ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ট্রাম্পের সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কুশল বিনিময়
যুদ্ধের ধাক্কার পরও বিশ্ব অর্থনীতিতে আশার খবর
আজ দিন ও রাত সমান
ইউরোপের সঙ্গে সম্পর্ক আগাতে কিনতে হবে এয়ারবাস: ফরাসি রাষ্ট্রদূত
হরমুজে ফের উত্তেজনা, হামলার আশঙ্কায় কমছে জাহাজ চলাচল
বিশ্ববাজারে দাম নিম্নমুখী, অথচ দেশে বাড়ল সব ধরনের জ্বালানির দাম!
ছুটি ফেলে কেন তড়িঘড়ি করে ওয়াশিংটন ফিরলেন ট্রাম্প
পুতিনের বিশ্বস্ত মিত্র কে এই রমজান কাদিরভ?
রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের অন্যতম কট্টর অনুগত ও বিশ্বস্ত মিত্র হিসেবে পরিচিত রুশ প্রজাতন্ত্র চেচনিয়ার প্রেসিডেন্ট রমজান কাদিরভ। নিজেকে সবসময় পুতিনের ‘পদাতিক সেনা’ বলে পরিচয় দেওয়া কাদিরভ অবশ্য একসময় রাশিয়ার বিরুদ্ধে চেচনিয়ার স্বাধীনতার জন্যই লড়াই করেছিলেন।
কিন্তু হঠাৎ কি এমন হলো যে, নিজেদের স্বাধীনতার নেশায় মত্ত থাকা কাদিরভ একটা সময়ে গিয়ে বনে গেলেন পুতিনের সবচেয়ে বিশ্বস্ত মিত্র?
১৯৭৬ সালের ০৫ অক্টোবর জন্ম নেওয়া কাদিরভ নব্বইয়ের দশকের শুরুতে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর (১৯৯১ সালে) চেচেন স্বাধীনতাকামীদের সঙ্গে যুক্ত হন।
প্রথম চেচেন যুদ্ধে (১৯৯৪–১৯৯৬) চেচেন স্বাধীনতাকামীদের (ইসলামপন্থীদের) পক্ষে রাশিয়ার বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরেছিলেন তিনি। কিন্তু ১৯৯৯ সালে শুরু হওয়া দ্বিতীয় চেচেন যুদ্ধের সময়
তার বাবা আখমাদ কাদিরভ এবং তিনি ক্রেমলিনের সঙ্গে সমঝোতা করেন এবং রাশিয়ার পক্ষে অবস্থান নেন। এই দুটি রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ঘটে। রাশিয়ার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন চেচনিয়াকে ক্রেমলিনের সরাসরি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসেন এবং রমজানের বাবা আখমাদ কাদিরভকে শাসনভার দেন। এই সময়ে বাবা ও ছেলে উভয়েই বিচ্ছিন্নতাবাদী পথ ছেড়ে রাশিয়ার পক্ষে চলে আসেন। ২০০৩ সালে বাবা আখমাদ প্রেসিডেন্ট হন এবং রমজান হন প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা। ২০০৪ সালে এক বোমা হামলায় বাবা আখমাদ কাদিরভ নিহত হন। এর পরই পুতিনের বিশেষ কৃপায় খুব দ্রুতই ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসেন রমজান। ২০০৭ সালে ৩০ বছর বয়স পূর্ণ হলে পুতিনের মনোনয়নে রমজান চেচনিয়ার প্রেসিডেন্ট
হন এবং আজ পর্যন্ত সেই ক্ষমতা ধরে রেখেছেন। ক্ষমতায় এসেই তিনি চেচনিয়াকে একচ্ছত্র ও কঠোর হাতে শাসন করতে শুরু করেন। তার ব্যক্তিগত বাহিনী ‘কাদিরভৎসি’র বিরুদ্ধে অপহরণ, নির্যাতন ও বিচারবহির্ভূত হত্যার মতো বহু গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে। সেখানে সরকারবিরোধী সমালোচক, সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মী কিংবা সাধারণ ভিন্নমতাবলম্বীরা সবসময় চরম ঝুঁকির মধ্যে থাকেন।
তার বাবা আখমাদ কাদিরভ এবং তিনি ক্রেমলিনের সঙ্গে সমঝোতা করেন এবং রাশিয়ার পক্ষে অবস্থান নেন। এই দুটি রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ঘটে। রাশিয়ার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন চেচনিয়াকে ক্রেমলিনের সরাসরি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসেন এবং রমজানের বাবা আখমাদ কাদিরভকে শাসনভার দেন। এই সময়ে বাবা ও ছেলে উভয়েই বিচ্ছিন্নতাবাদী পথ ছেড়ে রাশিয়ার পক্ষে চলে আসেন। ২০০৩ সালে বাবা আখমাদ প্রেসিডেন্ট হন এবং রমজান হন প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা। ২০০৪ সালে এক বোমা হামলায় বাবা আখমাদ কাদিরভ নিহত হন। এর পরই পুতিনের বিশেষ কৃপায় খুব দ্রুতই ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসেন রমজান। ২০০৭ সালে ৩০ বছর বয়স পূর্ণ হলে পুতিনের মনোনয়নে রমজান চেচনিয়ার প্রেসিডেন্ট
হন এবং আজ পর্যন্ত সেই ক্ষমতা ধরে রেখেছেন। ক্ষমতায় এসেই তিনি চেচনিয়াকে একচ্ছত্র ও কঠোর হাতে শাসন করতে শুরু করেন। তার ব্যক্তিগত বাহিনী ‘কাদিরভৎসি’র বিরুদ্ধে অপহরণ, নির্যাতন ও বিচারবহির্ভূত হত্যার মতো বহু গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে। সেখানে সরকারবিরোধী সমালোচক, সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মী কিংবা সাধারণ ভিন্নমতাবলম্বীরা সবসময় চরম ঝুঁকির মধ্যে থাকেন।



