ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
৩ দিনে কোলকাতা দখলের হুমকি দেয়া সাবেক সেনাসদস্যরা এখন প্রতারণা ও ডাকাতি চক্রের হোতা
আমেনা, কুবরা, আরতী, কল্পনা চাকমারা—অগ্রগতি ও ক্ষমতায়নের পথ ছেড়ে আবারও নিরাপত্তাহীনতার শঙ্কায়?
বিদ্বেষ সত্ত্বেও বেড়ে চলেছে ভারতীয় পণ্য আমদানি: বাংলাদেশ কেন ভারতে বাজার পাচ্ছে না?
সাভারে এসআই-কে পিটিয়ে হত্যা: জুলাই ২০২৪ থেকে চলমান পুলিশ হত্যা থামছেই না
সুন্দরবনে নিষেধাজ্ঞা উঠলেও কাটেনি ভয়: বৈরী আবহাওয়া ও দস্যু আতঙ্কে জেলে-পর্যটকরা
জামিনেও মেলেনি মুক্তি, কারাবন্দি অবস্থায় আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু: পরিকল্পিত হত্যা- অভিযোগ পরিবারের
৩৮ লাখ টাকা ঘুষ গ্রহণ: বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার করে এনবিআর কমিশনার মিতু স্বপদে বহাল!
বিদ্যুৎ খাতে ভয়াবহ বিপর্যয়! ২৮ হাজার ৯১৯ মেগাওয়াট সক্ষমতা, তবু বাংলাদেশ কেন অন্ধকারে?
যে বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা দ্রুত বাড়ানো, নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ এবং সঞ্চালন-বিতরণ অবকাঠামো সম্প্রসারণের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের বিদ্যুৎ সংকট অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছিল, সেই বাংলাদেশেই আজ আবার ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত জনজীবন।
সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো—সমস্যাটি শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতার অভাব নয়।
BPDB-এর হিসাবে গ্রিড-সংযুক্ত স্থাপিত সক্ষমতা প্রায় ২৮,৯১৯ মেগাওয়াট, অথচ ২০২৫ সালের সর্বোচ্চ সরবরাহকৃত চাহিদা ছিল ১৬,৭৯৪ মেগাওয়াট।
তাহলে প্রশ্ন—
এত সক্ষমতা থাকার পরও দেশ অন্ধকারে কেন?
🔴 গ্যাস নেই—বিদ্যুৎকেন্দ্র থাকলেও উৎপাদন নেই
গ্যাস সরবরাহের তীব্র সংকটে বহু গ্যাসভিত্তিক কেন্দ্র পূর্ণ ক্ষমতায় চলতে পারছে না। সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী ৬২টি উৎপাদন ইউনিট জ্বালানি সংকটে পড়েছে; এর মধ্যে ২৬টি গ্যাসভিত্তিক।
🔴 কয়লা ও তেলও সংকটে
শুধু গ্যাস
নয়—কয়লা ও তরল জ্বালানির সরবরাহ ঘাটতিও বিদ্যুৎ উৎপাদনকে আঘাত করছে। অর্থাৎ বিদ্যুৎকেন্দ্র আছে, কিন্তু সেগুলো চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানি নিশ্চিত করার সক্ষমতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠছে। 🔴 একসঙ্গে ৬২টি কেন্দ্রে উৎপাদন ব্যাহত! এটি নিছক একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। ৬২টি কেন্দ্রে একসঙ্গে উৎপাদন ব্যাহত হওয়া জাতীয় বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ভঙ্গুরতা ও সমন্বয় সংকটের ভয়াবহ চিত্র সামনে এনেছে। 🔴 ঘাটতি ৩,৬৬৪ মেগাওয়াট পর্যন্ত! ২৮ আগস্ট প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী দিনের এক পর্যায়ে বিদ্যুৎ ঘাটতি ৩,৬৬৪ মেগাওয়াটে পৌঁছেছিল। অর্থাৎ চাহিদা ও সরবরাহের ব্যবধান ভয়াবহ পর্যায়ে পৌঁছে যাচ্ছে। 🔴 ঢাকাতেও লোডশেডিং—বিপদের মাত্রা কি বদলে গেছে? আগে দেশের অনেক অঞ্চলে বিদ্যুৎ সংকটের চাপ বেশি থাকলেও এখন রাজধানীর বিভিন্ন এলাকাতেও বিদ্যুৎ বিভ্রাটের খবর পাওয়া
যাচ্ছে। এটি পরিস্থিতির বিস্তৃতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করছে। ২০০১–০৬: বিদ্যুৎ খাতে সংকট, খাম্বা ভিশন বিতর্ক ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগ ২০০১–০৬ মেয়াদে বাংলাদেশ দীর্ঘস্থায়ী বিদ্যুৎ সংকটে ভুগেছিল। বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর বদলে খুঁটি বা ‘খাম্বা’ স্থাপন নিয়ে তীব্র রাজনৈতিক সমালোচনা হয়েছিল। বিদ্যুৎ খাতে অব্যবস্থাপনা এবং বিভিন্ন প্রকল্পে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগও সে সময় ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়। সেই রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটেই তারেক রহমানকে ব্যঙ্গ করে ‘খাম্বা তারেক’ নামটি জনপ্রিয় রাজনৈতিক পরিভাষায় পরিণত হয়। তাহলে প্রশ্ন আসে—আওয়ামী লীগ সরকারের তৈরি সক্ষমতা গেল কোথায়? আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও অবকাঠামোতে ব্যাপক সম্প্রসারণ ঘটেছিল। আজকের সরকার সেই অবকাঠামোর ওপর দাঁড়িয়েই বিদ্যুৎ খাত পরিচালনা করছে। কিন্তু অবকাঠামো থাকলেই তো হবে না—তার
জন্য প্রয়োজন জ্বালানি, পরিকল্পনা, রক্ষণাবেক্ষণ এবং দক্ষ ব্যবস্থাপনা। আজকের সংকট যেন সেই জায়গাতেই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে। সবচেয়ে ভয়ংকর বৈপরীত্য ২৮,৯১৯ MW সক্ষমতা → ১৬,৭৯৪ MW সর্বোচ্চ সরবরাহকৃত চাহিদা → তবুও হাজার হাজার MW ঘাটতি! অর্থাৎ সমস্যা শুধু “বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা নেই”—এমন সরল ব্যাখ্যায় শেষ করা যায় না। সমস্যা হচ্ছে—যে সক্ষমতা তৈরি করা হয়েছে, সেটিকে প্রয়োজনের সময় কার্যকরভাবে কাজে লাগানো যাচ্ছে কি না। আজ লোডশেডিং, কাল কি আরও বড় সংকট? বিদ্যুৎ সংকট শুধু ঘরের বাতি নিভিয়ে দেয় না। এটি— 🔻 শিল্প ও উৎপাদন ব্যাহত করে 🔻 ব্যবসার খরচ বাড়ায় 🔻 শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ক্ষতিগ্রস্ত করে 🔻 হাসপাতাল ও জরুরি সেবায় চাপ তৈরি করে 🔻 জ্বালানি ব্যয় বাড়ায় 🔻 অর্থনীতির ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে আর যদি গ্যাস–কয়লা–তেল—সব
ধরনের জ্বালানি সরবরাহ একই সময়ে চাপে পড়ে, তাহলে এটি সাময়িক লোডশেডিংয়ের চেয়েও বড় জ্বালানি নিরাপত্তার সংকেত হয়ে উঠতে পারে। তাই প্রশ্নটা এখন আর শুধু “কখন বিদ্যুৎ আসবে?” নয়। প্রশ্ন হলো—বিদ্যুৎ খাতে যে সক্ষমতা আওয়ামী লীগ সরকার তৈরি করেছিল, বর্তমান বিএনপি সরকার সেটি সচল ও নির্ভরযোগ্য রাখতে পারছে না কেন? জনগণ অন্ধকারে বসে মেগাওয়াটের গল্প শুনতে চায় না। তারা চায়— নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ। নিরাপদ জ্বালানি সরবরাহ। সক্ষমতার কার্যকর ব্যবহার। এবং ব্যর্থতার জবাবদিহি। ⚡ বিদ্যুৎকেন্দ্র আছে—জ্বালানি কোথায়? ⚡ সক্ষমতা আছে—উৎপাদন কোথায়? ⚡ পরিকল্পনা আছে—বাস্তবায়ন কোথায়? বাংলাদেশকে আবার অন্ধকারের দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে কি না—এই প্রশ্নের উত্তর এখনই জনগণের সামনে দেওয়া প্রয়োজন।
নয়—কয়লা ও তরল জ্বালানির সরবরাহ ঘাটতিও বিদ্যুৎ উৎপাদনকে আঘাত করছে। অর্থাৎ বিদ্যুৎকেন্দ্র আছে, কিন্তু সেগুলো চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানি নিশ্চিত করার সক্ষমতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠছে। 🔴 একসঙ্গে ৬২টি কেন্দ্রে উৎপাদন ব্যাহত! এটি নিছক একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। ৬২টি কেন্দ্রে একসঙ্গে উৎপাদন ব্যাহত হওয়া জাতীয় বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ভঙ্গুরতা ও সমন্বয় সংকটের ভয়াবহ চিত্র সামনে এনেছে। 🔴 ঘাটতি ৩,৬৬৪ মেগাওয়াট পর্যন্ত! ২৮ আগস্ট প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী দিনের এক পর্যায়ে বিদ্যুৎ ঘাটতি ৩,৬৬৪ মেগাওয়াটে পৌঁছেছিল। অর্থাৎ চাহিদা ও সরবরাহের ব্যবধান ভয়াবহ পর্যায়ে পৌঁছে যাচ্ছে। 🔴 ঢাকাতেও লোডশেডিং—বিপদের মাত্রা কি বদলে গেছে? আগে দেশের অনেক অঞ্চলে বিদ্যুৎ সংকটের চাপ বেশি থাকলেও এখন রাজধানীর বিভিন্ন এলাকাতেও বিদ্যুৎ বিভ্রাটের খবর পাওয়া
যাচ্ছে। এটি পরিস্থিতির বিস্তৃতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করছে। ২০০১–০৬: বিদ্যুৎ খাতে সংকট, খাম্বা ভিশন বিতর্ক ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগ ২০০১–০৬ মেয়াদে বাংলাদেশ দীর্ঘস্থায়ী বিদ্যুৎ সংকটে ভুগেছিল। বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর বদলে খুঁটি বা ‘খাম্বা’ স্থাপন নিয়ে তীব্র রাজনৈতিক সমালোচনা হয়েছিল। বিদ্যুৎ খাতে অব্যবস্থাপনা এবং বিভিন্ন প্রকল্পে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগও সে সময় ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়। সেই রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটেই তারেক রহমানকে ব্যঙ্গ করে ‘খাম্বা তারেক’ নামটি জনপ্রিয় রাজনৈতিক পরিভাষায় পরিণত হয়। তাহলে প্রশ্ন আসে—আওয়ামী লীগ সরকারের তৈরি সক্ষমতা গেল কোথায়? আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও অবকাঠামোতে ব্যাপক সম্প্রসারণ ঘটেছিল। আজকের সরকার সেই অবকাঠামোর ওপর দাঁড়িয়েই বিদ্যুৎ খাত পরিচালনা করছে। কিন্তু অবকাঠামো থাকলেই তো হবে না—তার
জন্য প্রয়োজন জ্বালানি, পরিকল্পনা, রক্ষণাবেক্ষণ এবং দক্ষ ব্যবস্থাপনা। আজকের সংকট যেন সেই জায়গাতেই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে। সবচেয়ে ভয়ংকর বৈপরীত্য ২৮,৯১৯ MW সক্ষমতা → ১৬,৭৯৪ MW সর্বোচ্চ সরবরাহকৃত চাহিদা → তবুও হাজার হাজার MW ঘাটতি! অর্থাৎ সমস্যা শুধু “বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা নেই”—এমন সরল ব্যাখ্যায় শেষ করা যায় না। সমস্যা হচ্ছে—যে সক্ষমতা তৈরি করা হয়েছে, সেটিকে প্রয়োজনের সময় কার্যকরভাবে কাজে লাগানো যাচ্ছে কি না। আজ লোডশেডিং, কাল কি আরও বড় সংকট? বিদ্যুৎ সংকট শুধু ঘরের বাতি নিভিয়ে দেয় না। এটি— 🔻 শিল্প ও উৎপাদন ব্যাহত করে 🔻 ব্যবসার খরচ বাড়ায় 🔻 শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ক্ষতিগ্রস্ত করে 🔻 হাসপাতাল ও জরুরি সেবায় চাপ তৈরি করে 🔻 জ্বালানি ব্যয় বাড়ায় 🔻 অর্থনীতির ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে আর যদি গ্যাস–কয়লা–তেল—সব
ধরনের জ্বালানি সরবরাহ একই সময়ে চাপে পড়ে, তাহলে এটি সাময়িক লোডশেডিংয়ের চেয়েও বড় জ্বালানি নিরাপত্তার সংকেত হয়ে উঠতে পারে। তাই প্রশ্নটা এখন আর শুধু “কখন বিদ্যুৎ আসবে?” নয়। প্রশ্ন হলো—বিদ্যুৎ খাতে যে সক্ষমতা আওয়ামী লীগ সরকার তৈরি করেছিল, বর্তমান বিএনপি সরকার সেটি সচল ও নির্ভরযোগ্য রাখতে পারছে না কেন? জনগণ অন্ধকারে বসে মেগাওয়াটের গল্প শুনতে চায় না। তারা চায়— নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ। নিরাপদ জ্বালানি সরবরাহ। সক্ষমতার কার্যকর ব্যবহার। এবং ব্যর্থতার জবাবদিহি। ⚡ বিদ্যুৎকেন্দ্র আছে—জ্বালানি কোথায়? ⚡ সক্ষমতা আছে—উৎপাদন কোথায়? ⚡ পরিকল্পনা আছে—বাস্তবায়ন কোথায়? বাংলাদেশকে আবার অন্ধকারের দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে কি না—এই প্রশ্নের উত্তর এখনই জনগণের সামনে দেওয়া প্রয়োজন।



