মুনমুন শারমিন শামস (নারী অধিকার কর্মী, লেখিকা ও সাংবাদিক)
আরও খবর
BRICS থেকে দূরত্ব: বাংলাদেশের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সুযোগ কি বিসর্জনের পথে?
ছাগল চুরির ট্রমায় কাতর মবের হোতারা, দেশের পরিস্থিতি নিয়ে ভাবনা দূর অস্ত
কোন রকম টেন্ডার ছাড়াই অনেক বেশি মূল্যে তৃতীয় ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের কাজ দেওয়া হলো!
হামে মৃত্যু হাজার পার, ডেঙ্গুতে হাহাকারঃ স্বাস্থ্য খাতের চরম প্রশাসনিক দেউলিয়াত্ব
মৃত্যুঞ্জয়ী শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ফিরবেন-ই—প্রদীপ্ত আলোকবর্তিকা হয়ে
একটি কুঁড়ি দুটি পাতায় জমাট বাঁধা কষ্ট
মক্কা চুক্তি: নয়া আঞ্চলিক নিরাপত্তার সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ
আওয়ামী লীগের প্রতি অভিযোগ আছে, প্রত্যাশাও অনেক: এবার আর কোন ছাড় দিতে রাজি না
শেখ হাসিনা ফিরছেন। রাজনীতির মাঠে আওয়ামী লীগকেও ফেরাতে হবে। এর কোনো বিকল্প নাই। মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব দেওয়া দলকে নোংরামি আর ষড়যন্ত্র করে আটকে রাখতে চাইবে যারা, তারাই বিপদে পড়বে। এটা অবশ্যম্ভাবী। তাই আওয়ামী লীগের ফিরে আসাটা শুধুমাত্র কিছু সময়ের ব্যাপার।
আওয়ামী লীগের সমালোচনা, বিরোধিতা যেটাই হোক, তাদের প্রতিপক্ষকে সেটা করতে হবে রাজনৈতিকভাবে, সুষ্টু গণতান্ত্রিক উপায়ে। সভ্য পথে। ডিপস্টেটের ভাড়া করা চাকর ইউনূসের দেখানো পথে না।
দীর্ঘ আড়াই বছর পর আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৮ই সেপ্টেম্বর। সভাপতিত্ব করবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। সবশেষ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠক হয়েছিল ২০২৪ এর ৩০শে এপ্রিল। শেখ হাসিনার দেশে প্রত্যাবর্তন, জনগণের
অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বাংলাদেশকে মুক্ত করার রুপকল্প চুড়ান্ত করা হবে এই বৈঠকে। আমরা যারা মুক্তিযুক্তপন্থী, বঙ্গবন্ধুকে ভালবাসি, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আস্থা রাখি, সেই সাধারণ মানুষ, সমর্থকরা তীব্র উৎকণ্ঠা নিয়ে এই প্রত্যাবর্তন ও পরিবর্তনের অপেক্ষায় আছি। কেন আছি? কারণ রাজাকার ঠেঙ্গিয়ে দেশছাড়া করতে এবং ষড়যন্ত্রকারী দেশদ্রোহীদের চরম প্রাপ্য শাস্তি দিতে পারবে একমাত্র আওয়ামী লীগ। আর কেউ না। আর কারু প্রতি বিন্দুমাত্র আস্থা রাখি না। কিন্তু এবারের আওয়ামী লীগের প্রতি আমার প্রত্যাশা আরো অনেক কঠিন, জটিল এবং ক্রিটিক্যাল। এবারে আওয়ামী লীগকে আমি আর কোনো ছাড় দিতে রাজি নই। আওয়ামী লীগের কাছে একজন সমর্থক হিসেবে আমি যা চাই তা আমি স্পষ্ট করে উচ্চারণ করতে
চাই। আমার চাওয়া আওয়ামী লীগকে আমি দেখতে চাই বাংলাদেশের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, শিল্প, সাহিত্যের ধারক হিসেবে। কোনো ধর্মান্ধ, কুসংস্কারাচ্ছন্ন, মৌলবাদী, অন্ধকার লোকদের খুশি করার কোনো ধরনের তাগিদ যেন আওয়ামী লীগের মধ্যে আর কখনো কোনোদিন দেখতে না হয়। আওয়ামী লীগ দেশে আধুনিক সুশিক্ষার পক্ষে থাকবে। আওয়ামী লীগ সব ধরনের অন্ধকারাচ্ছন্ন ভুল শিক্ষা ব্যবস্থার বিপক্ষে অবস্থান নেবে। আওয়ামী লীগ মোল্লাতন্ত্রের অবসানে এই শিক্ষা ব্যবস্থাকে এক ধারা করার লক্ষ্যে কাজ করবে জনগনের সাথে। আওয়ামী লীগ আধুনিক হবে। তাদের কর্মীরা সভ্য সুন্দর শিক্ষায় নিজেদের আলোকিত করবে। তারা মানুষকে মানুষ মনে করবে। নারী পুরুষ সকল লিঙ্গের মানুষকে এক মনে করবে। কাউকে ছোট করে কথা বলবে না। নারীর স্বাধীনতা এবং নারীর
ইচ্ছের বিরুদ্ধে কথা বলার যে চল এই সমাজে আছে, আওয়ামী লীগ সেই সমাজের নোংরা নিয়ম ভাঙার কাজে নিজেদের নিয়োজিত করবে। এ কাজ যারা করবেন, সেই কর্মীরা হবেন সভ্য সুন্দর শিক্ষিত মানুষ। আমরা আর কোনো সিপি গ্যাঙ দেখতে চাই না। কখনো কোনোদিন না। আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় নেতারা মানুষের কাছে যাবেন। তারা সমাজের পালস ধরতে শিখবেন। অন্য দিকে তাকিয়ে নিজেদের বিশাল কিছু ভেবে বোকার মতো আচরণ আর করবেন না। অনেক হয়েছে এসব। আওয়ামী লীগকে সমালোচনা নিতে শিখতে হবে। আওয়ামী লীগকে কঠোরতম সমালোচনাও বুঝতে শিখতে হবে। অবশ্যই সে সমালোচনা কার কাছ থেকে আসছে, সেটি দেখে নেবার সুযোগ আছে। কিন্তু সমালোচনা করলেই গুপ্তদের দেওয়া ট্যাগে সমালোচনাকারীদের হেনস্থা
করার যে চল দলটিতে একসময় তৈরি হয়েছিল, সেটি বর্জন করতে হবে। ২৪ এর পর আশা করি তারা চিনতে শিখেছেন কারা তাদের প্রকৃত শুভাকাঙ্ক্ষী। তাই এবার এটি বরং সহজ হয়ে গেছে। আওয়ামী লীগকে বুঝতে হবে নতুন প্রজন্মকে। তারা যেমনই হোক, তাদেরকে বুঝতে শেখা তাদের কর্তব্য। ‘‘জেনারেশন খারাপ” বলে দায় এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নাই। খারাপ জেনারেশনকে শুদ্ধ করার দায়িত্ব সবার। তাদেরও। তারা ক্ষমতায় থাকুক বা না থাকুক। আমার আরো বহু কিছু বলার আছে। আপাতত এটুকুই মাথায় আসল, লিখলাম।
অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বাংলাদেশকে মুক্ত করার রুপকল্প চুড়ান্ত করা হবে এই বৈঠকে। আমরা যারা মুক্তিযুক্তপন্থী, বঙ্গবন্ধুকে ভালবাসি, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আস্থা রাখি, সেই সাধারণ মানুষ, সমর্থকরা তীব্র উৎকণ্ঠা নিয়ে এই প্রত্যাবর্তন ও পরিবর্তনের অপেক্ষায় আছি। কেন আছি? কারণ রাজাকার ঠেঙ্গিয়ে দেশছাড়া করতে এবং ষড়যন্ত্রকারী দেশদ্রোহীদের চরম প্রাপ্য শাস্তি দিতে পারবে একমাত্র আওয়ামী লীগ। আর কেউ না। আর কারু প্রতি বিন্দুমাত্র আস্থা রাখি না। কিন্তু এবারের আওয়ামী লীগের প্রতি আমার প্রত্যাশা আরো অনেক কঠিন, জটিল এবং ক্রিটিক্যাল। এবারে আওয়ামী লীগকে আমি আর কোনো ছাড় দিতে রাজি নই। আওয়ামী লীগের কাছে একজন সমর্থক হিসেবে আমি যা চাই তা আমি স্পষ্ট করে উচ্চারণ করতে
চাই। আমার চাওয়া আওয়ামী লীগকে আমি দেখতে চাই বাংলাদেশের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, শিল্প, সাহিত্যের ধারক হিসেবে। কোনো ধর্মান্ধ, কুসংস্কারাচ্ছন্ন, মৌলবাদী, অন্ধকার লোকদের খুশি করার কোনো ধরনের তাগিদ যেন আওয়ামী লীগের মধ্যে আর কখনো কোনোদিন দেখতে না হয়। আওয়ামী লীগ দেশে আধুনিক সুশিক্ষার পক্ষে থাকবে। আওয়ামী লীগ সব ধরনের অন্ধকারাচ্ছন্ন ভুল শিক্ষা ব্যবস্থার বিপক্ষে অবস্থান নেবে। আওয়ামী লীগ মোল্লাতন্ত্রের অবসানে এই শিক্ষা ব্যবস্থাকে এক ধারা করার লক্ষ্যে কাজ করবে জনগনের সাথে। আওয়ামী লীগ আধুনিক হবে। তাদের কর্মীরা সভ্য সুন্দর শিক্ষায় নিজেদের আলোকিত করবে। তারা মানুষকে মানুষ মনে করবে। নারী পুরুষ সকল লিঙ্গের মানুষকে এক মনে করবে। কাউকে ছোট করে কথা বলবে না। নারীর স্বাধীনতা এবং নারীর
ইচ্ছের বিরুদ্ধে কথা বলার যে চল এই সমাজে আছে, আওয়ামী লীগ সেই সমাজের নোংরা নিয়ম ভাঙার কাজে নিজেদের নিয়োজিত করবে। এ কাজ যারা করবেন, সেই কর্মীরা হবেন সভ্য সুন্দর শিক্ষিত মানুষ। আমরা আর কোনো সিপি গ্যাঙ দেখতে চাই না। কখনো কোনোদিন না। আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় নেতারা মানুষের কাছে যাবেন। তারা সমাজের পালস ধরতে শিখবেন। অন্য দিকে তাকিয়ে নিজেদের বিশাল কিছু ভেবে বোকার মতো আচরণ আর করবেন না। অনেক হয়েছে এসব। আওয়ামী লীগকে সমালোচনা নিতে শিখতে হবে। আওয়ামী লীগকে কঠোরতম সমালোচনাও বুঝতে শিখতে হবে। অবশ্যই সে সমালোচনা কার কাছ থেকে আসছে, সেটি দেখে নেবার সুযোগ আছে। কিন্তু সমালোচনা করলেই গুপ্তদের দেওয়া ট্যাগে সমালোচনাকারীদের হেনস্থা
করার যে চল দলটিতে একসময় তৈরি হয়েছিল, সেটি বর্জন করতে হবে। ২৪ এর পর আশা করি তারা চিনতে শিখেছেন কারা তাদের প্রকৃত শুভাকাঙ্ক্ষী। তাই এবার এটি বরং সহজ হয়ে গেছে। আওয়ামী লীগকে বুঝতে হবে নতুন প্রজন্মকে। তারা যেমনই হোক, তাদেরকে বুঝতে শেখা তাদের কর্তব্য। ‘‘জেনারেশন খারাপ” বলে দায় এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নাই। খারাপ জেনারেশনকে শুদ্ধ করার দায়িত্ব সবার। তাদেরও। তারা ক্ষমতায় থাকুক বা না থাকুক। আমার আরো বহু কিছু বলার আছে। আপাতত এটুকুই মাথায় আসল, লিখলাম।



