ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
চার দেশে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার দাবি ইরানের
প্রকাশ্যে মার্কিন প্রশাসনের অন্তর্দ্বন্দ্ব
ইরানে ফের মার্কিন বাহিনীর হামলা শুরু, জানালেন ট্রাম্প
বিশকেকে পুতিন-মোদি বৈঠক: শান্তির আহ্বান, দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদারের অঙ্গীকার
নিজ বাসভবনে মিললো মমতার ভাইঝির মরদেহ
নেপালে বন্যায় প্রাণহানি-নিখোঁজের তথ্য প্রকাশ পেলেও চীনের চিত্র এখনও অস্পষ্ট
‘সবাই চিন্তিত’, লর্ডসে লজ্জার হারের পর বললেন পাকিস্তানের আব্বাস
নভেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশে কাতারের এলএনজি সরবরাহ স্থগিত
হরমুজ প্রণালিতে চলমান যুদ্ধ ও নিরাপত্তা সংকটের কারণে বাংলাদেশে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহ আরও পিছিয়ে দিয়েছে কাতারএনার্জি। সেপ্টেম্বর পর্যন্ত স্থগিত থাকা সরবরাহের মেয়াদ এবার বাড়িয়ে নভেম্বর পর্যন্ত করা হয়েছে।
শুধু বাংলাদেশ নয়, কাতারের এলএনজি সরবরাহ বন্ধ থাকায় ভারত, পাকিস্তানসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশও জ্বালানি সংকটে পড়েছে। কাতারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই সমুদ্রপথে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এলএনজি রপ্তানি পুরোপুরি শুরু করা সম্ভব নয়।
যুদ্ধ শুরুর পর গত মার্চে চুক্তির শর্ত অনুযায়ী গ্যাস সরবরাহ সাময়িকভাবে স্থগিতের ঘোষণা দেয় কাতারএনার্জি। পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় এরপর থেকে প্রতি মাসেই স্থগিতাদেশের মেয়াদ বাড়ানো হচ্ছে।
জানা গেছে, যুদ্ধ শুরুর পর প্রথম ছয়
মাসে কাতার মাত্র ১৮টি এলএনজিবাহী জাহাজ পাঠাতে সক্ষম হয়েছে। অথচ গত বছরের একই সময়ে ৫০৯টি জাহাজ চলাচল করেছিল। এতে কাতারের প্রায় ২ হাজার ৪০০ কোটি ডলারের বাণিজ্য ক্ষতি হয়েছে। এদিকে ইতালির এডিসন কোম্পানি জানিয়েছে, তাদের জন্য নির্ধারিত পাঁচটি এলএনজি চালান বাতিল করা হয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোকেও একই ধরনের নোটিশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। কাতারের গ্যাস সরবরাহ বন্ধের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়ছে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও ভারতের মতো দেশগুলোর ওপর। এসব দেশ নিজেদের জ্বালানি চাহিদার একটি বড় অংশ পূরণে কাতারের এলএনজির ওপর নির্ভরশীল। ফলে এখন বিশ্ববাজার থেকে তুলনামূলক বেশি দামে বিকল্প উৎসের গ্যাস কিনতে গিয়ে বাড়তি অর্থনৈতিক চাপের মুখে পড়ছে তারা। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও
মালয়েশিয়া নিজেদের উৎপাদন বাড়িয়ে বৈশ্বিক বাজারে ঘাটতি মোকাবিলার চেষ্টা করছে। তবে কাতারের সরবরাহে তৈরি হওয়া ঘাটতি পুরোপুরি পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না। বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এলএনজি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয়। ফলে এই সমুদ্রপথে নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত কাতারের পক্ষেও স্বাভাবিকভাবে গ্যাস রপ্তানি করা কঠিন হয়ে পড়েছে। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, সমুদ্রপথ নিরাপদ ঘোষণা করা হলেও কাতারের এলএনজি উৎপাদন ও সরবরাহব্যবস্থা পুরোপুরি আগের অবস্থায় ফিরতে অন্তত দুই মাস সময় লাগতে পারে। আর হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত গ্যাস কারখানাগুলো পুনর্গঠনে তিন থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত সময় লাগার সম্ভাবনা রয়েছে। এ কারণে বিশ্ববাজারে গ্যাস সরবরাহের পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে ২০২৮ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে
হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ইউরো নিউজ
মাসে কাতার মাত্র ১৮টি এলএনজিবাহী জাহাজ পাঠাতে সক্ষম হয়েছে। অথচ গত বছরের একই সময়ে ৫০৯টি জাহাজ চলাচল করেছিল। এতে কাতারের প্রায় ২ হাজার ৪০০ কোটি ডলারের বাণিজ্য ক্ষতি হয়েছে। এদিকে ইতালির এডিসন কোম্পানি জানিয়েছে, তাদের জন্য নির্ধারিত পাঁচটি এলএনজি চালান বাতিল করা হয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোকেও একই ধরনের নোটিশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। কাতারের গ্যাস সরবরাহ বন্ধের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়ছে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও ভারতের মতো দেশগুলোর ওপর। এসব দেশ নিজেদের জ্বালানি চাহিদার একটি বড় অংশ পূরণে কাতারের এলএনজির ওপর নির্ভরশীল। ফলে এখন বিশ্ববাজার থেকে তুলনামূলক বেশি দামে বিকল্প উৎসের গ্যাস কিনতে গিয়ে বাড়তি অর্থনৈতিক চাপের মুখে পড়ছে তারা। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও
মালয়েশিয়া নিজেদের উৎপাদন বাড়িয়ে বৈশ্বিক বাজারে ঘাটতি মোকাবিলার চেষ্টা করছে। তবে কাতারের সরবরাহে তৈরি হওয়া ঘাটতি পুরোপুরি পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না। বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এলএনজি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয়। ফলে এই সমুদ্রপথে নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত কাতারের পক্ষেও স্বাভাবিকভাবে গ্যাস রপ্তানি করা কঠিন হয়ে পড়েছে। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, সমুদ্রপথ নিরাপদ ঘোষণা করা হলেও কাতারের এলএনজি উৎপাদন ও সরবরাহব্যবস্থা পুরোপুরি আগের অবস্থায় ফিরতে অন্তত দুই মাস সময় লাগতে পারে। আর হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত গ্যাস কারখানাগুলো পুনর্গঠনে তিন থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত সময় লাগার সম্ভাবনা রয়েছে। এ কারণে বিশ্ববাজারে গ্যাস সরবরাহের পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে ২০২৮ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে
হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ইউরো নিউজ



