ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ট্রাকচালক হোসেন হত্যা: শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের ৩৪ নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন ফের পেছাল
অভিনব পদ্ধতিতে অগ্রণী ব্যাংকের ভল্ট থেকে সাড়ে ৪ কোটি টাকা সরিয়ে গড়া হয় খামার!
‘ছাদে লোক উঠে’, বাংলাদেশের জন্য তৈরি রেলকোচের ছাদ শক্ত করেছে ভারত
চট্টগ্রামজুড়ে গ্যাসের তীব্র সংকট ও লোডশেডিং: যানচলাচল ও রান্নাঘর থেকে শিল্পকারখানায় হাহাকার
এক্সপ্রেসওয়ে থেকে সিআরবি: চাঁদাবাজি, মারধর ও বাণিজ্যিক আধিপত্যের কবলে চট্টগ্রামের অর্থনীতি
ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ১,৮১৮ মামলা
গ্যাসের অভাবে ১৬ মাস বন্ধ আশুগঞ্জ সার কারখানা, মাসে ক্ষতি ১৩৫ কোটি টাকা
জাতিসংঘের প্রতিবেদনে দিল্লির লাল কেল্লায় হামলায় আল-কায়েদা সংশ্লিষ্টরা: বাংলাদেশে সেল গঠনের চেষ্টা
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সন্ত্রাসবাদ পর্যবেক্ষণকারী একটি বিশেষায়িত দলের সর্বশেষ প্রতিবেদনে ২০২৫ সালের নভেম্বরে দিল্লির ঐতিহাসিক স্থাপনা লাল কেল্লার সামনে সংঘটিত গাড়ি-বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় আনুষ্ঠানিকভাবে আল-কায়েদার ভারতীয় উপমহাদেশ শাখা একিউআইএসের সম্পৃক্ততা পেয়েছে।
একই প্রতিবেদনে সংগঠনটি বাংলাদেশে কার্যক্রম বিস্তারের চেষ্টা করছে বলেও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ১২৬৭/১৯৮৯/২২৫৩ নিষেধাজ্ঞা কাঠামোর আওতায় গঠিত “অ্যানালিটিক্যাল সাপোর্ট অ্যান্ড স্যাংশনস মনিটরিং টিম” প্রতি ছয় মাস অন্তর আইএসআইএল (দায়েশ), আল-কায়েদা ও তাদের সহযোগী সংগঠনগুলোর কার্যক্রম নিয়ে একটি প্রতিবেদন তৈরি করে।
এবারের প্রতিবেদনটি সংস্থাটির ৩৮তম প্রতিবেদন, যা গত ১০ই আগস্ট প্রকাশ করা হয় এবং তাতে ২০২৫ সালের ১৬ই ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ৯ই জুন পর্যন্ত সময়কালের তথ্য-বিশ্লেষণ তুলে ধরা
হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, একিউআইএস বিগত বছরগুলোতে একটি বিচ্ছিন্ন ও দুর্বল নেটওয়ার্ক থেকে ধীরে ধীরে একটি সংগঠিত আঞ্চলিক জঙ্গি সংগঠনে রূপান্তরিত হয়েছে। বড় ইউনিটের পরিবর্তে ছোট ছোট বিচ্ছিন্ন কোষ বা সেলের মাধ্যমে কাজ করার পাশাপাশি সংগঠনটি নিজস্ব লজিস্টিক ও আর্থিক নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে, যা নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর পক্ষে তাদের শনাক্ত ও দমন করা কঠিন করে তুলছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। লাল কেল্লা হামলা ২০২৫ সালের ১০ই নভেম্বর দিল্লির লাল কেল্লা মেট্রো স্টেশনের কাছে ট্র্যাফিক সিগন্যালে থেমে থাকা একটি গাড়িতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী এই হামলায় প্রায় ১১ থেকে ১৫ জন নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হন। ভারতের জাতীয় তদন্ত সংস্থা (এনআইএ) চলতি বছরের
মে মাসে এই ঘটনায় ১০ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করে, যাদের একিউআইএসের সহযোগী সংগঠন আনসার গাজওয়াতুল হিন্দের (এজিইউএইচ) সঙ্গে সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। হামলার মূল হোতা হিসেবে চিহ্নিত ফরিদাবাদের আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সহকারী অধ্যাপক ওমর উন-নবী নিজেও বিস্ফোরণে নিহত হন। এর আগে জাতিসংঘের একটি পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে হামলার সঙ্গে জইশ-ই-মোহাম্মদের (জেইএম) সংশ্লিষ্টতার ইঙ্গিত মিললেও নতুন প্রতিবেদনে সরাসরি একিউআইএসকেই দায়ী করা হয়েছে। জাতিসংঘের প্রতিবেদনে বলা হয়, লাল কেল্লার সামনে ২০২৫ সালের নভেম্বরের হামলাটি আনুষ্ঠানিকভাবে একিউআইএসের কর্মকাণ্ড হিসেবে স্বীকৃত হয়েছে। তবে প্রতিবেদনটি জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা-পর্যবেক্ষণমূলক মূল্যায়ন, যা ভারতে চলমান ফৌজদারি তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের বিকল্প নয় বলেও পর্যবেক্ষকরা মনে করিয়ে দিয়েছেন। বাংলাদেশ নিয়ে
উদ্বেগ প্রতিবেদনে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য অংশ হলো, একিউআইএস আফগানিস্তানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে সক্রিয় থাকার পাশাপাশি বাংলাদেশকে ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করে সেখানে অপারেশনাল সেল প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, সংগঠনটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের নেটওয়ার্ক বিস্তৃত করার চেষ্টা চালাতে পারে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। রাসায়নিক-জৈবিক অস্ত্রের প্রতি আগ্রহ প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, আল-কায়েদা ও আইএসআইএল উভয় সংগঠনই দীর্ঘদিন ধরে রাসায়নিক ও জৈবিক অস্ত্র তৈরির ব্যাপারে আগ্রহী, যদিও প্রযুক্তিগত জটিলতার কারণে তারা এখনো এ ধরনের অস্ত্র তৈরিতে সফল হতে পারেনি। এ প্রসঙ্গে প্রতিবেদনে ভারতে একটি আইএসআইএল-সংশ্লিষ্ট কোষের নির্দেশে রাইসিন নামের বিষ তৈরির চেষ্টার অভিযোগে একজন চিকিৎসকসহ তিনজনকে গ্রেপ্তারের ঘটনার উল্লেখও রয়েছে। জাতিসংঘের এই প্রতিবেদন
দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে, বিশেষত একিউআইএসের মতো সংগঠনের আঞ্চলিক সম্প্রসারণ এবং বাংলাদেশকে ঘিরে তাদের সম্ভাব্য পরিকল্পনার প্রেক্ষাপটে।
হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, একিউআইএস বিগত বছরগুলোতে একটি বিচ্ছিন্ন ও দুর্বল নেটওয়ার্ক থেকে ধীরে ধীরে একটি সংগঠিত আঞ্চলিক জঙ্গি সংগঠনে রূপান্তরিত হয়েছে। বড় ইউনিটের পরিবর্তে ছোট ছোট বিচ্ছিন্ন কোষ বা সেলের মাধ্যমে কাজ করার পাশাপাশি সংগঠনটি নিজস্ব লজিস্টিক ও আর্থিক নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে, যা নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর পক্ষে তাদের শনাক্ত ও দমন করা কঠিন করে তুলছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। লাল কেল্লা হামলা ২০২৫ সালের ১০ই নভেম্বর দিল্লির লাল কেল্লা মেট্রো স্টেশনের কাছে ট্র্যাফিক সিগন্যালে থেমে থাকা একটি গাড়িতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী এই হামলায় প্রায় ১১ থেকে ১৫ জন নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হন। ভারতের জাতীয় তদন্ত সংস্থা (এনআইএ) চলতি বছরের
মে মাসে এই ঘটনায় ১০ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করে, যাদের একিউআইএসের সহযোগী সংগঠন আনসার গাজওয়াতুল হিন্দের (এজিইউএইচ) সঙ্গে সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। হামলার মূল হোতা হিসেবে চিহ্নিত ফরিদাবাদের আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সহকারী অধ্যাপক ওমর উন-নবী নিজেও বিস্ফোরণে নিহত হন। এর আগে জাতিসংঘের একটি পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে হামলার সঙ্গে জইশ-ই-মোহাম্মদের (জেইএম) সংশ্লিষ্টতার ইঙ্গিত মিললেও নতুন প্রতিবেদনে সরাসরি একিউআইএসকেই দায়ী করা হয়েছে। জাতিসংঘের প্রতিবেদনে বলা হয়, লাল কেল্লার সামনে ২০২৫ সালের নভেম্বরের হামলাটি আনুষ্ঠানিকভাবে একিউআইএসের কর্মকাণ্ড হিসেবে স্বীকৃত হয়েছে। তবে প্রতিবেদনটি জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা-পর্যবেক্ষণমূলক মূল্যায়ন, যা ভারতে চলমান ফৌজদারি তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের বিকল্প নয় বলেও পর্যবেক্ষকরা মনে করিয়ে দিয়েছেন। বাংলাদেশ নিয়ে
উদ্বেগ প্রতিবেদনে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য অংশ হলো, একিউআইএস আফগানিস্তানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে সক্রিয় থাকার পাশাপাশি বাংলাদেশকে ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করে সেখানে অপারেশনাল সেল প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, সংগঠনটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের নেটওয়ার্ক বিস্তৃত করার চেষ্টা চালাতে পারে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। রাসায়নিক-জৈবিক অস্ত্রের প্রতি আগ্রহ প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, আল-কায়েদা ও আইএসআইএল উভয় সংগঠনই দীর্ঘদিন ধরে রাসায়নিক ও জৈবিক অস্ত্র তৈরির ব্যাপারে আগ্রহী, যদিও প্রযুক্তিগত জটিলতার কারণে তারা এখনো এ ধরনের অস্ত্র তৈরিতে সফল হতে পারেনি। এ প্রসঙ্গে প্রতিবেদনে ভারতে একটি আইএসআইএল-সংশ্লিষ্ট কোষের নির্দেশে রাইসিন নামের বিষ তৈরির চেষ্টার অভিযোগে একজন চিকিৎসকসহ তিনজনকে গ্রেপ্তারের ঘটনার উল্লেখও রয়েছে। জাতিসংঘের এই প্রতিবেদন
দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে, বিশেষত একিউআইএসের মতো সংগঠনের আঞ্চলিক সম্প্রসারণ এবং বাংলাদেশকে ঘিরে তাদের সম্ভাব্য পরিকল্পনার প্রেক্ষাপটে।



