আরিফুজ্জামান তুহিন সাংবাদিক, কলামিস্ট
আরও খবর
৮১’র প্রেরণা- আরেকটি প্রত্যাবর্তনের উন্মাদনা: জয়তু শেখ হাসিনা, শুভ জন্মদিন
শেখ হাসিনা: বাঙালির বাতিঘর জন্মদিনে কোটি হৃদয়ের ভালোবাসায় আগামীর আলোর প্রত্যয়
দুই পরাশক্তির স্বার্থের ফাঁদে রূপপুর: সাশ্রয়ী রুশ মডেল বনাম ব্যয়বহুল মার্কিন প্রযুক্তি- কোন পথে হাঁটবে বাংলাদেশ?
নিউইয়র্কে কার্যত সীমাবদ্ধ তারেক রহমান: ৯ দিনের যুক্তরাষ্ট্র সফর কেন ৪ দিনে গুটিয়ে গেল?
মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী, আমার গোল্ড মেডেল কোথায়?
ফাঁসির রায়ে দমে না লড়াই: রক্তচক্ষু আর প্রহসনের বিচারে সংগ্রাম ও নেতৃত্ব আজ আরও শাণিত
BRICS থেকে দূরত্ব: বাংলাদেশের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সুযোগ কি বিসর্জনের পথে?
যুক্তরাষ্ট্র কী রূপপুর চালু হতে দেবে?
পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে আমি অনেক রিপোর্ট করেছি, প্রতিটি রিপোর্ট ছিল নিরাপত্তা শঙ্কা, অর্থনৈতিক দিক থেকে কতটা সুরক্ষা পাবো এসব নিয়ে। মানে কেন্দ্রটি হোক, কিন্তু জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি ও অর্থনৈতিক ঝুঁকিগুলো বিবেচনায় নিতে হবে সবার আগে।
রূপপুর একটা দীর্ঘ যাত্রা। ভারতের সাথে যুক্ত হওয়ায় ঝুঁকি কতটা তৈরি হয়েছে; বিশেষ করে ১০০ কিলোমিটারের ভেতর সীমান্ত থাকলে পাশের দেশ আলোচনায় ঢুকে পড়ে।
প্রতিবারই চেয়েছি রূপপুর হোক। দুনিয়াতে কোনো পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র সময়মতো আসেনি, কাজ শেষ হয়নি। রাশিয়ার পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র সরেজমিন গিয়ে দেখেছি, সোভিয়েত আমলের কেন্দ্র নির্মাণ শেষ হয়নি। কারণ এটা শুধু কেন্দ্র না, নিউক্লিয়ার সায়েন্সের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়। চিকিৎসা, কৃষি থেকে শুরু করে এমন কোনো বিষয়
নেই যা নিউক্লিয়ার সেবার বাইরে। একটি শক্তিশালী বিজ্ঞানভিত্তিক আধুনিক দেশ গঠনে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র মারাত্মক দরকারি কাজ। দেশের সরকার যদি কেন্দ্রটিকে ঠিকঠাকমতো চালাতে পারে গোটা দেশের ভাগ্যে সত্যি ভালো কিছু হবে। মাত্র ৩২টি দেশ এমন ধরনের শক্তির অধিকারী, বাংলাদেশ তার একটা। সে তুলনায় আমরা সম্ভবত প্রথম দেশ যারা ডেট লাইনের কাছাকাছি সময় কেন্দ্র নির্মাণ (প্রথম ইউনিট) শেষ করেছি। জীবনে যারা প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বানিয়েছে সেইসব দেশের সাথে তুলনা করলে বাংলাদেশের খরচও খুব বেশি না প্রতি ইউনিটের ওভার নাইট কস্ট। রাশিয়ার প্রতি প্রীতি থেকে বলছি না, ওদের কাম-কাজ বেশ ভালো লেবেলেরই। বাংলাদেশ তথা সারা দুনিয়ার এক নম্বর শত্রু হলো যুক্তরাষ্ট্র। আমাদের গর্বের রূপপুরেরও প্রধান শত্রু
যুক্তরাষ্ট্র তথা আমেরিকা। সেই আমেরিকার সাথে বিএনপি সরকারের পারমাণবিক সহায়তা চুক্তি হয়ে গেলো অনেকটা নীরবে, কেউ কোনো শব্দ করলো না। তারও আগে মানে ইন্টেরিম সরকার গত ৯ই ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র একটা ট্রেড এগ্রিমেন্ট সই করেছে। সেই চুক্তি অনুযায়ী রাশিয়া, চীন এখন বাংলাদেশের শত্রু রাষ্ট্র। রাশিয়ার নির্মাণ করা রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি আমেরিকা আসলে চালু হতে দিতে চায় না। যুক্তরাষ্ট্রের সাথে এই ট্রেড এগ্রিমেন্ট হলো প্রথান বাধা রূপপুর চালু করার ব্যাপারে। যুক্তরাষ্ট্র পদে পদে চেষ্টা করছে কেন্দ্রটি যাতে চালু না হয়। ২০২৩ সালে কিন্তু আকাশপথে পারমাণবিক জ্বালানি বা ইউরেনিয়াম এসেছে বাংলাদেশে, সমস্যা হয়নি। এখন আমেরিকা বাংলাদেশের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর সে রাশিয়া থেকে বাংলাদেশে
ইউরেনিয়াম কোনোভাবেই আসতে দিতে চায় না, সর্বশেষ চেষ্টা হিসেবে পাকিস্তানকে দিয়ে আকাশপথ বন্ধ করেছে। বাংলাদেশের জন্য ইউরেনিয়াম নিয়ে আগেও একই পথে আসলেও এবার পাকিস্তানের আকাশপথ বন্ধ করে দিয়েছে। মানে তোমরা বাংলাদেশিরা কেন্দ্র বানাইছো ভালো, বাট ফুয়েল যেতে দেবো না, ভাবটা এমন। এর আগে ২০২৩ সালে বাংলাদেশে ইউরেনিয়াম আসছে উড়োজাহাজে করে,সেবার রূট ছিল রাশিয়া – কাজাখস্তান- উজবেকিস্তান/তুর্কমেনিস্তান-আফগানিস্তান- পাকিস্তান- ভারত -বাংলাদেশ। তবে এবার পাকিস্তান আটকে দিয়েছে তাদের বাপ আমেরিকার কারণে। রূপপুর নিয়ে একটা ইনার স্টোরি করবো। অন্তত সাধারণ মানুষ সাক্ষী থাক, একটা কেন্দ্রকে ঘিরে পরাশক্তিরা যা করছে আমরা যদি আরও বড় হই তাহলে পরাশক্তিগুলো কী করবে সেটার আন্দাজ করুন। পাকিস্তানের শাসক সরকার আমেরিকা যদি তার গু
পরিষ্কার করতে বলে, তাহলে তারা হ্যান্ডওয়াশের বদলে জিহ্বা দিয়ে পরিষ্কার করে দেবে।
নেই যা নিউক্লিয়ার সেবার বাইরে। একটি শক্তিশালী বিজ্ঞানভিত্তিক আধুনিক দেশ গঠনে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র মারাত্মক দরকারি কাজ। দেশের সরকার যদি কেন্দ্রটিকে ঠিকঠাকমতো চালাতে পারে গোটা দেশের ভাগ্যে সত্যি ভালো কিছু হবে। মাত্র ৩২টি দেশ এমন ধরনের শক্তির অধিকারী, বাংলাদেশ তার একটা। সে তুলনায় আমরা সম্ভবত প্রথম দেশ যারা ডেট লাইনের কাছাকাছি সময় কেন্দ্র নির্মাণ (প্রথম ইউনিট) শেষ করেছি। জীবনে যারা প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বানিয়েছে সেইসব দেশের সাথে তুলনা করলে বাংলাদেশের খরচও খুব বেশি না প্রতি ইউনিটের ওভার নাইট কস্ট। রাশিয়ার প্রতি প্রীতি থেকে বলছি না, ওদের কাম-কাজ বেশ ভালো লেবেলেরই। বাংলাদেশ তথা সারা দুনিয়ার এক নম্বর শত্রু হলো যুক্তরাষ্ট্র। আমাদের গর্বের রূপপুরেরও প্রধান শত্রু
যুক্তরাষ্ট্র তথা আমেরিকা। সেই আমেরিকার সাথে বিএনপি সরকারের পারমাণবিক সহায়তা চুক্তি হয়ে গেলো অনেকটা নীরবে, কেউ কোনো শব্দ করলো না। তারও আগে মানে ইন্টেরিম সরকার গত ৯ই ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র একটা ট্রেড এগ্রিমেন্ট সই করেছে। সেই চুক্তি অনুযায়ী রাশিয়া, চীন এখন বাংলাদেশের শত্রু রাষ্ট্র। রাশিয়ার নির্মাণ করা রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি আমেরিকা আসলে চালু হতে দিতে চায় না। যুক্তরাষ্ট্রের সাথে এই ট্রেড এগ্রিমেন্ট হলো প্রথান বাধা রূপপুর চালু করার ব্যাপারে। যুক্তরাষ্ট্র পদে পদে চেষ্টা করছে কেন্দ্রটি যাতে চালু না হয়। ২০২৩ সালে কিন্তু আকাশপথে পারমাণবিক জ্বালানি বা ইউরেনিয়াম এসেছে বাংলাদেশে, সমস্যা হয়নি। এখন আমেরিকা বাংলাদেশের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর সে রাশিয়া থেকে বাংলাদেশে
ইউরেনিয়াম কোনোভাবেই আসতে দিতে চায় না, সর্বশেষ চেষ্টা হিসেবে পাকিস্তানকে দিয়ে আকাশপথ বন্ধ করেছে। বাংলাদেশের জন্য ইউরেনিয়াম নিয়ে আগেও একই পথে আসলেও এবার পাকিস্তানের আকাশপথ বন্ধ করে দিয়েছে। মানে তোমরা বাংলাদেশিরা কেন্দ্র বানাইছো ভালো, বাট ফুয়েল যেতে দেবো না, ভাবটা এমন। এর আগে ২০২৩ সালে বাংলাদেশে ইউরেনিয়াম আসছে উড়োজাহাজে করে,সেবার রূট ছিল রাশিয়া – কাজাখস্তান- উজবেকিস্তান/তুর্কমেনিস্তান-আফগানিস্তান- পাকিস্তান- ভারত -বাংলাদেশ। তবে এবার পাকিস্তান আটকে দিয়েছে তাদের বাপ আমেরিকার কারণে। রূপপুর নিয়ে একটা ইনার স্টোরি করবো। অন্তত সাধারণ মানুষ সাক্ষী থাক, একটা কেন্দ্রকে ঘিরে পরাশক্তিরা যা করছে আমরা যদি আরও বড় হই তাহলে পরাশক্তিগুলো কী করবে সেটার আন্দাজ করুন। পাকিস্তানের শাসক সরকার আমেরিকা যদি তার গু
পরিষ্কার করতে বলে, তাহলে তারা হ্যান্ডওয়াশের বদলে জিহ্বা দিয়ে পরিষ্কার করে দেবে।



