ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বাংলাদেশের প্রশংসায় পঞ্চমুখ ভারতের অশ্বিন
বিয়ের পর রোনালদোকে নিয়ে আল নাসরের বিশেষ আয়োজন
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ইতিহাস তানজিদের, সেঞ্চুরিতে শক্ত অবস্থানে বাংলাদেশ
ডারউইনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের দারুণ দিন: এক নজরে সব রেকর্ড
‘মানসিকভাবে শক্ত থাকো’, বাবাকে হারিয়ে শোকাচ্ছন্ন মেসিকে রোনালদোর সমবেদনা
বাবাকে শেষ বিদায় জানিয়ে মিয়ামিতে ফিরলেন মেসি
২৩ বছর পর সেই ডারউইনে নতুন শুরুর অপেক্ষায় বাংলাদেশ
অস্ট্রেলিয়ার ওপর এখন পাহাড়সম চাপ, বললেন পন্টিং
ডারউইন টেস্টে প্রতিনিয়ত নিজেদের অবস্থান শক্ত করছে বাংলাদেশ। ঐতিহাসিক এই ম্যাচে সফরকারীদের এমন আধিপত্যের পর অস্ট্রেলিয়ার সাজঘরের পরিবেশ বেশ থমথমে হয়ে উঠেছে বলেই ধারণা করছেন অজিদের সাবেক অধিনায়ক রিকি পন্টিং। ম্যাচ যেভাবে পুরোপুরি বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে, তাতে স্বাগতিক ব্যাটারদের ওপর এখন ভর করছে পাহাড়সম চাপ।
অস্ট্রেলিয়ার একটি টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পন্টিং স্পষ্টই বলেন, “অস্ট্রেলিয়া দল এখন মারাত্মক কোণঠাসা অবস্থায় আছে। আগামী কয়েকটা দিন ওদের অনেকের ক্রিকেট ক্যারিয়ারের জন্যই খুব বড় পরীক্ষা হতে যাচ্ছে। ড্রেসিংরুমে নিশ্চিতভাবেই বড় ধরনের স্নায়ুচাপ কাজ করছে, আর এই চাপ ধীরে ধীরে ওদের গ্রাস করবে। টেস্টে ওরা বেশ অনেকটা পিছিয়ে পড়েছে। কাল সকাল থেকেই দেখা যাবে
অস্ট্রেলীয় ব্যাটিং লাইনাপের মানসিক জোর ও আসল দক্ষতা ঠিক কতটা।” ডারউইনে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো অস্ট্রেলিয়াকে সব বিভাগে মানিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ। ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা অঘটন ঘটানোর বেশ কাছাকাছি এখন নাজমুল হোসেন শান্তর দল। ম্যাচের প্রথম দিনে ২৬ বছর বয়সী হাসান মাহমুদের ছয় উইকেটের তোপে গুটিয়ে গিয়েছিল স্বাগতিকরা। আর দ্বিতীয় দিনে প্যাট কামিন্সদের দিশেহারা করে ছাড়েন তরুণ তানজিদ হাসান তামিম। নিজের ক্যারিয়ারের মাত্র দ্বিতীয় টেস্ট খেলতে নামা ২৫ বছর বয়সী এই ওপেনারের ব্যাটে ভর করেই বড় লিডের পথে হাঁটে বাংলাদেশ। এমনকি বাংলাদেশের চরম আশাবাদী সমর্থকও হয়তো ভাবেননি যে দ্বিতীয় দিন শেষে সফরকারীরা এত শক্ত অবস্থানে গিয়ে দাঁড়াবে। শুক্রবার দ্বিতীয় দিন শেষে ৬ উইকেটে ৩৫১
রান তুলে ১৫৩ রানের শক্ত লিড বাগিয়ে নিয়েছে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ১৩ টেস্ট ইনিংসে এটিই তাদের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান। ডারউইনের পিচ যেখানে ক্রমশ ব্যাটারদের জন্য সহজ হয়ে আসছে, সেখানে মেহেদী হাসান মিরাজ ৩২ ও হাসান মাহমুদ ১৩ রান নিয়ে অপরাজিত থেকে দিন শেষ করেছেন। বাংলাদেশের এই দাপটের মূল কারিগর তানজিদ তামিম। লাল বলের ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ম্যাচেই তুলে নিয়েছেন প্রথম সেঞ্চুরি। সাদা বলের মারকুটে মেজাজ সরিয়ে রেখে পাঁচ ঘণ্টারও বেশি সময় উইকেটে থেকে ধৈর্যশীল এক ইনিংস খেলেন এই তরুণ। ১৯৭ বল খেলে ৮টি চার ও ১টি ছক্কার সাহায্যে ১০১ রান করে মিচেল স্টার্কের ক্যাচে পরিণত হন তিনি। তবে কেবল একক কোনো ইনিংসে ভর
করে নয়, বেশ কিছু কার্যকর জুটির ওপর দাঁড়িয়েই এই লিড গড়ে তুলেছে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় উইকেটে মুমিনুল হককে সঙ্গে নিয়ে ১০২ রানের জুটি গড়েন তানজিদ। এরপর অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর সঙ্গে যোগ করেন আরও ৯৩ রান। শান্ত নিজে ৮৪ রানের কার্যকর ইনিংস খেলার পথে মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে গড়ে তোলেন ৬৬ রানের আরেকটি চমৎকার জুটি। নতুন বল হাতে পেয়ে মাঝপথে অবশ্য কিছুটা লড়াইয়ে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। ৪.৫ ওভারের ব্যবধানে সফরকারীদের ৩টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নেন স্বাগতিকদের তিন পেসার। দ্বিতীয় স্লিপে তিনটি ক্যাচই তালুবন্দী করেন স্টিভ স্মিথ—যার মাধ্যমে উইকেটকিপার ছাড়া ফিল্ডার হিসেবে টেস্টে সর্বোচ্চ ক্যাচের রেকর্ডে জো রুটের পাশে নাম লেখান তিনি। তবে সেই চাপেও
মোটেও ভেঙে পড়েনি সফরকারীরা। উল্টো সপ্তম উইকেটে মিরাজ ও হাসান মাহমুদ ২৪.৩ ওভার লড়াই করে অবিচ্ছিন্ন ৪৩ রান যোগ করে দিনের বাকি সময়টুকু অনায়াসে পার করে দেন। বাংলাদেশের লিড এরই মধ্যে ১৫৩ রানে পৌঁছে গেছে, আর উইকেটও ব্যাটিংয়ের জন্য সহজ হয়ে আসছে। পন্টিংয়ের মতে, ম্যাচের আগামী পর্বেই বোঝা যাবে অস্ট্রেলীয় ব্যাটিং লাইনআপের আসল চরিত্র ও স্কিল।
অস্ট্রেলীয় ব্যাটিং লাইনাপের মানসিক জোর ও আসল দক্ষতা ঠিক কতটা।” ডারউইনে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো অস্ট্রেলিয়াকে সব বিভাগে মানিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ। ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা অঘটন ঘটানোর বেশ কাছাকাছি এখন নাজমুল হোসেন শান্তর দল। ম্যাচের প্রথম দিনে ২৬ বছর বয়সী হাসান মাহমুদের ছয় উইকেটের তোপে গুটিয়ে গিয়েছিল স্বাগতিকরা। আর দ্বিতীয় দিনে প্যাট কামিন্সদের দিশেহারা করে ছাড়েন তরুণ তানজিদ হাসান তামিম। নিজের ক্যারিয়ারের মাত্র দ্বিতীয় টেস্ট খেলতে নামা ২৫ বছর বয়সী এই ওপেনারের ব্যাটে ভর করেই বড় লিডের পথে হাঁটে বাংলাদেশ। এমনকি বাংলাদেশের চরম আশাবাদী সমর্থকও হয়তো ভাবেননি যে দ্বিতীয় দিন শেষে সফরকারীরা এত শক্ত অবস্থানে গিয়ে দাঁড়াবে। শুক্রবার দ্বিতীয় দিন শেষে ৬ উইকেটে ৩৫১
রান তুলে ১৫৩ রানের শক্ত লিড বাগিয়ে নিয়েছে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ১৩ টেস্ট ইনিংসে এটিই তাদের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান। ডারউইনের পিচ যেখানে ক্রমশ ব্যাটারদের জন্য সহজ হয়ে আসছে, সেখানে মেহেদী হাসান মিরাজ ৩২ ও হাসান মাহমুদ ১৩ রান নিয়ে অপরাজিত থেকে দিন শেষ করেছেন। বাংলাদেশের এই দাপটের মূল কারিগর তানজিদ তামিম। লাল বলের ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ম্যাচেই তুলে নিয়েছেন প্রথম সেঞ্চুরি। সাদা বলের মারকুটে মেজাজ সরিয়ে রেখে পাঁচ ঘণ্টারও বেশি সময় উইকেটে থেকে ধৈর্যশীল এক ইনিংস খেলেন এই তরুণ। ১৯৭ বল খেলে ৮টি চার ও ১টি ছক্কার সাহায্যে ১০১ রান করে মিচেল স্টার্কের ক্যাচে পরিণত হন তিনি। তবে কেবল একক কোনো ইনিংসে ভর
করে নয়, বেশ কিছু কার্যকর জুটির ওপর দাঁড়িয়েই এই লিড গড়ে তুলেছে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় উইকেটে মুমিনুল হককে সঙ্গে নিয়ে ১০২ রানের জুটি গড়েন তানজিদ। এরপর অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর সঙ্গে যোগ করেন আরও ৯৩ রান। শান্ত নিজে ৮৪ রানের কার্যকর ইনিংস খেলার পথে মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে গড়ে তোলেন ৬৬ রানের আরেকটি চমৎকার জুটি। নতুন বল হাতে পেয়ে মাঝপথে অবশ্য কিছুটা লড়াইয়ে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। ৪.৫ ওভারের ব্যবধানে সফরকারীদের ৩টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নেন স্বাগতিকদের তিন পেসার। দ্বিতীয় স্লিপে তিনটি ক্যাচই তালুবন্দী করেন স্টিভ স্মিথ—যার মাধ্যমে উইকেটকিপার ছাড়া ফিল্ডার হিসেবে টেস্টে সর্বোচ্চ ক্যাচের রেকর্ডে জো রুটের পাশে নাম লেখান তিনি। তবে সেই চাপেও
মোটেও ভেঙে পড়েনি সফরকারীরা। উল্টো সপ্তম উইকেটে মিরাজ ও হাসান মাহমুদ ২৪.৩ ওভার লড়াই করে অবিচ্ছিন্ন ৪৩ রান যোগ করে দিনের বাকি সময়টুকু অনায়াসে পার করে দেন। বাংলাদেশের লিড এরই মধ্যে ১৫৩ রানে পৌঁছে গেছে, আর উইকেটও ব্যাটিংয়ের জন্য সহজ হয়ে আসছে। পন্টিংয়ের মতে, ম্যাচের আগামী পর্বেই বোঝা যাবে অস্ট্রেলীয় ব্যাটিং লাইনআপের আসল চরিত্র ও স্কিল।



