পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ইসলামীকরন: কোরআন-উদ্ধৃতি দিয়ে ভারত-আফগানদের কাফের আখ্যা সেনাবাহিনীর মূখপাত্রের – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৩ August, ২০২৬

পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ইসলামীকরন: কোরআন-উদ্ধৃতি দিয়ে ভারত-আফগানদের কাফের আখ্যা সেনাবাহিনীর মূখপাত্রের

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৩ August, ২০২৬ |
পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী সাম্প্রতিক এক সরকারি সংবাদ সম্মেলনে আফগান তালেবান সরকারের এক মন্ত্রীর ভারত-আফগানিস্তান সম্পর্ক নিয়ে করা মন্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে সরাসরি কোরআনের একটি আয়াত উদ্ধৃত করেন, যা এখন ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। যা ঘটেছিল ভারত-আফগানিস্তান ঘনিষ্ঠতা নিয়ে আফগান মন্ত্রীর মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় জেনারেল চৌধুরী বলেন, ভারত ও হিন্দুদের সঙ্গে এমন নৈকট্য দাবি করার মধ্য দিয়ে ইসলামি নীতিমালা মেনে চলার প্রশ্ন উঠে যায়। তিনি তালেবান প্রশাসন ও সাধারণ আফগান জনগণের মধ্যে পার্থক্য টানার চেষ্টা করেন, বলেন সাধারণ আফগানরা তালেবান শাসনে ভুগছে এবং তাদের শাসকদের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা উচিত নয়। এরপর তিনি তালেবান শাসনের সমালোচনা করে বলেন, নারী ও শিশুদের

প্রতি তাদের আচরণ এবং মুসলিমদের বিরুদ্ধে সহিংসতার অনুমতি দিয়ে জারি করা ধর্মীয় ফতোয়ার সঙ্গে ইসলামের কোনো সম্পর্ক নেই। এই বক্তব্যের ধারাবাহিকতায় তিনি একটি কোরআনি আয়াত উল্লেখ করেন, যাতে বলা হয়েছে মুসলিমদের কাফেরদের বন্ধু বা অভিভাবক হিসেবে গ্রহণ করা উচিত নয় বলে তিনি দাবি করেন। তিনি যুক্তি দেন যে বিষয়টি আফগান মন্ত্রীর “ডিএনএ” সংক্রান্ত মন্তব্যের চেয়েও গভীর। এছাড়া তিনি তালেবান সরকার ও ভারতের বিজেপি-আরএসএসের সম্পর্ককে “প্রভু ও দাসের” সম্পর্ক বলে বর্ণনা করেন এবং তালেবানকে ভারতের স্বার্থ রক্ষা করার অভিযোগ আনেন। ভারতের বিরুদ্ধে অভিযোগ একই সংবাদ সম্মেলনে জেনারেল চৌধুরী ভারতের বিরুদ্ধে পুরনো অভিযোগগুলোও নতুন করে তুলে ধরেন — বিশেষত আফগানিস্তানের ভূখণ্ড ব্যবহার করে পাকিস্তানের

অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার অভিযোগ। এসব অভিযোগ ভারত বরাবরই অস্বীকার করে আসছে। প্রসঙ্গত, চৌধুরী অতীতেও ভারতের বিরুদ্ধে আফগানিস্তানে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার অভিযোগ তুলেছিলেন, যা আফগান তালেবান সরকার ও ভারত সরকার উভয়েই অস্বীকার করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, চৌধুরীর এই সাম্প্রতিক মন্তব্য পাকিস্তানের ক্রমবর্ধমান অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংকট থেকে দৃষ্টি সরানোর বৃহত্তর কৌশলের অংশ, যার মধ্যে রয়েছে খাইবার পাখতুনখোয়া ও বেলুচিস্তানে জঙ্গি হামলা বৃদ্ধি এবং চীন-সমর্থিত সিপিইসি প্রকল্পগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ। এছাড়া, পাকিস্তানের ক্রমবর্ধমানভাবে “ফিতনা আল-হিন্দুস্তান” জাতীয় শব্দ ব্যবহার একটি রাজনৈতিক ও আইনি বয়ান তৈরির প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সমস্যাকে ভারত ও আফগানিস্তানের সঙ্গে যুক্ত করে। বিশ্লেষকদের মতে, এই কৌশল

অভ্যন্তরীণ সমালোচকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণকে যৌক্তিক করার পাশাপাশি নিজেদের নিরাপত্তা সংকটের দায় বাইরে ঠেলে দেওয়ার লক্ষ্যে করা হচ্ছে। সেনাবাহিনীর ইসলামীকরণ: দীর্ঘমেয়াদী প্রবণতা পাকিস্তান সেনাবাহিনীর শীর্ষ মুখপাত্রের মুখে সরাসরি ধর্মীয় আয়াত উদ্ধৃত করে ভূরাজনৈতিক অবস্থান ব্যাখ্যা করার ঘটনা নতুন নয়, তবে সাম্প্রতিক সময়ে এই প্রবণতা আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে বলে পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন। জেনারেল জিয়াউল হকের শাসনামল থেকে শুরু হওয়া প্রাতিষ্ঠানিক ইসলামীকরণ প্রক্রিয়া পাকিস্তান সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষণ, নিয়োগ ও প্রকাশ্য বক্তব্যে দীর্ঘদিন ধরে প্রভাব ফেলে আসছে বলে বিভিন্ন সময়ে বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেছেন। একজন উচ্চপদস্থ আইএসপিআর কর্মকর্তার প্রকাশ্য সংবাদ সম্মেলনে ধর্মীয় গ্রন্থ থেকে আয়াত উদ্ধৃত করে প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সম্পর্কের প্রশ্নে “কাফের-মুসলিম” বিভাজনের ভাষা ব্যবহার

করাকে অনেকে সামরিক প্রতিষ্ঠানের ধর্মীয়করণের একটি দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, জেনারেল চৌধুরীর ব্যক্তিগত পারিবারিক প্রেক্ষাপটও এক্ষেত্রে আলোচনায় এসেছে — তাঁর পিতা সুলতান বশিরউদ্দিন মাহমুদ, যিনি পাকিস্তান পরমাণু শক্তি কমিশনের সাবেক মহাপরিচালক ছিলেন, কোরআনের প্রথমাংশের একটি “বৈজ্ঞানিক তাফসির”সহ ধর্মীয় বিষয়ে একাধিক বই লিখেছেন। সামগ্রিক পর্যবেক্ষণ বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, পাকিস্তান সেনাবাহিনীর প্রকাশ্য বক্তব্যে ক্রমবর্ধমান ধর্মীয় ভাষা ব্যবহার এবং প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে সম্পর্ককে ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যাখ্যা করার প্রবণতা দেশটির অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা সংকটের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। তবে এ বিষয়ে ভিন্নমতও রয়েছে — কেউ কেউ মনে করেন এটি নিছক কূটনৈতিক বাগাড়ম্বর, আবার কেউ কেউ একে প্রাতিষ্ঠানিক নীতির প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন। বিষয়টি নিয়ে

পাকিস্তান সরকার বা সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যাখ্যা এখনো আসেনি।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
নূর আলম ও আদম, দুই ভিন্ন পথের মানুষ বন্ধ এলএনজি টার্মিনাল পুনরায় চালু, গ্যাস সরবরাহ বাড়ছে পাঠ্যবইয়ের কাগজে টনপ্রতি ২২ হাজার টাকার কারসাজি: সিন্ডিকেট হাতিয়ে নিল ৫৫ কোটি টাকা শতাধিক খাম্বা রেখেই সড়কের ৯৫% সম্পন্ন, উদ্বোধনের আগে আবার কাটতে হবে রাস্তা? শহিদ ধীরেন্দ্রনাথের বাড়ির সাইনবোর্ড ভাঙচুর এনসিপির: মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে হঠাৎ তাদের এই দরদের নেপথ্যে কী? সিলেট হৃদয়ের মহাকাব্যিক ২৪২*, অবিশ্বাস্যভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের লিড আরেক দফা বাড়ল সবধরনের চালের দাম দেশে এলপিজির মোট চাহিদার ৮৫ শতাংশই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একক দখলে জিয়ার ছবিহীন ব্যানার, বঙ্গবন্ধুকে ‘জাতির পিতা’ আখ্যা: পরে স্কচটেপ দিয়ে জিয়ার ছবি লাগিয়ে অনুষ্ঠান সুনামগঞ্জে ৭ নভেম্বরের অনুষ্ঠান উপলক্ষে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ গার্ড অব অনার ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন, ক্ষুব্ধ স্বজনরা ২০৩০ সালের মধ্যে ঢাকায় দুটি মনোরেল রুট নির্মাণের পরিকল্পনা ঢাকার মিরপুরে নিজ বাসায় এক যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ফেসবুক ও এক্সে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হয়েছে। একজন নারীর পিঠে আঘাতের চিহ্ন থাকা ছবি ব্যবহার করে এই দাবিটি ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। অর্ধশতাধিক অ্যাকাউন্ট থেকে একই ধরনের তথ্য প্রচারের বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। বিজ্ঞাপন শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দিনভর ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়, ওই নারী থানায় অভিযোগ জানাতে গিয়ে ওসির সঙ্গে কথোপকথনে লিপ্ত হন। তবে পোস্টগুলোতে ঘটনার কোনো নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করা হয়নি। যাচাইয়ে ছবিটিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে এবং পুলিশ জানিয়েছে, এমন কোনো অভিযোগ তাদের কাছে আসেনি। এছাড়া ওই নারীর পরিচয় বা অস্তিত্বও এখন পর্যন্ত কোথাও পাওয়া যায়নি। ছবিটি পোস্ট করা তিন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা কেউই নির্যাতনের শিকার ওই নারীর ঠিকানা বা থানায় দেওয়া অভিযোগের অনুলিপি দিতে পারেননি। তারা স্বীকার করেছেন যে, তারা অন্যের পোস্ট কপি করে নিজেদের অ্যাকাউন্টে দিয়েছেন এবং ঘটনার বিস্তারিত কিছুই জানেন না। পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়েছে, মিরপুর থানা যুব মহিলা লীগের ‘সংগঠক’ শ্রীময়ী রীতা রানীকে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় ও ধর্মের কারণে বাসায় ঢুকে পাশবিক নির্যাতন করা হয়েছে। মারধরে তাঁর শরীর রক্তাক্ত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়। কিছু পোস্টে ফিরোজ নামের এক ব্যক্তিকে এই নির্যাতনের জন্য দায়ী করা হয়েছে, তবে তাঁর পরিচয় নিয়ে পোস্টগুলোতে অসংগতি রয়েছে। কোথাও বলা হয়েছে তিনি মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়কের নির্দেশে এই কাজ করেছেন, আবার কোথাও তাঁকে থানা কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পোস্টদাতাদের দাবি অনুযায়ী, ওই নারী থানায় অভিযোগ করতে গেলে ওসি তাঁকে সৌন্দর্যই তাঁর ‘কাল’ বলে মন্তব্য করেন এবং বোরকা পরার পরামর্শ দেন। এ ধরনের অভিযোগ তুলে পোস্টগুলোতে সংখ্যালঘু সুরক্ষা ও নারী নিরাপত্তাসহ নারীবাদীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোর মধ্যে প্রথম তথ্য পাওয়া যায় শুক্রবার বেলা ১১টা ৫৯ মিনিটে ‘এফ কে জয় জয়’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে। পরবর্তীতে ‘মুকুল আহমেদ’ ও ‘সুমন মল্লিক’ নামের আরও দুটি প্রোফাইল থেকে একই পোস্ট দেওয়া হয়, যেগুলোর আগের পোস্ট পর্যালোচনা করে দেখা যায় সেগুলো নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে নিয়মিত প্রচার চালায়। বিকেল ৪টা ৪৮ মিনিটে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন নিজের ফেসবুক পেজে ছবিটি পোস্ট করলে তাতে রাত আটটা পর্যন্ত প্রায় চার হাজার প্রতিক্রিয়া পড়ে। এক্সেও ‘Dr Baidyanath Ghosh’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে ছবিটি ছড়ানো হয়, যা রাত নয়টা পর্যন্ত ১ লাখ ৪৮ হাজার বার দেখা হয়েছে। ছবিটি ছড়িয়ে পড়লে জনমনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয় এবং অনেকে সত্যতা জানতে চেয়ে যোগাযোগ করেন। ছবিটি যাচাইয়ের জন্য সিন্থআইডি, ওপেনএআইয়ের এআই-জেনারেটেড কনটেন্ট যাচাইয়ের টুল ও হাইভ মডারেশন ব্যবহার করা হয়েছে। সব টুলই নিশ্চিত করেছে যে ছবিটি তৈরিতে এআই প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছে। এর সূত্র খুঁজতে গিয়ে প্রায় এক মাস আগের ভারতের কেরালায় এক নববধূকে নির্যাতনের ঘটনার ছবির সঙ্গে মিল পাওয়া গেছে, যা সম্পাদনা করে এই নতুন ছবিটি তৈরি করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া যুব মহিলা লীগের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, তাদের সংগঠনে ‘সংগঠক’ নামে কোনো পদ নেই। মিরপুর থানার ওসি মো. হাফিজুর রহমান সন্ধ্যায় জানান, তাঁর থানা এলাকায় এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি এবং কোনো নারী অভিযোগ নিয়ে থানায় আসেননি। এছাড়া মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) হাসান মোহাম্মদ নাসের রিকাবদার জানিয়েছেন, তাঁর বিভাগের অধীন কোনো থানায় এমন কোনো মামলা বা অভিযোগ জমা পড়েনি। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযুক্ত হিসেবে নাম আসা মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি ফিরোজ আহমেদ বলেন, ‘এমন কোনো বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। তাঁকে চিনিও না। এলাকায় এমন নামে কেউ আছেন, আবার তিনি যুব মহিলা লীগ করেন—এমন শুনিওনি। কেউ বলতেও পারছেন না। অনেক পুলিশ কর্মকর্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার লোকেরাও আমাকে ফোন দিয়েছেন।’ যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের দাবি: এআই ব্যবহারের প্রমাণ ও নারীর খোঁজ মেলেনি হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ হিসেবে স্টিফেন মিলারকে বেছে নিলেন ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তার প্রিন্স হ্যারির শ্বশুর টমাস মার্কেল চীনের অতি গোপনীয় স্পেসপ্লেনের ছবি প্রকাশ করল যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মক্তব শিক্ষক গ্রেপ্তার সব অন্যায় ও গুম-খুনের বিচার করতে আমরা বদ্ধপরিকর: আইনমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের