ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ভারতে ‘দ্বিতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের’ ডাক দিলেন সোনম ওয়াংচুক
মধ্যপ্রাচ্যে নতুন রণতরি পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
দেশে ফিরলেন নেপালের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শের বাহাদুর, হাজারো সমর্থকের সংবর্ধনা
ট্রাম্পকে ‘ভুয়া গোয়েন্দা তথ্য’ থেকে সতর্ক থাকতে বলল ইরান
ব্রিকসের উন্নয়ন ব্যাংকে যোগ দিচ্ছে ইরান, কমবে ডলারনির্ভরতা?
হরমুজ প্রণালি ঘিরে নতুন সমীকরণ, ইরানের শক্ত অবস্থান মেনে নিচ্ছে জিসিসি?
বিশ্বনেতারা কে কত ঘণ্টা ঘুমান?
কাশ্মীরে ৮ পাকিস্তানি পুলিশকে অপহরণ করেছে আওয়ামী অ্যাকশন কমিটি
পাকিস্তানশাসিত কাশ্মীরে নির্বাচনি দায়িত্ব পালনকালে আট পুলিশ সদস্যকে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে আওয়ামী অ্যাকশন কমিটির বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) এক সংবাদ সম্মেলনে আজাদ কাশ্মীর পুলিশের মুখপাত্র খাওয়ার আলী শওকত এ তথ্য জানান।
পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নির্বাচনি দায়িত্বে নিয়োজিত নিরাপত্তাকর্মীদের ওপর হামলার পর আট হাইওয়ে পুলিশ সদস্যকে ধরে নিয়ে যায় আওয়ামী অ্যাকশন কমিটির সদস্যরা। তাদের নিজেদের হেফাজতে রেখে নির্যাতন করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে অপহৃত পুলিশ সদস্যদের পরিবারের সদস্যদের হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে।
পুলিশের মুখপাত্র খাওয়ার আলী শওকত বলেন, সহিংসতা ও অপকর্মের মাধ্যমে রাষ্ট্রের কর্তৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করার কোনো সুযোগ নেই। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের ক্ষতি করা বা তাদের
পরিবারের ওপর হুমকি অব্যাহত থাকলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি সাধারণ জনগণকে উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানান। তার দাবি, সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো প্রমাণ করে আওয়ামী অ্যাকশন কমিটি শান্তিপূর্ণ সংগঠন নয়; বরং সহিংসতার মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে দুর্বল করার চেষ্টা করছে। পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, অধিকার আদায়ের নামে সহিংস কর্মকাণ্ড চালানোর সুযোগ নেই। নির্বাচনে স্থানীয় মানুষের অংশগ্রহণ প্রমাণ করে, আওয়ামী অ্যাকশন কমিটির সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই বলেও দাবি করেন তিনি। ভারতনিয়ন্ত্রিত কাশ্মীর থেকে আসা শরণার্থীদের জন্য সংরক্ষিত আসন নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে পাকিস্তানশাসিত কাশ্মীরে সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক উত্তেজনা ও বিক্ষোভ চলছে। এর মধ্যেই নির্বাচনি দায়িত্ব পালনরত পুলিশ সদস্যদের অপহরণের অভিযোগ পরিস্থিতিকে আরও
জটিল করে তুলেছে।
পরিবারের ওপর হুমকি অব্যাহত থাকলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি সাধারণ জনগণকে উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানান। তার দাবি, সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো প্রমাণ করে আওয়ামী অ্যাকশন কমিটি শান্তিপূর্ণ সংগঠন নয়; বরং সহিংসতার মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে দুর্বল করার চেষ্টা করছে। পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, অধিকার আদায়ের নামে সহিংস কর্মকাণ্ড চালানোর সুযোগ নেই। নির্বাচনে স্থানীয় মানুষের অংশগ্রহণ প্রমাণ করে, আওয়ামী অ্যাকশন কমিটির সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই বলেও দাবি করেন তিনি। ভারতনিয়ন্ত্রিত কাশ্মীর থেকে আসা শরণার্থীদের জন্য সংরক্ষিত আসন নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে পাকিস্তানশাসিত কাশ্মীরে সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক উত্তেজনা ও বিক্ষোভ চলছে। এর মধ্যেই নির্বাচনি দায়িত্ব পালনরত পুলিশ সদস্যদের অপহরণের অভিযোগ পরিস্থিতিকে আরও
জটিল করে তুলেছে।



