ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বিজ্ঞানীদের সতর্কবার্তা: আসছে সুপার এল নিনো, বিশ্বজুড়ে রেকর্ড তাপমাত্রা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের আশঙ্কা
ইউরোপের ‘ব্যতিক্রমী’ গ্রীষ্মকালীন তাপপ্রবাহে ধুঁকছে অর্থনীতি, শুকিয়ে যাচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ নদীগুলো
নিষেধাজ্ঞার চাপে বিপর্যস্ত ইরান, কঠিন বাস্তবতা স্বীকার করলেন প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান
সৌদি-মার্কিন নতুন পারমাণবিক চুক্তি: অস্ত্র প্রতিযোগিতার শঙ্কা?
ইরান যুদ্ধের ধাক্কায় বিভক্ত সৌদি-আমিরাত, উপসাগরীয় অঞ্চলে বাড়ছে প্রতিদ্বন্দ্বিতা
গাজায় একাকী বেঁচে থাকা এক প্রজন্মের টিকে থাকার সংগ্রাম
মধ্যপ্রাচ্য থেকে ২০ হাজার পাকিস্তানিকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বহিষ্কার
ভারতে চাকরির পরীক্ষা যেভাবে ক্ষোভের কারণ
অশোক কুমার বিশ্বাস করেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি একসময় তাঁর পরিবারের ভাগ্য বদলে দিয়েছিলেন। ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদি ক্ষমতায় আসার পর স্বল্পমূল্যে রান্নার গ্যাস, কৃষকদের সরাসরি ভর্তুকিসহ বিভিন্ন সরকারি সুবিধা তাদের কৃষক পরিবারে কিছুটা স্বস্তি এনে দেয়। সেই কৃতজ্ঞতায় অশোকের মা-বাবা টানা তিনটি নির্বাচনে তাঁকে ভোট দেন।
কিন্তু গত সপ্তাহে সেই ২৫ বছর বয়সী অশোক দিল্লির ঐতিহাসিক যন্তর মন্তর এলাকায় মোদি সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে অংশ নেন। ব্যঙ্গাত্মক সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতৃত্বে হওয়া এ আন্দোলন ভারতের ক্ষুব্ধ ও বঞ্চিত তরুণদের কণ্ঠস্বর হয়ে ওঠে। সরকার প্রায় ২০ লাখ শিক্ষার্থীর জাতীয় মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার ফল বাতিল করার পর আন্দোলনের সূত্রপাত।
প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রমাণ
পাওয়ায় ফল বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরীক্ষার্থীদের মধ্যে অশোকের ছোট ভাই অভিষেকও ছিলেন। ভারতে সরকারি চাকরি ও উচ্চশিক্ষায় প্রবেশের অন্যতম প্রধান পথ এসব প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা। কূটনীতিক, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, কেরানি থেকে শুরু করে বনরক্ষী– হাজারো সরকারি পদে নিয়োগ নির্ভর করে কঠিন এসব পরীক্ষার ওপর। লাখ লাখ শিক্ষার্থী বছরের পর বছর এবং বিপুল অর্থ ব্যয় করে এসব পরীক্ষার প্রস্তুতি নেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ২০১৪ সালের পর থেকে প্রশ্নপত্র ফাঁসের কারণে অন্তত দুই ডজন জাতীয় পরীক্ষার ফল বাতিল হয়েছে। তবে এবারের ঘটনা কয়েক দশকের মধ্যে ভারতের অন্যতম বড় ছাত্র আন্দোলনের জন্ম দিয়েছে। দিল্লিসহ বিভিন্ন শহরে হাজারো শিক্ষার্থী রাস্তায় নেমে আসেন। তাদের
অভিযোগ, বারবার প্রশ্নপত্র ফাঁস ও পরীক্ষায় অব্যবস্থাপনা লাখো তরুণের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত করে তুলছে। সরকারি চাকরির নিরাপত্তার স্বপ্নই তাদের একমাত্র ভরসা। চার বছর আগে অশোক নিজের রাজ্য বিহার থেকে প্রায় এক হাজার কিলোমিটার দূরবর্তী দিল্লিতে চলে আসেন। সেখানে স্নাতকোত্তর শেষ করে তিনি সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার কোচিংয়ে ভর্তি হন। বহুবার চেষ্টা করেও কাঙ্ক্ষিত পরীক্ষায় সফল হতে পারেননি। পরে তাঁর ছোট ভাই অভিষেকও মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য দিল্লিতে যোগ দেন। এই দুই ভাইয়ের মতো হাজারো তরুণ মোদি সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে শামিল হয়েছেন। তাদের অভিযোগের মধ্যে রয়েছে– অর্থনৈতিক বৈষম্য বৃদ্ধি, যুব বেকারত্ব, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সংকুচিত হওয়া এবং সরকারি ব্যবস্থাপনায় দুর্নীতি। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ৩০ বছরের কম
বয়সী ভারতীয়দের বেকার হওয়ার আশঙ্কা দেশের গড় নাগরিকের তুলনায় প্রায় তিন গুণ। ফের আন্দোলন, সিজেপির সমর্থন এবার ঝাড়খণ্ডে চাকরির পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ ঘিরে বিক্ষোভ তীব্র আকার ধারণ করেছে। এ পরিস্থিতিতে চাকরিপ্রার্থীরা ১৪তম জেপিএসসি প্রিলিমিনারি পরীক্ষা বাতিল, প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগের তদন্ত এবং রাজ্যের নিয়োগ ব্যবস্থায় সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন। এরই মধ্যে অনির্দিষ্টকালের জন্য অনশন শুরু করেছেন এক ছাত্রনেতা। এ আন্দোলন সিজেপির সমর্থনও পেয়েছে। এর ফলে রাঁচিতে চলা বিক্ষোভ আরও জোরদার হচ্ছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনিয়মের প্রতিবাদে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন ছাত্রনেতা দেবেন্দ্রনাথ মাহাতো। তিনি গত রোববার রাঁচির জয়পাল সিং মুণ্ডা স্টেডিয়ামে অনির্দিষ্টকালের জন্য অনশন শুরু করেছেন। প্রশ্নপত্র ফাঁস, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম
এবং প্রশাসনিক গাফিলতির মতো যেসব ঘটনার অভিযোগ উঠেছে, তার জের ধরেই এ বিক্ষোভের সূত্রপাত। শিক্ষার্থীদের মতে, এসব ঘটনায় বারবার তাদের ক্যারিয়ার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
পাওয়ায় ফল বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরীক্ষার্থীদের মধ্যে অশোকের ছোট ভাই অভিষেকও ছিলেন। ভারতে সরকারি চাকরি ও উচ্চশিক্ষায় প্রবেশের অন্যতম প্রধান পথ এসব প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা। কূটনীতিক, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, কেরানি থেকে শুরু করে বনরক্ষী– হাজারো সরকারি পদে নিয়োগ নির্ভর করে কঠিন এসব পরীক্ষার ওপর। লাখ লাখ শিক্ষার্থী বছরের পর বছর এবং বিপুল অর্থ ব্যয় করে এসব পরীক্ষার প্রস্তুতি নেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ২০১৪ সালের পর থেকে প্রশ্নপত্র ফাঁসের কারণে অন্তত দুই ডজন জাতীয় পরীক্ষার ফল বাতিল হয়েছে। তবে এবারের ঘটনা কয়েক দশকের মধ্যে ভারতের অন্যতম বড় ছাত্র আন্দোলনের জন্ম দিয়েছে। দিল্লিসহ বিভিন্ন শহরে হাজারো শিক্ষার্থী রাস্তায় নেমে আসেন। তাদের
অভিযোগ, বারবার প্রশ্নপত্র ফাঁস ও পরীক্ষায় অব্যবস্থাপনা লাখো তরুণের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত করে তুলছে। সরকারি চাকরির নিরাপত্তার স্বপ্নই তাদের একমাত্র ভরসা। চার বছর আগে অশোক নিজের রাজ্য বিহার থেকে প্রায় এক হাজার কিলোমিটার দূরবর্তী দিল্লিতে চলে আসেন। সেখানে স্নাতকোত্তর শেষ করে তিনি সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার কোচিংয়ে ভর্তি হন। বহুবার চেষ্টা করেও কাঙ্ক্ষিত পরীক্ষায় সফল হতে পারেননি। পরে তাঁর ছোট ভাই অভিষেকও মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য দিল্লিতে যোগ দেন। এই দুই ভাইয়ের মতো হাজারো তরুণ মোদি সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে শামিল হয়েছেন। তাদের অভিযোগের মধ্যে রয়েছে– অর্থনৈতিক বৈষম্য বৃদ্ধি, যুব বেকারত্ব, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সংকুচিত হওয়া এবং সরকারি ব্যবস্থাপনায় দুর্নীতি। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ৩০ বছরের কম
বয়সী ভারতীয়দের বেকার হওয়ার আশঙ্কা দেশের গড় নাগরিকের তুলনায় প্রায় তিন গুণ। ফের আন্দোলন, সিজেপির সমর্থন এবার ঝাড়খণ্ডে চাকরির পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ ঘিরে বিক্ষোভ তীব্র আকার ধারণ করেছে। এ পরিস্থিতিতে চাকরিপ্রার্থীরা ১৪তম জেপিএসসি প্রিলিমিনারি পরীক্ষা বাতিল, প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগের তদন্ত এবং রাজ্যের নিয়োগ ব্যবস্থায় সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন। এরই মধ্যে অনির্দিষ্টকালের জন্য অনশন শুরু করেছেন এক ছাত্রনেতা। এ আন্দোলন সিজেপির সমর্থনও পেয়েছে। এর ফলে রাঁচিতে চলা বিক্ষোভ আরও জোরদার হচ্ছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনিয়মের প্রতিবাদে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন ছাত্রনেতা দেবেন্দ্রনাথ মাহাতো। তিনি গত রোববার রাঁচির জয়পাল সিং মুণ্ডা স্টেডিয়ামে অনির্দিষ্টকালের জন্য অনশন শুরু করেছেন। প্রশ্নপত্র ফাঁস, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম
এবং প্রশাসনিক গাফিলতির মতো যেসব ঘটনার অভিযোগ উঠেছে, তার জের ধরেই এ বিক্ষোভের সূত্রপাত। শিক্ষার্থীদের মতে, এসব ঘটনায় বারবার তাদের ক্যারিয়ার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।



