ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
প্রধান সমন্বয়কের নেতৃত্বে মেকআপ-ব্যান্ডেজে, জাল প্রেসক্রিপশনে জুলাইযোদ্ধা সাজিয়ে তালিকাভুক্তি, স্টুডিওর সন্ধান
ভারত-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন দিয়ে এলো ৮২ লাখ লিটার ডিজেল
শাহজালালে ধরা না পড়লেও দিল্লিতে ৩১ গুলিসহ আটক আশিয়ান গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল
সরকারি কৃষি প্রণোদনা হরিলুট: লোহাগাড়ায় জামায়াত আমিরের মাদ্রাসা থেকে ১৩ বস্তা আমন বীজ উদ্ধার
আগামী সপ্তাহে ভারত সফরে যাচ্ছেন তারেক রহমান: এনডিটিভি
বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকট ও জনদুর্ভোগের প্রতিবাদে বাঁশখালীতে যুবলীগ-ছাত্রলীগের মশাল মিছিল
সাঈদী সমাচার- একজন ধর্মব্যবসায়ীর উত্থান || আসিফ নজরুল
ইউনূসের ‘লাগতে পারে’, তাই বিএসএমএমইউ’র একটি সিসিইউ বেড আটকে রাখা হয় ১৮ মাস!
দেশের সাধারণ মানুষের চিকিৎসার অন্যতম প্রধান আশা-ভরসার স্থল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ)-এর কার্ডিওলজি বিভাগ থেকে জারি করা এক অফিস আদেশের কপি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই একটি চাঞ্চল্যকর বিষয় সামনে এলো। যা নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে তুমুল সমালোচনা।
বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের কখনো প্রয়োজন হতে পারে, এমন ভাবনা থেকে ‘জনস্বাস্থ্য ও জরুরি চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা’ নিশ্চিত করতে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল। সেই আদেশের প্রেক্ষিতে সিসিইউ-২-এর বেড-১ এবং সংশ্লিষ্ট বিস্তৃত যত্নের ব্যবস্থা রাখার কথা উল্লেখ করা হয়।
পড়ুন: জুলাই হত্যাকাণ্ডে ‘জড়িত’ দাবি, বিএসএমএমইউ’র চিকিৎসক, নার্সসহ ১৫ জন বরখাস্ত
অর্থাৎ ড. ই্উনূসের প্রয়োজন হতে পারে ভেবে একটি সিসিইউ বেড ফাঁকা করে রেখে
দেওয়া হয়েছে টানা দেড় বছর। ১৮ কোটি মানুষের দেশে সরকারি হাসপাতালের আইসিইউ, সিসিইউ বেড ফাঁকা পাওয়া সোনার হরিণের নাগাল পাওয়ার চেয়েও কঠিন যেখানে, সেখানে দেড় বছর ধরে একটি সিসিইউ বেড যত্নের সাথে সাজিয়ে রেখে চিকিৎসা বঞ্চিত করা হয় অসংখ্য মানুষকে। জানা যায়, সরকারি আদেশটি ২০শে অক্টোবর ২০২৪ তারিখে জারি হয়। এতে বলা হয়, ১৬ই অক্টোবর ২০২৪-এর পূর্ববর্তী নির্দেশনার আলোকে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের জরুরি চিকিৎসা ও সার্বিক যত্নের জন্য কমিটি গঠিত হয়েছে। কমিটির সভাপতি হিসেবে অধ্যাপক ডা. মো. আবু সেলিম (কার্ডিওলজি বিভাগ), এবং সদস্য হিসেবে ডা. খন্দকার কামরুজ্জামান, ডা. দীন মুজাহিদ মো. ফারুক, রিপা রানী দেব (সিনিয়র স্টাফ নার্স,
ইনচার্জ, সিসিইউ-২) এবং সদস্য-সচিব হিসেবে ডা. মুহাম্মদ জাফর ইকবাল জামালী অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। আদেশে স্বাক্ষর করেন অধ্যাপক ডা. চৌধুরী শেখ সাদ আহমেদ, অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান, কার্ডিওলজি বিভাগ। অনুলিপি পাঠানো হয় হাসপাতাল পরিচালক, সংশ্লিষ্ট বিভাগের অধ্যাপক ও সহকারী অধ্যাপকগণ, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ এবং অফিস কপির জন্য। অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদকাল (আগস্ট ২০২৪ থেকে ফেব্রুয়ারি ২০২৬) প্রায় ১৮ মাস স্থায়ী ছিল। এ ঘটনায় বিভিন্ন মহলে তুমুল সমালোচনা চলছে। চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যখাত সংশ্লিষ্ট অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলছেন, এভাবে একটি সিসিইউ বেড সরক্ষণ করে রাখার ফলে গড়ে এক সপ্তাহ করে হিসাব করলে কয়েক ডজন জটিল রোগী সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন এবং চিকিৎসার অভাবে কেউ কেউ মারা গেছেন। ড. ইউনূস টিকা ক্রয়
বন্ধ করার মাধ্যমে দেশে হাম মহামারিতে হাজার হাজার শিশু মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কুশীলব হিসেবে দেশের মানুষের কাছে ঘৃণার পাত্র হয়েছেন ইতিমধ্যে, তার ‘প্রয়োজন হতে পারে’ সে জন্য একটি সিসিইউ বেড সংরক্ষণ করে রাখার ঘটনা প্রকাশ পেতেই সাধারণ মানুষ তুমুল সমালোচনা শুরু করেছেন। যদিও কর্তৃপক্ষ এমন বেড সংরক্ষণের বিষয়টিকে ‘প্রটোকল’ বলে দায় সেরেছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকারপ্রধানের জন্য জরুরি মেডিকেল প্রস্তুত রাখা অনেক দেশেই প্রচলিত। তবে সীমিত সংস্থানসম্পন্ন সরকারি হাসপাতালে সাধারণ রোগীদের সেবার ওপর এর প্রভাব কতটা পড়ে, সেটা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার বিষয়। বিএসএমএমইউ কর্তৃপক্ষ বা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে বেড ব্যবহারের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।
দেওয়া হয়েছে টানা দেড় বছর। ১৮ কোটি মানুষের দেশে সরকারি হাসপাতালের আইসিইউ, সিসিইউ বেড ফাঁকা পাওয়া সোনার হরিণের নাগাল পাওয়ার চেয়েও কঠিন যেখানে, সেখানে দেড় বছর ধরে একটি সিসিইউ বেড যত্নের সাথে সাজিয়ে রেখে চিকিৎসা বঞ্চিত করা হয় অসংখ্য মানুষকে। জানা যায়, সরকারি আদেশটি ২০শে অক্টোবর ২০২৪ তারিখে জারি হয়। এতে বলা হয়, ১৬ই অক্টোবর ২০২৪-এর পূর্ববর্তী নির্দেশনার আলোকে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের জরুরি চিকিৎসা ও সার্বিক যত্নের জন্য কমিটি গঠিত হয়েছে। কমিটির সভাপতি হিসেবে অধ্যাপক ডা. মো. আবু সেলিম (কার্ডিওলজি বিভাগ), এবং সদস্য হিসেবে ডা. খন্দকার কামরুজ্জামান, ডা. দীন মুজাহিদ মো. ফারুক, রিপা রানী দেব (সিনিয়র স্টাফ নার্স,
ইনচার্জ, সিসিইউ-২) এবং সদস্য-সচিব হিসেবে ডা. মুহাম্মদ জাফর ইকবাল জামালী অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। আদেশে স্বাক্ষর করেন অধ্যাপক ডা. চৌধুরী শেখ সাদ আহমেদ, অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান, কার্ডিওলজি বিভাগ। অনুলিপি পাঠানো হয় হাসপাতাল পরিচালক, সংশ্লিষ্ট বিভাগের অধ্যাপক ও সহকারী অধ্যাপকগণ, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ এবং অফিস কপির জন্য। অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদকাল (আগস্ট ২০২৪ থেকে ফেব্রুয়ারি ২০২৬) প্রায় ১৮ মাস স্থায়ী ছিল। এ ঘটনায় বিভিন্ন মহলে তুমুল সমালোচনা চলছে। চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যখাত সংশ্লিষ্ট অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলছেন, এভাবে একটি সিসিইউ বেড সরক্ষণ করে রাখার ফলে গড়ে এক সপ্তাহ করে হিসাব করলে কয়েক ডজন জটিল রোগী সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন এবং চিকিৎসার অভাবে কেউ কেউ মারা গেছেন। ড. ইউনূস টিকা ক্রয়
বন্ধ করার মাধ্যমে দেশে হাম মহামারিতে হাজার হাজার শিশু মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কুশীলব হিসেবে দেশের মানুষের কাছে ঘৃণার পাত্র হয়েছেন ইতিমধ্যে, তার ‘প্রয়োজন হতে পারে’ সে জন্য একটি সিসিইউ বেড সংরক্ষণ করে রাখার ঘটনা প্রকাশ পেতেই সাধারণ মানুষ তুমুল সমালোচনা শুরু করেছেন। যদিও কর্তৃপক্ষ এমন বেড সংরক্ষণের বিষয়টিকে ‘প্রটোকল’ বলে দায় সেরেছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকারপ্রধানের জন্য জরুরি মেডিকেল প্রস্তুত রাখা অনেক দেশেই প্রচলিত। তবে সীমিত সংস্থানসম্পন্ন সরকারি হাসপাতালে সাধারণ রোগীদের সেবার ওপর এর প্রভাব কতটা পড়ে, সেটা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার বিষয়। বিএসএমএমইউ কর্তৃপক্ষ বা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে বেড ব্যবহারের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।



