ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
জামালপুরে ৭ দিনে ৫ মরদেহ উদ্ধার, আতঙ্কে জেলাবাসী
আওয়ামী লীগের দোসর আখ্যায় ডেইলি স্টারের সাংবাদিককে পেটালেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা
চকরিয়ায় পুলিশ পরিচয়ে বাড়িতে ঢুকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট
নারায়ণগঞ্জে হারিয়ে যাচ্ছে একের পর কিশোরী, নিখোঁজ অর্ধ শতাধিক
যাত্রাবাড়ী থানা থেকে পালাল রিমান্ডে থাকা নারী আসামি, ৫ পুলিশ সাসপেন্ড
পুকুর থেকে কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার, পানিতে ডোবার লক্ষণ মেলেনি
রংপুরে চার খুন: ‘পুলিশ ভুল সুইচ চাপায় পানিতে সব ধুয়ে যায়, কোনো ষড়যন্ত্র নেই’—ডিবি
নেত্রকোনায় ফসলরক্ষা বাঁধের দুই হাজারের বেশি ব্লক লুটের অভিযোগ, লুটপাটে পিছিয়ে নেই কেউই-দেখারও নেই কেউ
নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলার ডিঙাপোতা হাওরের চরহাইজদা ফসলরক্ষা বাঁধ থেকে দুই হাজারের বেশি কংক্রিটের ব্লক লুটের অভিযোগ উঠেছে, যা নিয়ে চরম উদ্বেগ ও আতঙ্কে পড়েছেন এলাকার কৃষকেরা।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, গত ১৮ আগস্ট দিবাগত রাত থেকে গাগলাজুর ইউনিয়নের করাচাপুর গ্রামের কাছে বাঁধের বিভিন্ন অংশ থেকে রাতের আঁধারে এসব ব্লক তুলে নেওয়া হচ্ছে। প্রশাসন ও পুলিশকে জানানোর পরও লুটপাট বন্ধে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ তাদের। ঘটনার জেরে গত ২৩ আগস্ট মোহনগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) উপসহকারী প্রকৌশলী মো. এনায়েত হোসেন। তবে জিডির পরও ব্লক সরানোর ঘটনা পুরোপুরি থামেনি বলে জানান বাসিন্দারা।
পাউবো সূত্র জানায়, ডিঙাপোতা হাওরের বোরো
ফসলকে বন্যার ঝুঁকি থেকে রক্ষায় ২০১৯ সালে প্রায় ৩৯ কোটি ৬৪ লাখ টাকা ব্যয়ে ৫ দশমিক ৩ কিলোমিটার অতিঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় স্থায়ী এই বাঁধ নির্মাণ করা হয়, যার গুরুত্বপূর্ণ অংশে কংক্রিটের ব্লক বসানো হয়েছিল। স্থানীয়রা জানান, এর প্রায় দেড় মাস আগেও দুর্বৃত্তরা বাঁধের কয়েকটি অংশ কেটে দিয়েছিল, তখনও দৃশ্যমান ব্যবস্থা না নেওয়ায় এবার পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। বরান্তর গ্রামের বাসিন্দা বজলু মিয়া অভিযোগ করেন, ১৮ আগস্ট রাতে তিনি নৌকায় করে একদল লোককে বাঁধ থেকে ব্লক তুলে নিতে দেখেন। বাধা দিতে গেলে তাকে গালাগাল করা হয় এবং দেশীয় অস্ত্র দেখিয়ে ভয় দেখানো হয় বলে তার দাবি। পরে এর জেরে তার মাছের আড়তে
হামলা হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেছেন এবং থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। গাগলাজুর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আশরাফ চৌধুরী জানান, স্থানীয়ভাবে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী বানিয়াহারী গ্রামের কয়েকজন বাসিন্দা রাতের বেলায় বাঁধের ব্লক নিয়ে গেছেন এবং তাদের বাড়িতে এসব ব্লক থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। বর্তমানে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে ব্লক ফেরত দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কৃষক তানিম খান আদনান আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, এভাবে ব্লক সরিয়ে নেওয়া হলে বাঁধের প্রতিরোধক্ষমতা কমে যাবে এবং সামান্য বন্যার চাপেও তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে হাওরের বোরো ফসল ঝুঁকিতে পড়তে পারে। একই গ্রামের বায়েজিদ হোসেনও একই উদ্বেগ জানিয়ে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুল ইসলাম হারুন জানান, বিষয়টি নিয়ে উপজেলা প্রশাসন, স্থানীয় বাসিন্দা ও রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং সরিয়ে নেওয়া ব্লক দুই দিনের মধ্যে আগের জায়গায় ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ে তা না হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমেনা খাতুন বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং অভিযুক্তদের বাড়িতে খোঁজ নিয়ে সংশ্লিষ্টদের শনাক্ত করা হয়েছে। স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে সমন্বয় করে দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে ব্লক ফিরিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, ব্যর্থ হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শাখাওয়াত হোসেন জানান, ঘটনার পর দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা থানায় জিডি করেছেন
এবং পুলিশ, প্রশাসন ও স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে ব্লক পুনরায় স্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্টদের সময় দেওয়া হয়েছে। ডিঙাপোতা হাওরের কৃষকদের জন্য এই বাঁধ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় ব্লক লুটের ঘটনা নতুন করে ঝুঁকি তৈরি করেছে। দ্রুত ব্লক পুনঃস্থাপন না হলে আসন্ন বর্ষা ও বন্যার মৌসুমে বাঁধের স্থায়িত্ব নিয়ে কৃষকদের মধ্যে উদ্বেগ আরও বাড়তে পারে।
ফসলকে বন্যার ঝুঁকি থেকে রক্ষায় ২০১৯ সালে প্রায় ৩৯ কোটি ৬৪ লাখ টাকা ব্যয়ে ৫ দশমিক ৩ কিলোমিটার অতিঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় স্থায়ী এই বাঁধ নির্মাণ করা হয়, যার গুরুত্বপূর্ণ অংশে কংক্রিটের ব্লক বসানো হয়েছিল। স্থানীয়রা জানান, এর প্রায় দেড় মাস আগেও দুর্বৃত্তরা বাঁধের কয়েকটি অংশ কেটে দিয়েছিল, তখনও দৃশ্যমান ব্যবস্থা না নেওয়ায় এবার পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। বরান্তর গ্রামের বাসিন্দা বজলু মিয়া অভিযোগ করেন, ১৮ আগস্ট রাতে তিনি নৌকায় করে একদল লোককে বাঁধ থেকে ব্লক তুলে নিতে দেখেন। বাধা দিতে গেলে তাকে গালাগাল করা হয় এবং দেশীয় অস্ত্র দেখিয়ে ভয় দেখানো হয় বলে তার দাবি। পরে এর জেরে তার মাছের আড়তে
হামলা হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেছেন এবং থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। গাগলাজুর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আশরাফ চৌধুরী জানান, স্থানীয়ভাবে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী বানিয়াহারী গ্রামের কয়েকজন বাসিন্দা রাতের বেলায় বাঁধের ব্লক নিয়ে গেছেন এবং তাদের বাড়িতে এসব ব্লক থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। বর্তমানে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে ব্লক ফেরত দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কৃষক তানিম খান আদনান আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, এভাবে ব্লক সরিয়ে নেওয়া হলে বাঁধের প্রতিরোধক্ষমতা কমে যাবে এবং সামান্য বন্যার চাপেও তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে হাওরের বোরো ফসল ঝুঁকিতে পড়তে পারে। একই গ্রামের বায়েজিদ হোসেনও একই উদ্বেগ জানিয়ে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুল ইসলাম হারুন জানান, বিষয়টি নিয়ে উপজেলা প্রশাসন, স্থানীয় বাসিন্দা ও রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং সরিয়ে নেওয়া ব্লক দুই দিনের মধ্যে আগের জায়গায় ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ে তা না হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমেনা খাতুন বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং অভিযুক্তদের বাড়িতে খোঁজ নিয়ে সংশ্লিষ্টদের শনাক্ত করা হয়েছে। স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে সমন্বয় করে দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে ব্লক ফিরিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, ব্যর্থ হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শাখাওয়াত হোসেন জানান, ঘটনার পর দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা থানায় জিডি করেছেন
এবং পুলিশ, প্রশাসন ও স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে ব্লক পুনরায় স্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্টদের সময় দেওয়া হয়েছে। ডিঙাপোতা হাওরের কৃষকদের জন্য এই বাঁধ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় ব্লক লুটের ঘটনা নতুন করে ঝুঁকি তৈরি করেছে। দ্রুত ব্লক পুনঃস্থাপন না হলে আসন্ন বর্ষা ও বন্যার মৌসুমে বাঁধের স্থায়িত্ব নিয়ে কৃষকদের মধ্যে উদ্বেগ আরও বাড়তে পারে।



