ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বর্ণবাদী শব্দ ব্যবহারের অভিযোগ, ‘লাভ আইল্যান্ড ইউএসএ’ ছাড়লেন আলান্না কাইজার
গ্রেপ্তার শ্রাবণের তথ্যে গুলিসহ পিস্তল উদ্ধার
হিজাব ছাড়া গান গাওয়ায় ইরানি গায়িকাকে ৭৪ দোররার নির্দেশ
‘কথিত স্বামী’ সমালোচনার জবাব দিলেন ববি
আমির খানের তৃতীয় বিয়ে, অতিথি হচ্ছেন কারা?
একসঙ্গে শাকিব খানের তিন সিনেমা চলছে সিনেপ্লেক্সে
সবার সামনে সামান্থাকে ‘লাভ ইউ’ বলতে নারাজ রাজ, কিন্তু কেন?
বলিউড ছাড়ার কারণ জানালেন কমল হাসান
দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমার অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেতা কমল হাসান। তামিল সিনেমায় তার সাফল্যের পাশাপাশি আশির দশকে হিন্দি চলচ্চিত্রেও তিনি নিজের অবস্থান তৈরি করেছিলেন। তবে জনপ্রিয়তা পাওয়ার পরও বলিউডে দীর্ঘমেয়াদি ক্যারিয়ার গড়েননি তিনি। প্রায় এক দশক আগে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সেই সিদ্ধান্তের কারণ ব্যাখ্যা করেছিলেন এই অভিনেতা।
২০১৭ সালে ইন্ডিয়া টুডে সাউথ কনক্লেভ-এ কমল হাসান বলেন, সে সময় হিন্দি চলচ্চিত্রশিল্পে কাজের পরিবেশ তার কাছে স্বস্তিদায়ক ছিল না। তার ভাষ্য, তখন তিনি নিজেকে হিন্দি সিনেমার তুলনায় পিছিয়ে থাকা একজন শিল্পী মনে করতেন।
কমল হাসান বলেন, ‘সেই সময়টা এমনই ছিল। আমি যেন হিন্দি সিনেমার গরিব আত্মীয় ছিলাম। নিজের অনেক কাজ নিজেকেই করতে হতো। আর ওরা ছিল
বিত্তশালী। একসঙ্গে ছয়টি সিনেমায় কাজ করত। বিষয়টি আমার কাছে খুব হতাশাজনক মনে হয়েছিল। এটাও বলিউড থেকে দূরে সরে যাওয়ার একটি কারণ ছিল।’ তবে শুধু কাজের পরিবেশ নয়, বলিউডে কথিত আন্ডারওয়ার্ল্ডের প্রভাব ও কালো টাকার উপস্থিতিও তার সিদ্ধান্তে ভূমিকা রেখেছিল বলে জানান এই অভিনেতা। কমল হাসান বলেন, ‘বলিউডে আন্ডারওয়ার্ল্ডের সংযোগ ছিল অনেক বেশি। সেখানে থেকে আমি না এর বিরোধিতা করতে চেয়েছি, না কোনো চাপের কাছে নতি স্বীকার করতে চেয়েছি। আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, কালো টাকার সঙ্গে কোনো সম্পর্ক রাখব না। আমার ভাই আর আমি সেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম।’ তিনি আরও বলেন, কালো টাকার বাইরে থেকেও একজন শিল্পীর পেশাগত জীবন চালিয়ে নেওয়া সম্ভব। এ ক্ষেত্রে তিনি প্রয়াত
চিত্রগ্রাহক ভিনসেন্টের উদাহরণও তুলে ধরেন। কমল হাসান প্রথম হিন্দি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন ১৯৭৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত আইনা সিনেমায়। তবে ১৯৮১ সালে এক দূজে কে লিয়ে তাকে বলিউডে ব্যাপক পরিচিতি এনে দেয়। কে. বালাচন্দর পরিচালিত এই ছবিতে তার বিপরীতে অভিনয় করেন রতি অগ্নিহোত্রী। ছবিটি সমালোচক ও দর্শক—উভয়ের কাছেই প্রশংসিত হয়। Movies এরপর সনম তেরি কসম, ইয়ে তো কামাল হো গয়া, জারা সি জিন্দেগি, সদমা, সাগর, গিরফতারসহ একাধিক হিন্দি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন তিনি। ১৯৮৫ সালের পর দীর্ঘ বিরতি নিয়ে ১৯৯৭ সালে চাচি ৪২০ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে আবার বলিউডে ফেরেন। পরে হে রাম, অভয়, মুম্বাই এক্সপ্রেস, বিশ্বরূপ ও বিশ্বরূপ টুসহ কয়েকটি দ্বিভাষিক ছবিতে অভিনয় করেন। সবশেষে কমল হাসানকে
দেখা গেছে ২০২৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত পরিচালক মণি রত্নমের থাগ লাইফ চলচ্চিত্রে। তবে ছবিটি বক্স অফিসে প্রত্যাশিত সাফল্য পায়নি। সূত্র: এনডিটিভি
বিত্তশালী। একসঙ্গে ছয়টি সিনেমায় কাজ করত। বিষয়টি আমার কাছে খুব হতাশাজনক মনে হয়েছিল। এটাও বলিউড থেকে দূরে সরে যাওয়ার একটি কারণ ছিল।’ তবে শুধু কাজের পরিবেশ নয়, বলিউডে কথিত আন্ডারওয়ার্ল্ডের প্রভাব ও কালো টাকার উপস্থিতিও তার সিদ্ধান্তে ভূমিকা রেখেছিল বলে জানান এই অভিনেতা। কমল হাসান বলেন, ‘বলিউডে আন্ডারওয়ার্ল্ডের সংযোগ ছিল অনেক বেশি। সেখানে থেকে আমি না এর বিরোধিতা করতে চেয়েছি, না কোনো চাপের কাছে নতি স্বীকার করতে চেয়েছি। আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, কালো টাকার সঙ্গে কোনো সম্পর্ক রাখব না। আমার ভাই আর আমি সেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম।’ তিনি আরও বলেন, কালো টাকার বাইরে থেকেও একজন শিল্পীর পেশাগত জীবন চালিয়ে নেওয়া সম্ভব। এ ক্ষেত্রে তিনি প্রয়াত
চিত্রগ্রাহক ভিনসেন্টের উদাহরণও তুলে ধরেন। কমল হাসান প্রথম হিন্দি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন ১৯৭৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত আইনা সিনেমায়। তবে ১৯৮১ সালে এক দূজে কে লিয়ে তাকে বলিউডে ব্যাপক পরিচিতি এনে দেয়। কে. বালাচন্দর পরিচালিত এই ছবিতে তার বিপরীতে অভিনয় করেন রতি অগ্নিহোত্রী। ছবিটি সমালোচক ও দর্শক—উভয়ের কাছেই প্রশংসিত হয়। Movies এরপর সনম তেরি কসম, ইয়ে তো কামাল হো গয়া, জারা সি জিন্দেগি, সদমা, সাগর, গিরফতারসহ একাধিক হিন্দি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন তিনি। ১৯৮৫ সালের পর দীর্ঘ বিরতি নিয়ে ১৯৯৭ সালে চাচি ৪২০ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে আবার বলিউডে ফেরেন। পরে হে রাম, অভয়, মুম্বাই এক্সপ্রেস, বিশ্বরূপ ও বিশ্বরূপ টুসহ কয়েকটি দ্বিভাষিক ছবিতে অভিনয় করেন। সবশেষে কমল হাসানকে
দেখা গেছে ২০২৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত পরিচালক মণি রত্নমের থাগ লাইফ চলচ্চিত্রে। তবে ছবিটি বক্স অফিসে প্রত্যাশিত সাফল্য পায়নি। সূত্র: এনডিটিভি



