ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল-শিবিরের দুই দফায় সংঘর্ষ
ঢাকা কলেজে ছাত্রদল-শিবিরের সংঘর্ষ, উত্তেজনা
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল-শিবিরের ৫ ঘণ্টা দফায় দফায় সংঘর্ষ
রাবিতে যুদ্ধাপরাধীদের ছবিসংবলিত বিলবোর্ড, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নিন্দা ও প্রতিবাদকারীদের প্রতি সংহতি জানিয়ে বিবৃতি
‘শয়তানের ধোঁকায় পড়ে ওইসব করছিলাম, অন্যরা দেখে ফেলায় কাজ শেষ করতে পারিনি’, শিবির কর্মীর ভাষ্য
শহীদুল্লাহ্ হলের শিবিরের এজিএসের কক্ষে সমকামিতায় লিপ্ত দুই কর্মী আটক
প্রাথমিকে ১৪ হাজার ৩৮৪ শিক্ষকের যোগদান শুরু অক্টোবরে
ঢাবির ২৩১ শিক্ষকের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থাগ্রহণ: কানাডাভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠনের উদ্বেগ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৩১ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে সিন্ডিকেটের সুপারিশকৃত শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে কানাডাভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন গ্লোবাল জাস্টিস নেটওয়ার্ক ফাউন্ডেশন। এক বিবৃতিতে সংগঠনটি বলেছে, এই উদ্যোগ একাডেমিক স্বাধীনতা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও ন্যায্য বিচার প্রক্রিয়ার মৌলিক নীতিমালার পরিপন্থী হতে পারে।
বিবৃতি অনুযায়ী, সম্প্রতি সরকারপন্থী একদল শিক্ষকের পক্ষ থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটে ২৩১ জন শিক্ষকের একটি তালিকা জমা দেওয়া হয়। সাবেক সরকারকে সমর্থন করা এবং জুলাইর চেতনাবিরোধী মনোভাব পোষণের অভিযোগ তুলে তাদের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা বিবেচনার সুপারিশ করে সিন্ডিকেট।
এই অভিযোগগুলো তদন্তের জন্য উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খানের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে, যাতে আরও রয়েছেন উপ-উপাচার্য
(প্রশাসন) অধ্যাপক সায়মা হক বিদিশা, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক মামুন আহমেদ এবং সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক মোরশেদ হাসান খান। গ্লোবাল জাস্টিস নেটওয়ার্ক ফাউন্ডেশন উল্লেখ করে, এই চার সদস্যকেই ব্যাপকভাবে বর্তমান ক্ষমতাসীন মহলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে মনে করা হয়। সংগঠনটির মতে, এতে কমিটির নিরপেক্ষতা ও প্রক্রিয়াগত ন্যায্যতা নিয়ে মৌলিক প্রশ্ন উঠতে পারে। বিবৃতিতে বলা হয়, যখন কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক বা মতাদর্শগত গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে অভিযোগ উত্থাপিত হয় এবং তা তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় একই ধরনের রাজনৈতিক ঘরানার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে গঠিত কমিটির ওপর, তখন সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের আস্থা অর্জনের ক্ষেত্রে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন দেখা দেয়। সংগঠনটি বলে, “ন্যায়বিচার শুধু করলেই হবে না, তা যে করা হয়েছে
সেটাও দৃশ্যমান হতে হবে।” বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশ ১৯৭৩ অনুযায়ী, যা শিক্ষকদের একাডেমিক স্বাধীনতা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক বিশ্বাস লালন ও চর্চার অধিকার—এমনকি সক্রিয় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের অধিকার—নিশ্চিত করে। এই আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর আলোকে, কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল বা সরকারকে সমর্থন করা, অথবা কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক আন্দোলনের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করা, তা নিজে থেকেই অসদাচরণ হিসেবে গণ্য হতে পারে না। এই ধরনের বিশ্বাস ও সংশ্লিষ্টতা সুরক্ষিত থাকে, যতক্ষণ না তা আইন লঙ্ঘন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি ভঙ্গ কিংবা অন্যের প্রতি প্রমাণযোগ্য ক্ষতির সঙ্গে যুক্ত হয়। সংগঠনটির ভাষ্য, তালিকাভুক্ত ২৩১ জন শিক্ষকের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত
জনসমক্ষে প্রমাণিত কোনো ফৌজদারি অভিযোগ বা নির্দিষ্ট প্রাতিষ্ঠানিক অসদাচরণের অভিযোগ আনা হয়নি। বরং “জুলাইয়ের চেতনার পরিপন্থী” আচরণের মতো অভিযোগগুলো স্পষ্ট আইনি বা শৃঙ্খলাগত সংজ্ঞাবিহীন, ব্যাপক ও অস্পষ্ট বিবরণের ওপর নির্ভরশীল বলে মনে হয়। বিবৃতিতে সতর্ক করা হয়, শৃঙ্খলামূলক কার্যক্রমের ভিত্তি হিসেবে এ ধরনের অস্পষ্ট ও বিষয়ীভিত্তিক মানদণ্ড ব্যবহার করলে তা যথাযথ প্রক্রিয়া, আইনি নিশ্চয়তা এবং স্বাভাবিক ন্যায়বিচারের নীতিগুলোকে দুর্বল করার ঝুঁকি তৈরি করে। গ্লোবাল জাস্টিস নেটওয়ার্ক ফাউন্ডেশন জোর দিয়ে বলে, যেকোনো শৃঙ্খলামূলক প্রক্রিয়া অবশ্যই সুনির্দিষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত অপরাধ, বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ এবং শক্তিশালী প্রক্রিয়াগত সুরক্ষার ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হতে হবে, যার মধ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পূর্ণ আত্মপক্ষ সমর্থন ও প্রতিনিধিত্বের অধিকারও অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে।
অন্যথায় এমন এক নজির সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা থাকে, যেখানে শিক্ষাবিদরা অসদাচরণের জন্য নয়, বরং ক্ষমতাসীনদের পছন্দের বাইরে ভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শ পোষণের কারণে প্রাতিষ্ঠানিক শাস্তির মুখোমুখি হতে পারেন। সংগঠনটি আরও উল্লেখ করে, আইনগত ও প্রক্রিয়াগত উদ্বেগের বাইরেও ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষকদের জন্য এর পরিণতি যথেষ্ট গুরুতর। সুনির্দিষ্ট ও প্রমাণযোগ্য অন্যায়ের অনুপস্থিতিতে দীর্ঘমেয়াদি তদন্ত, জনসমক্ষে পর্যবেক্ষণ এবং শাস্তির আশঙ্কার মধ্যে ব্যক্তিদের ফেলে রাখা তাদের সুনাম, পেশাগত অবস্থান, মানসিক স্বাস্থ্য ও আর্থিক দিক থেকে উল্লেখযোগ্য ক্ষতির কারণ হতে পারে। বৌদ্ধিক বহুত্ববাদ ও একাডেমিক স্বাধীনতায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ একটি বিশ্ববিদ্যালয় সম্প্রদায়ের জন্য এমন পরিণতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক বলে মন্তব্য করে সংগঠনটি। বিবৃতির শেষাংশে গ্লোবাল জাস্টিস নেটওয়ার্ক ফাউন্ডেশন বলে, এই বিষয়টি মূলত কোনো
নির্দিষ্ট সরকার, রাজনৈতিক আন্দোলন বা মতাদর্শের প্রতি সমর্থন-বিরোধিতার বিষয় নয়। বরং এটি একাডেমিক স্বাধীনতা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, প্রাতিষ্ঠানিক নিরপেক্ষতা, যথাযথ প্রক্রিয়া এবং আইনের দৃষ্টিতে সমান সুরক্ষার মতো গণতান্ত্রিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরিহার্য মূলনীতিগুলো রক্ষার প্রশ্ন। এসব নীতি থেকে বিচ্যুতি একটি স্বাধীন ও মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিকে দুর্বল করার ঝুঁকি তৈরি করে বলে সতর্ক করেছে সংগঠনটি।
(প্রশাসন) অধ্যাপক সায়মা হক বিদিশা, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক মামুন আহমেদ এবং সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক মোরশেদ হাসান খান। গ্লোবাল জাস্টিস নেটওয়ার্ক ফাউন্ডেশন উল্লেখ করে, এই চার সদস্যকেই ব্যাপকভাবে বর্তমান ক্ষমতাসীন মহলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে মনে করা হয়। সংগঠনটির মতে, এতে কমিটির নিরপেক্ষতা ও প্রক্রিয়াগত ন্যায্যতা নিয়ে মৌলিক প্রশ্ন উঠতে পারে। বিবৃতিতে বলা হয়, যখন কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক বা মতাদর্শগত গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে অভিযোগ উত্থাপিত হয় এবং তা তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় একই ধরনের রাজনৈতিক ঘরানার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে গঠিত কমিটির ওপর, তখন সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের আস্থা অর্জনের ক্ষেত্রে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন দেখা দেয়। সংগঠনটি বলে, “ন্যায়বিচার শুধু করলেই হবে না, তা যে করা হয়েছে
সেটাও দৃশ্যমান হতে হবে।” বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশ ১৯৭৩ অনুযায়ী, যা শিক্ষকদের একাডেমিক স্বাধীনতা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক বিশ্বাস লালন ও চর্চার অধিকার—এমনকি সক্রিয় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের অধিকার—নিশ্চিত করে। এই আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর আলোকে, কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল বা সরকারকে সমর্থন করা, অথবা কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক আন্দোলনের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করা, তা নিজে থেকেই অসদাচরণ হিসেবে গণ্য হতে পারে না। এই ধরনের বিশ্বাস ও সংশ্লিষ্টতা সুরক্ষিত থাকে, যতক্ষণ না তা আইন লঙ্ঘন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি ভঙ্গ কিংবা অন্যের প্রতি প্রমাণযোগ্য ক্ষতির সঙ্গে যুক্ত হয়। সংগঠনটির ভাষ্য, তালিকাভুক্ত ২৩১ জন শিক্ষকের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত
জনসমক্ষে প্রমাণিত কোনো ফৌজদারি অভিযোগ বা নির্দিষ্ট প্রাতিষ্ঠানিক অসদাচরণের অভিযোগ আনা হয়নি। বরং “জুলাইয়ের চেতনার পরিপন্থী” আচরণের মতো অভিযোগগুলো স্পষ্ট আইনি বা শৃঙ্খলাগত সংজ্ঞাবিহীন, ব্যাপক ও অস্পষ্ট বিবরণের ওপর নির্ভরশীল বলে মনে হয়। বিবৃতিতে সতর্ক করা হয়, শৃঙ্খলামূলক কার্যক্রমের ভিত্তি হিসেবে এ ধরনের অস্পষ্ট ও বিষয়ীভিত্তিক মানদণ্ড ব্যবহার করলে তা যথাযথ প্রক্রিয়া, আইনি নিশ্চয়তা এবং স্বাভাবিক ন্যায়বিচারের নীতিগুলোকে দুর্বল করার ঝুঁকি তৈরি করে। গ্লোবাল জাস্টিস নেটওয়ার্ক ফাউন্ডেশন জোর দিয়ে বলে, যেকোনো শৃঙ্খলামূলক প্রক্রিয়া অবশ্যই সুনির্দিষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত অপরাধ, বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ এবং শক্তিশালী প্রক্রিয়াগত সুরক্ষার ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হতে হবে, যার মধ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পূর্ণ আত্মপক্ষ সমর্থন ও প্রতিনিধিত্বের অধিকারও অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে।
অন্যথায় এমন এক নজির সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা থাকে, যেখানে শিক্ষাবিদরা অসদাচরণের জন্য নয়, বরং ক্ষমতাসীনদের পছন্দের বাইরে ভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শ পোষণের কারণে প্রাতিষ্ঠানিক শাস্তির মুখোমুখি হতে পারেন। সংগঠনটি আরও উল্লেখ করে, আইনগত ও প্রক্রিয়াগত উদ্বেগের বাইরেও ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষকদের জন্য এর পরিণতি যথেষ্ট গুরুতর। সুনির্দিষ্ট ও প্রমাণযোগ্য অন্যায়ের অনুপস্থিতিতে দীর্ঘমেয়াদি তদন্ত, জনসমক্ষে পর্যবেক্ষণ এবং শাস্তির আশঙ্কার মধ্যে ব্যক্তিদের ফেলে রাখা তাদের সুনাম, পেশাগত অবস্থান, মানসিক স্বাস্থ্য ও আর্থিক দিক থেকে উল্লেখযোগ্য ক্ষতির কারণ হতে পারে। বৌদ্ধিক বহুত্ববাদ ও একাডেমিক স্বাধীনতায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ একটি বিশ্ববিদ্যালয় সম্প্রদায়ের জন্য এমন পরিণতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক বলে মন্তব্য করে সংগঠনটি। বিবৃতির শেষাংশে গ্লোবাল জাস্টিস নেটওয়ার্ক ফাউন্ডেশন বলে, এই বিষয়টি মূলত কোনো
নির্দিষ্ট সরকার, রাজনৈতিক আন্দোলন বা মতাদর্শের প্রতি সমর্থন-বিরোধিতার বিষয় নয়। বরং এটি একাডেমিক স্বাধীনতা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, প্রাতিষ্ঠানিক নিরপেক্ষতা, যথাযথ প্রক্রিয়া এবং আইনের দৃষ্টিতে সমান সুরক্ষার মতো গণতান্ত্রিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরিহার্য মূলনীতিগুলো রক্ষার প্রশ্ন। এসব নীতি থেকে বিচ্যুতি একটি স্বাধীন ও মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিকে দুর্বল করার ঝুঁকি তৈরি করে বলে সতর্ক করেছে সংগঠনটি।



