ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শিশু আয়াত হত্যা মামলায় আসামি আবীরের মৃত্যুদণ্ড
আপিলের সুযোগ শেষ, ত্রুটিপূর্ণ বিচারিক প্রক্রিয়ায় প্রশ্ন রেখেই রায় কার্যকরের পথে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল!
আইনি সেবায় নতুন দিগন্ত: বাংলাদেশের সংবিধান ও আইন এখন সবার নাগালে- এক ক্লিকেই
২৯ কার্যদিবসে শিশু ধর্ষণ মামলার রায়, যুবকের মৃত্যুদণ্ড
বিদিশা সিদ্দিকের ২ বছরের কারাদণ্ড, গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি
আওয়ামীপন্থী আইনজীবীদের নির্বাচনে বাধা ‘টেকনিক্যাল মব’: মনজিল মোরসেদ
একবার এফআইআর হলে তা আর প্রত্যাহার করা যায় না: হাইকোর্ট
শিশুকে ধর্ষণের দায়ে কৃষকের যাবজ্জীবন
জয়পুরহাটে শিশুকে ধর্ষণের দায়ে আব্দুর রহিম ওরফে কাইল্যা মণ্ডল (৫৪) নামে এক কৃষককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সেই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বিকালে জয়পুরহাটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল এবং বিশেষ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আবদুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আব্দুর রহিম জেলার ক্ষেতলাল উপজেলার জালিয়াপাড়া (পূর্বপাড়া) গ্রামের মৃত জসিম উদ্দিন ওরফে জমির মণ্ডলের ছেলে। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) রিনাত ফেরদৌসী রিনিত রায়ের বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
মামলার বিবরণীতে জানা গেছে, ২০১৭ সালের ২৯ আগস্ট সকালে শিশুটি
বাড়ির পাশে খেলা করছিল। এ সময় কৃষক আব্দুর রহিম শিশুটিকে শসা দেওয়ার কথা বলে কৌশলে পাশের শসাখেতের ভেতরে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করে। শিশুটি বাড়িতে ফিরে এসে অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং বাবা-মাকে ঘটনা খুলে বলে। এরপর তাকে ক্ষেতলাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য জয়পুরহাটের আধুনিক জেলা হাসপাতালে (বর্তমানে জেনারেল হাসপাতাল) ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা ২০১৭ সালের ৩০ আগস্ট ক্ষেতলাল থানায় একটি মামলা করেন। মামলার দীর্ঘ ৮ বছরের বিচারিক প্রক্রিয়া ও সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে আদালত বৃহস্পতিবার এ রায় ঘোষণা করেন।
বাড়ির পাশে খেলা করছিল। এ সময় কৃষক আব্দুর রহিম শিশুটিকে শসা দেওয়ার কথা বলে কৌশলে পাশের শসাখেতের ভেতরে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করে। শিশুটি বাড়িতে ফিরে এসে অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং বাবা-মাকে ঘটনা খুলে বলে। এরপর তাকে ক্ষেতলাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য জয়পুরহাটের আধুনিক জেলা হাসপাতালে (বর্তমানে জেনারেল হাসপাতাল) ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা ২০১৭ সালের ৩০ আগস্ট ক্ষেতলাল থানায় একটি মামলা করেন। মামলার দীর্ঘ ৮ বছরের বিচারিক প্রক্রিয়া ও সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে আদালত বৃহস্পতিবার এ রায় ঘোষণা করেন।



