ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
চট্টগ্রামে শিপইয়ার্ডে বিষাক্ত গ্যাসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮
সোনাগাজীতে স্কুলছাত্রীকে মারধোর করে কানের দুল ছিনিয়ে নিল যুবদলকর্মীরা
ঝিনাইদহে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপি দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১০
আয়নাবাজি: উধাও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত রমজান, কারাগারে নিরপরাধ দিনমজুর সোনা মিয়া
চট্টগ্রামে আধিপত্যের লড়াই: জমি দখল ও চাঁদাবাজির আড়ালে প্রাণহানির মিছিল
স্বামীর বিশেষ অঙ্গ কাটায় স্ত্রী আটক
ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কাজ করে দালালেরা, কম্পিউটারের দোকানে টাকা দিলেই সব ঠিকঠাক
রাজশাহীর ১৪ বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রে নিরাপত্তা চেয়ে প্রশাসনে কাছে চিঠি
রাজশাহীতে চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ সরবরাহ কমে যাওয়ায় তীব্র লোডশেডিং দেখা দিয়েছে। এতে জেলার বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটছে এবং গ্রাহকদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি সামলাতে এবং অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে ১৪টি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রে বাড়তি নিরাপত্তা চেয়েছে রাজশাহী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি।
বুধবার (১২ আগস্ট) প্রশাসনের কাছে এ বিষয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে।
পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি সূত্রে জানা গেছে, জেলার পাঁচ উপজেলায় দিনে-রাতে বিদ্যুতের চাহিদা ১১০ থেকে ১১৫ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে ৮০ থেকে ৮৫ মেগাওয়াট। ফলে চাহিদার তুলনায় প্রায় ২৫ শতাংশ বিদ্যুৎ ঘাটতি রয়েছে। এ কারণে বিভিন্ন এলাকায় দফায় দফায় লোডশেডিং হচ্ছে।
রাজশাহী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সিনিয়র ব্যবস্থাপক রবেন্দ্র চন্দ্র রায় বলেন,
লোডশেডিংকে কেন্দ্র করে যাতে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা না ঘটে, সে জন্য জেলার ১৪টি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রে বাড়তি নিরাপত্তা চেয়ে প্রশাসনের কাছে চিঠি দেওয়া হয়েছে। এদিকে রাজশাহী মহানগরীতেও বিদ্যুতের ঘাটতি দেখা দেওয়ায় নেসকোর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মাহবুবুল আলম চৌধুরী জানান, বুধবার নগরীতে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৩৮ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে ১১০ মেগাওয়াট। অর্থাৎ এ সময়ে ২৮ মেগাওয়াট ঘাটতি রয়েছে। বৃহস্পতিবারও একই অবস্থা। তিনি বলেন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রতি ঘণ্টায় বিদ্যুতের চাহিদা ও সরবরাহের পরিমাণ পরিবর্তিত হচ্ছে। কখনো চাহিদার পুরো বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে, আবার কখনো ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। তবে মহানগরীতে গড়ে ২০ থেকে ৩০ মেগাওয়াট পর্যন্ত লোডশেডিং হচ্ছে। এর আগে মঙ্গলবার রাতে মহানগরীতে বিদ্যুতের
চাহিদা ছিল ১৩৯ মেগাওয়াট। বিপরীতে সরবরাহ পাওয়া যায় ১১৩ মেগাওয়াট। বর্তমানে মহানগরীতে দিনে-রাতে গড়ে ১৩৫ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ হচ্ছে প্রায় ১১১ মেগাওয়াট। এতে গড়ে ২৪ মেগাওয়াট বিদ্যুতের ঘাটতি থাকছে। তীব্র গরমের মধ্যে বিদ্যুতের এই ঘাটতিতে মহানগর ও জেলার বিভিন্ন এলাকায় ভোগান্তি বাড়ছে। একই সঙ্গে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় ক্ষোভও তৈরি হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
লোডশেডিংকে কেন্দ্র করে যাতে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা না ঘটে, সে জন্য জেলার ১৪টি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রে বাড়তি নিরাপত্তা চেয়ে প্রশাসনের কাছে চিঠি দেওয়া হয়েছে। এদিকে রাজশাহী মহানগরীতেও বিদ্যুতের ঘাটতি দেখা দেওয়ায় নেসকোর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মাহবুবুল আলম চৌধুরী জানান, বুধবার নগরীতে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৩৮ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে ১১০ মেগাওয়াট। অর্থাৎ এ সময়ে ২৮ মেগাওয়াট ঘাটতি রয়েছে। বৃহস্পতিবারও একই অবস্থা। তিনি বলেন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রতি ঘণ্টায় বিদ্যুতের চাহিদা ও সরবরাহের পরিমাণ পরিবর্তিত হচ্ছে। কখনো চাহিদার পুরো বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে, আবার কখনো ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। তবে মহানগরীতে গড়ে ২০ থেকে ৩০ মেগাওয়াট পর্যন্ত লোডশেডিং হচ্ছে। এর আগে মঙ্গলবার রাতে মহানগরীতে বিদ্যুতের
চাহিদা ছিল ১৩৯ মেগাওয়াট। বিপরীতে সরবরাহ পাওয়া যায় ১১৩ মেগাওয়াট। বর্তমানে মহানগরীতে দিনে-রাতে গড়ে ১৩৫ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ হচ্ছে প্রায় ১১১ মেগাওয়াট। এতে গড়ে ২৪ মেগাওয়াট বিদ্যুতের ঘাটতি থাকছে। তীব্র গরমের মধ্যে বিদ্যুতের এই ঘাটতিতে মহানগর ও জেলার বিভিন্ন এলাকায় ভোগান্তি বাড়ছে। একই সঙ্গে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় ক্ষোভও তৈরি হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।



