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ সচিব বৈঠকের উদ্বোধনী বক্তব্য শুরু করা মাত্রই কানাডার অর্থমন্ত্রী ফ্রঁসোয়া ফিলিপ শাম্পেন বৈঠক কক্ষ ত্যাগ করেন, যা নেটদুনিয়ায় “ওয়াকআউট” হিসেবে ব্যাপক আলোচিত হয়। এর কিছুদিন আগেই কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নিকে “যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী
নীতি” অনুসরণের অভিযোগ করেছিলেন মার্কিন কর্মকর্তারা। সব মিলিয়ে বিশ্ব অর্থনীতি নিয়ে আলোচনার জন্য নির্ধারিত এই সম্মেলন এবার পরিণত হয়েছে ভূরাজনৈতিক দ্বন্দ্বের মঞ্চে— যেখানে রাশিয়া ফিরেছে তবে ছবিতে নেই, দক্ষিণ আফ্রিকা কক্ষেই নেই, আর দীর্ঘদিনের মিত্র কানাডা-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কেও দেখা দিয়েছে টানাপোড়েন।
দক্ষিণ আফ্রিকাকে এবারের সম্মেলনে আমন্ত্রণই জানানো হয়নি। এর পেছনে তিনটি কারণ উঠে এসেছে— গত বছরের সম্মেলন ট্রাম্প বয়কট করার পর দক্ষিণ আফ্রিকা যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সভাপতিত্ব হস্তান্তরে অস্বীকৃতি জানানো, প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসার দেশীয় নীতি নিয়ে ট্রাম্পের অভিযোগ (যা প্রিটোরিয়া বারবার অস্বীকার করেছে), এবং গাজা, ইউক্রেন ও ইরান ইস্যুতে দুই দেশের পররাষ্ট্রনীতিগত মতভেদ। এদিকে কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কেও চিড় স্পষ্ট। শুল্ক নিয়ে দুই দেশের বাণিজ্য আলোচনা আগে থেকেই ভেঙে পড়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ সচিব বৈঠকের উদ্বোধনী বক্তব্য শুরু করা মাত্রই কানাডার অর্থমন্ত্রী ফ্রঁসোয়া ফিলিপ শাম্পেন বৈঠক কক্ষ ত্যাগ করেন, যা নেটদুনিয়ায় “ওয়াকআউট” হিসেবে ব্যাপক আলোচিত হয়। এর কিছুদিন আগেই কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নিকে “যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী
নীতি” অনুসরণের অভিযোগ করেছিলেন মার্কিন কর্মকর্তারা। সব মিলিয়ে বিশ্ব অর্থনীতি নিয়ে আলোচনার জন্য নির্ধারিত এই সম্মেলন এবার পরিণত হয়েছে ভূরাজনৈতিক দ্বন্দ্বের মঞ্চে— যেখানে রাশিয়া ফিরেছে তবে ছবিতে নেই, দক্ষিণ আফ্রিকা কক্ষেই নেই, আর দীর্ঘদিনের মিত্র কানাডা-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কেও দেখা দিয়েছে টানাপোড়েন।



