বিশ্বনেতারা কে কত ঘণ্টা ঘুমান? – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৩ August, ২০২৬

বিশ্বনেতারা কে কত ঘণ্টা ঘুমান?

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৩ August, ২০২৬ |
একটি দেশ পরিচালনা করা কখনোই সকাল ৯টা-সন্ধ্যা ৫টার কোনো সাধারণ চাকরি নয়। গভীর রাতের জরুরি বৈঠক, ভোরে তৈরি হওয়ার ব্রিফিং, আন্তর্জাতিক সময়ের হিসাব না মেনে আসা জরুরি পরিস্থিতি, আর সঙ্গে আছে একের পর এক মিটিং, বক্তৃতা ও সফরের দীর্ঘ তালিকা। কিন্তু একজন বিশ্ব নেতা সর্বনিম্ন কতটুকু ঘুমিয়ে স্বাভাবিক কাজকর্ম চালিয়ে যেতে পারেন? জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানা তাকাইচির একটি অকপট স্বীকারোক্তির পর এই বিষয়টি নতুন করে জনসমক্ষে আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে। তিনি জানান, দায়িত্ব নেওয়ার পর এমন অনেক রাত গেছে যখন তিনি এক মুহূর্তও ঘুমাতে পারেননি। গত জুলাই মাসে এক সরকারি ছুটির দিনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) তাকাইচি লেখেন, অবশেষে তিনি টানা ৫

ঘণ্টা ঘুমানোর সুযোগ পেয়েছেন—যা তার জন্য এক বিরল অভিজ্ঞতা। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে তার নৈমিত্তিক ঘুমের সময় সাধারণত শূন্য থেকে তিন ঘণ্টার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। তাকাইচির এই মন্তব্য জাপানে বেশ দুশ্চিন্তার সৃষ্টি করেছে। কারণ দেশটিতে অতিরিক্ত কাজের চাপ এবং তা থেকে মৃত্যুর ঘটনা (যাকে স্থানীয় ভাষায় ‘কারোশি’ বলা হয়) কয়েক দশক ধরেই একটি বড় জাতীয় সমস্যা। এটি আরও একটি বড় প্রশ্ন তুলে ধরেছে: বিশ্ব নেতাদের এই অতিরিক্ত দীর্ঘ কর্মঘণ্টা কি সত্যিই তাদের অসীম সহনশীলতা ও নিষ্ঠার প্রমাণ, নাকি অপর্যাপ্ত ঘুম কোটি কোটি মানুষের জীবনকে প্রভাবিত করা সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে ঝুঁকি তৈরি করতে পারে? বিশ্বের বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী নেতা নিজেদের ঘুম নিয়ে যা

বলেছেন, তা এক নজরে চোখ বুলানো যাক: সানা তাকাইচি: শূন্য থেকে ৩ ঘণ্টা জাপানের এই প্রধানমন্ত্রী বর্তমানে রাষ্ট্রনেতাদের ঘুমের তালিকায় সবচেয়ে চরম প্রান্তে অবস্থান করছেন। গত জুলাইয়ে এপি-র এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, তাকাইচি টানা ৫ ঘণ্টা ঘুমাতে পারাকে এক ধরণের ‘আশীর্বাদ’ বলে মনে করেন। তার এই বক্তব্য দীর্ঘ কাজের সংস্কৃতির বিরুদ্ধে জাপানে চলমান বিতর্ককে আবারও উসকে দিয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প: ৪ থেকে ৫ ঘণ্টা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরেই নিজেকে কম ঘুমোনো মানুষ হিসেবে তুলে ধরেছেন। ২০১৭ সালে ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, তিনি প্রায়ই রাতে মাত্র চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা ঘুমান। ট্রাম্প জানান, তিনি সাধারণত রাত ১২টা বা

১টা পর্যন্ত কাজ করেন এবং আবার সকাল ৫টার দিকে জেগে ওঠেন। নরেন্দ্র মোদি: ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রকাশ্যে জানিয়েছেন যে, একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের স্বাভাবিক যে ঘুমের প্রয়োজন, তিনি তার চেয়ে অনেক কম ঘুমান। ২০১৯ সালে বলিউড অভিনেতা অক্ষয় কুমারের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে মোদি জানান, তার বায়োলজিক্যাল ক্লক বা শারীরিক চক্র এমনভাবে তৈরি হয়ে গেছে যে তিনি রাতে মাত্র তিন থেকে চার ঘণ্টা ঘুমান, তবে সেই সময়টুকুতে তার খুব গভীর ঘুম হয়। ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ: ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ অত্যন্ত কম সময় ঘুমান বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বিভিন্ন সময় তথ্য এসেছে। বিশেষ করে তার প্রেসিডেন্সির শুরুর দিকে জানা

যায় যে তিনি রাতে মাত্র ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা ঘুমান। বারাক ওবামা: প্রায় ৫ ঘণ্টা যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা হোয়াইট হাউসের পরিচিত ‘নাইট আউল’ বা নৈশচর হিসেবে খ্যাত ছিলেন। দ্য নিউইয়র্ক টাইমস ২০১৬ সালে এক প্রতিবেদনে জানায়, ওবামা সাধারণত রাতে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ঘুমাতেন। পরিবারের সঙ্গে রাতের খাবার শেষের পর গভীর রাতে তিনি একা কাজ করতেন—নথি পড়া, বক্তৃতা লেখা এবং পরবর্তী দিনের প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য তিনি এই নির্জন সময়কে বেছে নিতেন। অ্যাঞ্জেলা মার্কেল: সংকটকালীন সময়ে মাত্র কয়েক ঘণ্টা জার্মানির সাবেক চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেল অপর্যাপ্ত ঘুমের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার অদ্ভুত এক কৌশলের কথা জানিয়ে নিজেকে ‘উটের’ সঙ্গে তুলনা করেছিলেন। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী

মার্কেল বলেছিলেন, পরবর্তীতে সুযোগ পেলে ঘুম পুষিয়ে নেওয়ার শর্তে তিনি টানা বেশ কয়েকদিন মাত্র কয়েক ঘণ্টার ঘুমে চালিয়ে নিতে পারেন। তবে তিনি নিজেকে স্থায়ীভাবে কম ঘুমোনো মানুষ দাবি করেননি, বরং কাজের প্রচণ্ড চাপ থাকলে ঘুম জমিয়ে রেখে পরে তা পুষিয়ে নেওয়ার কথা বলেছিলেন। মার্গারেট থ্যাচার: প্রায় ৪ ঘণ্টা স্মার্টফোন বা ২৪ ঘণ্টার সার্বক্ষণিক সংবাদের জামানা আসার অনেক আগেই কম ঘুমিয়ে দেশ চালানোর উদাহরণ তৈরি করেছিলেন যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচার। ‘আয়রন লেডি’ খ্যাত এই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব রাতে মাত্র চার ঘণ্টা ঘুমানোর জন্য পরিচিত ছিলেন। ১৯৮৯ সালে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি নিজেও স্বীকার করেন যে চার ঘণ্টার বেশি ঘুমানো তার জন্য বেশ কঠিন।

কম ঘুম কি সত্যিই কোনো বাড়তি সুবিধা দেয়? কম ঘুমিয়ে কাজ করা নেতাদের প্রতি এক ধরণের সামাজিক আকর্ষণ রয়েছে; কারণ কম ঘুমানোকে অনেকেই দীর্ঘ সহনশীলতা, উৎপাদনশীলতা এবং পেশাগত সততার প্রতীক হিসেবে দেখেন। তবে ঘুম বিশেষজ্ঞরা বিষয়টি এত সহজভাবে দেখেন না। চিকিৎসা বিজ্ঞান বলছে, খুব অল্প সংখ্যক মানুষের জিনগত বৈশিষ্ট্যের কারণে তারা স্বাভাবিকভাবেই কম ঘুমিয়েও শরীর পুরোপুরি সুস্থ রাখতে পারেন। তবে এটি অত্যন্ত বিরল। বেশিরভাগ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের জন্য নিয়মিত কম ঘুমানো কোনো সুবিধাজনক বিষয় নয়। মার্কিন স্বাস্থ্য সংস্থা সিডিসি ১৮ থেকে ৬০ বছর বয়সিদের জন্য রাতে অন্তত ৭ ঘণ্টা ঘুমের পরামর্শ দেয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, পর্যাপ্ত ঘুম মনোযোগ, স্মৃতিশক্তি এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। তাই কোটি কোটি মানুষের ভাগ্য নির্ধারণে নিয়োজিত বিশ্বনেতাদের ক্ষেত্রে আসল প্রশ্ন এটি নয় যে—তারা কত দীর্ঘ সময় জেগে থাকতে পারছেন; বরং আসল প্রশ্ন হলো—জেগে থাকার সেই সময়ে তাদের চিন্তাভাবনা কতটা স্পষ্ট ও সঠিক থাকছে। সূত্র: গাল্ফ নিউজ

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
নূর আলম ও আদম, দুই ভিন্ন পথের মানুষ বন্ধ এলএনজি টার্মিনাল পুনরায় চালু, গ্যাস সরবরাহ বাড়ছে পাঠ্যবইয়ের কাগজে টনপ্রতি ২২ হাজার টাকার কারসাজি: সিন্ডিকেট হাতিয়ে নিল ৫৫ কোটি টাকা শতাধিক খাম্বা রেখেই সড়কের ৯৫% সম্পন্ন, উদ্বোধনের আগে আবার কাটতে হবে রাস্তা? শহিদ ধীরেন্দ্রনাথের বাড়ির সাইনবোর্ড ভাঙচুর এনসিপির: মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে হঠাৎ তাদের এই দরদের নেপথ্যে কী? সিলেট হৃদয়ের মহাকাব্যিক ২৪২*, অবিশ্বাস্যভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের লিড আরেক দফা বাড়ল সবধরনের চালের দাম দেশে এলপিজির মোট চাহিদার ৮৫ শতাংশই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একক দখলে জিয়ার ছবিহীন ব্যানার, বঙ্গবন্ধুকে ‘জাতির পিতা’ আখ্যা: পরে স্কচটেপ দিয়ে জিয়ার ছবি লাগিয়ে অনুষ্ঠান সুনামগঞ্জে ৭ নভেম্বরের অনুষ্ঠান উপলক্ষে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ গার্ড অব অনার ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন, ক্ষুব্ধ স্বজনরা ২০৩০ সালের মধ্যে ঢাকায় দুটি মনোরেল রুট নির্মাণের পরিকল্পনা ঢাকার মিরপুরে নিজ বাসায় এক যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ফেসবুক ও এক্সে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হয়েছে। একজন নারীর পিঠে আঘাতের চিহ্ন থাকা ছবি ব্যবহার করে এই দাবিটি ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। অর্ধশতাধিক অ্যাকাউন্ট থেকে একই ধরনের তথ্য প্রচারের বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। বিজ্ঞাপন শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দিনভর ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়, ওই নারী থানায় অভিযোগ জানাতে গিয়ে ওসির সঙ্গে কথোপকথনে লিপ্ত হন। তবে পোস্টগুলোতে ঘটনার কোনো নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করা হয়নি। যাচাইয়ে ছবিটিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে এবং পুলিশ জানিয়েছে, এমন কোনো অভিযোগ তাদের কাছে আসেনি। এছাড়া ওই নারীর পরিচয় বা অস্তিত্বও এখন পর্যন্ত কোথাও পাওয়া যায়নি। ছবিটি পোস্ট করা তিন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা কেউই নির্যাতনের শিকার ওই নারীর ঠিকানা বা থানায় দেওয়া অভিযোগের অনুলিপি দিতে পারেননি। তারা স্বীকার করেছেন যে, তারা অন্যের পোস্ট কপি করে নিজেদের অ্যাকাউন্টে দিয়েছেন এবং ঘটনার বিস্তারিত কিছুই জানেন না। পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়েছে, মিরপুর থানা যুব মহিলা লীগের ‘সংগঠক’ শ্রীময়ী রীতা রানীকে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় ও ধর্মের কারণে বাসায় ঢুকে পাশবিক নির্যাতন করা হয়েছে। মারধরে তাঁর শরীর রক্তাক্ত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়। কিছু পোস্টে ফিরোজ নামের এক ব্যক্তিকে এই নির্যাতনের জন্য দায়ী করা হয়েছে, তবে তাঁর পরিচয় নিয়ে পোস্টগুলোতে অসংগতি রয়েছে। কোথাও বলা হয়েছে তিনি মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়কের নির্দেশে এই কাজ করেছেন, আবার কোথাও তাঁকে থানা কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পোস্টদাতাদের দাবি অনুযায়ী, ওই নারী থানায় অভিযোগ করতে গেলে ওসি তাঁকে সৌন্দর্যই তাঁর ‘কাল’ বলে মন্তব্য করেন এবং বোরকা পরার পরামর্শ দেন। এ ধরনের অভিযোগ তুলে পোস্টগুলোতে সংখ্যালঘু সুরক্ষা ও নারী নিরাপত্তাসহ নারীবাদীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোর মধ্যে প্রথম তথ্য পাওয়া যায় শুক্রবার বেলা ১১টা ৫৯ মিনিটে ‘এফ কে জয় জয়’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে। পরবর্তীতে ‘মুকুল আহমেদ’ ও ‘সুমন মল্লিক’ নামের আরও দুটি প্রোফাইল থেকে একই পোস্ট দেওয়া হয়, যেগুলোর আগের পোস্ট পর্যালোচনা করে দেখা যায় সেগুলো নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে নিয়মিত প্রচার চালায়। বিকেল ৪টা ৪৮ মিনিটে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন নিজের ফেসবুক পেজে ছবিটি পোস্ট করলে তাতে রাত আটটা পর্যন্ত প্রায় চার হাজার প্রতিক্রিয়া পড়ে। এক্সেও ‘Dr Baidyanath Ghosh’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে ছবিটি ছড়ানো হয়, যা রাত নয়টা পর্যন্ত ১ লাখ ৪৮ হাজার বার দেখা হয়েছে। ছবিটি ছড়িয়ে পড়লে জনমনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয় এবং অনেকে সত্যতা জানতে চেয়ে যোগাযোগ করেন। ছবিটি যাচাইয়ের জন্য সিন্থআইডি, ওপেনএআইয়ের এআই-জেনারেটেড কনটেন্ট যাচাইয়ের টুল ও হাইভ মডারেশন ব্যবহার করা হয়েছে। সব টুলই নিশ্চিত করেছে যে ছবিটি তৈরিতে এআই প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছে। এর সূত্র খুঁজতে গিয়ে প্রায় এক মাস আগের ভারতের কেরালায় এক নববধূকে নির্যাতনের ঘটনার ছবির সঙ্গে মিল পাওয়া গেছে, যা সম্পাদনা করে এই নতুন ছবিটি তৈরি করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া যুব মহিলা লীগের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, তাদের সংগঠনে ‘সংগঠক’ নামে কোনো পদ নেই। মিরপুর থানার ওসি মো. হাফিজুর রহমান সন্ধ্যায় জানান, তাঁর থানা এলাকায় এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি এবং কোনো নারী অভিযোগ নিয়ে থানায় আসেননি। এছাড়া মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) হাসান মোহাম্মদ নাসের রিকাবদার জানিয়েছেন, তাঁর বিভাগের অধীন কোনো থানায় এমন কোনো মামলা বা অভিযোগ জমা পড়েনি। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযুক্ত হিসেবে নাম আসা মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি ফিরোজ আহমেদ বলেন, ‘এমন কোনো বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। তাঁকে চিনিও না। এলাকায় এমন নামে কেউ আছেন, আবার তিনি যুব মহিলা লীগ করেন—এমন শুনিওনি। কেউ বলতেও পারছেন না। অনেক পুলিশ কর্মকর্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার লোকেরাও আমাকে ফোন দিয়েছেন।’ যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের দাবি: এআই ব্যবহারের প্রমাণ ও নারীর খোঁজ মেলেনি হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ হিসেবে স্টিফেন মিলারকে বেছে নিলেন ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তার প্রিন্স হ্যারির শ্বশুর টমাস মার্কেল চীনের অতি গোপনীয় স্পেসপ্লেনের ছবি প্রকাশ করল যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মক্তব শিক্ষক গ্রেপ্তার সব অন্যায় ও গুম-খুনের বিচার করতে আমরা বদ্ধপরিকর: আইনমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের