ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ফেনী পৌরসভায় অতিরিক্ত হোল্ডিং ট্যাক্সের প্রতিবাদে মানববন্ধন
জামায়াত-শিবির নেতাদের প্রতারণা: শরিয়াসম্মত ব্যবসার নামে ১২ কোটি টাকা আত্মসাৎ করে লাপাত্তা
সরকারের দাবি সারের মজুদ পর্যাপ্ত, বাজারের চিত্র উল্টো: শুধু এক জেলার কৃষকের অতিরিক্ত ৩৭৫ কোটি টাকা ঢুকছে কার পকেটে?
উড়োজাহাজ থেকে ২০ কোটি টাকার স্বর্ণ উদ্ধার
চাঁদাবাজির থাবায় অচল মেহেরপুরের বড়বাজার, খালি হাতে বাড়ি ফিরছেন ক্রেতারা
চুয়াডাঙ্গায় পৃথক স্থানে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ৪ জনের মৃত্যু
লোডশেডিংয়ের সুযোগে গায়েব হচ্ছে ট্রান্সফর্মার, উল্টো জরিমানা গুণতে হয় গ্রাহকদের!
রাঙামাটিতে স্বর্ণের চালানসহ যুবদল নেতা গ্রেপ্তার: নেপথ্যে একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য
পার্বত্য জেলা রাঙামাটিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এক যৌথ অভিযানে স্বর্ণ চোরাচালান চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই চালানে সরাসরি সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে আটক ব্যক্তিদের মধ্যে চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মোহাম্মদ ফারুখের নাম উঠে আসায় পুরো এলাকা জুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযান সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ, নগদ টাকা এবং চোরাচালানে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। তবে কেবল স্বর্ণ চোরাচালানই নয়, যুবদল নেতা ফারুখের বিরুদ্ধে পূর্বেও একাধিক ইয়াবা চালান ও নারীদের দিয়ে অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার সুস্পষ্ট প্রমাণ রয়েছে বলে দাবি করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
৫ আগস্ট-পরবর্তী প্রভাব ও রাজনৈতিক বিতর্ক
মোহাম্মদ ফারুখের এই আকস্মিক গ্রেপ্তারের
খবর ছড়িয়ে পড়তেই আনোয়ারা উপজেলার রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে চরম উত্তেজনা ও আলোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয় সূত্রগুলোর দাবি, গত বছরের ৫ আগস্টের সরকার পরিবর্তনের পর থেকে আনোয়ারায় রাজনৈতিক প্রভাব খাঁটিয়ে তিনি একের পর এক বিতর্কিত কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিলেন। আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা, রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি এবং বিভিন্ন মামলা দায়েরের পেছনে তাঁর সক্রিয় ভূমিকা ও একচ্ছত্র প্রভাব ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। তদন্ত ও পরবর্তী পদক্ষেপ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এই আন্তর্জাতিক বা আঞ্চলিক স্বর্ণ চোরাচালান নেটওয়ার্কের পেছনে কোনো রাজনৈতিক প্রভাবশালী বা অর্থায়নকারী ব্যক্তি জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, এই ৫ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ
শেষ হলে এই সিন্ডিকেটের মূল হোতাদের বড় অংশ সামনে চলে আসবে। তবে সামগ্রিক অভিযোগ ও তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ বিষয়ে এখনই কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
খবর ছড়িয়ে পড়তেই আনোয়ারা উপজেলার রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে চরম উত্তেজনা ও আলোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয় সূত্রগুলোর দাবি, গত বছরের ৫ আগস্টের সরকার পরিবর্তনের পর থেকে আনোয়ারায় রাজনৈতিক প্রভাব খাঁটিয়ে তিনি একের পর এক বিতর্কিত কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিলেন। আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা, রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি এবং বিভিন্ন মামলা দায়েরের পেছনে তাঁর সক্রিয় ভূমিকা ও একচ্ছত্র প্রভাব ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। তদন্ত ও পরবর্তী পদক্ষেপ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এই আন্তর্জাতিক বা আঞ্চলিক স্বর্ণ চোরাচালান নেটওয়ার্কের পেছনে কোনো রাজনৈতিক প্রভাবশালী বা অর্থায়নকারী ব্যক্তি জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, এই ৫ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ
শেষ হলে এই সিন্ডিকেটের মূল হোতাদের বড় অংশ সামনে চলে আসবে। তবে সামগ্রিক অভিযোগ ও তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ বিষয়ে এখনই কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।



