ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ইরানের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব কেন প্রত্যাখ্যান করলেন ট্রাম্প, জানা গেল
নতুন করে আন্দোলনের ডাক দিল ককরোচ জনতা পার্টি
নাইজেরিয়ায় ডিপথেরিয়ার প্রাদুর্ভাবে ৩১ জনের মৃত্যু
কিয়েভে রাশিয়ার হামলা, লক্ষ্যবস্তু ডাটা সেন্টার; ইন্টারনেট যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় ইউক্রেন
জাতিসংঘে ল্যাভরভের হুঁশিয়ারি— দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াসহ বিভিন্ন অঞ্চলে প্রভাব বিস্তার করছে ন্যাটো
তবু টাকা যাচ্ছে ভারতে, সাবেক এমপি রণজিতের সম্পত্তি নিয়ে নতুন চাঞ্চল্য
টানা বৃষ্টিতে ডুবল ব্যাংকক, জরুরি পরিস্থিতি ঘোষণা
হরমুজ প্রণালীর সাবমেরিন ক্যাবল নিয়ে ইরানের হুমকি: বিশ্বজুড়ে ইন্টারনেট বিপর্যয়ের আশঙ্কা
আরব উপসাগর ও হরমুজ প্রণালীর তলদেশ দিয়ে যাওয়া সাবমেরিন ইন্টারনেট ক্যাবল কেটে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে ইরান। এতে বিশ্বজুড়ে ইন্টারনেট, ব্যাংকিং ও ক্লাউড সেবা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তবে প্রযুক্তি ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, সম্ভাব্য ক্ষতি মূলত উপসাগরীয় অঞ্চল ও এশিয়া-ইউরোপ সংযোগে সীমিত থাকতে পারে। পুরো বিশ্বের ইন্টারনেট বন্ধ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা কম।
সিএনএনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের কর্মকর্তারা ও রাষ্ট্রঘনিষ্ঠ গণমাধ্যম হরমুজ প্রণালী সংলগ্ন সাবমেরিন ক্যাবলের ওপর ফি আরোপের কথা বলেছে এবং না মানলে কোম্পানিগুলো সেবা ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকিতে পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে। ইরানের সামরিক মুখপাত্র ইব্রাহিম জুলফাকারি এক্স-এ লিখেছেন, ইন্টারনেট ক্যাবলের ওপর ফি আরোপ করা হবে।
এর আগে এপ্রিলে
আইআরজিসি-ঘনিষ্ঠ সংবাদমাধ্যম তাসনিম উপসাগরের সাবমেরিন ক্যাবল ও ক্লাউড অবকাঠামোর মানচিত্র প্রকাশ করে, যাকে অনেকে পরোক্ষ হুঁশিয়ারি হিসেবে দেখছেন। মে মাসের শুরুতে তাসনিম ও ফার্স দাবি করে, উপসাগরের সাবমেরিন ক্যাবল ইরানের সার্বভৌম এলাকার মধ্যে পড়ে। কোন ক্যাবল ঝুঁকিতে হরমুজ প্রণালী দিয়ে পাঁচটি বাণিজ্যিক সাবমেরিন ক্যাবল সিস্টেম গেছে। এ ছাড়া ফ্যালকন ও গালফ ব্রিজ ইন্টারন্যাশনাল (জিবিআই) ক্যাবল ইরানের আঞ্চলিক জলসীমার ভেতর দিয়ে গেছে। জিবিআই বাহরাইন, ইরান, ইরাক, কুয়েত, ওমান, কাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতকে যুক্ত করে এবং ভারত ও ইউরোপের সঙ্গে সংযোগ দেয়। বিশ্বব্যাপী প্রভাব কতটা প্রণালীর ক্যাবলগুলো বৈশ্বিক ইন্টারনেট ট্রাফিকের মাত্র ১ শতাংশ বহন করে। তবে এগুলো ওমান উপসাগর, লোহিত সাগর ও
ভূমধ্যসাগর হয়ে আফ্রিকা ও ইউরোপের সঙ্গে যুক্ত বৃহত্তর করিডোরের অংশ, যা এটিকে গুরুত্বপূর্ণ চোকপয়েন্টে পরিণত করেছে। প্রণালীর নেটওয়ার্ক বিঘ্নিত হলে কিছু উপসাগরীয় দেশ কার্যত ইন্টারনেট থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়তে পারে এবং মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ায় ইন্টারনেট ধীর হতে পারে। ক্যাবলের ক্ষতি শুধু উপসাগরে নয়, ক্যাবলের মাধ্যমে যুক্ত আরব, ইউরোপীয়, আফ্রিকান ও এশীয় দেশগুলোর অর্থনীতিতেও প্রভাব ফেলবে। সম্পূর্ণ ইন্টারনেট বিপর্যয়ের সম্ভাবনা কম গালফ নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শিল্পসংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকরা মনে করেন বৈশ্বিক ইন্টারনেট ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা কম, তবে একাধিক ক্যাবল ক্ষতিগ্রস্ত হলে বা মেরামতে দেরি হলে আঞ্চলিক সংযোগে প্রভাব পড়তে পারে। টেলিজিওগ্রাফির তথ্যমতে, বেশ কয়েকটি ক্যাবল হরমুজের বাইরে ওমান উপসাগরের ফুজাইরাহতে নেমেছে, ফলে কিছু
ট্রাফিক ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে যেতে পারে। ইউরোপ-এশিয়ার প্রধান রুটগুলোও উপসাগরের বাইরে দিয়ে গেছে। টাইমের প্রতিবেদনে বিশেষজ্ঞ ডেভেনপোর্ট বলেছেন, ইরানের ক্ষেত্রেও ক্যাবলের ক্ষতি নিজেদের ওপর প্রভাব ফেলবে, যা ইচ্ছাকৃত ক্ষতির ঝুঁকি কমায়। এশিয়া টাইমসের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ইরান ভূ-রাজনৈতিক নিন্দা এড়াতে চাইলে এমন হামলা হতে হবে লক্ষ্যভিত্তিক ও সীমিত। চলমান সংঘাতে বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের ডেটা সেন্টারে ইরানি ড্রোন হামলার তথ্য পাওয়া গেছে। নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে উপসাগরে কয়েকটি ক্যাবল প্রকল্প স্থগিত হয়েছে। এ কারণে বহিরাগত প্রযুক্তি কোম্পানি ও বিনিয়োগকারীরা উপসাগর এড়িয়ে বিকল্প ক্যাবল নেটওয়ার্ক খুঁজতে পারে। ২০০৮ সালে ভূমধ্যসাগর ও মধ্যপ্রাচ্যে একাধিক ক্যাবল ক্ষতিগ্রস্ত হলে মধ্যপ্রাচ্য ও ভারতে ইন্টারনেট বিঘ্নিত হয়। তখন সংযুক্ত আরব
আমিরাতের ১৭ লাখ ব্যবহারকারী প্রভাবিত হন, তবে ট্রাফিক অন্য ক্যাবলে সরিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সেবা মোটামুটি স্বাভাবিক করা হয়।
আইআরজিসি-ঘনিষ্ঠ সংবাদমাধ্যম তাসনিম উপসাগরের সাবমেরিন ক্যাবল ও ক্লাউড অবকাঠামোর মানচিত্র প্রকাশ করে, যাকে অনেকে পরোক্ষ হুঁশিয়ারি হিসেবে দেখছেন। মে মাসের শুরুতে তাসনিম ও ফার্স দাবি করে, উপসাগরের সাবমেরিন ক্যাবল ইরানের সার্বভৌম এলাকার মধ্যে পড়ে। কোন ক্যাবল ঝুঁকিতে হরমুজ প্রণালী দিয়ে পাঁচটি বাণিজ্যিক সাবমেরিন ক্যাবল সিস্টেম গেছে। এ ছাড়া ফ্যালকন ও গালফ ব্রিজ ইন্টারন্যাশনাল (জিবিআই) ক্যাবল ইরানের আঞ্চলিক জলসীমার ভেতর দিয়ে গেছে। জিবিআই বাহরাইন, ইরান, ইরাক, কুয়েত, ওমান, কাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতকে যুক্ত করে এবং ভারত ও ইউরোপের সঙ্গে সংযোগ দেয়। বিশ্বব্যাপী প্রভাব কতটা প্রণালীর ক্যাবলগুলো বৈশ্বিক ইন্টারনেট ট্রাফিকের মাত্র ১ শতাংশ বহন করে। তবে এগুলো ওমান উপসাগর, লোহিত সাগর ও
ভূমধ্যসাগর হয়ে আফ্রিকা ও ইউরোপের সঙ্গে যুক্ত বৃহত্তর করিডোরের অংশ, যা এটিকে গুরুত্বপূর্ণ চোকপয়েন্টে পরিণত করেছে। প্রণালীর নেটওয়ার্ক বিঘ্নিত হলে কিছু উপসাগরীয় দেশ কার্যত ইন্টারনেট থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়তে পারে এবং মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ায় ইন্টারনেট ধীর হতে পারে। ক্যাবলের ক্ষতি শুধু উপসাগরে নয়, ক্যাবলের মাধ্যমে যুক্ত আরব, ইউরোপীয়, আফ্রিকান ও এশীয় দেশগুলোর অর্থনীতিতেও প্রভাব ফেলবে। সম্পূর্ণ ইন্টারনেট বিপর্যয়ের সম্ভাবনা কম গালফ নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শিল্পসংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকরা মনে করেন বৈশ্বিক ইন্টারনেট ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা কম, তবে একাধিক ক্যাবল ক্ষতিগ্রস্ত হলে বা মেরামতে দেরি হলে আঞ্চলিক সংযোগে প্রভাব পড়তে পারে। টেলিজিওগ্রাফির তথ্যমতে, বেশ কয়েকটি ক্যাবল হরমুজের বাইরে ওমান উপসাগরের ফুজাইরাহতে নেমেছে, ফলে কিছু
ট্রাফিক ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে যেতে পারে। ইউরোপ-এশিয়ার প্রধান রুটগুলোও উপসাগরের বাইরে দিয়ে গেছে। টাইমের প্রতিবেদনে বিশেষজ্ঞ ডেভেনপোর্ট বলেছেন, ইরানের ক্ষেত্রেও ক্যাবলের ক্ষতি নিজেদের ওপর প্রভাব ফেলবে, যা ইচ্ছাকৃত ক্ষতির ঝুঁকি কমায়। এশিয়া টাইমসের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ইরান ভূ-রাজনৈতিক নিন্দা এড়াতে চাইলে এমন হামলা হতে হবে লক্ষ্যভিত্তিক ও সীমিত। চলমান সংঘাতে বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের ডেটা সেন্টারে ইরানি ড্রোন হামলার তথ্য পাওয়া গেছে। নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে উপসাগরে কয়েকটি ক্যাবল প্রকল্প স্থগিত হয়েছে। এ কারণে বহিরাগত প্রযুক্তি কোম্পানি ও বিনিয়োগকারীরা উপসাগর এড়িয়ে বিকল্প ক্যাবল নেটওয়ার্ক খুঁজতে পারে। ২০০৮ সালে ভূমধ্যসাগর ও মধ্যপ্রাচ্যে একাধিক ক্যাবল ক্ষতিগ্রস্ত হলে মধ্যপ্রাচ্য ও ভারতে ইন্টারনেট বিঘ্নিত হয়। তখন সংযুক্ত আরব
আমিরাতের ১৭ লাখ ব্যবহারকারী প্রভাবিত হন, তবে ট্রাফিক অন্য ক্যাবলে সরিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সেবা মোটামুটি স্বাভাবিক করা হয়।



