ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শেয়ারবাজারে বড় ধস, এক সপ্তাহে উধাও ৯ হাজার ৬৩২ কোটি টাকার বাজারমূলধন
ইউরোপে পোশাক রপ্তানিতে প্রতিদ্বন্দ্বীদের কাছে মার খাচ্ছে বাংলাদেশ, বিকল্প খুঁজছেন ক্রেতারা
৩ মাসে দেশে কোটিপতির সংখ্যা বেড়েছে ২ হাজার ২০৯ জন
২৫ জুলাই ২০২৬: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি কত?
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে পতন
তেলের দাম বাড়ার প্রভাবে কমল স্বর্ণের দাম
হঠাৎ এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটে দেশ
অধিকাংশ সবজি ১০০ টাকার ওপরে: কাঁচা মরিচের ট্রিপল সেঞ্চুরি, বেড়েছে মাছ-ডিম-মুরগির দামও
টানা কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টি ও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বন্যার প্রভাবে রাজধানীর কাঁচাবাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে নতুন করে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে সবজির বাজারে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে।
বর্তমানে রাজধানীর বেশিরভাগ সবজি প্রতি কেজি ১০০ টাকার ওপরে বিক্রি হচ্ছে। একই সঙ্গে বেড়েছে কাঁচা মরিচ, মাছ, ডিম, মুরগি ও পেঁয়াজের দামও।
রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, পেঁপে ছাড়া প্রায় সব ধরনের সবজির দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বর্তমানে পেঁপে প্রতি কেজি ৪০ টাকা এবং হাতে গোনা কয়েকটি সবজি ৮০ টাকায় পাওয়া গেলেও অধিকাংশ সবজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১৬০ টাকা কেজি দরে।
সবচেয়ে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে কাঁচা মরিচ, যার কেজি ২৮০ থেকে ৩০০
টাকা। বাজারে কচুর লতি প্রতি কেজি ১০০ টাকা, বরবটি ১২০ টাকা, করলা ১২০ টাকা, কাঁকরোল ১২০ টাকা, গাজর ১৩০ টাকা, শসা ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা, লম্বা বেগুন ১২০ টাকা, গোল বেগুন ১৬০ টাকা এবং টমেটো ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া একটি লাউ কিনতে গুনতে হচ্ছে প্রায় ১০০ টাকা। নিউমার্কেটে বাজার করতে আসা ব্যাংক কর্মকর্তা নিশাত চৌধুরী বলেন, কয়েক দিন ধরেই প্রতিদিন যেন সবজির দাম বাড়ছে। তার ভাষায়, বর্তমানে ১০০ টাকার নিচে প্রায় কোনো সবজি নেই। কাঁচা মরিচ কিনতে হয়েছে ২৮০ টাকা কেজি দরে, কোথাও কোথাও আবার ৩০০ টাকা পর্যন্ত দাম চাওয়া হচ্ছে। তিনি অভিযোগ করেন, বর্ষাকালে কিছুটা দাম বাড়া স্বাভাবিক হলেও বাজারে কার্যকর
নজরদারির অভাবে বিক্রেতারা ইচ্ছেমতো দাম বাড়াচ্ছেন। একই বাজারের আরেক ক্রেতা জহিরুল ইসলাম বলেন, অল্প কিছুদিন আগেও বেশিরভাগ সবজি ৮০ থেকে ১০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যেত। এখন অধিকাংশ সবজির দাম ১০০ থেকে ১৬০ টাকায় পৌঁছেছে। তার প্রশ্ন, সবজিই যদি এত দামে কিনতে হয়, তাহলে মাছ-মাংস কেনা সাধারণ মানুষের জন্য আরও কঠিন হয়ে পড়বে। দাম বাড়ার কারণ হিসেবে নিউমার্কেটের সবজি বিক্রেতা মোর্শেদ জানান, টানা বৃষ্টিতে বিভিন্ন অঞ্চলের ক্ষেতের সবজি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাশাপাশি খারাপ আবহাওয়ার কারণে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ঢাকায় সবজির সরবরাহও কমে গেছে। এ কারণেই বাজারে প্রায় সব ধরনের সবজির দাম বেড়েছে। শুধু সবজিই নয়, ডিম ও মুরগির বাজারেও বেড়েছে দাম। বর্তমানে ফার্মের মুরগির ডিম
বিক্রি হচ্ছে প্রতি ডজন ১৬০ টাকায়, যা কয়েক দিন আগেও ছিল ১৪৫ টাকা। আর দেড় থেকে দুই সপ্তাহ আগে একই ডজন ডিম বিক্রি হয়েছে ১২০ টাকায়। ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে প্রায় ২০ টাকা বেড়ে এখন ২০০ থেকে ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সোনালি মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৩৮০ টাকায়। মাছের বাজারেও একই চিত্র। কয়েক দিন আগেও দুই থেকে আড়াই কেজি ওজনের রুই মাছ প্রতি কেজি ৩৫০ থেকে ৩৮০ টাকায় বিক্রি হলেও এখন সেই মাছ কিনতে গুনতে হচ্ছে ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা। বিক্রেতাদের দাবি, টানা বৃষ্টি ও বিভিন্ন অঞ্চলের বন্যায় মাছের সরবরাহ কমে যাওয়ায় পাইকারি বাজারেই দাম বেড়ে গেছে। রুইয়ের পাশাপাশি তেলাপিয়া, পাঙাশ, চাষের
চিংড়ি ও পাবদাসহ প্রায় সব মাছের দাম বেড়েছে। বর্তমানে তেলাপিয়া প্রতি কেজি ২৪০ থেকে ২৬০ টাকা, পাঙাশ ২২০ থেকে ২৫০ টাকা, চাষের চিংড়ি ৯০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা এবং পাবদা ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এক কেজি ওজনের ইলিশ কিনতে গুনতে হচ্ছে ১ হাজার ৬০০ থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকা, কারণ বাজারে এ মাছের সরবরাহও কম রয়েছে। নিউমার্কেটের মাছ বিক্রেতা ফরিদ গাজী বলেন, কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টি ও বন্যার কারণে মোকাম থেকে আগের মতো মাছ আসছে না। ফলে পাইকারি পর্যায়েই দাম বেড়ে যাওয়ায় খুচরা বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে। এদিকে পেঁয়াজের বাজারেও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। কয়েক দিন আগেও প্রতি কেজি পেঁয়াজের
দাম ছিল মানভেদে ৩০ থেকে ৪০ টাকা। তবে বৃষ্টি ও বন্যার প্রভাবে বর্তমানে ভালো মানের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা কেজি দরে। মাঝারি মানের পেঁয়াজ কিনতে গুনতে হচ্ছে প্রায় ৫০ টাকা।
টাকা। বাজারে কচুর লতি প্রতি কেজি ১০০ টাকা, বরবটি ১২০ টাকা, করলা ১২০ টাকা, কাঁকরোল ১২০ টাকা, গাজর ১৩০ টাকা, শসা ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা, লম্বা বেগুন ১২০ টাকা, গোল বেগুন ১৬০ টাকা এবং টমেটো ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া একটি লাউ কিনতে গুনতে হচ্ছে প্রায় ১০০ টাকা। নিউমার্কেটে বাজার করতে আসা ব্যাংক কর্মকর্তা নিশাত চৌধুরী বলেন, কয়েক দিন ধরেই প্রতিদিন যেন সবজির দাম বাড়ছে। তার ভাষায়, বর্তমানে ১০০ টাকার নিচে প্রায় কোনো সবজি নেই। কাঁচা মরিচ কিনতে হয়েছে ২৮০ টাকা কেজি দরে, কোথাও কোথাও আবার ৩০০ টাকা পর্যন্ত দাম চাওয়া হচ্ছে। তিনি অভিযোগ করেন, বর্ষাকালে কিছুটা দাম বাড়া স্বাভাবিক হলেও বাজারে কার্যকর
নজরদারির অভাবে বিক্রেতারা ইচ্ছেমতো দাম বাড়াচ্ছেন। একই বাজারের আরেক ক্রেতা জহিরুল ইসলাম বলেন, অল্প কিছুদিন আগেও বেশিরভাগ সবজি ৮০ থেকে ১০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যেত। এখন অধিকাংশ সবজির দাম ১০০ থেকে ১৬০ টাকায় পৌঁছেছে। তার প্রশ্ন, সবজিই যদি এত দামে কিনতে হয়, তাহলে মাছ-মাংস কেনা সাধারণ মানুষের জন্য আরও কঠিন হয়ে পড়বে। দাম বাড়ার কারণ হিসেবে নিউমার্কেটের সবজি বিক্রেতা মোর্শেদ জানান, টানা বৃষ্টিতে বিভিন্ন অঞ্চলের ক্ষেতের সবজি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাশাপাশি খারাপ আবহাওয়ার কারণে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ঢাকায় সবজির সরবরাহও কমে গেছে। এ কারণেই বাজারে প্রায় সব ধরনের সবজির দাম বেড়েছে। শুধু সবজিই নয়, ডিম ও মুরগির বাজারেও বেড়েছে দাম। বর্তমানে ফার্মের মুরগির ডিম
বিক্রি হচ্ছে প্রতি ডজন ১৬০ টাকায়, যা কয়েক দিন আগেও ছিল ১৪৫ টাকা। আর দেড় থেকে দুই সপ্তাহ আগে একই ডজন ডিম বিক্রি হয়েছে ১২০ টাকায়। ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে প্রায় ২০ টাকা বেড়ে এখন ২০০ থেকে ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সোনালি মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৩৮০ টাকায়। মাছের বাজারেও একই চিত্র। কয়েক দিন আগেও দুই থেকে আড়াই কেজি ওজনের রুই মাছ প্রতি কেজি ৩৫০ থেকে ৩৮০ টাকায় বিক্রি হলেও এখন সেই মাছ কিনতে গুনতে হচ্ছে ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা। বিক্রেতাদের দাবি, টানা বৃষ্টি ও বিভিন্ন অঞ্চলের বন্যায় মাছের সরবরাহ কমে যাওয়ায় পাইকারি বাজারেই দাম বেড়ে গেছে। রুইয়ের পাশাপাশি তেলাপিয়া, পাঙাশ, চাষের
চিংড়ি ও পাবদাসহ প্রায় সব মাছের দাম বেড়েছে। বর্তমানে তেলাপিয়া প্রতি কেজি ২৪০ থেকে ২৬০ টাকা, পাঙাশ ২২০ থেকে ২৫০ টাকা, চাষের চিংড়ি ৯০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা এবং পাবদা ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এক কেজি ওজনের ইলিশ কিনতে গুনতে হচ্ছে ১ হাজার ৬০০ থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকা, কারণ বাজারে এ মাছের সরবরাহও কম রয়েছে। নিউমার্কেটের মাছ বিক্রেতা ফরিদ গাজী বলেন, কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টি ও বন্যার কারণে মোকাম থেকে আগের মতো মাছ আসছে না। ফলে পাইকারি পর্যায়েই দাম বেড়ে যাওয়ায় খুচরা বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে। এদিকে পেঁয়াজের বাজারেও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। কয়েক দিন আগেও প্রতি কেজি পেঁয়াজের
দাম ছিল মানভেদে ৩০ থেকে ৪০ টাকা। তবে বৃষ্টি ও বন্যার প্রভাবে বর্তমানে ভালো মানের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা কেজি দরে। মাঝারি মানের পেঁয়াজ কিনতে গুনতে হচ্ছে প্রায় ৫০ টাকা।



