ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ইউএস ওপেনে হেরে র্যাকেট ভাঙলেন সাবালেঙ্কা
মেসির দুর্দান্ত গোলেও জিততে পারল না ইন্টার মায়ামি
জোড়া গোল দিয়ে এমবাপে বললেন, ‘প্রথমার্ধেই খেলা শেষ করে দিয়েছি’
ইংল্যান্ডের সঙ্গে অনুমিতভাবেই হোয়াইটওয়াশ হলো পাকিস্তান
খাচানভকে হারিয়ে ইউএস ওপেন ফাইনালে শীর্ষ বাছাই জভেরেভ
‘বিধ্বংসী’ ভিনিসিউসকে ফেরত চান মরিনিয়ো
রিজওয়ান-ইমামের আর্থিক লেনদেন ও তথ্য ফাঁসের অভিযোগে তদন্ত
এবার অস্ট্রেলিয়ার কাছে ইনিংস ব্যবধানে বিধ্বস্ত বাংলাদেশ
ম্যাকাই টেস্টের দ্বিতীয় দিনেই অস্ট্রেলিয়ার কাছে ইনিংস ও ৫১ রানে হেরে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ ১-১ সমতায় শেষ করল বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ মাত্র ৬৪ রানে অলআউট হওয়ার পর স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া ২১০ রান তুলে ১৪৬ রানের বিশাল লিড নেয়। জবাবে দ্বিতীয় ইনিংসে ৯৫ রানে গুটিয়ে গিয়ে ইনিংস ব্যবধানে পরাজয় বরণ করে সফরকারীরা।
বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে দুই ইনিংসে ১০০ রানের নিচে অলআউট হওয়ার এটিই প্রথম ঘটনা। একই সঙ্গে গত ২১ বছরে বিশ্ব ক্রিকেটেও এমন ঘটনা দেখা যায়নি।
দিনের শুরুতে বাঁহাতি পেসার শরীফুল ইসলামের বোলিং দ্যুতি বাংলাদেশ শিবিরে আশা জাগিয়েছিল। ৪৮ রানে ৭ উইকেট নিয়ে বিদেশের মাটিতে এবং টেস্টে বাংলাদেশের পেসারদের মধ্যে সেরা বোলিংয়ের
নতুন রেকর্ড গড়েন শরীফুল। তার দারুণ ইয়র্কারে ক্যামেরন গ্রিন (৬৭) লেগ বিফোর হলে ভাঙেন ৩৮ রানের জুটি। অজিরা শেষ পর্যন্ত ২১০ রানে থামে। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে আবারও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। মিচেল স্টার্ক ও প্যাট কামিন্সের তোপে ৯৫ রানেই সব উইকেট হারায় টাইগাররা। ওপেনার শাদমান ইসলাম (১) ও মুমিনুল হককে (০) পরপর দুই বলে ফেরান স্টার্ক। এরপর অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত (৩১) এবং মুশফিকুর রহিম প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও অহেতুক শটে শান্ত আউট হলে তা ভেঙে যায়। এরপর লিটন দাস টানা তৃতীয়বার শূন্য রানে আউট হন। মিরাজ (১) ও হাসান মাহমুদও (২) দ্রুত বিদায় নেন। একপ্রান্তে মুশফিকুর রহিম ২৯ রানে
অপরাজিত থাকলেও তাসকিন আহমেদ (৮) ও শরীফুল ইসলাম (০) দ্রুতই ন্যাথান লায়নের শিকার হলে বাংলাদেশের ইনিংসের যবনিকা ঘটে। দুই ইনিংস মিলিয়ে ১০ উইকেট নিয়ে ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় হন মিচেল স্টার্ক। ডারউইনে প্রথম টেস্ট জয়ে এগিয়ে থাকা বাংলাদেশ এই হারে সিরিজ ড্র রেখেই অস্ট্রেলিয়া সফর শেষ করল।
নতুন রেকর্ড গড়েন শরীফুল। তার দারুণ ইয়র্কারে ক্যামেরন গ্রিন (৬৭) লেগ বিফোর হলে ভাঙেন ৩৮ রানের জুটি। অজিরা শেষ পর্যন্ত ২১০ রানে থামে। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে আবারও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। মিচেল স্টার্ক ও প্যাট কামিন্সের তোপে ৯৫ রানেই সব উইকেট হারায় টাইগাররা। ওপেনার শাদমান ইসলাম (১) ও মুমিনুল হককে (০) পরপর দুই বলে ফেরান স্টার্ক। এরপর অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত (৩১) এবং মুশফিকুর রহিম প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও অহেতুক শটে শান্ত আউট হলে তা ভেঙে যায়। এরপর লিটন দাস টানা তৃতীয়বার শূন্য রানে আউট হন। মিরাজ (১) ও হাসান মাহমুদও (২) দ্রুত বিদায় নেন। একপ্রান্তে মুশফিকুর রহিম ২৯ রানে
অপরাজিত থাকলেও তাসকিন আহমেদ (৮) ও শরীফুল ইসলাম (০) দ্রুতই ন্যাথান লায়নের শিকার হলে বাংলাদেশের ইনিংসের যবনিকা ঘটে। দুই ইনিংস মিলিয়ে ১০ উইকেট নিয়ে ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় হন মিচেল স্টার্ক। ডারউইনে প্রথম টেস্ট জয়ে এগিয়ে থাকা বাংলাদেশ এই হারে সিরিজ ড্র রেখেই অস্ট্রেলিয়া সফর শেষ করল।



