ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তৌহিদি জনতার কাছে সরকারের মুচলেকা: ‘পরের বছর থেকে আর নৌকাবাইচ হবে না, ২৮ আগস্টই শেষবার’
রংপুরে একই পরিবারের ৪ জনকে হত্যা, বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য
শিক্ষক নিয়োগে ভুল চাহিদায় সুপারিশপ্রাপ্তদের জন্য সুখবর
জামালপুরে ৯৫০ কেজি ঘোড়ার মাংসসহ আটক ৫ জনকে কারাদণ্ড
৩ কেজি আইসসহ বিদেশি নাগরিক আটক
অর্থমন্ত্রী: বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সংকট সরকারের নিয়ন্ত্রণে নেই
গ্রামের রাস্তা মেরামতে ৮০টি কম্পিউটার, ৩০ লাখের সফটওয়্যার: পরামর্শকের ১৪ কোটি, লাগবে ১৪০টি বাইক-জিপ
পুলিশের শার্ট কেন আসামির পরনে- প্রশ্ন করায় মিলল অদ্ভুত উত্তর
রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় রংপুর জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেপ্তার দুই সন্দেহভাজনের একজনের পরনের শার্ট নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলছে তুমুল আলোচনা। মরদেহ উদ্ধারের দিন একই ধরনের শার্ট পরা অবস্থায় পুলিশের এক কর্মকর্তাকে দেখা যাওয়ায় বিষয়টি নিয়ে উঠেছে নানা প্রশ্ন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিওতে মরদেহ উদ্ধারের সময় এক পুলিশ কর্মকর্তাকে ব্যক্তিকে একই শার্ট পরে সিঁড়ি দিয়ে উঠতে দেখা যায়। তার মুখে মাস্ক ছিল। প্রশ্নের জবাবে ওই কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমকে অদ্ভূত উত্তর দেন। তার দাবি, একই শার্ট আলাদা আলাদা লোক পরতেই পারে।
বিষয়টি অতিমাত্রায় কাকতালীয় কিনা- এর কোনো জবাব অবশ্য পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত
সন্দেহভাজন হিসেবে সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তাদের বাড়িও মাছুয়াপাড়ায়। হত্যাকাণ্ডের পর ভবনটিতে বসে তারা ইয়াবা সেবন করেন- বলে পুলিশ দাবি করেছে। পুলিশের দাবি, আটক দুজনের একজন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান টের পেয়ে পালিয়ে পার্শ্ববর্তী রেশম উন্নয়ন বোর্ডের তুঁতবাগানে লুকিয়ে পড়েন। পরে তুঁতবাগানের পাশেই দখীগঞ্জ শ্মশান থেকে তাকে আটক করা হয়। এদিকে তদন্তে যুক্ত কর্মকর্তাদের পরিচয় নিয়েও স্যোশাল মিডিয়ায় আলোচনা চলছে। চার খুনের ঘটনায় তদন্তের সঙ্গে যুক্ত সিআইডির ইনচার্জ, মরদেহ উদ্ধারে নেতৃত্ব দেওয়া উপ-কমিশনার এবং মামলার তদন্ত কর্মকর্তা— সবাই হিন্দু ধর্মাবলম্বী। গ্রেপ্তার দুই সন্দেহভাজনও একই ধর্মের অনুসারী। তবে পুলিশ কর্মকর্তাদের দাবি, এটি নিছক কাকতালীয় বিষয় এবং কাউকে ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে
তদন্তে যুক্ত করা হয়নি। শনিবার সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ কমিশনার দাবি করেছেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার দুই যুবক হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে জানান বৃহস্পতিবার রাতে মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থ এক মাদক কারবারির কাছ থেকে ইয়াবা কিনে সীমান্ত নামে এক ব্যক্তির বাসায় বসে তা সেবন করেন। পরে রাতের শেষ দিকে তারা দেবু নামে এক ব্যক্তির নির্মাণাধীন ভবনের ছাদ থেকে গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির ছাদে যান। সেখানে ইয়াবা সেবনের সময় শব্দ হলে গণপতি চক্রবর্তী খালি গায়ে ও গলায় গামছা নিয়ে ছাদে আসেন। তবে পুলিশের এই বক্তব্য ঘিরেও প্রশ্ন উঠেছে। ইয়াবা সেবনের জন্য পাশের নির্মাণাধীন তিনতলা ভবনের পুরো ফাঁকা জায়গা ও ছাদ থাকার পরও তারা
সেখান থেকে লাফ দিয়ে কেন গণপতি চক্রবর্তীর দোতলা বাড়ির ছাদে নামলেন; সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ কমিশনারের কাছে এমন প্রশ্ন করা হয়। জবাবে পুলিশ কমিশনার বলেন, অল্প সময়ে মামলার তদন্তে যতটুকু অগ্রগতি হয়েছে, তাতে তিনি সন্তুষ্ট। একই সঙ্গে পুলিশের ইতিবাচক কাজের প্রশংসা এবং নেতিবাচক কাজের সমালোচনা করার আহ্বান জানান তিনি। তদন্তে আস্থা রাখার কথাও বলেন। এর মধ্যে রোববার বিকেল ৫টার দিকে গ্রেপ্তার দুই যুবককে আদালতে হাজির করা হয়। মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের বিচারক মো. রফিকুল ইসলামের কাছে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় তারা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিলন চ্যাটার্জি। তিনি বলেন, দুই যুবক আদালতে হত্যাকাণ্ডের দায়
স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। তারা নিজেদের দায় স্বীকার করায় তাদের আর রিমান্ডে নেওয়ার প্রয়োজন হয়নি। এ ঘটনায় নিহত গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে রোববার কোতোয়ালি থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন।
সন্দেহভাজন হিসেবে সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তাদের বাড়িও মাছুয়াপাড়ায়। হত্যাকাণ্ডের পর ভবনটিতে বসে তারা ইয়াবা সেবন করেন- বলে পুলিশ দাবি করেছে। পুলিশের দাবি, আটক দুজনের একজন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান টের পেয়ে পালিয়ে পার্শ্ববর্তী রেশম উন্নয়ন বোর্ডের তুঁতবাগানে লুকিয়ে পড়েন। পরে তুঁতবাগানের পাশেই দখীগঞ্জ শ্মশান থেকে তাকে আটক করা হয়। এদিকে তদন্তে যুক্ত কর্মকর্তাদের পরিচয় নিয়েও স্যোশাল মিডিয়ায় আলোচনা চলছে। চার খুনের ঘটনায় তদন্তের সঙ্গে যুক্ত সিআইডির ইনচার্জ, মরদেহ উদ্ধারে নেতৃত্ব দেওয়া উপ-কমিশনার এবং মামলার তদন্ত কর্মকর্তা— সবাই হিন্দু ধর্মাবলম্বী। গ্রেপ্তার দুই সন্দেহভাজনও একই ধর্মের অনুসারী। তবে পুলিশ কর্মকর্তাদের দাবি, এটি নিছক কাকতালীয় বিষয় এবং কাউকে ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে
তদন্তে যুক্ত করা হয়নি। শনিবার সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ কমিশনার দাবি করেছেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার দুই যুবক হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে জানান বৃহস্পতিবার রাতে মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থ এক মাদক কারবারির কাছ থেকে ইয়াবা কিনে সীমান্ত নামে এক ব্যক্তির বাসায় বসে তা সেবন করেন। পরে রাতের শেষ দিকে তারা দেবু নামে এক ব্যক্তির নির্মাণাধীন ভবনের ছাদ থেকে গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির ছাদে যান। সেখানে ইয়াবা সেবনের সময় শব্দ হলে গণপতি চক্রবর্তী খালি গায়ে ও গলায় গামছা নিয়ে ছাদে আসেন। তবে পুলিশের এই বক্তব্য ঘিরেও প্রশ্ন উঠেছে। ইয়াবা সেবনের জন্য পাশের নির্মাণাধীন তিনতলা ভবনের পুরো ফাঁকা জায়গা ও ছাদ থাকার পরও তারা
সেখান থেকে লাফ দিয়ে কেন গণপতি চক্রবর্তীর দোতলা বাড়ির ছাদে নামলেন; সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ কমিশনারের কাছে এমন প্রশ্ন করা হয়। জবাবে পুলিশ কমিশনার বলেন, অল্প সময়ে মামলার তদন্তে যতটুকু অগ্রগতি হয়েছে, তাতে তিনি সন্তুষ্ট। একই সঙ্গে পুলিশের ইতিবাচক কাজের প্রশংসা এবং নেতিবাচক কাজের সমালোচনা করার আহ্বান জানান তিনি। তদন্তে আস্থা রাখার কথাও বলেন। এর মধ্যে রোববার বিকেল ৫টার দিকে গ্রেপ্তার দুই যুবককে আদালতে হাজির করা হয়। মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের বিচারক মো. রফিকুল ইসলামের কাছে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় তারা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিলন চ্যাটার্জি। তিনি বলেন, দুই যুবক আদালতে হত্যাকাণ্ডের দায়
স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। তারা নিজেদের দায় স্বীকার করায় তাদের আর রিমান্ডে নেওয়ার প্রয়োজন হয়নি। এ ঘটনায় নিহত গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে রোববার কোতোয়ালি থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন।



