ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
২৪-এ সরকার বিরোধী অবস্থানে থাকলেও আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার চান তসলিমা নাসরিন
গ্যাস ও কাঁচামালের সংকটে চট্টগ্রামের তিন সার কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত, আমন মৌসুমে সরবরাহ নিয়ে শঙ্কা
গ্যাস সংকটে স্থবির চট্টগ্রাম, উৎপাদন ব্যাহত শিল্পে, ভোগান্তিতে লাখো গ্রাহক
উচ্চমূলে মার্কিন এলনজি কিনেও কাটছে না গ্যাস সংকটঃ সিএনজি স্টেশনে ফের দীর্ঘ লাইন, ভোর থেকে দুপুর গড়িয়েও মিলছে না গ্যাস
ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিলে নাকাল দেশ, তালাবদ্ধ বাসাতেও হাজার টাকার বিল!
শেখ হাসিনা প্রথমবারের মতো জনসমক্ষে আসছেনঃ বেছে নিলেন সেই ৫ই আগস্ট তারিখকেই
শূন্য হয়ে যাচ্ছে টেকনাফ, আপহরণ থেকে বাঁচতে ঘরবাড়ি ছেড়ে পালাচ্ছে মানুষ
সমালোচনার মুখে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে বিজ্ঞপ্তি বদলাল বিদ্যুৎ বিভাগ
অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অভিযোগকে কেন্দ্র করে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তি কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পরিবর্তন করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ। প্রথম বিজ্ঞপ্তিতে অতিরিক্ত বিল নিয়ে ‘মিথ্যা তথ্য’ বা ‘অপপ্রচার’ চালালে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার পর সেই অংশ বাদ দিয়ে নতুন বিজ্ঞপ্তিতে কেবল ‘দায়িত্বশীল আচরণ’ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সোমবার সন্ধ্যায় বিদ্যুৎ বিভাগ, থেকে গণমাধ্যমে প্রথম বিজ্ঞপ্তি পাঠানো হয়। এতে বলা হয়, সম্প্রতি অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে কিছু ব্যক্তি বা গোষ্ঠী অপপ্রচার চালাচ্ছে। ইতোমধ্যে এ-সংক্রান্ত সব অভিযোগ বিদ্যুৎ বিভাগ ও বিতরণ সংস্থাগুলো নিষ্পত্তি করেছে। তাই এ বিষয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর কোনো সুযোগ নেই।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়,
কোনো গ্রাহকের অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অভিযোগ থাকলে প্রমাণসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে কোনো প্রমাণ ছাড়া বিভ্রান্তি ছড়ানোর উদ্দেশ্যে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে মিথ্যা তথ্য প্রচার করলে দায়ী ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই বক্তব্য প্রকাশের পরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় সমালোচনা। অনেকেই প্রশ্ন তোলেন, অতিরিক্ত বিলের অভিযোগ প্রকাশ বা গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশকেও কি তাহলে ‘অপপ্রচার’ হিসেবে দেখা হবে? ভুক্তভোগী গ্রাহকদের অভিযোগ প্রকাশে এমন ভাষা ব্যবহারকে অনেকে অনাকাঙ্ক্ষিত বলেও মন্তব্য করেন। সমালোচনার মুখে একই রাতে বিদ্যুৎ বিভাগ সংশোধিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। নতুন বিজ্ঞপ্তিতে আগের সব বক্তব্য প্রায় অপরিবর্তিত থাকলেও শেষের হুঁশিয়ারিমূলক অংশটি
পুরোপুরি বাদ দেওয়া হয়। এর পরিবর্তে বলা হয়, ‘কোনো গ্রাহকের অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল বিষয়ক অভিযোগ থাকলে প্রমাণকসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন করলে সে বিষয়ে অবশ্যই কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকলকে দায়িত্বশীল আচরণ করার জন্য অনুরোধ করা হলো।’ গত মে ও জুন মাসের বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিল নিয়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় অসংখ্য গ্রাহক অতিরিক্ত বিলের অভিযোগ করেছেন। অনেকের দাবি, আগে যেখানে মাসে চার থেকে পাঁচ হাজার টাকা বিল পরিশোধ করতেন, সেখানে জুন মাসের ব্যবহারের জন্য জুলাইয়ে ১৫ থেকে ১৮ হাজার টাকা পর্যন্ত বিল এসেছে। সরকারি বিতরণ কোম্পানিগুলোর দাবি, জুন মাসে তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ায় বিদ্যুতের ব্যবহার বৃদ্ধি, উচ্চতর স্ল্যাবে চলে যাওয়া
এবং খুচরা পর্যায়ে নতুন দর কার্যকর হওয়ার কারণেই অনেক গ্রাহকের বিল আগের তুলনায় বেশি এসেছে। এ পরিস্থিতিতে অভিযোগ গ্রহণের জন্য হেল্পলাইন চালু করে বিদ্যুৎ বিভাগ। তাদের দাবি, পাওয়া অভিযোগগুলো যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে বিভিন্ন গণমাধ্যমে অতিরিক্ত বিল নিয়ে প্রতিবেদন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গ্রাহকদের অভিযোগ অব্যাহত থাকায় বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক থামেনি। এমন পরিস্থিতিতেই প্রথমে কঠোর আইনগত ব্যবস্থার সতর্কবার্তা দিয়ে পরে সেটি প্রত্যাহার করে সংশোধিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করল বিদ্যুৎ বিভাগ।
কোনো গ্রাহকের অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অভিযোগ থাকলে প্রমাণসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে কোনো প্রমাণ ছাড়া বিভ্রান্তি ছড়ানোর উদ্দেশ্যে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে মিথ্যা তথ্য প্রচার করলে দায়ী ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই বক্তব্য প্রকাশের পরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় সমালোচনা। অনেকেই প্রশ্ন তোলেন, অতিরিক্ত বিলের অভিযোগ প্রকাশ বা গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশকেও কি তাহলে ‘অপপ্রচার’ হিসেবে দেখা হবে? ভুক্তভোগী গ্রাহকদের অভিযোগ প্রকাশে এমন ভাষা ব্যবহারকে অনেকে অনাকাঙ্ক্ষিত বলেও মন্তব্য করেন। সমালোচনার মুখে একই রাতে বিদ্যুৎ বিভাগ সংশোধিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। নতুন বিজ্ঞপ্তিতে আগের সব বক্তব্য প্রায় অপরিবর্তিত থাকলেও শেষের হুঁশিয়ারিমূলক অংশটি
পুরোপুরি বাদ দেওয়া হয়। এর পরিবর্তে বলা হয়, ‘কোনো গ্রাহকের অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল বিষয়ক অভিযোগ থাকলে প্রমাণকসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন করলে সে বিষয়ে অবশ্যই কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকলকে দায়িত্বশীল আচরণ করার জন্য অনুরোধ করা হলো।’ গত মে ও জুন মাসের বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিল নিয়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় অসংখ্য গ্রাহক অতিরিক্ত বিলের অভিযোগ করেছেন। অনেকের দাবি, আগে যেখানে মাসে চার থেকে পাঁচ হাজার টাকা বিল পরিশোধ করতেন, সেখানে জুন মাসের ব্যবহারের জন্য জুলাইয়ে ১৫ থেকে ১৮ হাজার টাকা পর্যন্ত বিল এসেছে। সরকারি বিতরণ কোম্পানিগুলোর দাবি, জুন মাসে তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ায় বিদ্যুতের ব্যবহার বৃদ্ধি, উচ্চতর স্ল্যাবে চলে যাওয়া
এবং খুচরা পর্যায়ে নতুন দর কার্যকর হওয়ার কারণেই অনেক গ্রাহকের বিল আগের তুলনায় বেশি এসেছে। এ পরিস্থিতিতে অভিযোগ গ্রহণের জন্য হেল্পলাইন চালু করে বিদ্যুৎ বিভাগ। তাদের দাবি, পাওয়া অভিযোগগুলো যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে বিভিন্ন গণমাধ্যমে অতিরিক্ত বিল নিয়ে প্রতিবেদন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গ্রাহকদের অভিযোগ অব্যাহত থাকায় বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক থামেনি। এমন পরিস্থিতিতেই প্রথমে কঠোর আইনগত ব্যবস্থার সতর্কবার্তা দিয়ে পরে সেটি প্রত্যাহার করে সংশোধিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করল বিদ্যুৎ বিভাগ।



