ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ডিভিসি ও কংসাবতী বাঁধের পানি ছাড়ায় পশ্চিমবঙ্গে বন্যার শঙ্কা
ইরানে ‘যখন খুশি’ হামলার হুমকি ট্রাম্পের
২০২৭ সালের বিশ্ব ইজতেমার তারিখ ঘোষণা
ইয়েমেনে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা,বাড়ছে উত্তেজনা
আল-আকসা মসজিদে ৫,২০৯ জন ইসরাইলি দখলদারের হানা, ২ ফিলিস্তিনি নিহত
নভেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশে কাতারের এলএনজি সরবরাহ স্থগিত
চার দেশে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার দাবি ইরানের
ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা: বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানি পুরোপুরি বন্ধ
নেপালের ভোটেকোশি নদীতে গত ২৬ আগস্ট ভয়াবহ আকস্মিক বিধ্বংসী বন্যার কারণে একাধিক জলবিদ্যুৎ প্রকল্প বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দেশটি থেকে ভারতীয় সঞ্চালন লাইনের মাধ্যমে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানি বন্ধ হয়ে গেছে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায় সংবাদমাধ্যম কাঠমান্ডু পোস্ট।
এতে বলা হয়েছে, গত সপ্তাহের বন্যায় বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য অনুমোদিত দুটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তখন থেকেই বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। প্রকল্প দুটি হল- ২২.১ মেগাওয়াটের চিলিমে জলবিদ্যুৎ প্রকল্প এবং ২৪ মেগাওয়াটের ত্রিশূলী জলবিদ্যুৎ প্রকল্প।
প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, বর্ষাকালে নদীর পানি বাড়লে হাইড্রোপাওয়ার বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ে। এ সময় নিজেদের চাহিদা মিটিয়েও নেপালের বাড়তি বিদ্যুৎ থাকে। যা রপ্তানি করা হয়।
বাংলাদেশ
সদ্যই ভারতীয় গ্রিড ব্যবহার করে নেপালের বিদ্যুৎ আনছিল। তবে এখন এ বিদ্যুৎ সরবরাহ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। কাটমান্ডু পোস্টের খবরে বলা হয়, চিলিমে জলবিদ্যুৎ প্রকল্প থেকে ভারতের কাছে ২১.৪ মেগাওয়াট এবং ত্রিশূলীর কেন্দ্র থেকে ১৮.৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ বিক্রির অনুমোদন ছিল। ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্যও এই দুটি প্রকল্পকে অনুমোদন দেওয়া হয়। বাংলাদেশে বিদ্যুৎ বিক্রি করে নেপাল মার্কিন ডলারে অর্থ পেয়ে থাকে। কিন্তু রপ্তানি বন্ধ হওয়ার পর সেই অর্থ প্রাপ্তি আপাতত থমকে গেল। নেপাল বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দীর্ঘায়ু কুমার শ্রেষ্ঠ বলেছেন, বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা দুটি কেন্দ্রেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ কারণে আমরা ভারতকে বিকল্প হিসেবে অন্য প্রজেক্ট থেকে বিদ্যুৎ
পাঠানোর সুযোগ দিতে অনুরোধ করেছি।
সদ্যই ভারতীয় গ্রিড ব্যবহার করে নেপালের বিদ্যুৎ আনছিল। তবে এখন এ বিদ্যুৎ সরবরাহ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। কাটমান্ডু পোস্টের খবরে বলা হয়, চিলিমে জলবিদ্যুৎ প্রকল্প থেকে ভারতের কাছে ২১.৪ মেগাওয়াট এবং ত্রিশূলীর কেন্দ্র থেকে ১৮.৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ বিক্রির অনুমোদন ছিল। ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্যও এই দুটি প্রকল্পকে অনুমোদন দেওয়া হয়। বাংলাদেশে বিদ্যুৎ বিক্রি করে নেপাল মার্কিন ডলারে অর্থ পেয়ে থাকে। কিন্তু রপ্তানি বন্ধ হওয়ার পর সেই অর্থ প্রাপ্তি আপাতত থমকে গেল। নেপাল বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দীর্ঘায়ু কুমার শ্রেষ্ঠ বলেছেন, বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা দুটি কেন্দ্রেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ কারণে আমরা ভারতকে বিকল্প হিসেবে অন্য প্রজেক্ট থেকে বিদ্যুৎ
পাঠানোর সুযোগ দিতে অনুরোধ করেছি।



