ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ হিসেবে স্টিফেন মিলারকে বেছে নিলেন ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তার প্রিন্স হ্যারির শ্বশুর টমাস মার্কেল
চীনের অতি গোপনীয় স্পেসপ্লেনের ছবি প্রকাশ করল যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা
ব্যাংক দেউলিয়া হওয়ার বিতর্কে পদত্যাগ করলেন প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্ট
ম্যাককেনা অতিরিক্ত যৌন আবেদনময় দৃশ্যে অভিনয় করতে চান না
হামলা বন্ধে সৌদি’র ১ বিলিয়ন ডলার প্রস্তাব; জবাবে হুথিদের ৫১ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ ও ইয়েমেনের শাসনভার দাবি
ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ট্রাম্প
হরমুজ প্রণালি ঘিরে নতুন সমীকরণ, ইরানের শক্ত অবস্থান মেনে নিচ্ছে জিসিসি?
হরমুজ প্রণালি নিয়ে নতুন করে কূটনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করছে ইরান। আন্তর্জাতিক নিরাপত্তাবিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান রয়্যাল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউট–এর বিশ্লেষক মাইকেল স্টিভেন্স জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালিতে সামুদ্রিক চলাচল কীভাবে পরিচালিত হবে তা নিয়ে ইরান, ওমান এবং উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদভুক্ত (জিসিসি) দেশগুলোর মধ্যে নেপথ্যে আলোচনা চলছে।
তবে প্রণালিতে প্রবেশ বা বের হওয়ার সময় জাহাজগুলোর কাছ থেকে কোনো ধরনের টোল বা ফি আদায়ের বিষয়ে ইরান ও ওমানের মধ্যে চূড়ান্ত কোনো সমঝোতা হয়েছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে স্টিভেন্স বলেন, ইরানের সঙ্গে ওমান এ বিষয়ে আলোচনা করেছে এবং জিসিসির নীরব সমর্থনও রয়েছে। তার মতে, এতে বোঝা যাচ্ছে
যে জিসিসিভুক্ত দেশগুলো হরমুজ প্রণালিতে নতুন বাস্তবতা মেনে নিতে শুরু করেছে। এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট দাবি করেছেন, ভবিষ্যতে হরমুজ প্রণালিকে এড়িয়ে বিকল্প পাইপলাইন ব্যবস্থার কারণে এই জলপথের গুরুত্ব কমে যেতে পারে। তবে স্টিভেন্সের মতে, এমন অবকাঠামো নির্মাণে দীর্ঘ সময় লাগবে এবং স্বল্পমেয়াদে হরমুজের কৌশলগত গুরুত্ব কমার সম্ভাবনা নেই। তিনি আরও বলেন, নতুন দফার সম্ভাব্য আলোচনার আগে ইরান নিজেদের দরকষাকষির অবস্থান আরও শক্তিশালী করছে। তার ভাষায়, বর্তমান পরিস্থিতিতে এটিকে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক বা কৌশলগত বিজয় হিসেবে উপস্থাপন করা কঠিন। প্রসঙ্গত, বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুট হিসেবে পরিচিত হরমুজ প্রণালি দীর্ঘদিন ধরেই ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের ভূরাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার কেন্দ্রবিন্দু। সাম্প্রতিক এই আলোচনা ও
কূটনৈতিক তৎপরতা অঞ্চলটির নিরাপত্তা ও বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে নতুন প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
যে জিসিসিভুক্ত দেশগুলো হরমুজ প্রণালিতে নতুন বাস্তবতা মেনে নিতে শুরু করেছে। এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট দাবি করেছেন, ভবিষ্যতে হরমুজ প্রণালিকে এড়িয়ে বিকল্প পাইপলাইন ব্যবস্থার কারণে এই জলপথের গুরুত্ব কমে যেতে পারে। তবে স্টিভেন্সের মতে, এমন অবকাঠামো নির্মাণে দীর্ঘ সময় লাগবে এবং স্বল্পমেয়াদে হরমুজের কৌশলগত গুরুত্ব কমার সম্ভাবনা নেই। তিনি আরও বলেন, নতুন দফার সম্ভাব্য আলোচনার আগে ইরান নিজেদের দরকষাকষির অবস্থান আরও শক্তিশালী করছে। তার ভাষায়, বর্তমান পরিস্থিতিতে এটিকে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক বা কৌশলগত বিজয় হিসেবে উপস্থাপন করা কঠিন। প্রসঙ্গত, বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুট হিসেবে পরিচিত হরমুজ প্রণালি দীর্ঘদিন ধরেই ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের ভূরাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার কেন্দ্রবিন্দু। সাম্প্রতিক এই আলোচনা ও
কূটনৈতিক তৎপরতা অঞ্চলটির নিরাপত্তা ও বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে নতুন প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।





