ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নয় মাসের ব্যবধানে তিনগুণ বেশি দামে এলএনজি কিনছে সরকার
যুক্তরাজ্য ভেঙে দেওয়ার লক্ষ্যে চুক্তি করল তিন দেশ
‘ভাতের জন্য সাগরে গেছিলো, সাত মাস হয়ে গেলো বুকের মানিক এখনও আসে না’
সাইবার সুরক্ষা আইন ফের সংশোধনের পথে: গুজব-অপতথ্যে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ডের প্রস্তাব
৩ মাস মোহাম্মদপুরের নেই লাইনের গ্যাস: “জুলাই জ্বালিয়ে ভাত রাঁধব?” ক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর প্রতিক্রিয়া
আয়কর রিটার্ন জমায় যে ৫ ভুল করলে পড়তে হবে প্রশ্নের মুখে
নতুন বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপন জারিতে দেরি হচ্ছে কেন?
আদানির বন্ধ ইউনিট সচল হতেই থমকে গেল রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র: কমছে না লোডশেডিং
কয়লার ঘাটতির দরুন বিগত এক মাস ধরে সীমিত ক্ষমতায় চলা ভারতের ঝাড়খন্ডের আদানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের বন্ধ থাকা ইউনিটটি অবশেষে সচল হয়েছে।
আজ ১৩ই সেপ্টেম্বর, রোববার দুপুর ১২টার দিকে এই ইউনিট থেকে আবারও জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ যোগ হতে শুরু করে। কিন্তু ঠিক একই দিনে কারিগরি গোলযোগের কবলে পড়ে বাগেরহাটের রামপাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিটের উৎপাদন স্তব্ধ হয়ে যায়, যার প্রভাবে কেন্দ্রটির সার্বিক বিদ্যুৎ উৎপাদন অর্ধেকে ঠেকেছে।
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) এবং পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ (পিজিসিবি)-এর সূত্রে জানা যায়, রোববার দুপুর ১২টা থেকে আদানির দ্বিতীয় ইউনিটটির বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রক্রিয়া পুনরায় আরম্ভ হয়।
অন্যদিকে, এর আধঘণ্টা পূর্বে—সকাল সাড়ে ১১টার দিকে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইউনিটটি কারিগরি ত্রুটির
দরুন বন্ধ হয়ে পড়ে। কয়লানির্ভর রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রটি ভারত ও বাংলাদেশের যৌথ অংশীদারিত্বে গড়ে তোলা হয়েছে। ইতিপূর্বে জ্বালানি সংকটের কারণে এই বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন ব্যাহত হলেও বর্তমানে এখানে কয়লার কোনো ঘাটতি নেই। পর্যাপ্ত মজুত থাকায় সম্প্রতি কেন্দ্রটি থেকে ১ হাজার ১০০ মেগাওয়াটেরও বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হচ্ছিল। তবে একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এ মুহূর্তের উৎপাদন কমে ৬০০ মেগাওয়াটের নিচে এসে ঠেকেছে। রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের এক দায়িত্বরত কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানান, ঠিক কী ত্রুটির কারণে ইউনিটটি বন্ধ হলো, তা শনাক্তের চেষ্টা চলছে এবং দ্রুততম সময়ে উৎপাদনে ফেরার কাজ অব্যাহত রয়েছে। তিনি নিশ্চিত করেন যে কেন্দ্রে যথেষ্ট পরিমাণে কয়লা গচ্ছিত আছে। অপরদিকে, প্রতিকূল আবহাওয়া ও ঝড়ের ধাক্কায় কয়লা পৌঁছাতে
না পারায় গত ৭ই আগস্ট থেকে আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রে উৎপাদন সীমিত হয়ে পড়েছিল। এরপর গত মাসের শেষভাগে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি ঘটিয়ে দিনের বেলায় প্রায় ৯০০ মেগাওয়াট এবং সন্ধ্যা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করেছিল প্রতিষ্ঠানটি। গত বুধবার রাতে আদানির এই বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে উৎপাদন ১ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট অতিক্রম করেছিল। কিন্তু একই দিন রাত ১২টার দিকে একটি ইউনিটে কারিগরি ক্রুটি দেখা দিলে তা বন্ধ হয়ে যায় এবং উৎপাদন একলফে কমে ৭৫০ মেগাওয়াটের নিচে নেমে আসে, যা দেশজুড়ে লোডশেডিংয়ের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্র সংশ্লিষ্ট দুজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমকে জানান, একটি ইউনিটের বয়লারে গোলযোগ সৃষ্টি হয়েছিল। রোববার ভোর রাতের
দিকে মেরামতের কাজ শেষ করে ইউনিটটিকে পুনরায় সচল করার উপযোগী করা হয় এবং দুপুর ১২টা থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ যোগ হতে থাকে। পিডিবি ও পিজিসিবি সূত্রে প্রকাশ, রোববার বেলা ২টা নাগাদ আদানির উভয় ইউনিট মিলিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ ১ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়ে যায়। অথচ ওইদিন সকালেও সরবরাহ সর্বোচ্চ ৭৬০ মেগাওয়াটে সীমাবদ্ধ ছিল। বিকেলের দিকে সরবরাহ বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। ঝাড়খন্ডে অবস্থিত আদানির এই কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের সর্বমোট উৎপাদন ক্ষমতা ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট, যা ৮০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার দুটি পৃথক ইউনিটে বিভক্ত। ২০১৭ সালে পিডিবি আদানির সঙ্গে এই বিদ্যুৎ ক্রয়ের চুক্তি স্বাক্ষর করে। গ্রিডের প্রয়োজন অনুযায়ী এ কেন্দ্র থেকে ইতিপূর্বে দেড় হাজার মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ সরবরাহের নজির
রয়েছে।
দরুন বন্ধ হয়ে পড়ে। কয়লানির্ভর রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রটি ভারত ও বাংলাদেশের যৌথ অংশীদারিত্বে গড়ে তোলা হয়েছে। ইতিপূর্বে জ্বালানি সংকটের কারণে এই বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন ব্যাহত হলেও বর্তমানে এখানে কয়লার কোনো ঘাটতি নেই। পর্যাপ্ত মজুত থাকায় সম্প্রতি কেন্দ্রটি থেকে ১ হাজার ১০০ মেগাওয়াটেরও বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হচ্ছিল। তবে একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এ মুহূর্তের উৎপাদন কমে ৬০০ মেগাওয়াটের নিচে এসে ঠেকেছে। রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের এক দায়িত্বরত কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানান, ঠিক কী ত্রুটির কারণে ইউনিটটি বন্ধ হলো, তা শনাক্তের চেষ্টা চলছে এবং দ্রুততম সময়ে উৎপাদনে ফেরার কাজ অব্যাহত রয়েছে। তিনি নিশ্চিত করেন যে কেন্দ্রে যথেষ্ট পরিমাণে কয়লা গচ্ছিত আছে। অপরদিকে, প্রতিকূল আবহাওয়া ও ঝড়ের ধাক্কায় কয়লা পৌঁছাতে
না পারায় গত ৭ই আগস্ট থেকে আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রে উৎপাদন সীমিত হয়ে পড়েছিল। এরপর গত মাসের শেষভাগে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি ঘটিয়ে দিনের বেলায় প্রায় ৯০০ মেগাওয়াট এবং সন্ধ্যা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করেছিল প্রতিষ্ঠানটি। গত বুধবার রাতে আদানির এই বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে উৎপাদন ১ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট অতিক্রম করেছিল। কিন্তু একই দিন রাত ১২টার দিকে একটি ইউনিটে কারিগরি ক্রুটি দেখা দিলে তা বন্ধ হয়ে যায় এবং উৎপাদন একলফে কমে ৭৫০ মেগাওয়াটের নিচে নেমে আসে, যা দেশজুড়ে লোডশেডিংয়ের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্র সংশ্লিষ্ট দুজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমকে জানান, একটি ইউনিটের বয়লারে গোলযোগ সৃষ্টি হয়েছিল। রোববার ভোর রাতের
দিকে মেরামতের কাজ শেষ করে ইউনিটটিকে পুনরায় সচল করার উপযোগী করা হয় এবং দুপুর ১২টা থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ যোগ হতে থাকে। পিডিবি ও পিজিসিবি সূত্রে প্রকাশ, রোববার বেলা ২টা নাগাদ আদানির উভয় ইউনিট মিলিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ ১ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়ে যায়। অথচ ওইদিন সকালেও সরবরাহ সর্বোচ্চ ৭৬০ মেগাওয়াটে সীমাবদ্ধ ছিল। বিকেলের দিকে সরবরাহ বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। ঝাড়খন্ডে অবস্থিত আদানির এই কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের সর্বমোট উৎপাদন ক্ষমতা ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট, যা ৮০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার দুটি পৃথক ইউনিটে বিভক্ত। ২০১৭ সালে পিডিবি আদানির সঙ্গে এই বিদ্যুৎ ক্রয়ের চুক্তি স্বাক্ষর করে। গ্রিডের প্রয়োজন অনুযায়ী এ কেন্দ্র থেকে ইতিপূর্বে দেড় হাজার মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ সরবরাহের নজির
রয়েছে।



