ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নেত্রকোনায় ফসলরক্ষা বাঁধের দুই হাজারের বেশি ব্লক লুটের অভিযোগ, লুটপাটে পিছিয়ে নেই কেউই-দেখারও নেই কেউ
আওয়ামী লীগের দোসর আখ্যায় ডেইলি স্টারের সাংবাদিককে পেটালেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা
চকরিয়ায় পুলিশ পরিচয়ে বাড়িতে ঢুকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট
নারায়ণগঞ্জে হারিয়ে যাচ্ছে একের পর কিশোরী, নিখোঁজ অর্ধ শতাধিক
যাত্রাবাড়ী থানা থেকে পালাল রিমান্ডে থাকা নারী আসামি, ৫ পুলিশ সাসপেন্ড
পুকুর থেকে কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার, পানিতে ডোবার লক্ষণ মেলেনি
রংপুরে চার খুন: ‘পুলিশ ভুল সুইচ চাপায় পানিতে সব ধুয়ে যায়, কোনো ষড়যন্ত্র নেই’—ডিবি
জামালপুরে ৭ দিনে ৫ মরদেহ উদ্ধার, আতঙ্কে জেলাবাসী
জামালপুর শহর ও এর আশপাশের উপজেলাগুলোতে গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে পাঁচটি মরদেহ উদ্ধারের ঘটনা ঘটেছে। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন একজন কলেজছাত্রী, দুইজন গৃহবধূ, একজন কিশোরী ও একজন ব্যবসায়ী। এসব মৃত্যুর বেশিরভাগ কারণ নিয়ে এখনো স্পষ্ট ধারণা না মেলায় সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে, বিশেষ করে নারী ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
ঘটনার শুরু গত ২৩ আগস্ট। ওই দিন জামালপুর শহরের শেখেরভিটা রেলক্রসিং সংলগ্ন একটি বহুতল ভবনের ভাড়া ফ্ল্যাট থেকে ইসরাত জাহান নামের এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ফ্ল্যাটের ভেতরে আটকে থাকা তার দুই শিশুসন্তান জানালা দিয়ে পানির জন্য কান্নাকাটি করলে প্রতিবেশীদের নজরে বিষয়টি
আসে এবং জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ খবর দেওয়া হয়। পরে পুলিশ গিয়ে দরজার তালা ভেঙে ভেতর থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। নিহত গৃহবধূ দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার এক বাসিন্দার স্ত্রী ছিলেন এবং ঘটনার পর থেকে তার স্বামী পলাতক ছিলেন। পরবর্তীতে পুলিশ ও পিবিআই ওই মামলায় অভিযুক্ত স্বামীকে গ্রেপ্তার করে। এই সময়ের মধ্যেই জামালপুরের সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের স্নাতক (সম্মান) চতুর্থ বর্ষের এক ছাত্রীর মরদেহও একটি ভাড়া বাসা থেকে উদ্ধার করা হয়। তিনি মাদারগঞ্জ উপজেলার একটি গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। এরপর গত ২৭ আগস্ট রাতে মাদারগঞ্জ উপজেলার জাঙ্গালিয়া পূর্বপাড়া এলাকায় নিজের দোকান থেকে সামিউল ইসলাম ওরফে ফকির আলী (৪৫) নামে এক ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। সারাদিন
দোকান বন্ধ থাকার পর সন্ধ্যায় বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে এলে পুলিশকে জানানো হয়। মাদারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। পরদিন ২৮ আগস্ট সকালে একই উপজেলার চরপাকেরদহ ইউনিয়নের একটি সেচপাম্পের ঘর থেকে রূপসী আক্তার নামে ১৫-১৬ বছর বয়সী এক কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। স্থানীয় ঘোনাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা এই কিশোরীর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়েও এখনো ধোঁয়াশা রয়ে গেছে। এ বিষয়ে জামালপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইয়াহিয়া আল মামুন জানান, প্রতিটি ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সুষ্ঠুভাবে তদন্ত চালাচ্ছে এবং বিশেষজ্ঞদের মতামতসহ প্রয়োজনীয় তথ্য আদালতে উপস্থাপন করা হচ্ছে। মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যে একের পর এক মরদেহ উদ্ধারের
এই ঘটনাপ্রবাহে গোটা জামালপুর জেলাজুড়ে এক ধরনের আতঙ্ক বিরাজ করছে। বাসিন্দারা বলছেন, প্রতিটি ঘটনার প্রকৃত রহস্য দ্রুত উন্মোচন না হলে জেলাবাসীর মধ্যে অনিরাপত্তাবোধ আরও বাড়বে।
আসে এবং জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ খবর দেওয়া হয়। পরে পুলিশ গিয়ে দরজার তালা ভেঙে ভেতর থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। নিহত গৃহবধূ দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার এক বাসিন্দার স্ত্রী ছিলেন এবং ঘটনার পর থেকে তার স্বামী পলাতক ছিলেন। পরবর্তীতে পুলিশ ও পিবিআই ওই মামলায় অভিযুক্ত স্বামীকে গ্রেপ্তার করে। এই সময়ের মধ্যেই জামালপুরের সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের স্নাতক (সম্মান) চতুর্থ বর্ষের এক ছাত্রীর মরদেহও একটি ভাড়া বাসা থেকে উদ্ধার করা হয়। তিনি মাদারগঞ্জ উপজেলার একটি গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। এরপর গত ২৭ আগস্ট রাতে মাদারগঞ্জ উপজেলার জাঙ্গালিয়া পূর্বপাড়া এলাকায় নিজের দোকান থেকে সামিউল ইসলাম ওরফে ফকির আলী (৪৫) নামে এক ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। সারাদিন
দোকান বন্ধ থাকার পর সন্ধ্যায় বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে এলে পুলিশকে জানানো হয়। মাদারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। পরদিন ২৮ আগস্ট সকালে একই উপজেলার চরপাকেরদহ ইউনিয়নের একটি সেচপাম্পের ঘর থেকে রূপসী আক্তার নামে ১৫-১৬ বছর বয়সী এক কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। স্থানীয় ঘোনাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা এই কিশোরীর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়েও এখনো ধোঁয়াশা রয়ে গেছে। এ বিষয়ে জামালপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইয়াহিয়া আল মামুন জানান, প্রতিটি ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সুষ্ঠুভাবে তদন্ত চালাচ্ছে এবং বিশেষজ্ঞদের মতামতসহ প্রয়োজনীয় তথ্য আদালতে উপস্থাপন করা হচ্ছে। মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যে একের পর এক মরদেহ উদ্ধারের
এই ঘটনাপ্রবাহে গোটা জামালপুর জেলাজুড়ে এক ধরনের আতঙ্ক বিরাজ করছে। বাসিন্দারা বলছেন, প্রতিটি ঘটনার প্রকৃত রহস্য দ্রুত উন্মোচন না হলে জেলাবাসীর মধ্যে অনিরাপত্তাবোধ আরও বাড়বে।



