ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ঝিনাইদহে ওসির বিরুদ্ধে অপহরণ ও গুম নাটক সাজিয়ে সাড়ে ২১ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ
চট্টগ্রামে শিপইয়ার্ডে বিষাক্ত গ্যাসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮
সোনাগাজীতে স্কুলছাত্রীকে মারধোর করে কানের দুল ছিনিয়ে নিল যুবদলকর্মীরা
ঝিনাইদহে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপি দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১০
আয়নাবাজি: উধাও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত রমজান, কারাগারে নিরপরাধ দিনমজুর সোনা মিয়া
চট্টগ্রামে আধিপত্যের লড়াই: জমি দখল ও চাঁদাবাজির আড়ালে প্রাণহানির মিছিল
রাজশাহীর ১৪ বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রে নিরাপত্তা চেয়ে প্রশাসনে কাছে চিঠি
জ্বলছে না চুলা, সিএনজি স্টেশনে দীর্ঘ লাইন: গ্যাস সংকটে চরম ভোগান্তিতে জনজীবন
সারাদেশে গ্যাসের সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কমে যাওয়ায় রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় আবাসিক গ্রাহকরা স্বাভাবিক চাপের গ্যাস পাচ্ছেন না। অনেক এলাকায় দিনের বড় একটি সময় গ্যাসের চাপ একেবারেই থাকছে না। এতে রান্নাবান্না থেকে শুরু করে শিল্পকারখানা, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও পরিবহন—সব খাতেই এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা ও সিএনজি অটোরিকশাচালকদের সঙ্গে কথা বলে এমন চিত্র পাওয়া গেছে।
রাজধানীর বিভিন্ন বাসাবাড়িতে কম চাপের কারণে চুলা জ্বলছে না। কোথাও ভোর বা রাতে সামান্য চাপ থাকলেও দিনের বেশির ভাগ সময় গ্যাসের সরবরাহ থাকছে না। ফলে অনেক পরিবার বাধ্য হয়ে এলপিজি সিলিন্ডার কিংবা বৈদ্যুতিক চুলা ব্যবহার করছে।
এতে একদিকে গ্যাসের বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে, অন্যদিকে বিকল্প জ্বালানির জন্য বাড়তি ব্যয় বহন করতে হচ্ছে গ্রাহকদের। মিরপুরের বাসিন্দা আসমা আক্তার বলেন, ‘গ্যাস পাচ্ছি না। এভাবে রান্না করা যায় না। চুলায় রান্না বসিয়ে বসে থাকতে হয়। গ্যাসের চাপ এত কম যে রান্না করতে ঘণ্টা পার হয়ে যায়।’ যাত্রাবাড়ীর বাসিন্দা ইমরুল হোসেন বলেন, ‘গ্যাস থাকে না, তাই বাধ্য হয়ে এলপিজি সিলিন্ডার ব্যবহার করি। এতে বাড়তি খরচ দিতে হয়। গ্যাসের বিলও দিতে হচ্ছে, আবার সিলিন্ডারের খরচও আছে। অভাবের সংসারে ডাবল খরচ বহন করা আমাদের জন্য কষ্টকর।’ শুধু আবাসিক গ্রাহক নয়, সংকটের প্রভাব পড়েছে সিএনজি স্টেশনগুলোতেও। গ্যাসের চাপ কম থাকায় অনেক স্টেশনে যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি
হচ্ছে। একটি গাড়িকে গ্যাস নিতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন চালকরা। এক সিএনজি অটোরিকশাচালক আনোয়ার বলেন, ‘গ্যাসের চাপ থাকে না। গ্যাস নিতে সিরিয়ালেই দুই-তিন ঘণ্টা চলে যায়। এতে আমাদের আয় কমেছে। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে অবস্থা আরও খারাপ।’ সংশ্লিষ্টদের মতে, সাম্প্রতিক গ্যাস সংকটের অন্যতম প্রধান কারণ মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল বা এফএসআরইউতে (ফ্লোটিং স্টোরেজ অ্যান্ড রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট) সরবরাহে বিঘ্ন। দেশের আমদানি করা এলএনজির বড় অংশ এই দুটি এফএসআরইউয়ের মাধ্যমে জাতীয় গ্যাস গ্রিডে সরবরাহ করা হয়। সাম্প্রতিক সময়ে একটি এফএসআরইউতে কারিগরি ত্রুটির কারণে সরবরাহ কমে যায়। এর মধ্যেই বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিকেল থেকে বৈরী আবহাওয়ার কারণে অন্য টার্মিনাল থেকেও স্বাভাবিকভাবে এলএনজি
সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। ফলে জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের ঘাটতি আরও বেড়েছে। সরবরাহ কমে যাওয়ার সরাসরি প্রভাব পড়েছে গ্যাসনির্ভর শিল্পকারখানায়। পর্যাপ্ত চাপ না থাকায় কোথাও উৎপাদন কমাতে হচ্ছে, আবার কোথাও কারখানা পূর্ণ সক্ষমতায় চালানো সম্ভব হচ্ছে না। এতে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি শিল্পের পরিচালন ব্যয়ও বাড়ছে। একই সঙ্গে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোও প্রয়োজনীয় জ্বালানি না পাওয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদন কমছে। এর প্রভাবে দেশের বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিংও বেড়েছে। অর্থাৎ গ্যাস সংকটের প্রভাব এখন আর শুধু আবাসিক গ্রাহকের রান্নাঘরে সীমাবদ্ধ নেই; বিদ্যুৎ, পরিবহন ও শিল্প উৎপাদনের পাশাপাশি সামগ্রিক জনজীবনেও এর প্রভাব পড়ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আমদানি করা এলএনজিনির্ভরতা, দেশীয় গ্যাস উৎপাদন কমে যাওয়া এবং সরবরাহ অবকাঠামোর সীমাবদ্ধতার কারণে এ ধরনের পরিস্থিতিতে
জাতীয় গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থা দ্রুত চাপে পড়ে। ফলে একটি টার্মিনালে সমস্যা দেখা দিলে তার প্রভাব আবাসিক, শিল্প ও বিদ্যুৎ—সব খাতেই ছড়িয়ে পড়ে। বর্তমান পরিস্থিতিতে দ্রুত এলএনজি সরবরাহ স্বাভাবিক করা না গেলে গ্যাস সংকট আরও দীর্ঘায়িত হওয়ার পাশাপাশি শিল্প উৎপাদন, বিদ্যুৎ সরবরাহ ও জনজীবনে ভোগান্তি আরও বাড়তে পারে।
এতে একদিকে গ্যাসের বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে, অন্যদিকে বিকল্প জ্বালানির জন্য বাড়তি ব্যয় বহন করতে হচ্ছে গ্রাহকদের। মিরপুরের বাসিন্দা আসমা আক্তার বলেন, ‘গ্যাস পাচ্ছি না। এভাবে রান্না করা যায় না। চুলায় রান্না বসিয়ে বসে থাকতে হয়। গ্যাসের চাপ এত কম যে রান্না করতে ঘণ্টা পার হয়ে যায়।’ যাত্রাবাড়ীর বাসিন্দা ইমরুল হোসেন বলেন, ‘গ্যাস থাকে না, তাই বাধ্য হয়ে এলপিজি সিলিন্ডার ব্যবহার করি। এতে বাড়তি খরচ দিতে হয়। গ্যাসের বিলও দিতে হচ্ছে, আবার সিলিন্ডারের খরচও আছে। অভাবের সংসারে ডাবল খরচ বহন করা আমাদের জন্য কষ্টকর।’ শুধু আবাসিক গ্রাহক নয়, সংকটের প্রভাব পড়েছে সিএনজি স্টেশনগুলোতেও। গ্যাসের চাপ কম থাকায় অনেক স্টেশনে যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি
হচ্ছে। একটি গাড়িকে গ্যাস নিতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন চালকরা। এক সিএনজি অটোরিকশাচালক আনোয়ার বলেন, ‘গ্যাসের চাপ থাকে না। গ্যাস নিতে সিরিয়ালেই দুই-তিন ঘণ্টা চলে যায়। এতে আমাদের আয় কমেছে। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে অবস্থা আরও খারাপ।’ সংশ্লিষ্টদের মতে, সাম্প্রতিক গ্যাস সংকটের অন্যতম প্রধান কারণ মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল বা এফএসআরইউতে (ফ্লোটিং স্টোরেজ অ্যান্ড রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট) সরবরাহে বিঘ্ন। দেশের আমদানি করা এলএনজির বড় অংশ এই দুটি এফএসআরইউয়ের মাধ্যমে জাতীয় গ্যাস গ্রিডে সরবরাহ করা হয়। সাম্প্রতিক সময়ে একটি এফএসআরইউতে কারিগরি ত্রুটির কারণে সরবরাহ কমে যায়। এর মধ্যেই বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিকেল থেকে বৈরী আবহাওয়ার কারণে অন্য টার্মিনাল থেকেও স্বাভাবিকভাবে এলএনজি
সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। ফলে জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের ঘাটতি আরও বেড়েছে। সরবরাহ কমে যাওয়ার সরাসরি প্রভাব পড়েছে গ্যাসনির্ভর শিল্পকারখানায়। পর্যাপ্ত চাপ না থাকায় কোথাও উৎপাদন কমাতে হচ্ছে, আবার কোথাও কারখানা পূর্ণ সক্ষমতায় চালানো সম্ভব হচ্ছে না। এতে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি শিল্পের পরিচালন ব্যয়ও বাড়ছে। একই সঙ্গে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোও প্রয়োজনীয় জ্বালানি না পাওয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদন কমছে। এর প্রভাবে দেশের বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিংও বেড়েছে। অর্থাৎ গ্যাস সংকটের প্রভাব এখন আর শুধু আবাসিক গ্রাহকের রান্নাঘরে সীমাবদ্ধ নেই; বিদ্যুৎ, পরিবহন ও শিল্প উৎপাদনের পাশাপাশি সামগ্রিক জনজীবনেও এর প্রভাব পড়ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আমদানি করা এলএনজিনির্ভরতা, দেশীয় গ্যাস উৎপাদন কমে যাওয়া এবং সরবরাহ অবকাঠামোর সীমাবদ্ধতার কারণে এ ধরনের পরিস্থিতিতে
জাতীয় গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থা দ্রুত চাপে পড়ে। ফলে একটি টার্মিনালে সমস্যা দেখা দিলে তার প্রভাব আবাসিক, শিল্প ও বিদ্যুৎ—সব খাতেই ছড়িয়ে পড়ে। বর্তমান পরিস্থিতিতে দ্রুত এলএনজি সরবরাহ স্বাভাবিক করা না গেলে গ্যাস সংকট আরও দীর্ঘায়িত হওয়ার পাশাপাশি শিল্প উৎপাদন, বিদ্যুৎ সরবরাহ ও জনজীবনে ভোগান্তি আরও বাড়তে পারে।



