ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
মাছ-মুরগি-ডিমের চড়া দাম: বাড়তি টাকা দিয়েও মিলছে না বোতলজাত ভোজ্যতেল
রাজধানীর নিত্যপণ্যের বাজারে এখনো দামের তীব্র ঝাঁঝ। বিশেষ করে রান্নার তেল, মাছ, ডিম, মুরগি ও মাংসের অগ্নিমূল্যের কারণে সাধারণ ক্রেতাদের ক্ষোভ ও চরম অস্বস্তি দেখা যাচ্ছে। একাধিক বাজারে মাছ এবং মুরগির দর নতুন করে আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।
অন্যদিকে, বোতলজাত সয়াবিন তেলের মূল্য বৃদ্ধি করার পরও বাজার থেকে সংকট দূর হয়নি; ফলে বেশি দাম দিয়েও অনেক সময় তেল না পেয়ে খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে ক্রেতাসাধারণকে।
ঢাকার মুগদা, মানিকনগর, বাসাবো, খিলগাঁও এবং কমলাপুর এলাকার বাজার ঘুরে দেখা যায়, ফার্মের মুরগির ডিম ডজনপ্রতি ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আগস্টের শুরুর দিকে এই দাম বাড়ার পর আর তা নিচে নামেনি, যেখানে আগে প্রতি ডজন কিনতে ব্যয় হতো
১৩০ থেকে ১৪০ টাকা। একইভাবে ব্রয়লার মুরগির দর বেড়ে প্রতি কেজি বিকোচ্ছে ১৯০ থেকে ২০০ টাকায়, যা কিছুদিন আগেও ছিল ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা। সোনালি মুরগির ক্ষেত্রে এই চড়া ভাব আরও বেশি স্পষ্ট। মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে প্রায় ৩০ টাকা লাফিয়ে সোনালি মুরগি এখন বিক্রি হচ্ছে ৩৪০ থেকে ৩৬০ টাকা দরে; যা আগে কেজিপ্রতি ৩০০ থেকে ৩৩০ টাকায় পাওয়া যেত। ব্যবসায়ীদের দাবি, টানা বন্যা, ভারী বৃষ্টিপাত ও মাত্রাতিরিক্ত উত্তাপের কারণে বেশ কয়েকটি খামারের মুরগি মারা গিয়ে লোকসান হয়েছে। ক্ষতির মুখে অনেক খামারি পুনরায় উৎপাদনে যেতে সাহস পাননি। তাছাড়া ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণেও উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সার্বিকভাবে সরবরাহ কমে যাওয়ায় বাজার দর চড়া,
আর পর্যাপ্ত মুরগি না থাকায় ডিমের যোগানও স্বাভাবিকের চেয়ে কমে গেছে। বাংলাদেশ পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশনের (বিপিআইএ) সাধারণ সম্পাদক এম সাফির রহমান জানান, ডিম ও মুরগির মূল্যবৃদ্ধি মূলত চাহিদা ও সরবরাহের ভারসাম্যের ওপর নির্ভর করে। সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যায় বহু লেয়ার খামারি নিঃস্ব হয়ে গেছেন, অনেক খামারের ডিম ও মুরগি পানিতে ভেসে গেছে। ফলে বাজারে সরবরাহ কমায় হঠাৎ দাম এতটা বেড়েছে। মাছের বাজারেও সাধারণ মানুষের জন্য সুখবর নেই। রুই, কাতলা, পাবদা, পাঙাশ ও তেলাপিয়ার মতো পরিচিত মাছগুলোর দাম কেজিতে প্রায় ২০ থেকে ৩০ টাকা বেড়েছে। চাষের পাঙাশ আকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা এবং তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৮০ টাকা কেজি দরে। আড়াই থেকে তিন
কেজি ওজনের রুই ও কাতলা কিনতে ক্রেতাকে গুণতে হচ্ছে কেজিপ্রতি যথাক্রমে ৪০০ এবং ৪২০ টাকা। মাংসের বাজারও বেসামাল। ঢাকার বাজারে গরুর মাংস কিনতে প্রতি কেজিতে খরচ হচ্ছে ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকা, আর খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ১,২০০ থেকে ১,৩০০ টাকা কেজি দরে। ফলে সীমিত ও নিম্ন আয়ের মানুষের পাতে নিয়মিত মাছ-মাংস তোলা কঠিন হয়ে পড়ছে। ভোজ্যতেলের ক্ষেত্রে দাম বাড়ার সঙ্গে তীব্র সরবরাহ-সংকট যুক্ত হয়ে পরিস্থিতি জটিল রূপ নিয়েছে। গত ২ সেপ্টেম্বর সরবরাহকারী কোম্পানিগুলো বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ৫ টাকা বৃদ্ধি করে; ফলে ভোক্তাকে এখন ১৯৯ টাকার বদলে ২০৪ টাকায় এক লিটার বোতলজাত তেল কিনতে হচ্ছে। তবে এই মূল্যবৃদ্ধির পরও ঢাকার অনেক মুদিদোকানে
বোতলজাত তেলের দেখা মিলছে না। ব্যবসায়ীদের ক্ষোভ, টাকা জমা দিয়ে চাহিদা বা অর্ডার পাঠানোর পরও সময়মতো কোম্পানিগুলো থেকে তেল সরবরাহ করা হচ্ছে না। মানিকনগর পুকুরপাড়ের ব্যবসায়ী সোহরাব হোসেন জানান, চাহিদামতো তেল সরবরাহ পাচ্ছে না তার দোকান। বর্তমানে তার এখানে বোতলজাত সয়াবিন তেলের কোনো স্টক নেই। ফলে দোকানে এসে ফেরত যেতে হচ্ছে বহু ক্রেতাকে, কেউ কেউ বাধ্য হয়ে ড্রামের খোলা তেল কিনছেন। কিছু পণ্যের দাম স্থিতিশীল থাকলেও মাছ, মাংস, ডিম ও রান্নার তেলের মূল্যস্ফীতি সামগ্রিক বাজারে অস্থিরতা বজায় রেখেছে। সংসারের খরচ মেলাতে হিমশিম খেয়ে অনেক ক্রেতাই কেনাকাটার পরিমাণ কমিয়ে আনতে বাধ্য হচ্ছেন। বিশেষ করে খেটে খাওয়া ও স্বল্প আয়ের মানুষ টিকে থাকতে ডিম, মাছ
ও মাংস কেনার পরিমাণ অর্ধেকে নামিয়ে এনে দিন কাটাচ্ছেন।
১৩০ থেকে ১৪০ টাকা। একইভাবে ব্রয়লার মুরগির দর বেড়ে প্রতি কেজি বিকোচ্ছে ১৯০ থেকে ২০০ টাকায়, যা কিছুদিন আগেও ছিল ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা। সোনালি মুরগির ক্ষেত্রে এই চড়া ভাব আরও বেশি স্পষ্ট। মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে প্রায় ৩০ টাকা লাফিয়ে সোনালি মুরগি এখন বিক্রি হচ্ছে ৩৪০ থেকে ৩৬০ টাকা দরে; যা আগে কেজিপ্রতি ৩০০ থেকে ৩৩০ টাকায় পাওয়া যেত। ব্যবসায়ীদের দাবি, টানা বন্যা, ভারী বৃষ্টিপাত ও মাত্রাতিরিক্ত উত্তাপের কারণে বেশ কয়েকটি খামারের মুরগি মারা গিয়ে লোকসান হয়েছে। ক্ষতির মুখে অনেক খামারি পুনরায় উৎপাদনে যেতে সাহস পাননি। তাছাড়া ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণেও উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সার্বিকভাবে সরবরাহ কমে যাওয়ায় বাজার দর চড়া,
আর পর্যাপ্ত মুরগি না থাকায় ডিমের যোগানও স্বাভাবিকের চেয়ে কমে গেছে। বাংলাদেশ পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশনের (বিপিআইএ) সাধারণ সম্পাদক এম সাফির রহমান জানান, ডিম ও মুরগির মূল্যবৃদ্ধি মূলত চাহিদা ও সরবরাহের ভারসাম্যের ওপর নির্ভর করে। সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যায় বহু লেয়ার খামারি নিঃস্ব হয়ে গেছেন, অনেক খামারের ডিম ও মুরগি পানিতে ভেসে গেছে। ফলে বাজারে সরবরাহ কমায় হঠাৎ দাম এতটা বেড়েছে। মাছের বাজারেও সাধারণ মানুষের জন্য সুখবর নেই। রুই, কাতলা, পাবদা, পাঙাশ ও তেলাপিয়ার মতো পরিচিত মাছগুলোর দাম কেজিতে প্রায় ২০ থেকে ৩০ টাকা বেড়েছে। চাষের পাঙাশ আকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা এবং তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৮০ টাকা কেজি দরে। আড়াই থেকে তিন
কেজি ওজনের রুই ও কাতলা কিনতে ক্রেতাকে গুণতে হচ্ছে কেজিপ্রতি যথাক্রমে ৪০০ এবং ৪২০ টাকা। মাংসের বাজারও বেসামাল। ঢাকার বাজারে গরুর মাংস কিনতে প্রতি কেজিতে খরচ হচ্ছে ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকা, আর খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ১,২০০ থেকে ১,৩০০ টাকা কেজি দরে। ফলে সীমিত ও নিম্ন আয়ের মানুষের পাতে নিয়মিত মাছ-মাংস তোলা কঠিন হয়ে পড়ছে। ভোজ্যতেলের ক্ষেত্রে দাম বাড়ার সঙ্গে তীব্র সরবরাহ-সংকট যুক্ত হয়ে পরিস্থিতি জটিল রূপ নিয়েছে। গত ২ সেপ্টেম্বর সরবরাহকারী কোম্পানিগুলো বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ৫ টাকা বৃদ্ধি করে; ফলে ভোক্তাকে এখন ১৯৯ টাকার বদলে ২০৪ টাকায় এক লিটার বোতলজাত তেল কিনতে হচ্ছে। তবে এই মূল্যবৃদ্ধির পরও ঢাকার অনেক মুদিদোকানে
বোতলজাত তেলের দেখা মিলছে না। ব্যবসায়ীদের ক্ষোভ, টাকা জমা দিয়ে চাহিদা বা অর্ডার পাঠানোর পরও সময়মতো কোম্পানিগুলো থেকে তেল সরবরাহ করা হচ্ছে না। মানিকনগর পুকুরপাড়ের ব্যবসায়ী সোহরাব হোসেন জানান, চাহিদামতো তেল সরবরাহ পাচ্ছে না তার দোকান। বর্তমানে তার এখানে বোতলজাত সয়াবিন তেলের কোনো স্টক নেই। ফলে দোকানে এসে ফেরত যেতে হচ্ছে বহু ক্রেতাকে, কেউ কেউ বাধ্য হয়ে ড্রামের খোলা তেল কিনছেন। কিছু পণ্যের দাম স্থিতিশীল থাকলেও মাছ, মাংস, ডিম ও রান্নার তেলের মূল্যস্ফীতি সামগ্রিক বাজারে অস্থিরতা বজায় রেখেছে। সংসারের খরচ মেলাতে হিমশিম খেয়ে অনেক ক্রেতাই কেনাকাটার পরিমাণ কমিয়ে আনতে বাধ্য হচ্ছেন। বিশেষ করে খেটে খাওয়া ও স্বল্প আয়ের মানুষ টিকে থাকতে ডিম, মাছ
ও মাংস কেনার পরিমাণ অর্ধেকে নামিয়ে এনে দিন কাটাচ্ছেন।



