ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বাবার রিপোর্টে ছেলের চিকিৎসা যাচাই, থমকে গেল ম্যারাডোনা ট্রায়াল
এবার অস্ট্রেলিয়ার কাছে ইনিংস ব্যবধানে বিধ্বস্ত বাংলাদেশ
ঐতিহাসিক জয় থেকে শোচনীয় হার: অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে মুদ্রার দুই পিঠ দেখলো বাংলাদেশ
এবার মাত্র ৬৪ রানেই অলআউট বাংলাদেশ
শরিফুলের দুর্দান্ত নৈপুণ্যে ম্যাকাই টেস্টে আশা জিইয়ে রাখল বাংলাদেশ
শুরু হচ্ছে প্রিমিয়ার লিগ, প্রথম ম্যাচেই নামছে আর্সেনাল
বাংলাদেশের বিপক্ষে এক বদল নিয়ে দ্বিতীয় টেস্টে নামছে অস্ট্রেলিয়া
ব্রাজিলকে ঢাকায় এনে খেলানোর অর্থ নেই সরকারের, বললেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
ব্রাজিল ফুটবল দলকে ঢাকায় এনে খেলানো হলে এ দেশের ভক্ত-সমর্থকদের স্বপ্নপূরণ হতে পারে, তবে এতে বাংলাদেশ ফুটবলের কোনো উন্নতি বা পরিবর্তন দেখেন না ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। একই সংগে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, সরকারের অর্থ ব্যয়ে কেবল একটি প্রদর্শনী ম্যাচকে উপলক্ষ করে বিপুল পরিমাণ টাকা ঢালার মতো মানসিকতা বা আর্থিক সুযোগ এই মুহূর্তে সরকারের নেই।
সম্প্রতি ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের (সিবিএফ) একটি প্রতিনিধিদল ঢাকা সফর করে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম ও বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনা পরিদর্শন করেছে। বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়ালের সংগে আলোচনা ও মাঠ পরিদর্শনের পর আগামী অক্টোবরের শুরুতে ঢাকায় ব্রাজিলের প্রীতি ম্যাচ বা অনুশীলন সেশনের সম্ভাবনা নিয়ে ক্রীড়াঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয়।
তবে এ
বিষয়টি বাফুফে সভাপতির প্রাথমিক পদক্ষেপ উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী জানান, এই সফরের আর্থিক ব্যয়ভার বা অন্যান্য সিদ্ধান্ত এখনো চূড়ান্ত হয়নি। আজ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রথমত আপনারা যে বিষয়টি বলছেন সেটি একদমই প্রাথমিক পর্যায়। এটি নিয়ে এখনো বিশদ আলোচনা হয়নি এবং আদৌ ব্রাজিল দল বাংলাদেশে আসবে কি না, তা নিয়েও স্পষ্ট কোনো বার্তা নেই। কাজেই বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন যে ভেন্যুগুলো দেখিয়েছে, বা তাদের সংগে কী আলোচনা হয়েছে, সেটার বিস্তারিত আমরা পরবর্তীতে জানতে পারব।’ ব্রাজিল দলের আগমন এ দেশের ফুটবলে কতটা প্রভাব ফেলবে—এমন প্রশ্নে আমিনুল হক বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি ব্রাজিল দল যদি বাংলাদেশে আসে, বাংলাদেশ দলের সংগে খেলে—এটি বাংলাদেশ ফুটবলের জন্য অনেক
বড় অর্জন। কিন্তু আমার বাংলাদেশ ফুটবল কতটুকু এগোবে, তা নিয়ে আমি খুব বেশি আশাবাদী না। ব্রাজিলের সংগে ম্যাচ হলে হয়তোবা বাংলাদেশের দর্শকের স্বপ্নপূরণ হবে। বিশ্বকাপে দেখেছেন ব্রাজিল বা আর্জেন্টিনার সমর্থকদের উন্মাদনা; সে দিক থেকে দর্শকরা হয়তো আনন্দ পাবে। কিন্তু ব্রাজিল খেলে গেলে যে বাংলাদেশের ফুটবলের পরিবর্তন হবে, তা আমি মনে করি না।’ বিপুল অঙ্কের খরচের প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী সরাসরি জানিয়ে দেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে সরকারের পক্ষে এই ধরনের আয়োজনে অর্থায়ন করা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, ‘আমি যদি এক কথায় প্রশ্নের উত্তর দিই, এই মুহূর্তে সরকারের পক্ষ থেকে এই ধরনের অর্থ ব্যয় করার কোনো সুযোগ নেই। আপনারা জানেন যে বিদ্যুৎ, জ্বালানিসহ বিভিন্ন খাত নিয়ে
আমাদের অনেক ব্যয় বহন করতে হচ্ছে। সেই ক্ষেত্রে একটি ম্যাচকে উপলক্ষ করে সরকারের পক্ষ থেকে এই ধরনের ব্যয় করার মতো মানসিকতা বা সুযোগ এই মুহূর্তে আমাদের নেই।’ তবে বাফুফে যদি বেসরকারি খাত থেকে পৃষ্ঠপোষক জোগাড় করতে পারে, সে ক্ষেত্রে সরকারের সহযোগিতার কথা জানান তিনি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বাফুফের সভাপতির সংগে কথা হয়েছে। তারা যদি বিভিন্ন খাত থেকে স্পন্সরশিপ এনে সেটাকে পরিপূর্ণতা দিতে পারে, তাহলে হয়তোবা সরকারের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা থাকবে। তবে বাফুফের সংগে এ পর্যন্ত ওই প্রাথমিক আলোচনাটুকুই হয়েছে। কতটুকু ব্যয়ভার বহন করতে হবে, তা নিয়ে এখনো কোনো খোলামেলা আলোচনা হয়নি।’ উল্লেখ্য, সিবিএফ প্রতিনিধিদলের পরিদর্শন প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তাদের সংগে পরবর্তীতে আনুষ্ঠানিক বৈঠকে
বসার পরিকল্পনা রয়েছে বাফুফের। তবে ফিফা উইন্ডোতে বাংলাদেশ জাতীয় দলের ইন্দোনেশিয়ায় হতে যাওয়া ফিফা আসিয়ান কাপের পূর্বনির্ধারিত ব্যস্ততা থাকায় ব্রাজিল দলের সফরের সময়সূচি নিয়েও প্রশাসনিক জটিলতা থেকে যাচ্ছে।
বিষয়টি বাফুফে সভাপতির প্রাথমিক পদক্ষেপ উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী জানান, এই সফরের আর্থিক ব্যয়ভার বা অন্যান্য সিদ্ধান্ত এখনো চূড়ান্ত হয়নি। আজ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রথমত আপনারা যে বিষয়টি বলছেন সেটি একদমই প্রাথমিক পর্যায়। এটি নিয়ে এখনো বিশদ আলোচনা হয়নি এবং আদৌ ব্রাজিল দল বাংলাদেশে আসবে কি না, তা নিয়েও স্পষ্ট কোনো বার্তা নেই। কাজেই বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন যে ভেন্যুগুলো দেখিয়েছে, বা তাদের সংগে কী আলোচনা হয়েছে, সেটার বিস্তারিত আমরা পরবর্তীতে জানতে পারব।’ ব্রাজিল দলের আগমন এ দেশের ফুটবলে কতটা প্রভাব ফেলবে—এমন প্রশ্নে আমিনুল হক বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি ব্রাজিল দল যদি বাংলাদেশে আসে, বাংলাদেশ দলের সংগে খেলে—এটি বাংলাদেশ ফুটবলের জন্য অনেক
বড় অর্জন। কিন্তু আমার বাংলাদেশ ফুটবল কতটুকু এগোবে, তা নিয়ে আমি খুব বেশি আশাবাদী না। ব্রাজিলের সংগে ম্যাচ হলে হয়তোবা বাংলাদেশের দর্শকের স্বপ্নপূরণ হবে। বিশ্বকাপে দেখেছেন ব্রাজিল বা আর্জেন্টিনার সমর্থকদের উন্মাদনা; সে দিক থেকে দর্শকরা হয়তো আনন্দ পাবে। কিন্তু ব্রাজিল খেলে গেলে যে বাংলাদেশের ফুটবলের পরিবর্তন হবে, তা আমি মনে করি না।’ বিপুল অঙ্কের খরচের প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী সরাসরি জানিয়ে দেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে সরকারের পক্ষে এই ধরনের আয়োজনে অর্থায়ন করা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, ‘আমি যদি এক কথায় প্রশ্নের উত্তর দিই, এই মুহূর্তে সরকারের পক্ষ থেকে এই ধরনের অর্থ ব্যয় করার কোনো সুযোগ নেই। আপনারা জানেন যে বিদ্যুৎ, জ্বালানিসহ বিভিন্ন খাত নিয়ে
আমাদের অনেক ব্যয় বহন করতে হচ্ছে। সেই ক্ষেত্রে একটি ম্যাচকে উপলক্ষ করে সরকারের পক্ষ থেকে এই ধরনের ব্যয় করার মতো মানসিকতা বা সুযোগ এই মুহূর্তে আমাদের নেই।’ তবে বাফুফে যদি বেসরকারি খাত থেকে পৃষ্ঠপোষক জোগাড় করতে পারে, সে ক্ষেত্রে সরকারের সহযোগিতার কথা জানান তিনি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বাফুফের সভাপতির সংগে কথা হয়েছে। তারা যদি বিভিন্ন খাত থেকে স্পন্সরশিপ এনে সেটাকে পরিপূর্ণতা দিতে পারে, তাহলে হয়তোবা সরকারের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা থাকবে। তবে বাফুফের সংগে এ পর্যন্ত ওই প্রাথমিক আলোচনাটুকুই হয়েছে। কতটুকু ব্যয়ভার বহন করতে হবে, তা নিয়ে এখনো কোনো খোলামেলা আলোচনা হয়নি।’ উল্লেখ্য, সিবিএফ প্রতিনিধিদলের পরিদর্শন প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তাদের সংগে পরবর্তীতে আনুষ্ঠানিক বৈঠকে
বসার পরিকল্পনা রয়েছে বাফুফের। তবে ফিফা উইন্ডোতে বাংলাদেশ জাতীয় দলের ইন্দোনেশিয়ায় হতে যাওয়া ফিফা আসিয়ান কাপের পূর্বনির্ধারিত ব্যস্ততা থাকায় ব্রাজিল দলের সফরের সময়সূচি নিয়েও প্রশাসনিক জটিলতা থেকে যাচ্ছে।



