সাইবার সুরক্ষা আইন ফের সংশোধনের পথে: গুজব-অপতথ্যে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ডের প্রস্তাব – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সাইবার সুরক্ষা আইন ফের সংশোধনের পথে: গুজব-অপতথ্যে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ডের প্রস্তাব

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ |
মাত্র তিন মাসের ব্যবধানে আবারও সংশোধন হতে যাচ্ছে সাইবার সুরক্ষা আইন। এবার আইনে নতুন করে যুক্ত হচ্ছে গুজব ও অপতথ্য ছড়ানো, মানহানি এবং সাইবার বুলিংয়ের মতো অপরাধ, সেই সঙ্গে বাড়ছে একাধিক অপরাধের সর্বোচ্চ সাজার মেয়াদ। তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগ ইতিমধ্যে ‘সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর একটি খসড়া তৈরি করে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের কাছ থেকে মতামত নেওয়া শুরু করেছে। প্রস্তাবিত সংশোধনীতে যা যা নতুন করে যুক্ত হচ্ছে বর্তমান সাইবার সুরক্ষা আইনে গুজব ও অপতথ্য প্রচারের জন্য পৃথক কোনো অপরাধ বা শাস্তির বিধান নেই। প্রস্তাবিত সংশোধনীতে প্রথমবারের মতো এই দুটি বিষয়কে সংজ্ঞায়িত করে অপরাধের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। গুজব বলতে বোঝানো হয়েছে এমন অসমর্থিত বা

অযাচাইকৃত তথ্য, সংবাদ বা দাবি, যা জনমনে বিভ্রান্তি, আতঙ্ক, উত্তেজনা বা সামাজিক অস্থিরতা তৈরি করতে পারে। অপতথ্য হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এমন মিথ্যা, বিকৃত বা বিভ্রান্তিকর তথ্য, যা কাউকে বিভ্রান্ত, প্রতারিত বা ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে তৈরি বা প্রচার করা হয়। খসড়া অনুযায়ী, সাইবার স্পেসে এ ধরনের গুজব বা অপতথ্য প্রকাশ বা প্রচার করলে সর্বোচ্চ ১০ বছর কারাদণ্ড, সর্বোচ্চ ৪০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। এ লক্ষ্যে আইনে নতুন একটি ধারা (২৬/ক) যুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। একই সঙ্গে মানহানি, হেয়প্রতিপন্ন করা ও সাইবার বুলিংকেও অপরাধের আওতায় আনা হচ্ছে। বর্তমান আইনে যৌন হয়রানি, ব্ল্যাকমেইলিং, রিভেঞ্জ পর্ন, ডিজিটাল শিশু যৌন

নিপীড়ন ও সেক্সটর্শন সংক্রান্ত বিষয়গুলো অপরাধ হিসেবে থাকলেও, সংশোধিত খসড়ায় এর সঙ্গে মানহানি ও বুলিং যুক্ত করার প্রস্তাব রয়েছে। তথ্য-উপাত্তের সংজ্ঞায়ও পরিবর্তন আনা হচ্ছে—ভিডিও, অডিও-ভিজ্যুয়াল ও স্থিরচিত্রের পাশাপাশি আলাদাভাবে অডিও এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি বা সম্পাদিত কনটেন্টকেও এর আওতায় আনা হচ্ছে, যা মূলত ডিপফেক প্রযুক্তি ব্যবহার করে অপপ্রচার ঠেকানোর লক্ষ্যে করা হচ্ছে বলে সরকারের নীতিনির্ধারকেরা জানিয়েছেন। সাধারণ অপরাধের সাজাও বাড়ছে খসড়ায় প্রচলিত কয়েকটি অপরাধের শাস্তিও বাড়ানোর প্রস্তাব রয়েছে: সাধারণ অপরাধের ক্ষেত্রে বর্তমান সর্বোচ্চ ২ বছর কারাদণ্ড বা ১০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান বাড়িয়ে সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদণ্ড বা ২০ লাখ টাকা জরিমানা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। নারী বা ১৮ বছরের কম বয়সী

শিশুর বিরুদ্ধে সংঘটিত একই ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে বর্তমান সর্বোচ্চ ৫ বছরের সাজা বাড়িয়ে সর্বোচ্চ ১০ বছর কারাদণ্ড বা ৪০ লাখ টাকা জরিমানার প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রাতিষ্ঠানিক দায় ও বিচারব্যবস্থায় পরিবর্তন খসড়ায় কোম্পানির সংজ্ঞা সম্প্রসারণের পাশাপাশি আদালতকে দোষী প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন, লাইসেন্স বা কার্যক্রম স্থগিত বা বাতিল করার ক্ষমতা দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। গুরুতর অপরাধ—যেমন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য-অবকাঠামোয় হামলা, সাইবার সন্ত্রাস, হ্যাকিং, যৌন হয়রানি, ব্ল্যাকমেইলিং, রিভেঞ্জ পর্ন, শিশু যৌন নিপীড়ন ও গুজব-অপতথ্য—এসবের বিচার সাইবার ট্রাইব্যুনালে হবে, আর অপেক্ষাকৃত কম গুরুতর অপরাধের বিচার হবে প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে, প্রয়োজনে মোবাইল কোর্টেও। কনটেন্ট ব্লক বা অপসারণের ক্ষমতাও বাড়ানো হচ্ছে, যদিও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির প্রতিকার চাওয়ার সুযোগ রাখার কথাও

বলা হয়েছে। গণমাধ্যমের আপত্তি ও উদ্বেগ খসড়াটি চূড়ান্ত করার আগে গত ১০ সেপ্টেম্বর সচিবালয়ে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রথম দফা মতবিনিময় সভা হয়। সভায় গণমাধ্যম নেতারা স্পষ্টভাবে আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে বাতিল হওয়া বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের গণমাধ্যমবিরোধী কিছু ধারার প্রতিফলন এই সংশোধনীতেও থেকে যাচ্ছে। ডেইলি স্টারের কনসালট্যান্ট এডিটর কামাল আহমেদ বলেন, শুধু সাজা বাড়ালেই আইনের অপপ্রয়োগ ঠেকানো যাবে না; বরং প্রস্তাবিত আইনে মোবাইল কোর্টকে ক্ষমতায়ন করা হলে অপপ্রয়োগের ঝুঁকি আরও বাড়বে। প্রথম আলোর নির্বাহী সম্পাদক সাজ্জাদ শরিফ প্রস্তাবিত আইনের ২৫ ও ২৬ ধারার প্রসঙ্গ টেনে বলেন, অত্যন্ত গুরুতর অপরাধের সঙ্গে মানহানিকে যুক্ত করা হচ্ছে, যা অতীতে ব্যাপকভাবে অপব্যবহার হয়েছে; আর

অপতথ্যের সংজ্ঞা অস্পষ্ট ও বিমূর্ত হওয়ায় সংবাদমাধ্যম আবারও ভুক্তভোগী হতে পারে। নয়া দিগন্তের নির্বাহী সম্পাদক মাসুমুর রহমান খলিলী সংশোধনীর ৮(২) ধারায় ‘রাষ্ট্রের জন্য অবমাননাকর’ বিষয় যুক্ত হওয়াকে সংবাদকর্মীদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন। জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ও তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান আশ্বাস দেন, গণমাধ্যম ও সমাজের সুরক্ষার মধ্যে ভারসাম্য রেখে আইনটি করা হবে এবং এর অপপ্রয়োগ ঠেকাতে বিষয়গুলো বিবেচনায় রাখা হবে। আইসিটি বিভাগের সচিব মো. মামুনুর রশিদ ভুঞা জানান, খসড়াটি পর্যালোচনার জন্য ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রীকে প্রধান করে স্বরাষ্ট্র, আইন, তথ্য ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি নিয়ে পাঁচ সদস্যের একটি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর গণমাধ্যমের

শীর্ষ ব্যক্তিদের সঙ্গে ফের মতবিনিময় সভা হওয়ার কথা রয়েছে। পটভূমি: অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও আইন বাতিল-পুনর্গঠনের ধারাবাহিকতা এই আইনের ইতিহাস বেশ ঘটনাবহুল। ২০২৩ সালের বিতর্কিত ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন’ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বাতিলের দাবি ছিল মানবাধিকারকর্মী ও সুশীল সমাজের পক্ষ থেকে। আন্তর্জাতিক সংগঠন আমেরিকান বার অ্যাসোসিয়েশনের সেন্টার ফর হিউম্যান রাইটসও অন্তর্বর্তী সরকারকে আইনটি বাতিল বা এর ২১, ২৫, ২৮, ২৯ ও ৩১ ধারায় মৌলিক সংশোধন আনার সুপারিশ করেছিল। এর ধারাবাহিকতায় ২০২৫ সালের মে মাসে অন্তর্বর্তী সরকার সাইবার নিরাপত্তা আইন ২০২৩ রহিত করে ‘সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করে, যেখানে পুরোনো আইনের ২১, ২৪, ২৫, ২৬, ২৭, ২৮, ২৯, ৩১ ও ৩৪ ধারা বাদ দেওয়া হয়—সরকার নিজেই এসব ধারাকে ‘কুখ্যাত’ বলে অভিহিত করেছিল। ওই বছরের ২২ মার্চ কামাল আহমেদের নেতৃত্বাধীন গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে যে প্রতিবেদন জমা দেয়, তাতেও সাংবাদিকতা সুরক্ষা-সংক্রান্ত ২০টি সুপারিশ ছিল। কমিশন সুপারিশ করেছিল, দণ্ডবিধি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, সাইবার নিরাপত্তা আইন ও আদালত অবমাননা আইনের অধীনে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলাগুলো চিহ্নিত ও পর্যালোচনা করে প্রত্যাহারের ব্যবস্থা নিতে হবে, এবং বিদ্বেষমূলক বক্তব্য-সংক্রান্ত দণ্ডবিধির ২৯৫(ক) ও ২৯৮ ধারা এবং তৎকালীন সাইবার নিরাপত্তা আইনের ২৮ ধারা বাতিল করতে হবে। কমিশন একটি স্বাধীন ‘বাংলাদেশ গণমাধ্যম কমিশন’ গঠনেরও প্রস্তাব দেয়, যাতে সাংবাদিকদের নিবন্ধনের আওতায় আনা যায়। এরপর ২০২৬ সালের ১০ এপ্রিল সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ রহিত করে সংসদে ‘সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬’ পাস হয়। তবে এই আইনেও একটি ধারা নিয়ে বিতর্ক থামেনি—আইনের ২০ ধারায় (২০১৮ সালের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও ২০২৩ সালের সাইবার নিরাপত্তা আইনেও একই ধরনের বিধান ছিল) কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছিল। ফলে গত ৩০ জুন সংসদে সেই ধারাটি বিলুপ্ত করে ‘সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন, ২০২৬’ সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়, যেখান থেকে এক কোটি টাকা জরিমানার বিধানও বাদ দেওয়া হয়। এবার তৃতীয় দফা সংশোধন অর্থাৎ, চলতি বছরেই এটি হতে যাচ্ছে সাইবার সুরক্ষা আইনের দ্বিতীয় সংশোধনী এবং সামগ্রিকভাবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় থেকে হিসাব করলে তৃতীয় বড় পরিবর্তন। সরকারের নীতিনির্ধারকদের ভাষ্য, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি ভুয়া ভিডিও-অডিও ও বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট দিয়ে অপপ্রচার ঠেকাতে এবং নারীদের সাইবার বুলিং ও হয়রানি থেকে সুরক্ষা দিতেই কঠোর বিধান যুক্ত করা হচ্ছে। আইসিটি সচিব জানিয়েছেন, আগের আইন যাতে মানুষের মতপ্রকাশের অধিকার দমনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার না হয়, সেদিকেও সরকার সতর্ক দৃষ্টি রাখছে। তবে গণমাধ্যম ও মানবাধিকারকর্মীদের আশঙ্কা, বিতর্কিত ‘মানহানি’ ও ‘হেয়প্রতিপন্ন’ শব্দগুলোর অস্পষ্ট সংজ্ঞা এবং মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে বিচারের সুযোগ থেকে গেলে অতীতের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও সাইবার নিরাপত্তা আইনের মতোই এই আইনও গণমাধ্যম ও ভিন্নমতাবলম্বীদের বিরুদ্ধে ব্যবহারের ঝুঁকিতে থেকে যাবে। খসড়াটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি; আগামী ২৮ সেপ্টেম্বরের বৈঠকের পর এবং মন্ত্রিসভা কমিটির সুপারিশ পাওয়ার পরই এর চূড়ান্ত রূপ নির্ধারিত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ইউনূস ও তার উপদেষ্টাদের মহা লুটপাট-অর্থ পাচারের খতিয়ান ক্রমশ প্রকাশ্যে BRICS থেকে দূরত্ব: বাংলাদেশের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সুযোগ কি বিসর্জনের পথে? সাইবার সুরক্ষা আইন ফের সংশোধনের পথে: গুজব-অপতথ্যে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ডের প্রস্তাব নারী এশিয়া কাপের ফাইনালেও চ্যাম্পিয়ন ভারত ও নকভির ট্রফি নাটক ম্যানচেস্টার ডার্বিতে হলান্ডের গোল ভুল ছিল, স্বীকার করল প্রফেশনাল গেম রেফারিজ শেলটনকে হারিয়ে ইউএস ওপেনের মুকুট জভেরেভের আওয়ামী লীগের প্রতি অভিযোগ আছে, প্রত্যাশাও অনেক: এবার আর কোন ছাড় দিতে রাজি না ৩ মাস মোহাম্মদপুরের নেই লাইনের গ্যাস: “জুলাই জ্বালিয়ে ভাত রাঁধব?” ক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর প্রতিক্রিয়া উত্তর কোরিয়ার কাছে ১০-০ গোলে উড়ে গেল বাংলাদেশ, হারের নতুন রেকর্ড আয়কর রিটার্ন জমায় যে ৫ ভুল করলে পড়তে হবে প্রশ্নের মুখে নতুন বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপন জারিতে দেরি হচ্ছে কেন? আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে সুইস ব্যাংকেও টাকা রাখার অভিযোগ রাবির সাবেক শিক্ষার্থীকে হানি ট্র্যাপে ফেলে মুক্তিপণ আদায়, গ্রেফতার ৪ রামপালের এক ইউনিট বন্ধ, বিদ্যুৎ উৎপাদন কমেছে অর্ধেক এক মাসের সংঘর্ষে ৫০০ ইয়েমেনি সেনা নিহত পুলিশকে পাথর মেরে আসামি ছিনতাই হরমুজ প্রণালি নিয়ে ওমানে ইরান-উপসাগরীয় দেশগুলোর বৈঠক স্থগিত রাত-বিরাতে ছাত্রকে ‘কাছে পেতে’ জীনের ভয় দেখাতেন মুহতামিম, অতঃপর… ভারতকে টপকে যুক্তরাষ্ট্র এখন আমদানি পণ্যে দ্বিতীয় স্থানে, প্রথমে চীন রাজধানীতে চলমান তল্লাশি ও গণগ্রেপ্তারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের