যুক্তরাজ্যে হুমায়ুন কবিরের পাঁচ কোম্পানি, ত্যাগ করেননি ব্রিটিশ নাগরিকত্ব – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৬ আগস্ট, ২০২৬

আরও খবর

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর নাগরিকত্বের প্রশ্নে জবাব না দিয়ে ‘সাংবাদিকদের আক্রমণ’ উদ্বেগজনকঃ টিআইবি

ডিএনএ পরীক্ষায় প্রমাণিত: ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা হওয়া ১১ বছরের শিশুর গর্ভে জন্ম নেয়া সন্তানের জৈবিক পিতা মাদ্রাসাশিক্ষকই

পুলিশের প্রধান দায়িত্ব আওয়ামী লীগের মিছিল ঠেকানো: ব্যর্থ হলেই মিলছে বদলির শাস্তি

রংপুরে শিক্ষক পরিবার হত্যাঃ স্ত্রী-কন্যাকে ধর্ষণের আলামত, ডোমের বক্তব্যে ঘটনায় নতুন মোড়

‘আমার মা মারা যাচ্ছে, আমি টাকা তুলতে পারছি না’: চট্টগ্রামে বিক্ষুব্ধ ব্যাংকের আমানতকারীরা

হিন্দু সেজে মন্দিরে ঢুকে প্রতিমার স্বর্ণালংকার চুরি, ৫ লাখ টাকার গহনাসহ মুসলিম যুবক গ্রেপ্তার

আওয়ামী লীগ নেতাদের বিনা বিচারে আটক না রাখতে বিএনপি সরকারের প্রতি আহ্বান হিউম্যান রাইটস ওয়াচের

যুক্তরাজ্যে হুমায়ুন কবিরের পাঁচ কোম্পানি, ত্যাগ করেননি ব্রিটিশ নাগরিকত্ব

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৬ আগস্ট, ২০২৬ |
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন কি না, এ নিয়ে প্রশ্ন ওঠার মধ্যে যুক্তরাজ্যের সরকারি কোম্পানি নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ কোম্পানিজ হাউসের নথিতে তাঁর সঙ্গে মিলে যায় এমন একজন ‘হুমায়ুন কবির’-এর তথ্য পাওয়া গেছে। ওই ব্যক্তির জন্ম আগস্ট ১৯৭৯, জাতীয়তা ব্রিটিশ এবং বসবাসের দেশ যুক্তরাজ্য। ২০১৬ সাল থেকে তাঁর নামে যুক্তরাজ্যে পাঁচটি কোম্পানিতে পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনের রেকর্ড রয়েছে। এর মধ্যে তিনটি কোম্পানি এখনো সক্রিয়। কোম্পানিজ হাউসের নথিতে থাকা ব্যক্তির তথ্যের সঙ্গে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের প্রকাশ্য জীবনবৃত্তান্তের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ মিল রয়েছে। জন্মসাল ও জন্মমাস, যুক্তরাজ্যে দীর্ঘদিন বসবাস এবং ব্রিটিশ নাগরিকত্ব—এসব তথ্যের মধ্যে মিল পাওয়া যায়। ফলে নথিতে থাকা

ব্যক্তি এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী একই ব্যক্তি কি না, সেই প্রশ্নে শক্তিশালী তথ্যগত মিল রয়েছে। তবে এ নথি থেকে রাজনৈতিক পরিচয় নিশ্চিত করা যায় না। আবার কোম্পানিজ হাউসে কারও জাতীয়তা ‘ব্রিটিশ’ লেখা থাকলেই তিনি নির্দিষ্ট একটি তারিখে আইনগতভাবে ব্রিটিশ নাগরিক ছিলেন—এমন সিদ্ধান্তও সরাসরি দেওয়া যায় না। কারণ কোম্পানির নথিতে থাকা তথ্য হালনাগাদ না-ও হয়ে থাকতে পারে। তাহলে প্রশ্ন হলো, হুমায়ুন কবির যদি ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগ করে থাকেন, তিনি কবে তা করেছেন? আর সেই নাগরিকত্ব ত্যাগ কার্যকর হওয়ার প্রমাণ কোথায়? পাঁচ কোম্পানিতে পরিচালক কোম্পানিজ হাউসের ব্যক্তিগত দায়িত্বসংক্রান্ত নথি অনুযায়ী, ‘হুমায়ুন কবির’ নামের ওই ব্যক্তির যুক্তরাজ্যে মোট পাঁচটি কোম্পানিতে পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনের তথ্য

রয়েছে। কোম্পানিগুলো হলো—গোল্ড অ্যাবি লিমিটেড, কেবিআর প্রপার্টি এস্টেটস লিমিটেড, কেবিআর প্রপার্টি ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড, কেবিআর২ প্রপার্টি ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড এবং এইচকেএডি লিমিটেড। এর মধ্যে গোল্ড অ্যাবি লিমিটেড ও কেবিআর প্রপার্টি ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড বর্তমানে বন্ধ। অন্য তিনটি কোম্পানি সক্রিয় রয়েছে। এই তিন সক্রিয় কোম্পানির নথিতে তাঁর ঠিকানা হিসেবে লন্ডনের ফ্ল্যাট ২৮৪, ৪১ মিলহারবার, লন্ডন, ই১৪ ৯এনএইচ ঠিকানা দেওয়া হয়েছে। তাঁর জন্ম আগস্ট ১৯৭৯, জাতীয়তা ব্রিটিশ এবং বসবাসের দেশ যুক্তরাজ্য—এ তথ্যও নথিতে রয়েছে। ২০১৬ সাল থেকে কোম্পানিতে যুক্ত কোম্পানিজ হাউসের তথ্য অনুযায়ী, এই ব্যক্তির সবচেয়ে পুরোনো কোম্পানি-সংশ্লিষ্টতার রেকর্ড ২০১৬ সালের। ২০১৬ সালের ১৯ জুলাই তিনি গোল্ড অ্যাবি লিমিটেডের পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পান। কোম্পানিটি এখন বন্ধ। এরপর ২০২১ সালে তিনি

কেবিআর প্রপার্টি এস্টেটস লিমিটেড ও কেবিআর প্রপার্টি ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডে যুক্ত হন। একই বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি কেবিআর২ প্রপার্টি ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেডের পরিচালক হিসেবেও তাঁর নাম যুক্ত হয়। ২০২২ সালের ১৫ মার্চ তিনি এইচকেএডি লিমিটেডের পরিচালক হন। কোম্পানিজ হাউসের বর্তমান নথিতে এই কোম্পানির একমাত্র কর্মকর্তা হিসেবেও তাঁর নাম রয়েছে। তিনটি কোম্পানিই সম্পত্তি কেনাবেচার কোম্পানিগুলোর ব্যবসার ধরনও এই অনুসন্ধানে গুরুত্বপূর্ণ। এইচকেএডি লিমিটেডের ব্যবসার ধরন হিসেবে নিজস্ব সম্পত্তি কেনাবেচা এবং নিজস্ব বা ইজারা নেওয়া সম্পত্তি ভাড়া দেওয়া ও পরিচালনার কথা উল্লেখ রয়েছে। কেবিআর প্রপার্টি এস্টেটস লিমিটেডও নিজস্ব সম্পত্তি কেনাবেচার ব্যবসা হিসেবে নিবন্ধিত। কোম্পানিটি ২০২১ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি প্রতিষ্ঠিত এবং বর্তমানে সক্রিয়। অর্থাৎ, কোম্পানিজ হাউসের প্রকাশ্য নথিতে যে তিনটি সক্রিয়

কোম্পানিতে হুমায়ুন কবির নামের ব্যক্তির সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যাচ্ছে, সেগুলোর বড় অংশই যুক্তরাজ্যের সম্পত্তি কেনাবেচা, ভাড়া দেওয়া ও ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সম্পর্কিত। তবে কোনো কোম্পানির সম্পদকে সংশ্লিষ্ট পরিচালকের ব্যক্তিগত সম্পদ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। আইনগতভাবে কোম্পানি ও পরিচালকের সম্পদ আলাদা। একই ব্যক্তির হওয়ার পক্ষে যেসব মিল কোম্পানিজ হাউসের নথিতে থাকা ‘হুমায়ুন কবির’ এবং বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির একই ব্যক্তি কি না, সেটি নিশ্চিত করার মতো সরাসরি কোনো পরিচয়পত্র বা সরকারি নথি এই অনুসন্ধানে পাওয়া যায়নি। তবে বেশ কিছু তথ্যের মধ্যে উল্লেখযোগ্য মিল রয়েছে। প্রথম মিল জন্মসালে। উভয় ক্ষেত্রেই ১৯৭৯ সাল পাওয়া যায়। কোম্পানিজ হাউসের নথিতে জন্মমাস আগস্টও উল্লেখ রয়েছে। দ্বিতীয় মিল যুক্তরাজ্যের সঙ্গে

দীর্ঘ সম্পর্ক। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির শৈশবে যুক্তরাজ্যে যান এবং সেখানে দীর্ঘ সময় বসবাস ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে তাঁর প্রকাশ্য জীবনবৃত্তান্ত ও বিভিন্ন প্রতিবেদনে তথ্য রয়েছে। তৃতীয় মিল ব্রিটিশ নাগরিকত্ব। কোম্পানিজ হাউসের নথিতে ওই হুমায়ুন কবিরের জাতীয়তা ‘ব্রিটিশ’ হিসেবে উল্লেখ রয়েছে। চতুর্থ মিল লন্ডনে অবস্থান। কোম্পানিগুলোর নথিতে একই লন্ডনের ঠিকানা ব্যবহার করা হয়েছে। এই মিলগুলো একসঙ্গে বিবেচনা করলে কোম্পানিজ হাউসের নথিতে থাকা ব্যক্তি এবং বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী একই ব্যক্তি হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্নটি গুরুত্ব পায়। তবে শুধু কোম্পানিজ হাউসের নথির ভিত্তিতে এটিকে চূড়ান্ত পরিচয় হিসেবে ঘোষণা করা যায় না। নাগরিকত্বের প্রশ্নটি কেন গুরুত্বপূর্ণ হুমায়ুন কবির পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর

তাঁর ব্রিটিশ নাগরিকত্বের বিষয়টি আলোচনায় আসে। বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৬ ও ৬৬ ধারার কারণে বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। অনির্বাচিত কোনো ব্যক্তিকে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী বা উপমন্ত্রী করা হলেও তাঁকে সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্যতা পূরণ করতে হয়। সংবিধানের ৬৬(২)(গ) ধারায় বিদেশি রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব গ্রহণ বা বিদেশি রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্যের বিষয়টি সংসদ সদস্য হওয়ার অযোগ্যতার সঙ্গে সম্পর্কিত করা হয়েছে। এ কারণেই হুমায়ুন কবিরের ক্ষেত্রে মূল প্রশ্ন শুধু তিনি কখনো ব্রিটিশ নাগরিক ছিলেন কি না, তা নয়। বরং গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো—বাংলাদেশ সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার সময় তাঁর ব্রিটিশ নাগরিকত্বের আইনগত অবস্থান কী ছিল। সরাসরি প্রশ্নের সরাসরি উত্তর মেলেনি ২৪ আগস্ট পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় হুমায়ুন কবিরকে সরাসরি প্রশ্ন করা হয়, তিনি ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন কি না। তবে তিনি প্রশ্নটির সরাসরি উত্তর দেননি। তিনি বলেন, ‘আমি বাংলাদেশি’। তাঁর বাংলাদেশি নাগরিকত্ব বা দেশের প্রতি অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তোলা উচিত নয় বলেও মন্তব্য করেন। এরপর বিষয়টি নিয়ে কোন সংবাদমাধ্যম প্রতিবেদন করেছে, তা জানতে চান এবং বলেন, ‘কার এত জ্বালা’। অর্থাৎ, তাঁর বক্তব্যে তিনি নিজের বাংলাদেশি পরিচয় ও দেশের প্রতি অবস্থানের কথা বলেছেন। কিন্তু ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগের তারিখ, নাগরিকত্ব ত্যাগের সনদ কিংবা এ-সংক্রান্ত কোনো সরকারি নথির কথা তিনি উল্লেখ করেননি। কোম্পানিজ হাউসে এখনো ‘ব্রিটিশ’ নাগরিকত্ব নিয়ে আলোচনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যটি পাওয়া যাচ্ছে কোম্পানিজ হাউসের নথিতে। সেখানে ‘হুমায়ুন কবির’ নামের ব্যক্তির জাতীয়তা এখনো ‘ব্রিটিশ’ হিসেবে উল্লেখ রয়েছে। একই তথ্য একাধিক কোম্পানির নথিতে দেখা যাচ্ছে। তাঁর বসবাসের দেশও যুক্তরাজ্য হিসেবে দেওয়া হয়েছে। তবে এখানেও একটি সতর্কতার বিষয় আছে। কোম্পানিজ হাউসে জমা দেওয়া কোনো তথ্য এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বর্তমান আইনগত নাগরিকত্বের অবস্থার মধ্যে পার্থক্য থাকতে পারে। কেউ নাগরিকত্ব পরিবর্তন বা ত্যাগ করলেও কোম্পানির নথিতে সেই তথ্য সঙ্গে সঙ্গে পরিবর্তিত হয়েছে কি না, তা আলাদা বিষয়। তাই কোম্পানিজ হাউসের নথিতে ‘ব্রিটিশ’ লেখা থাকার ভিত্তিতে এককভাবে বলা যায় না যে ২৫ আগস্ট ২০২৬ তারিখেও তিনি আইনগতভাবে ব্রিটিশ নাগরিক। তবে একই তথ্য যদি সাম্প্রতিক কোম্পানি নথিতেও বহাল থাকে, তাহলে নাগরিকত্ব ত্যাগের দাবির পক্ষে প্রমাণ কী—সে প্রশ্ন অবশ্যই সামনে আসে। ২০২৬ সালেও কোম্পানির নথি সক্রিয় এইচকেএডি লিমিটেডের নথিতেও সাম্প্রতিক কার্যক্রমের তথ্য রয়েছে। কোম্পানিটির সর্বশেষ কনফর্মেশন স্টেটমেন্ট জমা দেওয়া হয়েছে ২০২৬ সালের ১৪ মার্চ। কোম্পানিজ হাউসের নথিতে ২০২৫ সালের হিসাবও রয়েছে। অর্থাৎ, কোম্পানিটির নিবন্ধন ও নথি সাম্প্রতিক সময় পর্যন্ত সক্রিয় ছিল। কোম্পানিটির ওপর একটি বকেয়া দায়ের নথিও রয়েছে। কোম্পানিজ হাউসের তথ্য অনুযায়ী, ওয়ানসেভিংস ব্যাংক পিএলসির অনুকূলে ওই দায় নিবন্ধিত। তবে এই তথ্য থেকে হুমায়ুন কবিরের ব্যক্তিগত ঋণ, ব্যক্তিগত সম্পদ বা ব্যক্তিগত আর্থিক দায় সম্পর্কে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাবে না। কারণ এগুলো কোম্পানির নথি, ব্যক্তিগত আর্থিক হিসাব নয়। তাহলে নাগরিকত্ব ত্যাগের প্রমাণ কোথায়? পুরো বিষয়টি ব্যাখ্যা করলে দেখা যায়, এখানে তিন ধরনের তথ্য পাশাপাশি রয়েছে। একদিকে, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের যুক্তরাজ্যের সঙ্গে দীর্ঘ সম্পর্কের তথ্য রয়েছে এবং তিনি ব্রিটিশ নাগরিক ছিলেন বলে বিভিন্ন সময় তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। দ্বিতীয়দিকে, কোম্পানিজ হাউসের নথিতে তাঁর সঙ্গে মিলে যায় এমন একজন হুমায়ুন কবিরের জাতীয়তা এখনো ‘ব্রিটিশ’ হিসেবে উল্লেখ রয়েছে। তাঁর জন্ম আগস্ট ১৯৭৯ এবং বসবাসের দেশ যুক্তরাজ্য বলা হয়েছে। একই ব্যক্তির নামে ২০১৬ সাল থেকে পাঁচটি কোম্পানিতে পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনের রেকর্ড রয়েছে। তৃতীয়দিকে, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিজে ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগের প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দেননি। এই তিনটি তথ্যের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘাটতি হলো নাগরিকত্ব ত্যাগের সরকারি প্রমাণ। যদি তিনি ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগ করে থাকেন, তাহলে তাঁর আবেদন করার তারিখ কী? নাগরিকত্ব ত্যাগের অনুমোদন বা কার্যকর হওয়ার তারিখই বা কবে? বাংলাদেশ সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার আগে সেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছিল কি না? আর বাংলাদেশ সরকারের কাছে এ-সংক্রান্ত কোনো নথি জমা দেওয়া হয়েছিল কি না—এসব প্রশ্নের উত্তর এখনো প্রকাশ্য তথ্য থেকে পরিষ্কার নয়। মূল প্রশ্ন এখন নাগরিকত্ব ত্যাগের তারিখ কোম্পানিজ হাউসের নথিতে পাওয়া তথ্য এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের প্রকাশ্য জীবনবৃত্তান্তের মধ্যে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মিল রয়েছে। জন্মসাল ও জন্মমাস, যুক্তরাজ্যের সঙ্গে দীর্ঘ সম্পর্ক, ব্রিটিশ নাগরিকত্ব এবং লন্ডনে কোম্পানি-সংশ্লিষ্টতা—সব মিলিয়ে বিষয়টি নিয়ে প্রশ্নের যথেষ্ট ভিত্তি তৈরি হয়েছে। তবে কোম্পানিজ হাউসের নথি নিজে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় নিশ্চিত করে না। একইভাবে সেখানে ‘ব্রিটিশ’ জাতীয়তা লেখা থাকাও বর্তমান নাগরিকত্বের চূড়ান্ত আইনগত প্রমাণ নয়। তাই অনুসন্ধানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন এখন ‘হুমায়ুন কবির ব্রিটিশ নাগরিক ছিলেন কি না’—এটি নয়। বরং প্রশ্ন হলো, বাংলাদেশ সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার আগে তিনি ব্রিটিশ নাগরিকত্ব আইনগতভাবে ত্যাগ করেছিলেন কি না। ত্যাগ করে থাকলে, কবে করেছিলেন এবং তার সরকারি প্রমাণ কোথায়—সেটিই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর নাগরিকত্বের প্রশ্নে জবাব না দিয়ে ‘সাংবাদিকদের আক্রমণ’ উদ্বেগজনকঃ টিআইবি ডিএনএ পরীক্ষায় প্রমাণিত: ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা হওয়া ১১ বছরের শিশুর গর্ভে জন্ম নেয়া সন্তানের জৈবিক পিতা মাদ্রাসাশিক্ষকই পুলিশের প্রধান দায়িত্ব আওয়ামী লীগের মিছিল ঠেকানো: ব্যর্থ হলেই মিলছে বদলির শাস্তি ইউনূস সরকারের বাতিল করা বিদ্যুৎ প্রকল্পগুলো আবার শূন্য থেকে শুরু বিএনপি’রঃ গত দুইবছরে গ্রিডে যুক্ত হয়নি এক ইউনিট বিদ্যুৎ চীনে নিরাপত্তা উপদেষ্টা, রাশিয়ায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী: একযোগে দুই বৃহৎ শক্তির সঙ্গে কূটনৈতিক তৎপরতায় ভারত বাবার রিপোর্টে ছেলের চিকিৎসা যাচাই, থমকে গেল ম্যারাডোনা ট্রায়াল প্রত্যাবর্তনকে সামনে রেখে সরকারের তীব্র সমালোচনা ও আক্রমণ ওবায়দুল কাদেরের উগ্রবাদের সতর্কবার্তা যাচাই ছাড়া প্রত্যাখ্যান করার সামর্থ্য কি রাখে বাংলাদেশ? মস্কোয় পুতিন-লাভরভের সঙ্গে জয়শঙ্করের বৈঠক: ভারত-রাশিয়া কৌশলগত সম্পর্কে নতুন গতি মানবিক ও বিবেকবান বাঙালিদের উচিত একে অপরের পাশে দাঁড়ানো ও ঐক্যবদ্ধভাবে অন্যায়ের প্রতিবাদ করা ব্রাজিলকে ঢাকায় এনে খেলানোর অর্থ নেই সরকারের, বললেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী রংপুরে শিক্ষক পরিবার হত্যাঃ স্ত্রী-কন্যাকে ধর্ষণের আলামত, ডোমের বক্তব্যে ঘটনায় নতুন মোড় যুক্তরাজ্যে হুমায়ুন কবিরের পাঁচ কোম্পানি, ত্যাগ করেননি ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ‘আমার মা মারা যাচ্ছে, আমি টাকা তুলতে পারছি না’: চট্টগ্রামে বিক্ষুব্ধ ব্যাংকের আমানতকারীরা হিন্দু সেজে মন্দিরে ঢুকে প্রতিমার স্বর্ণালংকার চুরি, ৫ লাখ টাকার গহনাসহ মুসলিম যুবক গ্রেপ্তার আওয়ামী লীগ নেতাদের বিনা বিচারে আটক না রাখতে বিএনপি সরকারের প্রতি আহ্বান হিউম্যান রাইটস ওয়াচের থানায় প্রতিকার না পেয়ে আদালতে: জামায়াত এমপি শাহজাহানের পিএসের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি-সম্পত্তি দখলের মামলা ‘তারেক রহমানই আমাদের নজরুল’: বিদ্রোহী কবির প্রয়াণদিবসে চিফ হুইপ প্রতিদিনই আসছে এলএনজি কার্গো ক্রয়ের খবর, অথচ ৬ দিন ধরে খালি দুটি এলএনজি টার্মিনালঃ জ্বালানী ক্রয়ে লুটপাটের মহাযজ্ঞ এবার সুরেশ্বর বাড়ির ওরস বন্ধের দাবি উগ্রবাদী গোষ্ঠী তৌহিদি জনতার