ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তেলের দাম বৃদ্ধি পদত্যাগ চাওয়ার মতো বিষয় স্বীকার করে তথ্য উপদেষ্টা বলেন “তবে এখন চাওয়া উচিত হবে না”
ট্রাম্পের সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক হচ্ছে না: হুমায়ুন কবির
সন্ধ্যা নামলেই নগরীতে আতঙ্ক: কেরানীগঞ্জে ব্যবসায়ীকে গুলি ও বোমা ফাটিয়ে ২৫ ভরি সোনা লুট
মরিয়মের মৃত্যুতে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে ক্ষমতার দাপট ও পারিবারিক নির্যাতনের অভিযোগ
কক্সবাজার সরকারি কলেজ হোস্টেল থেকে ২০ হাজার ইয়াবাসহ গণিতের ছাত্রী আটক, পাচার করতেন পায়ুপথে
জামায়াতের লং মার্চ দেখানোর নাম করে ভাবীকে নিয়ে পালালেন এনসিপির আহ্বায়ক!
জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে, এখানে অন্যায়টা কোথায়?- অদ্ভুত যুক্তি বিএনপির এমপি বাবুলের!
এনডিটিভিকে প্রথমবারের মতো লাইভ সাক্ষাৎকারে ‘দেশে ফেরার ব্যাপারে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ’ শেখ হাসিনা
ভারতে স্বেচ্ছানির্বাসনে থাকা বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, তিনি চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই বাংলাদেশে ফিরে যাবেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া লাইভ অদিও সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন। এটি ছিল তার এনডিটিভির সঙ্গে প্রথম অডিও সাক্ষাৎকার, যা নয়াদিল্লি থেকে সম্প্রচারিত হয়।
দেশে ফেরার প্রশ্নে দৃঢ় অবস্থান
সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা বলেন, দীর্ঘদিনের নির্বাসন সত্ত্বেও দেশে ফেরার ব্যাপারে তিনি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। একজন নাগরিক ও সাবেক রাষ্ট্রনেতা হিসেবে শান্তিপূর্ণ ও আইনসম্মতভাবে দেশে ফেরার অধিকার তার আছে বলে তিনি জোর দিয়ে বলেন। বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি স্পষ্ট করেন,
প্রত্যাবর্তন অনিবার্য—মূল প্রশ্ন শুধু সময় ও পদ্ধতি নিয়ে, যা জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করবে।
মৃত্যুদণ্ড
ও কারাবরণে প্রস্তুতি ২০২৫ সালের নভেম্বরে বাংলাদেশের একটি ট্রাইব্যুনালে তাকে দেওয়া মৃত্যুদণ্ড এবং বিএনপি-নেতৃত্বাধীন তারেক রহমান সরকারের অধীনে গ্রেপ্তারের সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়েও কথা বলেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। তিনি বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থার প্রতি আস্থা প্রকাশ করে ১৯৭৫ সালে তার পরিবারের সদস্যদের হত্যার বিচারের জন্য দীর্ঘ লড়াইয়ের প্রসঙ্গ টানেন। হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে দীর্ঘ ও আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সাজা হওয়ার উদাহরণ দিয়ে তিনি তার বিরুদ্ধে দেওয়া সাম্প্রতিক মৃত্যুদণ্ডকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ভুয়া বলে অভিহিত করেন। শেখ হাসিনা জানানঃ প্রয়োজনে কারাবরণ করেও রাজনৈতিক কার্যক্রম চালিয়ে যেতে প্রস্তুত আছি, তবে বিচারিক প্রক্রিয়া চলাকালে পূর্ণাঙ্গ আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে রাষ্ট্রকে। নিপীড়নের মধ্যেও আওয়ামী লীগ পুনর্গঠনের অঙ্গীকার সাক্ষাৎকারে রাজনৈতিক দমন-পীড়নের মুখে
থাকা আওয়ামী লীগ নিয়েও কথা বলেন শেখ হাসিনা। দশকের পর দশক নিষেধাজ্ঞা, গ্রেপ্তার এবং তার বাবা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উত্তরাধিকার মুছে ফেলার চেষ্টা সত্ত্বেও দলটির সাংগঠনিক শক্তি পুনর্গঠন এবং সমর্থকদের সঙ্গে পুনরায় সংযোগ স্থাপনে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলে জানান তিনি। ১৯৭১ সাল থেকে নিজের বারবার কারাবরণের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক শাসন পুনরুদ্ধার এবং নাগরিকদের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষায় প্রধান বিরোধী শক্তি হিসেবে আওয়ামী লীগকে পুনরুজ্জীবিত করতে তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন। জাতীয় নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিয়ে উদ্বেগ নির্বাসনের পর থেকে বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ ও চরমপন্থার হুমকি বেড়েছে বলে সতর্ক করেন শেখ হাসিনা, এই বিপদকে গুরুতর ও অব্যাহত বলে বর্ণনা করেন
তিনি। নিজের শাসনামলে বাংলাদেশ যেন সন্ত্রাসবাদের নিরাপদ আশ্রয়স্থলে পরিণত না হয়, সেজন্য উন্নত গোয়েন্দা ব্যবস্থা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সমাজভিত্তিক উদ্যোগের মাধ্যমে জাতীয় নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানান তিনি। চরমপন্থা সীমানা মানে না উল্লেখ করে তিনি বিচ্ছিন্নতাবাদ বা তীব্র ভূ-রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার পরিবর্তে দক্ষিণ এশিয়ার সম্মিলিত প্রতিক্রিয়ার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। চরমপন্থা মোকাবিলা এবং দক্ষিণ এশিয়ায় স্থায়ী শান্তি ও সমৃদ্ধি নিশ্চিতে আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সংহতি, উন্নততর সুশাসন ও তরুণদের ক্ষমতায়নের পক্ষে মত দেন তিনি। সাক্ষাৎকারের তাৎপর্য সাক্ষাৎকারের শেষে উপস্থাপক শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানান এই বলে যে, প্রতিকূল পরিস্থিতিতে দূরবর্তীভাবে নেওয়া হলেও এটি ছিল এনডিটিভির সঙ্গে তার প্রথম অডিও সাক্ষাৎকার। ডিসেম্বরে তার সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তন
এবং ভবিষ্যতে সরাসরি ক্যামেরার সামনে আলোচনার সম্ভাবনা নিয়েও আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ, তার ব্যক্তিগত যাত্রা এবং বৃহত্তর আঞ্চলিক নিরাপত্তা প্রেক্ষাপট নিয়ে শেখ হাসিনার অকপট ও বিস্তারিত এই বক্তব্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
ও কারাবরণে প্রস্তুতি ২০২৫ সালের নভেম্বরে বাংলাদেশের একটি ট্রাইব্যুনালে তাকে দেওয়া মৃত্যুদণ্ড এবং বিএনপি-নেতৃত্বাধীন তারেক রহমান সরকারের অধীনে গ্রেপ্তারের সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়েও কথা বলেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। তিনি বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থার প্রতি আস্থা প্রকাশ করে ১৯৭৫ সালে তার পরিবারের সদস্যদের হত্যার বিচারের জন্য দীর্ঘ লড়াইয়ের প্রসঙ্গ টানেন। হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে দীর্ঘ ও আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সাজা হওয়ার উদাহরণ দিয়ে তিনি তার বিরুদ্ধে দেওয়া সাম্প্রতিক মৃত্যুদণ্ডকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ভুয়া বলে অভিহিত করেন। শেখ হাসিনা জানানঃ প্রয়োজনে কারাবরণ করেও রাজনৈতিক কার্যক্রম চালিয়ে যেতে প্রস্তুত আছি, তবে বিচারিক প্রক্রিয়া চলাকালে পূর্ণাঙ্গ আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে রাষ্ট্রকে। নিপীড়নের মধ্যেও আওয়ামী লীগ পুনর্গঠনের অঙ্গীকার সাক্ষাৎকারে রাজনৈতিক দমন-পীড়নের মুখে
থাকা আওয়ামী লীগ নিয়েও কথা বলেন শেখ হাসিনা। দশকের পর দশক নিষেধাজ্ঞা, গ্রেপ্তার এবং তার বাবা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উত্তরাধিকার মুছে ফেলার চেষ্টা সত্ত্বেও দলটির সাংগঠনিক শক্তি পুনর্গঠন এবং সমর্থকদের সঙ্গে পুনরায় সংযোগ স্থাপনে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলে জানান তিনি। ১৯৭১ সাল থেকে নিজের বারবার কারাবরণের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক শাসন পুনরুদ্ধার এবং নাগরিকদের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষায় প্রধান বিরোধী শক্তি হিসেবে আওয়ামী লীগকে পুনরুজ্জীবিত করতে তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন। জাতীয় নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিয়ে উদ্বেগ নির্বাসনের পর থেকে বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ ও চরমপন্থার হুমকি বেড়েছে বলে সতর্ক করেন শেখ হাসিনা, এই বিপদকে গুরুতর ও অব্যাহত বলে বর্ণনা করেন
তিনি। নিজের শাসনামলে বাংলাদেশ যেন সন্ত্রাসবাদের নিরাপদ আশ্রয়স্থলে পরিণত না হয়, সেজন্য উন্নত গোয়েন্দা ব্যবস্থা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সমাজভিত্তিক উদ্যোগের মাধ্যমে জাতীয় নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানান তিনি। চরমপন্থা সীমানা মানে না উল্লেখ করে তিনি বিচ্ছিন্নতাবাদ বা তীব্র ভূ-রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার পরিবর্তে দক্ষিণ এশিয়ার সম্মিলিত প্রতিক্রিয়ার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। চরমপন্থা মোকাবিলা এবং দক্ষিণ এশিয়ায় স্থায়ী শান্তি ও সমৃদ্ধি নিশ্চিতে আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সংহতি, উন্নততর সুশাসন ও তরুণদের ক্ষমতায়নের পক্ষে মত দেন তিনি। সাক্ষাৎকারের তাৎপর্য সাক্ষাৎকারের শেষে উপস্থাপক শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানান এই বলে যে, প্রতিকূল পরিস্থিতিতে দূরবর্তীভাবে নেওয়া হলেও এটি ছিল এনডিটিভির সঙ্গে তার প্রথম অডিও সাক্ষাৎকার। ডিসেম্বরে তার সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তন
এবং ভবিষ্যতে সরাসরি ক্যামেরার সামনে আলোচনার সম্ভাবনা নিয়েও আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ, তার ব্যক্তিগত যাত্রা এবং বৃহত্তর আঞ্চলিক নিরাপত্তা প্রেক্ষাপট নিয়ে শেখ হাসিনার অকপট ও বিস্তারিত এই বক্তব্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।



