ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হলুদ সাংবাদিকতার দায়ে পাকিস্তানে নিষিদ্ধ হলো আলজাজিরা
মার্কিন স্যাংশন ও ট্যারিফের রাজনীতিতে রাজনীতি নেই, আছে শোষণ ও বিশ্বগ্রাসের বাসনা
ভারতে চাকরির পরীক্ষা যেভাবে ক্ষোভের কারণ
ইরানকে শাস্তি দিতে ‘সৃজনশীল উপায়’ খুঁজছে যুক্তরাষ্ট্র
পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ইসলামীকরন: কোরআন-উদ্ধৃতি দিয়ে ভারত-আফগানদের কাফের আখ্যা সেনাবাহিনীর মূখপাত্রের
তেলের দামে মহাবিপর্যয়ের শঙ্কা
স্বেচ্ছায় ইসলাম গ্রহণ ও বিয়েতে বাধা দেওয়া যাবে না: ভারতীয় হাইকোর্ট
যুক্তরাষ্ট্র কেন জাপানি মুদ্রার পতন ঠেকাতে চাইছে?
মার্কিন ডলারের বিপরীতে জাপানি মুদ্রা ইয়েনের মান ৪০ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন স্তরে নেমে গেছে। এ অবস্থায় মুদ্রাটির মান ধরে রাখতে জাপানের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এক দশকের বেশি সময়ের মধ্যে প্রথমবারের মতো ওয়াশিংটন ইয়েন কিনবে বলে জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ট্রাম্প এই উদ্যোগকে বন্ধুত্বের নিদর্শন হিসেবে উল্লেখ করেছেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেছেন, ‘ইয়েন দুর্বল হয়ে যাচ্ছে। তারা একটু সাহায্য চেয়েছে। আমরা সবসময় জাপানের পাশে আছি।’
ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ার বিপরীতে ইয়েনেরও অবমূল্যায়ন ঘটেছে। এ অবস্থায় মুদ্রাটিকে শক্তিশালী করার উদ্যোগের পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ আছে। ডলার বেশি শক্তিশালী হলে বিদেশি ক্রেতাদের কাছে মার্কিন পণ্য দামি হয়ে যায়। একইভাবে, দুর্বল ইয়েনের কারণে
জাপানি রপ্তানিকারক ও দেশটিতে যাওয়া পর্যটকরা সুবিধা পেলেও তেল-গ্যাসের মতো আমদানি পণ্যের দাম বেড়ে যায়। তাতে মূল্যস্ফীতি বাড়ে। মার্কিন ট্রেজারি বিভাগের পক্ষে ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইয়র্ক এরইমধ্যে ইউরো বিক্রি করে ইয়েন কিনেছে। গত রোববার ট্রাম্প জানান, ইয়েনকে সমর্থন করার এই পদক্ষেপ বিশ্ব অর্থনীতির জন্যই ভালো হবে। যুক্তরাষ্ট্রও আর্থিকভাবে লাভবান হবে। তবে কীভাবে লাভবান হবে তা তিনি ব্যাখ্যা করেননি। ইয়েন কীভাবে দুর্বল হলো? বিশ্বের শীর্ষ অর্থনীতিগুলোর একটি হওয়া সত্ত্বেও জাপান দীর্ঘদিন ধরেই দুর্বল ইয়েনের সমস্যায় ভুগছে। ১৯৯০-এর দশকে মন্দা এবং দীর্ঘস্থায়ী ডিফ্লেশন বা মুদ্রাসংকোচন দেখা দেয়। তখন থেকে শুরু করে ২০১০ সাল পর্যন্ত জাপান সুদের হার শূন্য বা নেতিবাচক রেখেছিল। এর উদ্দেশ্য ছিল
অর্থনীতিকে চাঙ্গা করা। দেশটি ২০২৪ সালে সুদের হার বাড়ালেও ইয়েনের পতন ঠেকাতে পারেনি। কারণ, বাকি বিশ্বের তুলনায় এখনও জাপানের সুদ কম। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সাবেক উপ-পরিচালক হাং ট্রান সম্প্রতি বলেছেন, জাপানি কোম্পানিগুলোর বড় আকারের বিদেশি বিনিয়োগ এবং এই কোম্পানিগুলোর আয় দেশে না এনে বাইরে রাখাটাও ইয়েনের ওপর চাপ তৈরি করেছে। জাপানের মতো জ্বালানি ও খাদ্য আমদানিনির্ভর দেশের জন্য ইরান যুদ্ধও নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। টোকিওর কেইও বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির অধ্যাপক সায়ুরি শিরাই বলেন, তেল ও গ্যাসের দাম বাড়লে বাণিজ্য ঘাটতি খারাপ হয় এবং মূল্যস্ফীতির চাপ তৈরি হয়। ফলে ইয়েনের ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগও কমে যায়। যুক্তরাষ্ট্র পতন ঠেকাতে পারবে? ইয়েনের দুর্বলতার সামগ্রিক ধারায় সর্বশেষ হস্তক্ষেপ কোনো
মৌলিক পরিবর্তন আনতে পারবে বলে মনে করেন না বিশ্লেষকরা। তাদের একজন হলেন শুসুকে ইয়ামাদা। তিনি ব্যাংক অব আমেরিকা সিকিউরিটিজের বৈদেশিক মুদ্রা ও সুদ কৌশলবিদ। গত শুক্রবার তিনি বলেন, বৈদেশিক মুদ্রায় হস্তক্ষেপ শুধু সাময়িকভাবে পরিস্থিতি সামাল দিতে পারে। তবে ব্রিটিশ ব্যাংক বার্কলেজ সোমবার এক গবেষণা নোটে বলেছে, এবারের হস্তক্ষেপটি ঐতিহাসিক। ফলে এর প্রভাবও বেশি হওয়ার কথা। কিন্তু স্বল্পমেয়াদে ইয়েন শক্তিশালী হলেও, দীর্ঘমেয়াদে নিম্নমুখী চাপ থেকেই যাবে।
জাপানি রপ্তানিকারক ও দেশটিতে যাওয়া পর্যটকরা সুবিধা পেলেও তেল-গ্যাসের মতো আমদানি পণ্যের দাম বেড়ে যায়। তাতে মূল্যস্ফীতি বাড়ে। মার্কিন ট্রেজারি বিভাগের পক্ষে ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইয়র্ক এরইমধ্যে ইউরো বিক্রি করে ইয়েন কিনেছে। গত রোববার ট্রাম্প জানান, ইয়েনকে সমর্থন করার এই পদক্ষেপ বিশ্ব অর্থনীতির জন্যই ভালো হবে। যুক্তরাষ্ট্রও আর্থিকভাবে লাভবান হবে। তবে কীভাবে লাভবান হবে তা তিনি ব্যাখ্যা করেননি। ইয়েন কীভাবে দুর্বল হলো? বিশ্বের শীর্ষ অর্থনীতিগুলোর একটি হওয়া সত্ত্বেও জাপান দীর্ঘদিন ধরেই দুর্বল ইয়েনের সমস্যায় ভুগছে। ১৯৯০-এর দশকে মন্দা এবং দীর্ঘস্থায়ী ডিফ্লেশন বা মুদ্রাসংকোচন দেখা দেয়। তখন থেকে শুরু করে ২০১০ সাল পর্যন্ত জাপান সুদের হার শূন্য বা নেতিবাচক রেখেছিল। এর উদ্দেশ্য ছিল
অর্থনীতিকে চাঙ্গা করা। দেশটি ২০২৪ সালে সুদের হার বাড়ালেও ইয়েনের পতন ঠেকাতে পারেনি। কারণ, বাকি বিশ্বের তুলনায় এখনও জাপানের সুদ কম। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সাবেক উপ-পরিচালক হাং ট্রান সম্প্রতি বলেছেন, জাপানি কোম্পানিগুলোর বড় আকারের বিদেশি বিনিয়োগ এবং এই কোম্পানিগুলোর আয় দেশে না এনে বাইরে রাখাটাও ইয়েনের ওপর চাপ তৈরি করেছে। জাপানের মতো জ্বালানি ও খাদ্য আমদানিনির্ভর দেশের জন্য ইরান যুদ্ধও নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। টোকিওর কেইও বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির অধ্যাপক সায়ুরি শিরাই বলেন, তেল ও গ্যাসের দাম বাড়লে বাণিজ্য ঘাটতি খারাপ হয় এবং মূল্যস্ফীতির চাপ তৈরি হয়। ফলে ইয়েনের ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগও কমে যায়। যুক্তরাষ্ট্র পতন ঠেকাতে পারবে? ইয়েনের দুর্বলতার সামগ্রিক ধারায় সর্বশেষ হস্তক্ষেপ কোনো
মৌলিক পরিবর্তন আনতে পারবে বলে মনে করেন না বিশ্লেষকরা। তাদের একজন হলেন শুসুকে ইয়ামাদা। তিনি ব্যাংক অব আমেরিকা সিকিউরিটিজের বৈদেশিক মুদ্রা ও সুদ কৌশলবিদ। গত শুক্রবার তিনি বলেন, বৈদেশিক মুদ্রায় হস্তক্ষেপ শুধু সাময়িকভাবে পরিস্থিতি সামাল দিতে পারে। তবে ব্রিটিশ ব্যাংক বার্কলেজ সোমবার এক গবেষণা নোটে বলেছে, এবারের হস্তক্ষেপটি ঐতিহাসিক। ফলে এর প্রভাবও বেশি হওয়ার কথা। কিন্তু স্বল্পমেয়াদে ইয়েন শক্তিশালী হলেও, দীর্ঘমেয়াদে নিম্নমুখী চাপ থেকেই যাবে।



