দেশজুড়ে ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়ার পর পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করল সরকার – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

দেশজুড়ে ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়ার পর পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করল সরকার

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ |
দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ দ্রুত বাড়ছে। হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ বাড়ার পাশাপাশি সেপ্টেম্বরের প্রথম ১১ দিনেই ডেঙ্গুতে মারা গেছেন ৪৪ জন। আগস্টের পুরো মাসে মৃত্যু হয়েছিল ৪৩ জনের। এমন পরিস্থিতিতে আজ শনিবার থেকে দেশব্যাপী শুরু হচ্ছে তিন মাসের ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান। জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ১২ সেপ্টেম্বর থেকে ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে এই অভিযান। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ১১ সেপ্টেম্বরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ৪৯ হাজার ২২০ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে ১৪১ জনের। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৩ হাজার ৪৩৪ জন। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় ৭৯০ জন নতুন রোগী

হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং মারা গেছেন দুজন। সেপ্টেম্বরেই বাড়ছে সংক্রমণ ডেঙ্গুর বর্তমান পরিস্থিতিতে উদ্বেগের বড় কারণ হলো সংক্রমণ ও মৃত্যুর ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা। আগস্টের শেষ সপ্তাহ থেকেই হাসপাতালে রোগী ভর্তির সংখ্যা বাড়তে থাকে। ২৯ আগস্ট এক দিনে ৯৯৬ জন, ৩১ আগস্ট ১ হাজার ১৬৩ জন এবং ১ সেপ্টেম্বর ১ হাজার ৩২৪ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হন। ৬ সেপ্টেম্বর এক দিনে ১ হাজার ৫৫৮ জন হাসপাতালে ভর্তি হন। সেদিন পর্যন্ত এটিই ছিল এ বছরের সর্বোচ্চ দৈনিক ভর্তি। ওই দিন মারা যান চারজন। এর পরের দিনগুলোতে রোগী ভর্তির সংখ্যা আরও বেড়েছে। ৮ সেপ্টেম্বর এক দিনে ১ হাজার ৫৭১ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হন এবং মারা

যান নয়জন। ১০ সেপ্টেম্বর নতুন করে ১ হাজার ৪৯২ জন হাসপাতালে ভর্তি হন, মৃত্যু হয় ছয়জনের। ফলে সেপ্টেম্বরের প্রথম ১১ দিনেই ডেঙ্গুতে মৃত্যু ৪৪ জনে পৌঁছেছে। আগস্টের পুরো মাসে ৪৩ জনের মৃত্যুর তুলনায় সেপ্টেম্বরের প্রথম ১১ দিনের মৃত্যুই বেশি। ৭ সেপ্টেম্বর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল কীটতত্ত্ববিদ অধ্যাপক কবিরুল বাশার বলেন, চলমান প্রবণতা অব্যাহত থাকলে সেপ্টেম্বরে ডেঙ্গুতে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ৩০ হাজার ছাড়াতে পারে। তাঁর পূর্বাভাস অনুযায়ী, ডেঙ্গুর প্রকোপের সর্বোচ্চ পর্যায় তখনো আসেনি। সেপ্টেম্বরের প্রথম ১১ দিনেই ১১ হাজারের বেশি রোগী হাসপাতালে ভর্তি হওয়ায় চলতি মাসে সংক্রমণ আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। ঢাকার বাইরেও ছড়িয়েছে ডেঙ্গু ডেঙ্গুর এবারের পরিস্থিতির আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো এর

বিস্তৃত ভৌগোলিক বিস্তার। সংক্রমণ এখন শুধু রাজধানীকেন্দ্রিক নয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দৈনিক হিসাব অনুযায়ী, ঢাকা বিভাগের পাশাপাশি চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল, ময়মনসিংহ, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগেও নিয়মিত নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। ১১ সেপ্টেম্বরের হিসাব অনুযায়ী, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় ৭৯০ নতুন রোগীর মধ্যে ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ৩৭২ জন ভর্তি হয়েছেন। এ ছাড়া চট্টগ্রামে ১৯৬, ময়মনসিংহে ৭৩, খুলনায় ৬০, রংপুরে ৩৮, রাজশাহীতে ৩৩ এবং বরিশালে ১৮ জন ভর্তি হয়েছেন। সরকারের পক্ষ থেকেও ঢাকার বাইরে ডেঙ্গুর বিস্তার নিয়ে উদ্বেগের কথা বলা হয়েছে। স্থানীয় সরকার বিভাগের প্রতিমন্ত্রী ৯ সেপ্টেম্বর সংসদে বলেন, খুলনা, বরিশাল, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও ময়মনসিংহে ডেঙ্গু পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা না নিলে আগামী তিন

মাসে ডেঙ্গুর প্রকোপ দ্বিগুণ হতে পারে বলেও তিনি সতর্ক করেন। তিন মাসের অভিযান শুরু হচ্ছে আজ সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর ডেঙ্গুর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ সময়। এই সময়কে সামনে রেখে ১২ সেপ্টেম্বর থেকে তিন মাসের বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। কর্মসূচির আওতায় প্রতি শনিবার দেশব্যাপী বিশেষ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। পাশাপাশি সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভাগুলোতে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চলবে। এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল চিহ্নিত করে ধ্বংস করার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, দেশের ৬৪ জেলা ও ৫০৩ উপজেলা এ কর্মসূচির আওতায় থাকবে। সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, স্থানীয় প্রশাসন, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনকে মাঠপর্যায়ের কার্যক্রমে সম্পৃক্ত

করা হবে। তবে সরকারি পরিসংখ্যান বলছে, বিশেষ এই অভিযান শুরুর আগেই ডেঙ্গু সংক্রমণ দ্রুত বাড়তে শুরু করেছিল। আগস্টের শেষ দিকে দৈনিক হাসপাতালে ভর্তি এক হাজারের কাছাকাছি থেকে দ্রুত এক হাজারের ওপরে ওঠে। সেপ্টেম্বরের শুরুতে সেই সংখ্যা আরও বেড়ে দেড় হাজারের কাছাকাছি এবং কোনো কোনো দিনে তার ওপরে চলে যায়। ফলে সংক্রমণ বাড়ার আগেই মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করার প্রয়োজনীয়তা সামনে এসেছে। একই সঙ্গে বর্তমান অভিযানকে নিয়মিত ও দীর্ঘমেয়াদি কার্যক্রমে রূপ দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। শুধু ফগিংয়ে নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয় ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে শুধু ফগিংয়ের ওপর নির্ভর না করে এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেছেন অধ্যাপক কবিরুল বাশার।

রয়টার্সকে তিনি বলেন, যেখানে এডিস মশা প্রজনন করছে, সেসব জায়গাকে লক্ষ্য করে ব্যবস্থা নিতে হবে। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে প্রমাণভিত্তিক ব্যবস্থার ঘাটতিকে তিনি বড় দুর্বলতা হিসেবে উল্লেখ করেন। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে তাই নিয়মিত ফগিংয়ের পাশাপাশি জমে থাকা পানি অপসারণ, পরিত্যক্ত পাত্র ও আবর্জনা সরানো, নির্মাণাধীন ভবন ও বাড়ির ছাদে থাকা পানির উৎস ধ্বংস এবং আক্রান্ত এলাকাভিত্তিক মশকনিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম জোরদার করা প্রয়োজন। কোন এলাকায় এডিস মশার ঘনত্ব বেশি, কোথায় প্রজননস্থল বেশি এবং কোন এলাকায় রোগীর সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে—এসব তথ্যের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া হলে মশকনিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম আরও কার্যকর হতে পারে। হাসপাতালেও বাড়ছে চাপ ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ার প্রভাব পড়ছে হাসপাতালগুলোতেও। ৭ সেপ্টেম্বরের রয়টার্সের প্রতিবেদনে ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় হাসপাতালের শয্যার ওপর বাড়তি চাপের কথা তুলে ধরা হয়। রোগীর সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে স্বাস্থ্যব্যবস্থার ওপরও চাপ বাড়ছে। ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ৩ হাজার ৪৩৪ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন ছিলেন। চলতি বছর এ পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪৯ হাজার ২২০ জন। এর সঙ্গে একই সময়ে দেশে হামের প্রকোপও হাসপাতালগুলোতে বাড়তি চাপ তৈরি করেছে। ফলে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা আরও বাড়লে হাসপাতালগুলোর রোগী ব্যবস্থাপনা সক্ষমতার ওপর চাপ আরও বাড়তে পারে। মশকনিয়ন্ত্রণে প্রস্তুতির ঘাটতিও সামনে ডেঙ্গু পরিস্থিতির অবনতির মধ্যে মাঠপর্যায়ে মশকনিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমের প্রস্তুতি নিয়েও কিছু সমস্যা সামনে এসেছে। সম্প্রতি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন মশা নিধনের কীটনাশকের সংকটে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের কাছ থেকে ১৬ হাজার লিটার মেলাথিয়ন ধার করেছে। দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তারা জানান, ঠিকাদারের কাছ থেকে কীটনাশক সরবরাহে দেরি এবং তা পরীক্ষার প্রক্রিয়ায় সময় লাগায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। ডেঙ্গু পরিস্থিতি দ্রুত অবনতির সময়ে মশকনিয়ন্ত্রণের ওষুধ ও সরঞ্জামের সরবরাহ নির্বিঘ্ন রাখা এবং মাঠপর্যায়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার সক্ষমতা নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। আগস্টেই পরিস্থিতির অবনতি স্পষ্ট চলতি বছরের ডেঙ্গু পরিস্থিতির অবনতির চিত্র আগস্টের শেষ নাগাদই স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ৩১ আগস্ট পর্যন্ত দেশে মোট ৩৫ হাজার ৮৪৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। এই ৩৫ হাজার ৮৪৬ জন আগস্ট মাসের একক রোগী নন; এটি ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত চলতি বছরের মোট হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা। এরপর সেপ্টেম্বরের প্রথম ১১ দিনেই নতুন করে ১১ হাজারের বেশি রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে মারা গেছেন ৪৪ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসে ডেঙ্গুতে মৃত্যু ছিল পাঁচজন। জুনে ১৩, জুলাইয়ে ৩৬ এবং আগস্টে ৪৩ জন মারা যান। সেপ্টেম্বরের প্রথম ১১ দিনেই মৃত্যু হয়েছে আরও ৪৪ জনের। অর্থাৎ, বর্ষার শেষ দিকে এসে ডেঙ্গুর সংক্রমণ ও মৃত্যুর প্রবণতা দ্রুত ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বর্তমান তিন মাসের অভিযানকে কার্যকর করতে মাঠপর্যায়ে নিয়মিত মশকনিয়ন্ত্রণ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের পাশাপাশি তথ্যভিত্তিক নজরদারি জোরদার করা প্রয়োজন। কার্যকারিতা নির্ভর করবে মাঠপর্যায়ের বাস্তবায়নে তিন মাসের কর্মসূচিতে স্থানীয় প্রশাসন, সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করার কথা বলছে সরকার। কর্মসূচির কার্যকারিতা নির্ভর করবে এসব কার্যক্রম কতটা নিয়মিত ও সমন্বিতভাবে বাস্তবায়ন করা যায়, তার ওপর। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে কয়েক দিনের পরিচ্ছন্নতা অভিযান যথেষ্ট নয়। নিয়মিতভাবে মশার প্রজননস্থল শনাক্ত ও ধ্বংস করা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নত করা, জমে থাকা পানি অপসারণ এবং আক্রান্ত এলাকাভিত্তিক মশকনিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম চালিয়ে যেতে হবে। পাশাপাশি এসব কার্যক্রমের ফলাফলও নিয়মিত পরিমাপ করা প্রয়োজন। আজ জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজা থেকে তিন মাসের অভিযান শুরু হচ্ছে। এর সাফল্য শেষ পর্যন্ত উদ্বোধনী আয়োজন বা প্রচার-প্রচারণায় নয়; নতুন রোগী ও মৃত্যুর সংখ্যা কমানো, এডিস মশার প্রজননস্থল নিয়ন্ত্রণ এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মশকনিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমের বাস্তব ফলাফলের মধ্য দিয়ে তা বোঝা যাবে। দেশে ডেঙ্গুর সংক্রমণ যখন দ্রুত বাড়ছে এবং সেপ্টেম্বরের প্রথম ১১ দিনেই মৃত্যুর সংখ্যা আগস্টের পুরো মাসকে ছাড়িয়ে গেছে, তখন শুরু হওয়া এই অভিযান সংকট মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে এবারের পরিস্থিতি ডেঙ্গুর মৌসুম শুরুর আগেই আরও সমন্বিত ও দীর্ঘমেয়াদি প্রস্তুতি নেওয়ার প্রয়োজনীয়তাও স্পষ্ট করেছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
নারায়ণগঞ্জে মসজিদের কোরান শরিফের তাক থেকে ৫ আগস্ট লুট হওয়া পিস্তল ও ২০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার খেলাপি ঋণের চাপে ১৫ ব্যাংকের প্রভিশন ঘাটতি ২ লাখ ২৯ হাজার কোটি টাকা দেশজুড়ে ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়ার পর পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করল সরকার ইংল্যান্ডের সঙ্গে অনুমিতভাবেই হোয়াইটওয়াশ হলো পাকিস্তান রাষ্ট্রায়ত্ত সার কারখানা বন্ধ, আমদানি ব্যয় সমন্বয়ে সারের দাম বৃদ্ধি: বিপর্যয়ে কৃষি, ব্যাহত শস্য উৎপাদন ছাগল চুরির ট্রমায় কাতর মবের হোতারা, দেশের পরিস্থিতি নিয়ে ভাবনা দূর অস্ত মাছ-মুরগি-ডিমের চড়া দাম: বাড়তি টাকা দিয়েও মিলছে না বোতলজাত ভোজ্যতেল ‘কথা বললে সমস্যা হবে’: চট্টগ্রামে বৌদ্ধবিহারে সশস্ত্র হামলা ও লুটপাট দুই বছরে ২৪ পুলিশ সদস্যের আত্মহনন: কেবলই মানসিক চাপ নাকি আরও অনেক কিছু? সাংবাদিক তামিম হত্যা: মন্ত্রী রবিসহ ৯ জনকে পুলিশের অব্যাহতির সুপারিশের বিরুদ্ধে বাদীর নারাজি যুক্তরাষ্ট্রকে হুথিদের উপর হামলার অনুরোধ কোনঠাসা সৌদির: “তোমাদের যুদ্ধে পরামর্শ সহয়তা নিয়ে পাশে আছি” জবাব ট্রাম্পের BRICS সম্মেলনের আগে নয়াদিল্লিতে পুতিন ও পেজেশকিয়ানের ডলার-বিরোধী বার্তা, মোদির নিরাপদ সমুদ্রপথের আহ্বান কোন রকম টেন্ডার ছাড়াই অনেক বেশি মূল্যে তৃতীয় ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের কাজ দেওয়া হলো! খাচানভকে হারিয়ে ইউএস ওপেন ফাইনালে শীর্ষ বাছাই জভেরেভ ‘বিধ্বংসী’ ভিনিসিউসকে ফেরত চান মরিনিয়ো “আমাকে টার্গেট করা হয়েছে” — WHO বিতর্কে নীরবতা ভাঙলেন সায়মা ওয়াজেদ হুথিদের দ্রুত অগ্রযাত্রায় ইয়েমেনের উপকূলীয় এলাকার ৫৪০০ বর্গকিলোমিটার দখল নেত্রকোণায় সকালে শান্তিপূর্ণ মিছিল করা ছাত্রলীগ নেতার বাড়িতে সন্ধ্যায় মব হামলা-লুটপাট ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের নবীনবরণে কনসার্ট আয়োজনে আপত্তি উগ্রবাদী গোষ্ঠীর! পুতিন: ইউরোপের সঙ্গে সংঘাতের কোনো কারণ নেই রাশিয়ার