ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যুবদল নেতার আধিপত্য বিস্তার: মাদকের ভাগ-বাটোয়ারা থেকে বাকলিয়ায় প্রকাশ্য যুদ্ধ
আটক জাসদ কর্মীদের জামিন চাওয়ায় আইনজীবীকে আদালত প্রাঙ্গণে সরকারি কৌঁসুলির মারধরের অভিযোগ!
ছাত্রদল নেত্রীর সাথে যুবদল নেতার গোপন সম্পর্ক, নেত্রীর বিরুদ্ধে স্বামীর মামলা
জাসদ কার্যালয়ে যুবদলের মব: পুলিশ আটকের পরে ১৭৯ জনকে ছেড়ে দিলেও এখনো আটক ২৬
জাসদ কার্যালয়ে সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে সাংবাদিক আটক
ফেনীতে ‘ছাত্রলীগ-যুবলীগ কর্মীরা মিছিল করার কথা ভাবছেন’ অভিযোগে আটক ৬ নেতাকর্মী
৯ বছর আগে ফখরুলের গাড়িবহরে হামলার অভিযোগে ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার
যুবদল নেতার আধিপত্য বিস্তার: মাদকের ভাগ-বাটোয়ারা থেকে বাকলিয়ায় প্রকাশ্য যুদ্ধ
ছিল গুরু আর শিষ্যের রসায়ন। একসময় যার কাছ থেকে ইয়াবা কিনে এলাকায় বিক্রি করতেন, এক বছরের মাথায় তাকেই চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে আলাদা সাম্রাজ্য গড়ে তুললেন শিষ্য। আর এই মাদক সাম্রাজ্য, টাকা ভাগাভাগি ও আধিপত্যের দ্বন্দ্বে গত রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাতে যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয় নগরের বাকলিয়া এলাকার সৈয়দ শাহ সড়ক। দুই পক্ষের মধ্যে প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ জন কিশোর গ্যাং সদস্যের মুখোমুখি ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ, ককটেল বিস্ফোরণ এবং মুহুর্মুহু গুলিবর্ষণে থমকে দাঁড়ায় পুরো এলাকা।
পুলিশের হাতে এ ঘটনায় জড়িত ১৫ জন গ্রেপ্তারের পর বেরিয়ে এসেছে মাদক সিন্ডিকেট ও কিশোর গ্যাং গড়ে তোলার থমথমে এই নেপথ্য গল্প।
গুরুর হাত ধরে সূচনা, তারপরই
‘শিষ্য’ জসিমের বিদ্রোহ পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাকলিয়ার পরিচিত মাদক কারবারি মো. মুরাদের হাত ধরেই মাদকের খাতায় নাম লেখান মো. জসিম। কক্সবাজারের মহেশখালী থেকে এসে চট্টগ্রামে আস্তানা গাড়া মুরাদ নিজের ‘মুরাদ বাহিনী’ দিয়ে মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করতেন। তবে বছরখানেক আগে টাকার ভাগ বাটোয়ারা ও ইয়াবার উৎস বদলানো নিয়ে গুরুর সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করেন জসিম। মুরাদের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে অন্য উৎস থেকে ইয়াবা এনে নিজস্ব কিশোর গ্যাং গড়ে তোলেন জসিম। নিজের সাম্রাজ্যে একচ্ছত্র আধিপত্য হারিয়ে ক্ষুব্ধ হন মুরাদ, শুরু হয় দুই বলয়ের চরম উত্তেজনা। রোববারের তাণ্ডব: স্তব্ধ বাকলিয়া রোববার রাতে সেই পুরোনো বিরোধ রূপ নেয় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে। বাকলিয়ার সৈয়দ শাহ রোডে
দুই পক্ষের মধ্যে চলে বেপরোয়া ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষে অংশ নেওয়া অধিকাংশ সদস্যই ছিল কিশোর ও তরুণ। একের পর এক ককটেল বিস্ফোরণ ও গুলির শব্দে আতঙ্কে দোকানপাট বন্ধ করে নিরাপদ আশ্রয়ে ছোটেন পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দারা। নেপথ্যে দলীয় পরিচয়ে দুই অপরাধীর আধিপত্য বিস্তার • মো. মুরাদ: একাধিক মাদক, অস্ত্র ও লুটপাটের অভিযোগে ৮টি মামলার আসামি। নিজেকে চান্দগাঁও থানা যুবদলের কর্মী ও নগর যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদকের অনুসারী বলে দাবি করেন। • মো. জসিম: এলাকায় কিশোর গ্যাং পরিচালনা ও দখলবাজিতে অভিযুক্ত জসিমের বিরুদ্ধে রয়েছে ১২টি মামলা। তিনি নিজেকে বাকলিয়া থানা যুবদলের আহ্বায়কের অনুসারী দাবি করেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অবস্থান বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
(ওসি) শাহীনুর আলম জানান, মূলত এলাকা দখল, মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ইতোমধ্যেই জসিমসহ ১৫ জন অনুসারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পলাতক মুরাদকে গ্রেপ্তারে চিরুনি অভিযান চলছে এবং এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে।
‘শিষ্য’ জসিমের বিদ্রোহ পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাকলিয়ার পরিচিত মাদক কারবারি মো. মুরাদের হাত ধরেই মাদকের খাতায় নাম লেখান মো. জসিম। কক্সবাজারের মহেশখালী থেকে এসে চট্টগ্রামে আস্তানা গাড়া মুরাদ নিজের ‘মুরাদ বাহিনী’ দিয়ে মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করতেন। তবে বছরখানেক আগে টাকার ভাগ বাটোয়ারা ও ইয়াবার উৎস বদলানো নিয়ে গুরুর সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করেন জসিম। মুরাদের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে অন্য উৎস থেকে ইয়াবা এনে নিজস্ব কিশোর গ্যাং গড়ে তোলেন জসিম। নিজের সাম্রাজ্যে একচ্ছত্র আধিপত্য হারিয়ে ক্ষুব্ধ হন মুরাদ, শুরু হয় দুই বলয়ের চরম উত্তেজনা। রোববারের তাণ্ডব: স্তব্ধ বাকলিয়া রোববার রাতে সেই পুরোনো বিরোধ রূপ নেয় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে। বাকলিয়ার সৈয়দ শাহ রোডে
দুই পক্ষের মধ্যে চলে বেপরোয়া ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষে অংশ নেওয়া অধিকাংশ সদস্যই ছিল কিশোর ও তরুণ। একের পর এক ককটেল বিস্ফোরণ ও গুলির শব্দে আতঙ্কে দোকানপাট বন্ধ করে নিরাপদ আশ্রয়ে ছোটেন পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দারা। নেপথ্যে দলীয় পরিচয়ে দুই অপরাধীর আধিপত্য বিস্তার • মো. মুরাদ: একাধিক মাদক, অস্ত্র ও লুটপাটের অভিযোগে ৮টি মামলার আসামি। নিজেকে চান্দগাঁও থানা যুবদলের কর্মী ও নগর যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদকের অনুসারী বলে দাবি করেন। • মো. জসিম: এলাকায় কিশোর গ্যাং পরিচালনা ও দখলবাজিতে অভিযুক্ত জসিমের বিরুদ্ধে রয়েছে ১২টি মামলা। তিনি নিজেকে বাকলিয়া থানা যুবদলের আহ্বায়কের অনুসারী দাবি করেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অবস্থান বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
(ওসি) শাহীনুর আলম জানান, মূলত এলাকা দখল, মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ইতোমধ্যেই জসিমসহ ১৫ জন অনুসারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পলাতক মুরাদকে গ্রেপ্তারে চিরুনি অভিযান চলছে এবং এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে।



