ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফশিল স্থগিত চাওয়া রিট খারিজ
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফশিল স্থগিত চেয়ে রিটের আদেশ মঙ্গলবার
ঢাকার আদালতপাড়ায় ভাড়ায় মেলে আসামি
২৫ বছরের আগে পদত্যাগ করলে পেনশন সুবিধা পাবেন না সরকারি চাকরিজীবীরা
ফুটবল বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে দেশে ১১ মৃত্যু, হাইকোর্টে রিট
জাবির সেই ছাত্রীকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দিতে হাইকোর্টের নির্দেশ
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের রায় নিয়ে বিচারিক নৈতিকতা ও স্বার্থের দ্বন্দ্ব নিয়ে তীব্র বিতর্ক
পি কে হালদারের সহযোগী অভিজিতের ৭ বছর কারাদণ্ড
দুর্নীতির মামলায় পলাতক প্রশান্ত কুমার হালদার ওরফে পি কে হালদারের সহযোগী ও সুখাদা প্রপার্টিজ লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক অভিজিৎ অধিকারী তীর্থকে সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ সোমবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১ এর বিচারক মুহা. হাসানুজ্জামান পৃথক দুই ধারায় এ রায় ঘোষণা করেন।
সম্পদের তথ্য গোপনের মামলায় অভিজিৎ অধিকারীকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া জ্ঞাত আয় বর্হিভূত সম্পদ অর্জনের দায়ে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পাশাপাশি এক কোটি ৩৫ লাখ পাঁচ হাজার ২৮৪ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে; অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে আরও ৩০ দিনের কারাভোগ করতে হবে। এছাড়া জ্ঞাত আয়ের উৎসের বাইরে অর্জিত সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেন আদালত।
আসামি পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। দুই ধারার সাজা একত্রে চলবে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়। এক্ষেত্রে নিয়ম অনুযায়ী সর্বোচ্চ সাজা পাঁচ বছর কারাভোগ করতে হবে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রাজিব দে। ২০২৩ সালের ৬ মার্চ দুদকের সহকারী পরিচালক মানসী বিশ্বাস এ মামলা করেন। মামলায় অভিজিতের বিরুদ্ধে এক কোটি ২২ লাখ ৫০ হাজার টাকার জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পদ ভোগ দখলের অভিযোগ আনা হয়। এছাড়া নির্ধারিত সময়ে সম্পদ বিবরণী দাখিল না করার অপরাধও উপস্থাপন করা হয়।। তদন্ত শেষে ২০২৪ সালের ৫ মে দুদকের উপপরিচালক নাজমুল হুসাইন অভিজিতের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন। অভিযোগপত্রে তার বিরুদ্ধে এক
কোটি ৩৫ লাখ পাঁচ হাজার ২৮৪ টাকার অবৈধ সম্পদের অভিযোগ আনা হয়। ২০২৫ সালের ১৩ মার্চ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়। বিচার চলাকালে পাঁচ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত।
আসামি পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। দুই ধারার সাজা একত্রে চলবে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়। এক্ষেত্রে নিয়ম অনুযায়ী সর্বোচ্চ সাজা পাঁচ বছর কারাভোগ করতে হবে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রাজিব দে। ২০২৩ সালের ৬ মার্চ দুদকের সহকারী পরিচালক মানসী বিশ্বাস এ মামলা করেন। মামলায় অভিজিতের বিরুদ্ধে এক কোটি ২২ লাখ ৫০ হাজার টাকার জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পদ ভোগ দখলের অভিযোগ আনা হয়। এছাড়া নির্ধারিত সময়ে সম্পদ বিবরণী দাখিল না করার অপরাধও উপস্থাপন করা হয়।। তদন্ত শেষে ২০২৪ সালের ৫ মে দুদকের উপপরিচালক নাজমুল হুসাইন অভিজিতের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন। অভিযোগপত্রে তার বিরুদ্ধে এক
কোটি ৩৫ লাখ পাঁচ হাজার ২৮৪ টাকার অবৈধ সম্পদের অভিযোগ আনা হয়। ২০২৫ সালের ১৩ মার্চ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়। বিচার চলাকালে পাঁচ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত।



