ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ফেনীতে ‘ছাত্রলীগ-যুবলীগ কর্মীরা মিছিল করার কথা ভাবছেন’ অভিযোগে আটক ৬ নেতাকর্মী
৯ বছর আগে ফখরুলের গাড়িবহরে হামলার অভিযোগে ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার
সেপ্টেম্বরে ২৪ দিনে কারাগারে ১০ জনের মৃত্যু, ৭ জনই আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী
আওয়ামী লীগ সরকারের সংসদ সদস্য রুহী রাজধানীতে গ্রেপ্তার
আওয়ামী লীগ নেতাকে না পেয়ে কিশোর সন্তানকে টেনেহিঁচড়ে ধরে নিয়ে গেল ডিবি পুলিশ
ছাত্রদলের ‘লীগবিরোধী মিছিল’ এর পরে থানার সামনেই ‘জয় বাংলা স্লোগান’ দিয়ে ছাত্রলীগের পাল্টা মিছিল
ট্রাইব্যুনালের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ: হত্যা বা দমনপীড়নে সম্পৃক্ততা ছাড়াই ১০ বছরের সাজা পেলেন ইনু
জাসদ কার্যালয়ে সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে সাংবাদিক আটক
জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদের কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি সভা চলাকালে দলটির কার্যালয়ে হামলার ঘটনার সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সাবেক সভাপতি ও সাংবাদিক আবু জাফর সূর্যসহ কয়েকজনকে আটক করেছে পুলিশ।
শনিবার বিকেলে আবু জাফর সূর্য তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে হ্যান্ডকাফ পরা একটি ছবি পোস্ট করে লিখেছেন, ‘আজ জাসদের প্রতিনিধি সভায় পেশাগত দায়িত্ব পালন করার সময় আমাকে সহ অনেককে হাতে হ্যান্ডকাফ পরিয়ে পুলিশ নিয়ে যাচ্ছে। কোথায় নিয়ে যাচ্ছে আমি জানি না।’
এর আগে শনিবার সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে জাসদের কার্যকরী সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট রবিউল আলমের সভাপতিত্বে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি সভা শুরু হয়। সভায় দেশের বিভিন্ন জেলা, মহানগর ও উপজেলা শাখার নির্ধারিত প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
প্রতিনিধি
সভায় কারাবন্দী জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনুর মুক্তির দাবি জানানো হয়। এই অভিযোগ করে দলের দপ্তর সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন বলেন, হামলায় বিএনপির কতিপয় নেতাকর্মী নেতৃত্বে রয়েছেন। তবে তাৎক্ষণিক তিনি কারও নাম বলতে পারেননি। তিনি জানান, কার্যালয়ের ভেতরে তাদের প্রতিনিধি সম্মেলন চলছিল। তখনই ভেতরে প্রবেশ করে এলোপাতাড়ি ভাঙচুর শুরু করে হামলাকারীরা। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ভাঙচুর চলছিল বলে তিনি জানান। সভা চলাকালে জাসদ নেত্রী লিনু হক অভিযোগ করে বলেন, ‘মব সৃষ্টি করে সকলকে বন্দী করেছে।’ দুপুর আড়াইটার দিকে জাসদ কার্যালয়ে প্রবেশ করেন বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এসময় ঢাকা দক্ষিণ যুবদলের সদস্য সচিব রবিউল ইসলাম নয়নকে বলতে দেখা যায়, এখানে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা গোপন
বৈঠক করছে। এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে সাজ্জাদ হোসেন বলেন, এটা মিথ্যা কথা, আমাদের প্রতিনিধি সভা চলছিল। এখানে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা আসবে কেন, একটা কিছু বলে আমাদের উপর আক্রমণ করাটাই বিষয়। তিনি জানান, বেলা ৩টার দিকে পুলিশ এসে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের জাসদ কার্যালয়ে মব চালায়। পরে পুলিশ এসে উল্টো জাসদ নেতাকর্মীদের আটক শুরু করে। এ বিষয়ে পল্টন থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, স্থানীয় যুবদলের নেতাকর্মীরা দাবি করছেন জাসদ কার্যালয়ের ভেতর থেকে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়া হয়েছে। বিপরীতে জাসদ দাবি করছে, এমন কোনও ঘটনা ঘটেনি। ইচ্ছাকৃতভাবে হামলা চালানো হয়েছে। তবে ঘটনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এতে কোনও হতাহতের ঘটনা নেই। জাসদের
পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, নিচে কলাপসিবল গেট আটকে রেখেছে হামলাকারীরা। ভেতরে প্রতিনিধি সম্মেলনে আগত নেতাকর্মীরা কর্নেল তাহের মিলনায়তনসহ বিভিন্ন কক্ষে আটকে পড়েছেন। ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা গেছে, বাইরে বিপুল সংখ্যক উৎসুক জনতার ভিড়। সেখানে যুবদলের নেতাকর্মীরাও অবস্থান করছেন। সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন পুলিশ সদস্যরা। জাসদের কেন্দ্রীয় সভায় ‘জয় বাংলা’ স্লোগানের জেরে বিএনপি-যুবদলের সন্ত্রাসী হামলা, আটক ৪০০ শাহবাগ থানা যুবদলের সদস্য সচিব মোয়াজ্জেম হোসেন তপন বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে কুষ্টিয়া, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, সাতক্ষীরা—বিভিন্ন জায়গা থেকে লোক নিয়ে আইসা এখানে ৫০০-৬০০ লোক উইঠা তারা একটা গোপন বৈঠক করছে। দেশে জ্বালাও-পোড়াও করার জন্য, দেশকে আরও অস্থিতিশীল করার জন্য। আপনারা যে কিছুদিন যাবৎ দেখতেছেন বিভিন্ন জায়গায় জ্বালাও-পোড়াও
করতেছে, বোমা বাাজি করতেছে, এই তারই অংশবিশেষ আজকে তারা এখানে গোপন বৈঠক বসছে। তপন বলেন, এর মধ্যে সকাল সাড়ে ১১টার দিকে আমরা খবর পাইছি, এখানে গোপন বৈঠক বসতেছে। তারপরে আমাদের কিছু লোকজন আইসা সত্যতা প্রমাণ পাইছে। পাওয়ার পরে ব্যাপকভাবে আমরা লোকজন আইসা তাদেরকে ব্যারিকেড দিছি। প্রশাসনের লোকজনকে আমরা খবর দিছি। তারপরে তো আপনারা দেখতেই আছেন প্রশাসনের লোকজন তাদেরকে এক এক করে গাড়িতে উঠাইয়া নিয়ে যাচ্ছে। এই পর্যন্ত ৯৫ জনকে গাড়িতে উঠাইয়া থানায় নেওয়া হইছে। এখনো আরও অনেক লোক এখানে বাকি আছে। জাসদ কার্যালয়ে পুলিশের অভিযানে আটক চার শতাধিক গুলিস্তানে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) প্রধান কার্যালয়ে অভিযান পরিচালনা করছে পুলিশ। শনিবার দুপুর ৩টা থেকে
এ অভিযান চলছে বলে জানিয়েছেন ঘটনাস্থলে থাকা এসআই নাজমুল হোসেন। তিনি বলেন, ভেতরে চারশর মত ব্যক্তি আছে। তাদের আটক করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। বেলা ৩টার দিকে খবর পেয়ে পুলিশ তিনতলায় গিয়ে জাসদ অফিসে এদের দেখে। এরা এখানে বৈঠক করছিল। তারা জয় বাংলা স্লোগান দিয়েছে। ডিএমপির গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের উপকমিশনার মো. আকতার হোসেন বিকেল সোয়া ৪টায় বলেন, আমরা এখন পর্যন্ত জানতে পেরেছি ওই কার্যালয়ের সামনে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান হয়েছিল, আর ভেতরে একটি মিটিং চলছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অনেককে নিয়ে যাচ্ছে, এ পর্যন্ত অনেককে পল্টন থানায় নেওয়া হয়েছে। এখনো আমাদের কার্যক্রম চলছে, পুরো প্রক্রিয়া পর্যালোচনা করে তাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এর
মধ্যেই সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিক আবু জাফর সূর্যসহ কয়েকজনকে হ্যান্ডকাফ পরিয়ে পুলিশ নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ সামনে এলো। তাদের কোথায় নেওয়া হয়েছে এবং আটকের কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশের পক্ষ থেকে বিস্তারিত জানা যায়নি।
সভায় কারাবন্দী জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনুর মুক্তির দাবি জানানো হয়। এই অভিযোগ করে দলের দপ্তর সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন বলেন, হামলায় বিএনপির কতিপয় নেতাকর্মী নেতৃত্বে রয়েছেন। তবে তাৎক্ষণিক তিনি কারও নাম বলতে পারেননি। তিনি জানান, কার্যালয়ের ভেতরে তাদের প্রতিনিধি সম্মেলন চলছিল। তখনই ভেতরে প্রবেশ করে এলোপাতাড়ি ভাঙচুর শুরু করে হামলাকারীরা। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ভাঙচুর চলছিল বলে তিনি জানান। সভা চলাকালে জাসদ নেত্রী লিনু হক অভিযোগ করে বলেন, ‘মব সৃষ্টি করে সকলকে বন্দী করেছে।’ দুপুর আড়াইটার দিকে জাসদ কার্যালয়ে প্রবেশ করেন বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এসময় ঢাকা দক্ষিণ যুবদলের সদস্য সচিব রবিউল ইসলাম নয়নকে বলতে দেখা যায়, এখানে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা গোপন
বৈঠক করছে। এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে সাজ্জাদ হোসেন বলেন, এটা মিথ্যা কথা, আমাদের প্রতিনিধি সভা চলছিল। এখানে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা আসবে কেন, একটা কিছু বলে আমাদের উপর আক্রমণ করাটাই বিষয়। তিনি জানান, বেলা ৩টার দিকে পুলিশ এসে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের জাসদ কার্যালয়ে মব চালায়। পরে পুলিশ এসে উল্টো জাসদ নেতাকর্মীদের আটক শুরু করে। এ বিষয়ে পল্টন থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, স্থানীয় যুবদলের নেতাকর্মীরা দাবি করছেন জাসদ কার্যালয়ের ভেতর থেকে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়া হয়েছে। বিপরীতে জাসদ দাবি করছে, এমন কোনও ঘটনা ঘটেনি। ইচ্ছাকৃতভাবে হামলা চালানো হয়েছে। তবে ঘটনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এতে কোনও হতাহতের ঘটনা নেই। জাসদের
পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, নিচে কলাপসিবল গেট আটকে রেখেছে হামলাকারীরা। ভেতরে প্রতিনিধি সম্মেলনে আগত নেতাকর্মীরা কর্নেল তাহের মিলনায়তনসহ বিভিন্ন কক্ষে আটকে পড়েছেন। ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা গেছে, বাইরে বিপুল সংখ্যক উৎসুক জনতার ভিড়। সেখানে যুবদলের নেতাকর্মীরাও অবস্থান করছেন। সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন পুলিশ সদস্যরা। জাসদের কেন্দ্রীয় সভায় ‘জয় বাংলা’ স্লোগানের জেরে বিএনপি-যুবদলের সন্ত্রাসী হামলা, আটক ৪০০ শাহবাগ থানা যুবদলের সদস্য সচিব মোয়াজ্জেম হোসেন তপন বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে কুষ্টিয়া, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, সাতক্ষীরা—বিভিন্ন জায়গা থেকে লোক নিয়ে আইসা এখানে ৫০০-৬০০ লোক উইঠা তারা একটা গোপন বৈঠক করছে। দেশে জ্বালাও-পোড়াও করার জন্য, দেশকে আরও অস্থিতিশীল করার জন্য। আপনারা যে কিছুদিন যাবৎ দেখতেছেন বিভিন্ন জায়গায় জ্বালাও-পোড়াও
করতেছে, বোমা বাাজি করতেছে, এই তারই অংশবিশেষ আজকে তারা এখানে গোপন বৈঠক বসছে। তপন বলেন, এর মধ্যে সকাল সাড়ে ১১টার দিকে আমরা খবর পাইছি, এখানে গোপন বৈঠক বসতেছে। তারপরে আমাদের কিছু লোকজন আইসা সত্যতা প্রমাণ পাইছে। পাওয়ার পরে ব্যাপকভাবে আমরা লোকজন আইসা তাদেরকে ব্যারিকেড দিছি। প্রশাসনের লোকজনকে আমরা খবর দিছি। তারপরে তো আপনারা দেখতেই আছেন প্রশাসনের লোকজন তাদেরকে এক এক করে গাড়িতে উঠাইয়া নিয়ে যাচ্ছে। এই পর্যন্ত ৯৫ জনকে গাড়িতে উঠাইয়া থানায় নেওয়া হইছে। এখনো আরও অনেক লোক এখানে বাকি আছে। জাসদ কার্যালয়ে পুলিশের অভিযানে আটক চার শতাধিক গুলিস্তানে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) প্রধান কার্যালয়ে অভিযান পরিচালনা করছে পুলিশ। শনিবার দুপুর ৩টা থেকে
এ অভিযান চলছে বলে জানিয়েছেন ঘটনাস্থলে থাকা এসআই নাজমুল হোসেন। তিনি বলেন, ভেতরে চারশর মত ব্যক্তি আছে। তাদের আটক করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। বেলা ৩টার দিকে খবর পেয়ে পুলিশ তিনতলায় গিয়ে জাসদ অফিসে এদের দেখে। এরা এখানে বৈঠক করছিল। তারা জয় বাংলা স্লোগান দিয়েছে। ডিএমপির গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের উপকমিশনার মো. আকতার হোসেন বিকেল সোয়া ৪টায় বলেন, আমরা এখন পর্যন্ত জানতে পেরেছি ওই কার্যালয়ের সামনে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান হয়েছিল, আর ভেতরে একটি মিটিং চলছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অনেককে নিয়ে যাচ্ছে, এ পর্যন্ত অনেককে পল্টন থানায় নেওয়া হয়েছে। এখনো আমাদের কার্যক্রম চলছে, পুরো প্রক্রিয়া পর্যালোচনা করে তাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এর
মধ্যেই সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিক আবু জাফর সূর্যসহ কয়েকজনকে হ্যান্ডকাফ পরিয়ে পুলিশ নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ সামনে এলো। তাদের কোথায় নেওয়া হয়েছে এবং আটকের কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশের পক্ষ থেকে বিস্তারিত জানা যায়নি।



