ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
স্কুল প্রাঙ্গণে ছাত্রের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক, শিক্ষিকার ৭ বছরের জেল
৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ এমপির বাড়ি লুটতে গিয়ে ‘শহীদ’ জুলাই কর্মীর পিতা সেপটিক ট্যাংকে পড়ে নিহত
রাজধানীতে প্রকাশ্যে গোলাগুলি, নারীসহ আহত ৩; নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত সাধারণ মানুষ
মহেশখালীর কারিগরদের হাতে সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ৮টি বন্দুক-রাইফেল উদ্ধার
জামালপুরে ৭ দিনে ৫ মরদেহ উদ্ধার, আতঙ্কে জেলাবাসী
নেত্রকোনায় ফসলরক্ষা বাঁধের দুই হাজারের বেশি ব্লক লুটের অভিযোগ, লুটপাটে পিছিয়ে নেই কেউই-দেখারও নেই কেউ
আওয়ামী লীগের দোসর আখ্যায় ডেইলি স্টারের সাংবাদিককে পেটালেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা
চার লাখ কৃষকের জন্য টিএসপি ১০৪৫ টন
রাজশাহীতে কৃষকের সংখ্যা ৪ লাখ ১২ হাজারের বেশি। অথচ সেপ্টেম্বরে পুরো জেলার জন্য টিএসপি সারের বরাদ্দ হয়েছে মাত্র ১০৪৫ টন। প্রত্যেক কৃষককে এক বস্তা করে দেওয়া হলে এই পরিমাণ সার মাত্র ২০ হাজার ৯০০ কৃষককে দেওয়া যাবে। কৃষকের চাহিদার তুলনায় এটা একেবারেই অপ্রতুল।
বিষয়টি নিয়ে রোববার সংবাদ সম্মেলন করেছে বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার অ্যাসোসিয়েশন (বিএফএ) রাজশাহী জেলা ইউনিট। মহানগরীর রেলগেট এলাকার সংগঠনটির কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন বিএফএ জেলা ইউনিটের সভাপতি মো. ওছমান আলী। তিনি বলেন, ‘রাজশাহীতে সরকারি গুদামে সারের মজুত নিয়ে আতঙ্কের কোনো কারণ নেই। বাফার ও বিএডিসির গুদামে পর্যাপ্ত সার রয়েছে। তবে কৃষকের চাহিদার সঙ্গে সরকারি বরাদ্দের সামঞ্জস্য
না থাকায় ডিলার পর্যায়ে চাপ তৈরি হচ্ছে।’ সংগঠনটির তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরে রাজশাহী জেলায় টিএসপি ১০৪৫ টন, এমওপি ১৬২৯ টন এবং ডিএপি ৩০১৫ টন বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। জেলায় আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ প্রায় এক লাখ ৮৫ হাজার হেক্টর। বর্তমান বরাদ্দ কৃষকদের মধ্যে সমানুপাতিক হারে ভাগ করলে একজন কৃষকের ভাগে আনুমানিক ২ দশমিক ৫ কেজি টিএসপি, ৪ কেজি এমওপি ও ৭ কেজি ডিএপি পড়ে। কৃষকের প্রকৃত চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে সারের বরাদ্দ বাড়ানো প্রয়োজন। সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির পক্ষ থেকে সাত দফা দাবি তুলে ধরা হয়। এগুলোর মধ্যে রয়েছে-কৃষকের প্রকৃত চাহিদা অনুযায়ী সার বরাদ্দ, সংকটপূর্ণ এলাকায় দ্রুত উপ-বরাদ্দ, মাছ চাষের পুকুরের জন্য সার বরাদ্দ, ডিলারদের কমিশন পুনর্নির্ধারণ
এবং বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে সার ব্যবহারে কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া। রাজশাহীতে বিসিআইসির ৮৬ জন ও বিএডিসির ১৩০ জনসহ মোট ২১৬ জন ডিলার রয়েছেন। এর বাইরে ৪৭৫ জন কার্ডধারী খুচরা বিক্রেতা সার বিতরণের সঙ্গে যুক্ত। ডিলারদের দাবি, তারা সরকারি বরাদ্দ অনুযায়ী সার উত্তোলন করে নির্ধারিত মূল্যে কৃষকদের কাছে বিক্রি করছেন। কোনো ডিলার অনিয়ম করলে এর দায় পুরো ডিলার সমাজের ওপর চাপানো উচিত নয়। সার নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর’ তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ করা হয় সংবাদ সম্মেলনে। ডিলারদের ভাষ্য, এসব তথ্যের কারণে কৃষকদের মধ্যে অযথা আতঙ্ক তৈরি হচ্ছে। কেউ কেউ প্রয়োজনের আগেই সার কিনে মজুত করার চেষ্টা করছেন। নভেম্বরের আলু ও পেঁয়াজ চাষকে কেন্দ্র করে
এখনই সার সংগ্রহের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। ডিলাররা আরও বলেন, ‘অনেক কৃষক কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শের চেয়ে বেশি সার ব্যবহার করছেন। এতে সারের চাহিদা অপ্রয়োজনীয়ভাবে বাড়ার পাশাপাশি জমির উর্বরতাও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই কৃষকদের সার ব্যবহারের ক্ষেত্রে বৈজ্ঞানিক পরামর্শ দেওয়া প্রয়োজন। সংগঠনটির তথ্য অনুযায়ী, রাজশাহীতে প্রায় ১৪ হাজার হেক্টর পুকুরে মাছ চাষ হয়। এসব পুকুরের জন্যও সার বরাদ্দের দাবি জানানো হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে ডিলাররা জানান, সরকার নির্ধারিত মূল্যে সার বিক্রিতে তারা বদ্ধপরিকর। বর্তমানে ইউরিয়া ও টিএসপি প্রতি বস্তা এক হাজার ৩৫০ টাকা, ডিএপি এক হাজার ৫০ টাকা এবং এমওপি এক হাজার টাকা দরে বিক্রির জন্য নির্ধারিত রয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহিনুর রহমান,
কোষাধ্যক্ষ আব্দুল গণি, নির্বাহী সদস্য সাইদুর রহমান ভুট্টো, লাল মোহাম্মদ সরদার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। সাদুল্লাপুরে ২১১ বস্তা সার জব্দ : গাইবান্ধা প্রতিনিধি জানান, সাদুল্লাপুর উপজেলার কামারপাড়া ইউনিয়নে এক ডিলারের গোডাউন থেকে অবৈধভাবে মজুত ২১১ বস্তা সার জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় ডিলার মিথুন চন্দ্র বর্মণকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা অপুর্ব ভট্টাচার্য জানান, কামারপাড়া ইউনিয়নের সার ডিলার মিথুন চন্দ্র তার প্রণব ট্রেডার্স নামের দোকান ও গোডাউনে রক্ষিত ইউরিয়া, পটাশসহ গুরুত্বপূর্ণ সার অবৈধ ভাবে মজুত করেন। এসব সার সাদুল্লাপুর উপজেলায় বিক্রি না করে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কৃষকদের মধ্যে চড়া দামে বিক্রি করছিলেন। এ কারণে শনিবার রাতে ডিলারের গোডাউনে
ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালায়। এ সময় ২১১ বস্তা সার পাওয়া যায়। বৈধ কাগজ দেখাতে না পারায় ডিলার মিথুন চন্দ্র বর্মণকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ফুলবাড়ীতে ২০ বস্তা জব্দ, আটক ১ : ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি জানান, অবৈধ পন্থায় ডিলারের কাছ থেকে সার উত্তোলন করে নিয়ে যাওয়ার সময় ২০ বস্তা সার জব্দ করেছে ফুলবাড়ী উপজেলা কৃষি বিভাগ। এ সময় একজনকে আটক করা হয়েছে। তার নাম আজিমুল ইসলাম। সে নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের নাওডাঙ্গা ওয়ার্ডের বাদশা মিয়ার ছেলে। রোববার বিকালে উপজেলার বালারহাট বাজারে মেসার্স সৈকত ট্রেডার্সের (সার ডিলার) দোকান থেকে সার নিয়ে যাচ্ছিল আজিমুল। এদিকে ঘটনার পর থেকে বালারহাট বাজারে সৈকত ট্রেডার্সের দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যানেজারকে পাওয়া
যাচ্ছে না। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
না থাকায় ডিলার পর্যায়ে চাপ তৈরি হচ্ছে।’ সংগঠনটির তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরে রাজশাহী জেলায় টিএসপি ১০৪৫ টন, এমওপি ১৬২৯ টন এবং ডিএপি ৩০১৫ টন বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। জেলায় আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ প্রায় এক লাখ ৮৫ হাজার হেক্টর। বর্তমান বরাদ্দ কৃষকদের মধ্যে সমানুপাতিক হারে ভাগ করলে একজন কৃষকের ভাগে আনুমানিক ২ দশমিক ৫ কেজি টিএসপি, ৪ কেজি এমওপি ও ৭ কেজি ডিএপি পড়ে। কৃষকের প্রকৃত চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে সারের বরাদ্দ বাড়ানো প্রয়োজন। সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির পক্ষ থেকে সাত দফা দাবি তুলে ধরা হয়। এগুলোর মধ্যে রয়েছে-কৃষকের প্রকৃত চাহিদা অনুযায়ী সার বরাদ্দ, সংকটপূর্ণ এলাকায় দ্রুত উপ-বরাদ্দ, মাছ চাষের পুকুরের জন্য সার বরাদ্দ, ডিলারদের কমিশন পুনর্নির্ধারণ
এবং বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে সার ব্যবহারে কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া। রাজশাহীতে বিসিআইসির ৮৬ জন ও বিএডিসির ১৩০ জনসহ মোট ২১৬ জন ডিলার রয়েছেন। এর বাইরে ৪৭৫ জন কার্ডধারী খুচরা বিক্রেতা সার বিতরণের সঙ্গে যুক্ত। ডিলারদের দাবি, তারা সরকারি বরাদ্দ অনুযায়ী সার উত্তোলন করে নির্ধারিত মূল্যে কৃষকদের কাছে বিক্রি করছেন। কোনো ডিলার অনিয়ম করলে এর দায় পুরো ডিলার সমাজের ওপর চাপানো উচিত নয়। সার নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর’ তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ করা হয় সংবাদ সম্মেলনে। ডিলারদের ভাষ্য, এসব তথ্যের কারণে কৃষকদের মধ্যে অযথা আতঙ্ক তৈরি হচ্ছে। কেউ কেউ প্রয়োজনের আগেই সার কিনে মজুত করার চেষ্টা করছেন। নভেম্বরের আলু ও পেঁয়াজ চাষকে কেন্দ্র করে
এখনই সার সংগ্রহের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। ডিলাররা আরও বলেন, ‘অনেক কৃষক কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শের চেয়ে বেশি সার ব্যবহার করছেন। এতে সারের চাহিদা অপ্রয়োজনীয়ভাবে বাড়ার পাশাপাশি জমির উর্বরতাও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই কৃষকদের সার ব্যবহারের ক্ষেত্রে বৈজ্ঞানিক পরামর্শ দেওয়া প্রয়োজন। সংগঠনটির তথ্য অনুযায়ী, রাজশাহীতে প্রায় ১৪ হাজার হেক্টর পুকুরে মাছ চাষ হয়। এসব পুকুরের জন্যও সার বরাদ্দের দাবি জানানো হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে ডিলাররা জানান, সরকার নির্ধারিত মূল্যে সার বিক্রিতে তারা বদ্ধপরিকর। বর্তমানে ইউরিয়া ও টিএসপি প্রতি বস্তা এক হাজার ৩৫০ টাকা, ডিএপি এক হাজার ৫০ টাকা এবং এমওপি এক হাজার টাকা দরে বিক্রির জন্য নির্ধারিত রয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহিনুর রহমান,
কোষাধ্যক্ষ আব্দুল গণি, নির্বাহী সদস্য সাইদুর রহমান ভুট্টো, লাল মোহাম্মদ সরদার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। সাদুল্লাপুরে ২১১ বস্তা সার জব্দ : গাইবান্ধা প্রতিনিধি জানান, সাদুল্লাপুর উপজেলার কামারপাড়া ইউনিয়নে এক ডিলারের গোডাউন থেকে অবৈধভাবে মজুত ২১১ বস্তা সার জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় ডিলার মিথুন চন্দ্র বর্মণকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা অপুর্ব ভট্টাচার্য জানান, কামারপাড়া ইউনিয়নের সার ডিলার মিথুন চন্দ্র তার প্রণব ট্রেডার্স নামের দোকান ও গোডাউনে রক্ষিত ইউরিয়া, পটাশসহ গুরুত্বপূর্ণ সার অবৈধ ভাবে মজুত করেন। এসব সার সাদুল্লাপুর উপজেলায় বিক্রি না করে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কৃষকদের মধ্যে চড়া দামে বিক্রি করছিলেন। এ কারণে শনিবার রাতে ডিলারের গোডাউনে
ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালায়। এ সময় ২১১ বস্তা সার পাওয়া যায়। বৈধ কাগজ দেখাতে না পারায় ডিলার মিথুন চন্দ্র বর্মণকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ফুলবাড়ীতে ২০ বস্তা জব্দ, আটক ১ : ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি জানান, অবৈধ পন্থায় ডিলারের কাছ থেকে সার উত্তোলন করে নিয়ে যাওয়ার সময় ২০ বস্তা সার জব্দ করেছে ফুলবাড়ী উপজেলা কৃষি বিভাগ। এ সময় একজনকে আটক করা হয়েছে। তার নাম আজিমুল ইসলাম। সে নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের নাওডাঙ্গা ওয়ার্ডের বাদশা মিয়ার ছেলে। রোববার বিকালে উপজেলার বালারহাট বাজারে মেসার্স সৈকত ট্রেডার্সের (সার ডিলার) দোকান থেকে সার নিয়ে যাচ্ছিল আজিমুল। এদিকে ঘটনার পর থেকে বালারহাট বাজারে সৈকত ট্রেডার্সের দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যানেজারকে পাওয়া
যাচ্ছে না। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



