ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
প্রধান সমন্বয়কের নেতৃত্বে মেকআপ-ব্যান্ডেজে, জাল প্রেসক্রিপশনে জুলাইযোদ্ধা সাজিয়ে তালিকাভুক্তি, স্টুডিওর সন্ধান
শাহজালালে ধরা না পড়লেও দিল্লিতে ৩১ গুলিসহ আটক আশিয়ান গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল
ইউনূসের ‘লাগতে পারে’, তাই বিএসএমএমইউ’র একটি সিসিইউ বেড আটকে রাখা হয় ১৮ মাস!
সরকারি কৃষি প্রণোদনা হরিলুট: লোহাগাড়ায় জামায়াত আমিরের মাদ্রাসা থেকে ১৩ বস্তা আমন বীজ উদ্ধার
আগামী সপ্তাহে ভারত সফরে যাচ্ছেন তারেক রহমান: এনডিটিভি
বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকট ও জনদুর্ভোগের প্রতিবাদে বাঁশখালীতে যুবলীগ-ছাত্রলীগের মশাল মিছিল
সাঈদী সমাচার- একজন ধর্মব্যবসায়ীর উত্থান || আসিফ নজরুল
ভারত-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন দিয়ে এলো ৮২ লাখ লিটার ডিজেল
শেখ হাসিনা সরকারের উদ্যোগে স্থাপিত ভারত-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে ভারত থেকে দিনাজপুরের পার্বতীপুর ডিপোতে এসেছে প্রায় ৭ হাজার টন ডিজেল। গত ১০ই আগস্ট সন্ধ্যা ৬টার পর শুরু হওয়া এই চালানের তেল আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার মধ্যে সম্পূর্ণভাবে ডিপোতে পৌঁছায়।
এবারের ৬৮তম ধাপে মোট ৭ হাজার টন বা প্রায় ৮২ লাখ ৩৫ হাজার ২৯০ লিটার ডিজেল আমদানি করা হয়েছে। প্রতি টনে ১ হাজার ১৭৬.৪৭ লিটার হিসেবে এই পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে।
২০১৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ও নরেন্দ্র মোদি সরকারের সম্পাদিত ১৫ বছর মেয়াদি চুক্তি অনুসারে ২০ লাখ টন ডিজেল আমদানির কথা। ২০২৩ সালের ১৮ই মার্চ পাইপলাইনটি উদ্বোধনের পর থেকে এখন পর্যন্ত
ভারত থেকে মোট ৩০ লাখ ১৪ হাজার ৭৮ টন ডিজেল আমদানি হয়েছে। ভারত থেকে আমদানি করা ডিজেল প্রতিটি চালানে প্রায় সমহারে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের তিন বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান–পদ্মা অয়েল, মেঘনা পেট্রোলিয়াম ও যমুনা অয়েল কোম্পানির মধ্যে বিতরণ করা হয়। বাংলাদেশ অংশে ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের দৈর্ঘ্য ১২৬.৫৭ কিলোমিটার। পাইপলাইনটি পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া, সদর ও বোদা উপজেলা হয়ে নীলফামারী সদর এবং দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার মধ্য দিয়ে পার্বতীপুরের রিসিভ টার্মিনাল পর্যন্ত বিস্তৃত। মাটির প্রায় ৫ থেকে ৮ ফুট গভীরে স্থাপিত এই পাইপলাইনের মাধ্যমে সরাসরি ভারত থেকে ডিজেল পরিবহন করা হচ্ছে। ফলে উত্তরাঞ্চলে জ্বালানি সরবরাহ আরও সহজ ও দ্রুত করার পাশাপাশি সড়ক ও রেলপথে জ্বালানি পরিবহনের ওপর নির্ভরতা কমাতে গুরুত্বপূর্ণ
ভূমিকা রাখছে ভারত-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন। উল্লেখ্য, শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০১৬ সালে স্বাক্ষরিত ভারতের সাথে ১৫ বছর মেয়াদি চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন নির্মাণের কাজ শুরু হয়। শেখ হাসিনার সরকার এবং নরেন্দ্র মোদির সরকারের যৌথ উদ্যোগে স্থাপিত পাইপলাইনটি ২০২৩ সালের ১৮ই মার্চ উদ্বোধন হয়। এর মোট দৈর্ঘ্য ১৩১.৫৭ কিলোমিটার (ভারতে ৫ কি.মি এবং বাংলাদেশে ১২৬.৫৭ কি.মি) এবং ক্ষমতা বার্ষিক ১ মিলিয়ন মেট্রিক টন (এমএমটিপিএ)। ভারতের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত রিসিপ্ট টার্মিনালে এসব জ্বালানি পৌঁছায়। পরবর্তীতে সেখান থেকে পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা—এই তিনটি তেল বিপণন কোম্পানির মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করা হয়। আগে রেলপথে সরবরাহ হতো, কিন্তু
পাইপলাইন চালু হওয়ায় পরিবহন খরচ কমেছে এবং সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন হয়েছে। ভারতের ৮০ ভাগ অর্থায়নে পাইপলাইনটি নির্মিত হয়েছে। চুক্তির তথ্য বলছে, দীর্ঘমেয়াদী চুক্তিতে বার্ষিক আমদানি পরিমাণ ধাপে ধাপে বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে: প্রথম তিন বছর ২.৫ লাখ টন, পরবর্তীতে ৩ লাখ, ৩.৫ লাখ এবং শেষে ৪ লাখ টন। এটি দেশের জ্বালানি চাহিদা (বার্ষিক প্রায় ৭৪ লাখ টন রিফাইন্ড ফুয়েল, যার ৮০ শতাংশ আমদানি) মেটাতে সহায়ক।
ভারত থেকে মোট ৩০ লাখ ১৪ হাজার ৭৮ টন ডিজেল আমদানি হয়েছে। ভারত থেকে আমদানি করা ডিজেল প্রতিটি চালানে প্রায় সমহারে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের তিন বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান–পদ্মা অয়েল, মেঘনা পেট্রোলিয়াম ও যমুনা অয়েল কোম্পানির মধ্যে বিতরণ করা হয়। বাংলাদেশ অংশে ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের দৈর্ঘ্য ১২৬.৫৭ কিলোমিটার। পাইপলাইনটি পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া, সদর ও বোদা উপজেলা হয়ে নীলফামারী সদর এবং দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার মধ্য দিয়ে পার্বতীপুরের রিসিভ টার্মিনাল পর্যন্ত বিস্তৃত। মাটির প্রায় ৫ থেকে ৮ ফুট গভীরে স্থাপিত এই পাইপলাইনের মাধ্যমে সরাসরি ভারত থেকে ডিজেল পরিবহন করা হচ্ছে। ফলে উত্তরাঞ্চলে জ্বালানি সরবরাহ আরও সহজ ও দ্রুত করার পাশাপাশি সড়ক ও রেলপথে জ্বালানি পরিবহনের ওপর নির্ভরতা কমাতে গুরুত্বপূর্ণ
ভূমিকা রাখছে ভারত-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন। উল্লেখ্য, শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০১৬ সালে স্বাক্ষরিত ভারতের সাথে ১৫ বছর মেয়াদি চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন নির্মাণের কাজ শুরু হয়। শেখ হাসিনার সরকার এবং নরেন্দ্র মোদির সরকারের যৌথ উদ্যোগে স্থাপিত পাইপলাইনটি ২০২৩ সালের ১৮ই মার্চ উদ্বোধন হয়। এর মোট দৈর্ঘ্য ১৩১.৫৭ কিলোমিটার (ভারতে ৫ কি.মি এবং বাংলাদেশে ১২৬.৫৭ কি.মি) এবং ক্ষমতা বার্ষিক ১ মিলিয়ন মেট্রিক টন (এমএমটিপিএ)। ভারতের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত রিসিপ্ট টার্মিনালে এসব জ্বালানি পৌঁছায়। পরবর্তীতে সেখান থেকে পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা—এই তিনটি তেল বিপণন কোম্পানির মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করা হয়। আগে রেলপথে সরবরাহ হতো, কিন্তু
পাইপলাইন চালু হওয়ায় পরিবহন খরচ কমেছে এবং সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন হয়েছে। ভারতের ৮০ ভাগ অর্থায়নে পাইপলাইনটি নির্মিত হয়েছে। চুক্তির তথ্য বলছে, দীর্ঘমেয়াদী চুক্তিতে বার্ষিক আমদানি পরিমাণ ধাপে ধাপে বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে: প্রথম তিন বছর ২.৫ লাখ টন, পরবর্তীতে ৩ লাখ, ৩.৫ লাখ এবং শেষে ৪ লাখ টন। এটি দেশের জ্বালানি চাহিদা (বার্ষিক প্রায় ৭৪ লাখ টন রিফাইন্ড ফুয়েল, যার ৮০ শতাংশ আমদানি) মেটাতে সহায়ক।



