ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
এনডিটিভিকে প্রথমবারের মতো লাইভ সাক্ষাৎকারে ‘দেশে ফেরার ব্যাপারে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ’ শেখ হাসিনা
ট্রাম্পের সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক হচ্ছে না: হুমায়ুন কবির
সন্ধ্যা নামলেই নগরীতে আতঙ্ক: কেরানীগঞ্জে ব্যবসায়ীকে গুলি ও বোমা ফাটিয়ে ২৫ ভরি সোনা লুট
মরিয়মের মৃত্যুতে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে ক্ষমতার দাপট ও পারিবারিক নির্যাতনের অভিযোগ
কক্সবাজার সরকারি কলেজ হোস্টেল থেকে ২০ হাজার ইয়াবাসহ গণিতের ছাত্রী আটক, পাচার করতেন পায়ুপথে
জামায়াতের লং মার্চ দেখানোর নাম করে ভাবীকে নিয়ে পালালেন এনসিপির আহ্বায়ক!
জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে, এখানে অন্যায়টা কোথায়?- অদ্ভুত যুক্তি বিএনপির এমপি বাবুলের!
তেলের দাম বৃদ্ধি পদত্যাগ চাওয়ার মতো বিষয় স্বীকার করে তথ্য উপদেষ্টা বলেন “তবে এখন চাওয়া উচিত হবে না”
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর মতো কোনো সিদ্ধান্তের কারণে শেখ হাসিনা সরকারের সময়ে সরকারপ্রধানের পদত্যাগ দাবি করতেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। তবে বর্তমান সরকার নির্বাচিত হওয়ায় একই ধরনের পরিস্থিতিতে সরকারের পদত্যাগ দাবি করা উচিত হবে না বলে মনে করেন তিনি।
আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জাহেদ উর রহমান এ কথা বলেন।
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর বিষয়ে সরকারে না থেকে আগের মতো অ্যাক্টিভিস্ট থাকলে তিনি কী ভূমিকা নিতেন—এক সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে জাহেদ উর রহমান বলেন,
‘আমি যদি এই সরকারে না থেকে অ্যাক্টিভিস্ট হতাম, তাহলে নিশ্চয়ই এটার প্রতিবাদ করতাম।
হাসিনার সময়গুলো প্রতিবাদ না শুধু, হাসিনার পদত্যাগ চাইতাম। এখন চাওয়া যাবে না, চাওয়া উচিত হবে না।’ শেখ হাসিনা সরকারের সময়ে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির মতো পরিস্থিতিতে কেন পদত্যাগের দাবি করা হতো, তার ব্যাখ্যাও দেন তিনি। জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘হাসিনার সময় যখনই এ ধরনের সংকট হতো, পেঁয়াজের দাম ৩০০ টাকা হতো, দাম এত বাড়ত, আমরা বলতাম তুমি যাও।’ তাঁর ভাষ্য, ওই সরকারকে তাঁরা নিজেদের সরকার হিসেবে মনে করতেন না। তিনি বলেন, ‘ওই সরকারকে আমরা ওন করি নাই, এটা একটা লেজিটিমেট সরকার ছিল না। সো, আমরা পদত্যাগই চাইতাম, তুমি চলে যাও।’ বর্তমান সরকার সম্পর্কে জাহেদ উর রহমান বলেন, এটি একটি নির্বাচিত সরকার এবং এ কারণে সরকারের
প্রতি নাগরিকদের অবস্থানও ভিন্ন হওয়া উচিত। তিনি বলেন, ‘এই সরকার একটা নির্বাচিত সরকার। আমি প্রায় আগেই বলেছি, এটা আমাদের সরকার।’ তিনি বলেন, সরকারের নীতির সঙ্গে সবাই একমত নাও হতে পারেন। এমনকি অনেকে বর্তমান সরকারের প্রতীকে ভোটও দেননি। তবে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার কারণে নির্বাচিত সরকারকে নিজেদের সরকার হিসেবে বিবেচনা করার কথা বলেন তিনি। জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘আমাদের অনেকেই হয়তো এই সরকার, মানে এই মার্কায় ভোট দেই নাই, কিন্তু আমরা এই প্রক্রিয়ায়, ইলেকশনে পার্ট ছিলাম, আমরা পার্টিসিপেট করেছি, পরাজিত হয়েছি।’ ভবিষ্যতে নির্বাচনে পরাজিত হলেও একইভাবে নির্বাচিত সরকারকে মেনে নেওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ভবিষ্যতে কোনো নির্বাচনে আমরা পরাজিত যদি হই, সেই সরকারকেও
আমরা ওন করব।’ তবে এর অর্থ সরকারের সমালোচনা করা যাবে না—এমন নয় বলে স্পষ্ট করেন তথ্য উপদেষ্টা। জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর মতো সিদ্ধান্তের সমালোচনা হওয়া উচিত বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘এটার সমালোচনা হবে, এটাকে আর একটু বেটারভাবে করা গেল কি না, আর একটু কম করা গেল কি না—এই সমালোচনা প্রত্যেকের পার্সপেক্টিভ থেকে আসবে।’ পুলিশের মনোবল নিয়েও কথা প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশের ভূমিকা ও মনোবল নিয়েও কথা বলেন জাহেদ উর রহমান। পুলিশের মধ্যে কোনো কোনো ক্ষেত্রে মনোবলের ঘাটতি রয়েছে বলে স্বীকার করেন তিনি। তবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে পুলিশের ঢিলেঢালা ভাব রয়েছে—এমনটি মনে করেন না বলে জানান। পুলিশকে অতীতে যেভাবে ব্যবহার করা হয়েছে, সেটিকে ‘পুলিশিং’ হিসেবে
বিবেচনা করা ঠিক নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি। জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘পুলিশের ঢিলেঢালা ভাব নেই। বরং পুলিশকে একসময় যে রকমভাবে ব্যবহার করা হয়েছিল, ওটাকে যদি আমরা পুলিশ মনে করি, পুলিশিং মনে করি, সেটা আমি ঠিক বলে মনে করি না।’ পুলিশের ‘মিলিটারাইজেশন’ হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, পুলিশের হাতে যুদ্ধের অস্ত্র তুলে দেওয়া হয়েছে এবং কথায় কথায় গালি, মারধর ও গুলি করার মতো ঘটনা ঘটেছে। পুলিশের দায়িত্ব সম্পর্কে তিনি বলেন, পুলিশ দেশের মানুষের সঙ্গে কাজ করে। অপরাধ করলেও একজন নাগরিক দেশেরই মানুষ—এই বিষয়টি পুলিশের ভূমিকা নির্ধারণের ক্ষেত্রে মনে রাখা প্রয়োজন। তাঁর ভাষায়, ‘পুলিশ জনগণের সাথে, দেশের জনগণের সাথে ডিল করে। আমি যদি ভুলও করি,
অপরাধও করি, আমি এ দেশের জনগণ। আমি তো আর্মি না। আর্মির বন্দুক থাকে শত্রু দেশের প্রতি তাক করা। পুলিশের বন্দুকও যদি থাকে, সেটা নিজ দেশের নাগরিকের বিরুদ্ধে থাকে।’ পুলিশকে ভবিষ্যতে আগের সেই চেহারায় না ফেরার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি পুলিশকে আমরা যে চেহারায় দেখেছি, এই চেহারায় পুলিশ আর কোনোদিন না যাক।’ পুলিশের মনোবল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘কোনো কোনো ক্ষেত্রে পুলিশের মনোবলের অভাব আছে।’ অতীতে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো থেকে পুলিশকে ঘুরে দাঁড়াতে হবে এবং জনগণকেও পুলিশের পাশে দাঁড়াতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
হাসিনার সময়গুলো প্রতিবাদ না শুধু, হাসিনার পদত্যাগ চাইতাম। এখন চাওয়া যাবে না, চাওয়া উচিত হবে না।’ শেখ হাসিনা সরকারের সময়ে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির মতো পরিস্থিতিতে কেন পদত্যাগের দাবি করা হতো, তার ব্যাখ্যাও দেন তিনি। জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘হাসিনার সময় যখনই এ ধরনের সংকট হতো, পেঁয়াজের দাম ৩০০ টাকা হতো, দাম এত বাড়ত, আমরা বলতাম তুমি যাও।’ তাঁর ভাষ্য, ওই সরকারকে তাঁরা নিজেদের সরকার হিসেবে মনে করতেন না। তিনি বলেন, ‘ওই সরকারকে আমরা ওন করি নাই, এটা একটা লেজিটিমেট সরকার ছিল না। সো, আমরা পদত্যাগই চাইতাম, তুমি চলে যাও।’ বর্তমান সরকার সম্পর্কে জাহেদ উর রহমান বলেন, এটি একটি নির্বাচিত সরকার এবং এ কারণে সরকারের
প্রতি নাগরিকদের অবস্থানও ভিন্ন হওয়া উচিত। তিনি বলেন, ‘এই সরকার একটা নির্বাচিত সরকার। আমি প্রায় আগেই বলেছি, এটা আমাদের সরকার।’ তিনি বলেন, সরকারের নীতির সঙ্গে সবাই একমত নাও হতে পারেন। এমনকি অনেকে বর্তমান সরকারের প্রতীকে ভোটও দেননি। তবে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার কারণে নির্বাচিত সরকারকে নিজেদের সরকার হিসেবে বিবেচনা করার কথা বলেন তিনি। জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘আমাদের অনেকেই হয়তো এই সরকার, মানে এই মার্কায় ভোট দেই নাই, কিন্তু আমরা এই প্রক্রিয়ায়, ইলেকশনে পার্ট ছিলাম, আমরা পার্টিসিপেট করেছি, পরাজিত হয়েছি।’ ভবিষ্যতে নির্বাচনে পরাজিত হলেও একইভাবে নির্বাচিত সরকারকে মেনে নেওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ভবিষ্যতে কোনো নির্বাচনে আমরা পরাজিত যদি হই, সেই সরকারকেও
আমরা ওন করব।’ তবে এর অর্থ সরকারের সমালোচনা করা যাবে না—এমন নয় বলে স্পষ্ট করেন তথ্য উপদেষ্টা। জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর মতো সিদ্ধান্তের সমালোচনা হওয়া উচিত বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘এটার সমালোচনা হবে, এটাকে আর একটু বেটারভাবে করা গেল কি না, আর একটু কম করা গেল কি না—এই সমালোচনা প্রত্যেকের পার্সপেক্টিভ থেকে আসবে।’ পুলিশের মনোবল নিয়েও কথা প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশের ভূমিকা ও মনোবল নিয়েও কথা বলেন জাহেদ উর রহমান। পুলিশের মধ্যে কোনো কোনো ক্ষেত্রে মনোবলের ঘাটতি রয়েছে বলে স্বীকার করেন তিনি। তবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে পুলিশের ঢিলেঢালা ভাব রয়েছে—এমনটি মনে করেন না বলে জানান। পুলিশকে অতীতে যেভাবে ব্যবহার করা হয়েছে, সেটিকে ‘পুলিশিং’ হিসেবে
বিবেচনা করা ঠিক নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি। জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘পুলিশের ঢিলেঢালা ভাব নেই। বরং পুলিশকে একসময় যে রকমভাবে ব্যবহার করা হয়েছিল, ওটাকে যদি আমরা পুলিশ মনে করি, পুলিশিং মনে করি, সেটা আমি ঠিক বলে মনে করি না।’ পুলিশের ‘মিলিটারাইজেশন’ হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, পুলিশের হাতে যুদ্ধের অস্ত্র তুলে দেওয়া হয়েছে এবং কথায় কথায় গালি, মারধর ও গুলি করার মতো ঘটনা ঘটেছে। পুলিশের দায়িত্ব সম্পর্কে তিনি বলেন, পুলিশ দেশের মানুষের সঙ্গে কাজ করে। অপরাধ করলেও একজন নাগরিক দেশেরই মানুষ—এই বিষয়টি পুলিশের ভূমিকা নির্ধারণের ক্ষেত্রে মনে রাখা প্রয়োজন। তাঁর ভাষায়, ‘পুলিশ জনগণের সাথে, দেশের জনগণের সাথে ডিল করে। আমি যদি ভুলও করি,
অপরাধও করি, আমি এ দেশের জনগণ। আমি তো আর্মি না। আর্মির বন্দুক থাকে শত্রু দেশের প্রতি তাক করা। পুলিশের বন্দুকও যদি থাকে, সেটা নিজ দেশের নাগরিকের বিরুদ্ধে থাকে।’ পুলিশকে ভবিষ্যতে আগের সেই চেহারায় না ফেরার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি পুলিশকে আমরা যে চেহারায় দেখেছি, এই চেহারায় পুলিশ আর কোনোদিন না যাক।’ পুলিশের মনোবল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘কোনো কোনো ক্ষেত্রে পুলিশের মনোবলের অভাব আছে।’ অতীতে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো থেকে পুলিশকে ঘুরে দাঁড়াতে হবে এবং জনগণকেও পুলিশের পাশে দাঁড়াতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।



