ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সরকারের দাবি সারের মজুদ পর্যাপ্ত, বাজারের চিত্র উল্টো: শুধু এক জেলার কৃষকের অতিরিক্ত ৩৭৫ কোটি টাকা ঢুকছে কার পকেটে?
উড়োজাহাজ থেকে ২০ কোটি টাকার স্বর্ণ উদ্ধার
চাঁদাবাজির থাবায় অচল মেহেরপুরের বড়বাজার, খালি হাতে বাড়ি ফিরছেন ক্রেতারা
চুয়াডাঙ্গায় পৃথক স্থানে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ৪ জনের মৃত্যু
লোডশেডিংয়ের সুযোগে গায়েব হচ্ছে ট্রান্সফর্মার, উল্টো জরিমানা গুণতে হয় গ্রাহকদের!
স্কুল প্রাঙ্গণে ছাত্রের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক, শিক্ষিকার ৭ বছরের জেল
চার লাখ কৃষকের জন্য টিএসপি ১০৪৫ টন
জামায়াত-শিবির নেতাদের প্রতারণা: শরিয়াসম্মত ব্যবসার নামে ১২ কোটি টাকা আত্মসাৎ করে লাপাত্তা
কুড়িগ্রামে ধর্মীয় বিশ্বাস ও সুদমুক্ত শরিয়াসম্মত বিনিয়োগের বিশ্বাসযোগ্যতাকে পুঁজি করে প্রায় ১৫০ জন সাধারণ মানুষের ১২ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় জামায়াতে ইসলামী ও গুপ্ত সংগঠন শিবিরের দায়িত্বশীল নেতার বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগীদের দায়ের করা অভিযোগ ও আয়োজিত মানববন্ধন থেকে উঠে এসেছে এক সংগঠিত আর্থিক প্রতারণার চিত্র।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালে জামায়াতের কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সহকারী সেক্রেটারি শাহজালাল সবুজ, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য রফিকুল ইসলাম, রোকন আবদুস সালাম এবং শিবিরের কেন্দ্রীয় বায়তুল মাল সদস্য রফিকুল ইসলাম যৌথভাবে ‘ভিশন এন্টারপ্রাইজ’ নামে একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন।
সুদমুক্ত ও শরিয়াভিত্তিক হালাল ব্যবসার নিশ্চয়তা দিয়ে স্থানীয়দের কাছ থেকে আমানত সংগ্রহ শুরু করেন তারা। প্রাথমিক
চুক্তি অনুযায়ী, প্রতি লাখ টাকার বিনিয়োগে মাসে ১ হাজার টাকা হারে লভ্যাংশ পরিশোধ করা হতো। প্রায় সাড়ে ৪ বছর স্বাভাবিক লেনদেন বজায় রেখে গ্রাহকদের আস্থা অর্জন করা হলেও ২০২৪ সালের অক্টোবর থেকে হঠাৎ মুনাফা দেওয়া বন্ধ হয়ে যায়। এর এক মাসের মাথায়, অর্থাৎ ১৬ই নভেম্বর ২০২৪, তারা প্রতিষ্ঠানে তালা ঝুলিয়ে আত্মগোপনে চলে যান এবং আমানতকারীদের সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করেন। স্কুল-শিক্ষক মাহফুজুল হক বলেন, ২০২২ সালে বিভিন্ন লাভজনক কোম্পানির ডিলারশিপের লোভনীয় প্রস্তাব পেয়ে সাড়ে ৯ লাখ টাকা জমা দেন। ২০২৪ সালের অক্টোবর পর্যন্ত লভ্যাংশ পেলেও বর্তমানে মূলধন ও লভ্যাংশ হারিয়ে দিশেহারা। গৃহিণী মোছলেমা বেগম বলেন, অবসরকালীন সঞ্চয় ও এনজিও থেকে নেওয়া ঋণের
১০ লাখ টাকা তুলে দেন জামায়াত নেতাদের হাতে। বিগত দুই বছর ধরে তিনি মুনাফা বা আসল টাকার কোনো হদিস পাচ্ছেন না। প্রতারণার অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই পরিচালকদের মধ্যে শুরু হয়েছে পারস্পরিক দায় চাপানোর খেলা। শাহজালাল সবুজের দাবি তিনি এই আর্থিক প্রতারণায় জড়িত নন। তার মতে, ‘ভিশন এন্টারপ্রাইজ’ মূলত রফিকুল ইসলামের একক ব্যবসা এবং তাকে রাজনৈতিক বা সামাজিকভাবে হেয় করতেই এসব অভিযোগ তোলা হচ্ছে। অন্যদিকে সবুজের বক্তব্য খণ্ডন করে রফিকুল ইসলাম জানান, চার মূল অংশীদারের আনুষ্ঠানিক চুক্তির মাধ্যমেই ব্যবসার সূচনা হয়েছিল। পরবর্তীতে আরও দুইজন যুক্ত হয়ে মোট ৬ জন পরিচালক সমানভাবে সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করেছেন। ফলে দায় সবারই। ঘটনাটি জেলা জামায়াতের শীর্ষ নেতৃত্বের গোচরে আনা হলে
বিষয়টি তদন্তে কমিটি গঠন করা হয়। কুড়িগ্রাম জেলা জামায়াতের আমির আজিজুর রহমান জানান, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে মূল অভিযুক্ত রফিকুল ইসলামকে দল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। অন্যদিকে শাহজালাল সবুজের রোকন পদ দুই মাসের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। অন্য দুই পরিচালকের সরাসরি সংশ্লিষ্টতা তদন্তে পাওয়া যায়নি। ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকরা তাদের পাওনা টাকা আদায়ে আইনি পথ অবলম্বন করলে দল তাদের পাশে থাকবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।
চুক্তি অনুযায়ী, প্রতি লাখ টাকার বিনিয়োগে মাসে ১ হাজার টাকা হারে লভ্যাংশ পরিশোধ করা হতো। প্রায় সাড়ে ৪ বছর স্বাভাবিক লেনদেন বজায় রেখে গ্রাহকদের আস্থা অর্জন করা হলেও ২০২৪ সালের অক্টোবর থেকে হঠাৎ মুনাফা দেওয়া বন্ধ হয়ে যায়। এর এক মাসের মাথায়, অর্থাৎ ১৬ই নভেম্বর ২০২৪, তারা প্রতিষ্ঠানে তালা ঝুলিয়ে আত্মগোপনে চলে যান এবং আমানতকারীদের সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করেন। স্কুল-শিক্ষক মাহফুজুল হক বলেন, ২০২২ সালে বিভিন্ন লাভজনক কোম্পানির ডিলারশিপের লোভনীয় প্রস্তাব পেয়ে সাড়ে ৯ লাখ টাকা জমা দেন। ২০২৪ সালের অক্টোবর পর্যন্ত লভ্যাংশ পেলেও বর্তমানে মূলধন ও লভ্যাংশ হারিয়ে দিশেহারা। গৃহিণী মোছলেমা বেগম বলেন, অবসরকালীন সঞ্চয় ও এনজিও থেকে নেওয়া ঋণের
১০ লাখ টাকা তুলে দেন জামায়াত নেতাদের হাতে। বিগত দুই বছর ধরে তিনি মুনাফা বা আসল টাকার কোনো হদিস পাচ্ছেন না। প্রতারণার অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই পরিচালকদের মধ্যে শুরু হয়েছে পারস্পরিক দায় চাপানোর খেলা। শাহজালাল সবুজের দাবি তিনি এই আর্থিক প্রতারণায় জড়িত নন। তার মতে, ‘ভিশন এন্টারপ্রাইজ’ মূলত রফিকুল ইসলামের একক ব্যবসা এবং তাকে রাজনৈতিক বা সামাজিকভাবে হেয় করতেই এসব অভিযোগ তোলা হচ্ছে। অন্যদিকে সবুজের বক্তব্য খণ্ডন করে রফিকুল ইসলাম জানান, চার মূল অংশীদারের আনুষ্ঠানিক চুক্তির মাধ্যমেই ব্যবসার সূচনা হয়েছিল। পরবর্তীতে আরও দুইজন যুক্ত হয়ে মোট ৬ জন পরিচালক সমানভাবে সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করেছেন। ফলে দায় সবারই। ঘটনাটি জেলা জামায়াতের শীর্ষ নেতৃত্বের গোচরে আনা হলে
বিষয়টি তদন্তে কমিটি গঠন করা হয়। কুড়িগ্রাম জেলা জামায়াতের আমির আজিজুর রহমান জানান, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে মূল অভিযুক্ত রফিকুল ইসলামকে দল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। অন্যদিকে শাহজালাল সবুজের রোকন পদ দুই মাসের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। অন্য দুই পরিচালকের সরাসরি সংশ্লিষ্টতা তদন্তে পাওয়া যায়নি। ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকরা তাদের পাওনা টাকা আদায়ে আইনি পথ অবলম্বন করলে দল তাদের পাশে থাকবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।



